স্ট্রিম ডেস্ক

বাণিজ্য শুল্ককে বেআইনি ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্রের নিম্ন আদালতে দেওয়া রায় বাতিলের জন্য সুপ্রিম কোর্টকে অনুরোধ জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
স্থানীয় সময় গতকাল বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাতে ট্রাম্প প্রশাসন একটি পিটিশন দাখিল করে। পিটিশনে গত সপ্তাহে ওয়াশিংটন ডিসিতে ফেডারেল আপিল আদালতের দেওয়া রায় পর্যালোচনার দাবি জানানো হয়। বিভিন্ন দেশের আমদানি পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের বিষয়ে ছিল ওই রায়।
গত শুক্রবার ৭-৪ ভোটে দেওয়া রায়ে আপিল আদালত বলেছে, জরুরি পরিস্থিতিতে জাতীয় স্বার্থে তৈরি করা ১৯৭৭ সালের আইন ব্যবহার করে ট্রাম্প যে শুল্ক আরোপ করেছেন, তা প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্পের ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে।
এই রায় ট্রাম্পের শুল্কনীতির জন্য বড় ধরনের বাধার সৃষ্টি করেছে। তবে ট্রাম্প প্রশাসন যাতে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করার সময় পায়, সেজন্য নিম্ন আদালত চলতি বছরের ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত শুল্ক বহাল রাখার নির্দেশ দিয়েছে।
এই রায়ের পরেই ট্রাম্প তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে লিখেন, ‘যদি এই রায় বহাল থাকে, তাহলে তা যুক্তরাষ্ট্রকে ধ্বংস করে দেবে।’
ট্রাম্প এখন আপিল করেছে এবং সুপ্রিম কোর্ট মামলাটি পর্যালোচনা করবে বলে আশা করা হচ্ছে। ট্রাম্প প্রশাসন আদালতকে অনুরোধ করেছে দ্রুত শুনানি প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য। আগামী ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সুপ্রিম কোর্ট জানাবে তারা মামলা নেবে কিনা। নভেম্বরে মৌখিক যুক্তিতর্ক শোনা হবে।
লিখিত আবেদনে ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে আইনজীবী দ্য জন সাওয়ার বলেন, প্রেসিডেন্ট ও তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যরা মনে করেন, শুল্কনীতি শান্তি ও নজিরবিহীন অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি বয়ে আনছে। আর যদি শুল্ক আরোপের ক্ষমতা অস্বীকার করা হয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র কার্যকর প্রতিরক্ষা ছাড়া বাণিজ্য প্রতিশোধের মুখে পড়বে এবং আবারও অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের কিনারায় চলে যাবে।
শুল্কের বিরুদ্ধে লড়াই করা ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের আইনজীবীরা সরকারের সুপ্রিম কোর্টে শুনানির আবেদনের বিরোধিতা করছেন না। লিবার্টি জাস্টিস সেন্টারের আইনজীবী জেফ্রি শোয়াব বলেন, মামলায় তারাই জিতবেন—এ ব্যাপারে তিনি নিশ্চিত।
এক বিবৃতিতে জেফ্রি শোয়াব জানান, ‘এই বেআইনি শুল্ক ছোট ব্যবসার গুরুতর ক্ষতি করছে এবং তাদের টিকে থাকার ঝুঁকি তৈরি করছে। আমরা আমাদের ক্লায়েন্টদের জন্য দ্রুত সমাধান আশা করি।’
ব্লুমবার্গ ইকনমিক্স-এর বিশ্লেষক ক্রিস কেনেডির মতে, ট্রাম্প আদালতে হেরে গেলে, যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান কার্যকর গড় শুল্কহার ১৬ দশমিক ৩ শতাংশ থেকে অন্তত অর্ধেকে নেমে আসবে এবং দেশটিকে কয়েক দশকের বিলিয়ন ডলার ফেরত দিতে বাধ্য হতে হবে। এছাড়া যুক্তরাজ্য ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সঙ্গে স্বাক্ষরিত প্রাথমিক বাণিজ্য চুক্তিগুলোও ভেস্তে যেতে পারে।

বাণিজ্য শুল্ককে বেআইনি ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্রের নিম্ন আদালতে দেওয়া রায় বাতিলের জন্য সুপ্রিম কোর্টকে অনুরোধ জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
স্থানীয় সময় গতকাল বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাতে ট্রাম্প প্রশাসন একটি পিটিশন দাখিল করে। পিটিশনে গত সপ্তাহে ওয়াশিংটন ডিসিতে ফেডারেল আপিল আদালতের দেওয়া রায় পর্যালোচনার দাবি জানানো হয়। বিভিন্ন দেশের আমদানি পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের বিষয়ে ছিল ওই রায়।
