স্ট্রিম ডেস্ক

জরুরি অবস্থার আইন ব্যবহার করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যেসব বৈশ্বিক শুল্ক আরোপ করেছিলেন, তা অবৈধ ঘোষণা করে বাতিল করে দিয়েছে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। এ রায়ের ফলে বাংলাদেশসহ যেসব দেশের সঙ্গে ট্রাম্প সরকার রেসিপ্রকাল ট্যারিফ-সংক্রান্ত বিষয়ে চুক্তি করেছিলো, সেসব চুক্তি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালতের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ১৯৭৭ সালের আন্তর্জাতিক জরুরি অর্থনৈতিক ক্ষমতা আইন (আইইইপিএ) ব্যবহার করে ট্রাম্প যে শুল্ক আরোপ করেছেন, তা তাঁর এখতিয়ারবহির্ভূত। প্রধান বিচারপতি জন রবার্টসের নেতৃত্বে ৬-৩ ব্যবধানের এই রায়ে আদালত নিম্ন আদালতের সিদ্ধান্তকেই বহাল রেখেছে।
আদালত বলেছে, সংবিধান অনুযায়ী শুল্ক আরোপের ক্ষমতা একমাত্র কংগ্রেসের। ট্রাম্প প্রশাসন জরুরি আইনের ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে কংগ্রেসের ক্ষমতায় হস্তক্ষেপ করেছে। ট্রাম্পের নিজের নিয়োগ করা বিচারপতি নিল গোরসাচ এবং অ্যামি কোনি ব্যারেটও এই রায়ে ট্রাম্পের বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন।
এই রায়ের ফলে বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পেন-হোয়ার্টন বাজেট মডেলের অর্থনীতিবিদদের মতে, এই আইনের আওতায় ট্রাম্প প্রশাসন ইতিমধ্যে ১৭৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি শুল্ক আদায় করেছে, যা এখন ফেরত দিতে হতে পারে।
দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প ‘বাণিজ্য ঘাটতি’ এবং ফেন্টানাইল বা মাদক পাচার রোধের অজুহাতে চীন, কানাডা, মেক্সিকোসহ প্রায় সব বাণিজ্যিক অংশীদারের ওপর চড়া শুল্ক আরোপ করেছিলেন। তিনি একে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক সুরক্ষার জন্য অপরিহার্য বলে দাবি করে আসছিলেন।
রায়ের প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্প প্রশাসন এখন বিকল্প পথের সন্ধান করছে। ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে অন্য কোনো আইনের আওতায় শুল্ক বহাল রাখার চেষ্টা করা হবে। তবে আইইইপিএ আইনের মতো নমনীয় সুবিধা অন্য আইনে পাওয়া কঠিন হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
উল্লেখ্য, ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর দ্বিতীয় মেয়াদের প্রথম দিনেই—২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি—আইইইপিএ ব্যবহার করে মেক্সিকো ও কানাডার ওপর ২৫ শতাংশ এবং চীনের ওপর অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন। এর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য আদালতে (সিআইটি) বিভিন্ন বাণিজ্যিক সংগঠন ও আমদানিকারকদের পক্ষ থেকে একাধিক মামলা দায়ের করা হয়। মামলাকারীদের মূল দাবি ছিল, প্রেসিডেন্ট জাতীয় জরুরি অবস্থার অজুহাত দিয়ে কংগ্রেসের একচ্ছত্র কর ও শুল্ক আরোপের সাংবিধানিক ক্ষমতায় নগ্ন হস্তক্ষেপ করছেন।
দীর্ঘ শুনানির পর ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে নিম্ন আদালত ট্রাম্পের এই শুল্ক নীতিকে অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেয়। ট্রাম্প প্রশাসন তাৎক্ষণিকভাবে এই রায়ের বিরুদ্ধে মার্কিন সুপ্রিম কোর্টে আপিল করে এবং যুক্তি দেয় যে, ফেন্টানাইল পাচার ও সীমান্ত অনুপ্রবেশ রোধে এই শুল্ক একটি কার্যকর অস্ত্র। সুপ্রিম কোর্ট ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে শুনানির জন্য আপিলটি গ্রহণ করে এবং ২০ ফেব্রুয়ারি ৬-৩ ব্যবধানে দেওয়া রায়ে নিম্ন আদালতের সিদ্ধান্তই বহাল রাখে।
মার্কিন আদালতের রায়ের পর এক প্রতিক্রিয়ায় বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান ঢাকা স্ট্রিমকে বলেন, 'এই বাতিলের বিষয়টি সারা বিশ্বের অর্থনীতির জন্য ভালো খবর। মার্কিন আদালতের এই রায়ের ফলে বাংলাদেশসহ যেসব দেশের সঙ্গে ট্রাম্প সরকার রেসিপ্রকাল ট্যারিফ-সংক্রান্ত বিষয়ে চুক্তি করেছিলো, সেসব চুক্তি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে। ফলে কোন দেশকে ট্রাম্পের শর্তের বেড়াজালে পড়া লাগবে না।'

