


নির্মাতা নূরুল আলম আতিকের সঙ্গে কথোপকথনে উঠে এসেছে তাঁর শুরুর দিন, তারেক মাসুদের সঙ্গে পরিচয়, এনালগ থেকে ডিজিটাল হয়ে ওঠার সময়ের অভিজ্ঞতা এবং বর্তমানের এআই যুগ নিয়ে ভাবনা। একই সঙ্গে তিনি নতুন নির্মাতাদের জন্যও একটি কথা মনে করিয়ে দেন—নিজের মাটির গল্প, নিজের ভাষায় বলার সাহসই সবচেয়ে জরুরি। ঢাকা স্ট্রিমে


ডিস্টোপিয়ান সিনেমাগুলো কেবল বিনোদনের জন্য তৈরি হয়নি; এগুলো একধরণের সতর্কবার্তা বা ‘কশনারি টেল’। পরিচালকরা আমাদের দেখাতে চেয়েছিলেন, আমরা যদি এখনই সচেতন না হই, তবে আমাদের গন্তব্য কোথায়। দুর্ভাগ্যবশত, আমরা সেই সতর্কবার্তাগুলোকে কেবল পপকর্ন খাওয়ার অনুষঙ্গ হিসেবেই দেখেছি।


বাংলাদেশের অন্যতম ব্যবসাসফল ছবি বেদের মেয়ে জোস্না মুক্তি পেয়েছিল ১৯৮৯ সালে। পরিচালক ছিলেন প্রয়াত তোজাম্মেল হক বকুল। সিনেমাটির বিপুল জনপ্রিয়তা নিয়ে কবি ফরহাদ মজহার তাঁর সম্পাদিত অনিয়মিত পত্রিকা প্রতিপক্ষে একটি দীর্ঘ লেখা লিখেছিলেন। জাতীয় চলচ্চিত্র দিবস উপলক্ষে সেই লেখাটি স্ট্রিম-এ প্রকাশিত হলো।


লাইট, ক্যামেরা, অ্যাকশন... ফ্ল্যাশব্যাক। আমরা এখন পিছিয়ে যাবো এই সময় থেকে অন্য এক সময়ে। বাংলাদেশের তখন দেড় দশক, যখন ঘরে ঘরে টিভি ছিল না, যখন শাড়ি দিয়ে ঘিরে দেয়া হতো মেয়েদের রিকশা, সোভিয়েত রাশিয়া তখনও ভাঙেনি, হকারেরা তখনও ঘরে ঘরে দিয়ে যায় ‘উদয়ন’, পত্রিকা বলতে সেই ‘ইত্তেফাক’ আর ‘বিচিত্রা’।


ইরানের আকাশে ০৮ মার্চ থেকে কেবল কালো ধোঁয়া উড়ছে। তেলের শোধনাগারগুলো জ্বলছে। ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধ দ্বিতীয় মাসে গড়িয়েছে। ঠিক এমন সময় শোনা যাচ্ছে, খোদ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের গোয়েন্দা মহলের ভেতরেই এই যুদ্ধ নিয়ে চাপা ক্ষোভ ও অসন্তোষ শুরু হয়েছে।



