


লাইট, ক্যামেরা, অ্যাকশন... ফ্ল্যাশব্যাক। আমরা এখন পিছিয়ে যাবো এই সময় থেকে অন্য এক সময়ে। বাংলাদেশের তখন দেড় দশক, যখন ঘরে ঘরে টিভি ছিল না, যখন শাড়ি দিয়ে ঘিরে দেয়া হতো মেয়েদের রিকশা, সোভিয়েত রাশিয়া তখনও ভাঙেনি, হকারেরা তখনও ঘরে ঘরে দিয়ে যায় ‘উদয়ন’, পত্রিকা বলতে সেই ‘ইত্তেফাক’ আর ‘বিচিত্রা’।


বাংলাদেশের অন্যতম ব্যবসাসফল ছবি বেদের মেয়ে জোস্না মুক্তি পেয়েছিল ১৯৮৯ সালে। পরিচালক ছিলেন প্রয়াত তোজাম্মেল হক বকুল। সিনেমাটির বিপুল জনপ্রিয়তা নিয়ে কবি ফরহাদ মজহার তাঁর সম্পাদিত অনিয়মিত পত্রিকা প্রতিপক্ষে একটি দীর্ঘ লেখা লিখেছিলেন। জাতীয় চলচ্চিত্র দিবস উপলক্ষে সেই লেখাটি স্ট্রিম-এ প্রকাশিত হলো।


২০২২ সালের নভেম্বর মাসে ‘বাছবিচার’ পাবলিকেশন থেকে কবি ও ক্রিটিক ইমরুল হাসানের বই ‘অ্যা ক্রিটিক্যাল হিস্ট্রি অফ বাংলাদেশি সিনেমা’ পাবলিশ হয়। এই লেখাটা সেই বইটারই প্রথম চ্যাপ্টার ‘ফ্রম এমেচার-আর্ট টু ইন্ডাস্ট্রি’র কিছু অংশ নিয়া সাজানো হইছে। বাংলাদেশের ফিল্ম আর ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির আর্লি ডেইজগুলা আসলে কে


ডিস্টোপিয়ান সিনেমাগুলো কেবল বিনোদনের জন্য তৈরি হয়নি; এগুলো একধরণের সতর্কবার্তা বা ‘কশনারি টেল’। পরিচালকরা আমাদের দেখাতে চেয়েছিলেন, আমরা যদি এখনই সচেতন না হই, তবে আমাদের গন্তব্য কোথায়। দুর্ভাগ্যবশত, আমরা সেই সতর্কবার্তাগুলোকে কেবল পপকর্ন খাওয়ার অনুষঙ্গ হিসেবেই দেখেছি।




ট্রাম্প প্রশাসনের ইরান অভিযান কি আদতে মার্কিন জনগণের স্বার্থ রক্ষা করছে? এই প্রশ্ন তুলে যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ মানুষের উদ্দেশে এক খোলা চিঠি লিখেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। বুধবার (১ এপ্রিল) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ এই চিঠি পোস্ট করেন তিনি।