গত শুক্রবার ৭-৪ ভোটে দেওয়া রায়ে আপিল আদালত বলেছে, জরুরি পরিস্থিতিতে জাতীয় স্বার্থে তৈরি করা ১৯৭৭ সালের আইন ব্যবহার করে ট্রাম্প যে শুল্ক আরোপ করেছেন, তা প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্পের ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে।
এই রায় ট্রাম্পের শুল্কনীতির জন্য বড় ধরনের বাধার সৃষ্টি করেছে। তবে ট্রাম্প প্রশাসন যাতে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করার সময় পায়, সেজন্য নিম্ন আদালত চলতি বছরের ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত শুল্ক বহাল রাখার নির্দেশ দিয়েছে।
এই রায়ের পরেই ট্রাম্প তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে লিখেন, ‘যদি এই রায় বহাল থাকে, তাহলে তা যুক্তরাষ্ট্রকে ধ্বংস করে দেবে।’
ট্রাম্প এখন আপিল করেছে এবং সুপ্রিম কোর্ট মামলাটি পর্যালোচনা করবে বলে আশা করা হচ্ছে। ট্রাম্প প্রশাসন আদালতকে অনুরোধ করেছে দ্রুত শুনানি প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য। আগামী ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সুপ্রিম কোর্ট জানাবে তারা মামলা নেবে কিনা। নভেম্বরে মৌখিক যুক্তিতর্ক শোনা হবে।
লিখিত আবেদনে ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে আইনজীবী দ্য জন সাওয়ার বলেন, প্রেসিডেন্ট ও তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যরা মনে করেন, শুল্কনীতি শান্তি ও নজিরবিহীন অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি বয়ে আনছে। আর যদি শুল্ক আরোপের ক্ষমতা অস্বীকার করা হয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র কার্যকর প্রতিরক্ষা ছাড়া বাণিজ্য প্রতিশোধের মুখে পড়বে এবং আবারও অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের কিনারায় চলে যাবে।
শুল্কের বিরুদ্ধে লড়াই করা ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের আইনজীবীরা সরকারের সুপ্রিম কোর্টে শুনানির আবেদনের বিরোধিতা করছেন না। লিবার্টি জাস্টিস সেন্টারের আইনজীবী জেফ্রি শোয়াব বলেন, মামলায় তারাই জিতবেন—এ ব্যাপারে তিনি নিশ্চিত।
এক বিবৃতিতে জেফ্রি শোয়াব জানান, ‘এই বেআইনি শুল্ক ছোট ব্যবসার গুরুতর ক্ষতি করছে এবং তাদের টিকে থাকার ঝুঁকি তৈরি করছে। আমরা আমাদের ক্লায়েন্টদের জন্য দ্রুত সমাধান আশা করি।’
ব্লুমবার্গ ইকনমিক্স-এর বিশ্লেষক ক্রিস কেনেডির মতে, ট্রাম্প আদালতে হেরে গেলে, যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান কার্যকর গড় শুল্কহার ১৬ দশমিক ৩ শতাংশ থেকে অন্তত অর্ধেকে নেমে আসবে এবং দেশটিকে কয়েক দশকের বিলিয়ন ডলার ফেরত দিতে বাধ্য হতে হবে। এছাড়া যুক্তরাজ্য ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সঙ্গে স্বাক্ষরিত প্রাথমিক বাণিজ্য চুক্তিগুলোও ভেস্তে যেতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি ইরানের জ্বালানি তেলের নিয়ন্ত্রণ নিতে চান। সেই সঙ্গে দেশটির খার্গ দ্বীপেও কর্তৃত্ব চান। রোববার (২৯ মার্চ) ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমন মন্তব্য করেন তিনি। খবর বিবিসির।
২ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের ‘দ্রুত ও স্থায়ী’ সমাধান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে চার শক্তিধর রাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (২৯ মার্চ) সৌদি আরব, তুরস্ক ও মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসেন পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র
১২ ঘণ্টা আগে
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে মার্কিন ও ইসরায়েলি যৌথ সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ২৫০ জন শিক্ষার্থী ও শিক্ষক নিহত হয়েছেন। এই সময়ে দেশটির অন্তত ৬০০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানের শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
১৪ ঘণ্টা আগে
ওসামা বিন লাদেনকে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে একসময় পাকিস্তানকে আন্তর্জাতিকভাবে একপ্রকার একঘরে করে দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। সেই পাকিস্তান এখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কার্যকর ভূমিকা পালন করছে।
১৫ ঘণ্টা আগে