জরুরি অবস্থার আইন ব্যবহার করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যেসব বৈশ্বিক শুল্ক আরোপ করেছিলেন, তা অবৈধ ঘোষণা করে বাতিল করে দিয়েছে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। এ রায়ের ফলে বাংলাদেশসহ যেসব দেশের সঙ্গে ট্রাম্প সরকার রেসিপ্রকাল ট্যারিফ-সংক্রান্ত বিষয়ে চুক্তি করেছিলো, সেসব চুক্তি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালতের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ১৯৭৭ সালের আন্তর্জাতিক জরুরি অর্থনৈতিক ক্ষমতা আইন (আইইইপিএ) ব্যবহার করে ট্রাম্প যে শুল্ক আরোপ করেছেন, তা তাঁর এখতিয়ারবহির্ভূত। প্রধান বিচারপতি জন রবার্টসের নেতৃত্বে ৬-৩ ব্যবধানের এই রায়ে আদালত নিম্ন আদালতের সিদ্ধান্তকেই বহাল রেখেছে।
আদালত বলেছে, সংবিধান অনুযায়ী শুল্ক আরোপের ক্ষমতা একমাত্র কংগ্রেসের। ট্রাম্প প্রশাসন জরুরি আইনের ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে কংগ্রেসের ক্ষমতায় হস্তক্ষেপ করেছে। ট্রাম্পের নিজের নিয়োগ করা বিচারপতি নিল গোরসাচ এবং অ্যামি কোনি ব্যারেটও এই রায়ে ট্রাম্পের বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন।
এই রায়ের ফলে বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পেন-হোয়ার্টন বাজেট মডেলের অর্থনীতিবিদদের মতে, এই আইনের আওতায় ট্রাম্প প্রশাসন ইতিমধ্যে ১৭৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি শুল্ক আদায় করেছে, যা এখন ফেরত দিতে হতে পারে।
দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প ‘বাণিজ্য ঘাটতি’ এবং ফেন্টানাইল বা মাদক পাচার রোধের অজুহাতে চীন, কানাডা, মেক্সিকোসহ প্রায় সব বাণিজ্যিক অংশীদারের ওপর চড়া শুল্ক আরোপ করেছিলেন। তিনি একে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক সুরক্ষার জন্য অপরিহার্য বলে দাবি করে আসছিলেন।
রায়ের প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্প প্রশাসন এখন বিকল্প পথের সন্ধান করছে। ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে অন্য কোনো আইনের আওতায় শুল্ক বহাল রাখার চেষ্টা করা হবে। তবে আইইইপিএ আইনের মতো নমনীয় সুবিধা অন্য আইনে পাওয়া কঠিন হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
উল্লেখ্য, ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর দ্বিতীয় মেয়াদের প্রথম দিনেই—২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি—আইইইপিএ ব্যবহার করে মেক্সিকো ও কানাডার ওপর ২৫ শতাংশ এবং চীনের ওপর অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন। এর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য আদালতে (সিআইটি) বিভিন্ন বাণিজ্যিক সংগঠন ও আমদানিকারকদের পক্ষ থেকে একাধিক মামলা দায়ের করা হয়। মামলাকারীদের মূল দাবি ছিল, প্রেসিডেন্ট জাতীয় জরুরি অবস্থার অজুহাত দিয়ে কংগ্রেসের একচ্ছত্র কর ও শুল্ক আরোপের সাংবিধানিক ক্ষমতায় নগ্ন হস্তক্ষেপ করছেন।
দীর্ঘ শুনানির পর ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে নিম্ন আদালত ট্রাম্পের এই শুল্ক নীতিকে অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেয়। ট্রাম্প প্রশাসন তাৎক্ষণিকভাবে এই রায়ের বিরুদ্ধে মার্কিন সুপ্রিম কোর্টে আপিল করে এবং যুক্তি দেয় যে, ফেন্টানাইল পাচার ও সীমান্ত অনুপ্রবেশ রোধে এই শুল্ক একটি কার্যকর অস্ত্র। সুপ্রিম কোর্ট ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে শুনানির জন্য আপিলটি গ্রহণ করে এবং ২০ ফেব্রুয়ারি ৬-৩ ব্যবধানে দেওয়া রায়ে নিম্ন আদালতের সিদ্ধান্তই বহাল রাখে।
মার্কিন আদালতের রায়ের পর এক প্রতিক্রিয়ায় বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান ঢাকা স্ট্রিমকে বলেন, 'এই বাতিলের বিষয়টি সারা বিশ্বের অর্থনীতির জন্য ভালো খবর। মার্কিন আদালতের এই রায়ের ফলে বাংলাদেশসহ যেসব দেশের সঙ্গে ট্রাম্প সরকার রেসিপ্রকাল ট্যারিফ-সংক্রান্ত বিষয়ে চুক্তি করেছিলো, সেসব চুক্তি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে। ফলে কোন দেশকে ট্রাম্পের শর্তের বেড়াজালে পড়া লাগবে না।'

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি ইরানের জ্বালানি তেলের নিয়ন্ত্রণ নিতে চান। সেই সঙ্গে দেশটির খার্গ দ্বীপেও কর্তৃত্ব চান। রোববার (২৯ মার্চ) ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমন মন্তব্য করেন তিনি। খবর বিবিসির।
১৪ মিনিট আগে
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের ‘দ্রুত ও স্থায়ী’ সমাধান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে চার শক্তিধর রাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (২৯ মার্চ) সৌদি আরব, তুরস্ক ও মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসেন পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র
১০ ঘণ্টা আগে
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে মার্কিন ও ইসরায়েলি যৌথ সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ২৫০ জন শিক্ষার্থী ও শিক্ষক নিহত হয়েছেন। এই সময়ে দেশটির অন্তত ৬০০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানের শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
১২ ঘণ্টা আগে
ওসামা বিন লাদেনকে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে একসময় পাকিস্তানকে আন্তর্জাতিকভাবে একপ্রকার একঘরে করে দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। সেই পাকিস্তান এখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কার্যকর ভূমিকা পালন করছে।
১৪ ঘণ্টা আগে