খরায় যখন আকাশ নিশ্চুপ, মাটি ফেটে যায় রুক্ষ প্রতীক্ষায়—তখনই জেগে ওঠে বাংলার জনপদের ঘরে ঘরে জমে-থাকা প্রার্থনার সুর। চিরকালীন এক মেলবন্ধন—প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের, জল আর জীবনের। আর সেই সেতুবন্ধনেই গড়ে উঠেছে বাংলার বৃষ্টিডাকা উৎসব ও লোকাচার—যা কেবল এক সময়ের ধর্মীয় বা সামাজিক আচার নয়, বরং শতাব্দীজুড়ে বাংলার আত্মার শব্দ।
ঊর্মি শর্মা

মেঘ ডাকেনা, বাতাস যেন ভুলে যায় গান—ঠিক সেই নির্জন নিঃসঙ্গতা ভেদ করে বাংলার মাটিতে উঠতে থাকে প্রাচীন কণ্ঠের গুঞ্জন। কখনও “আষাঢ়স্য প্রথম দিবসে” কৃষ্ণচূড়ার নিচে দাঁড়িয়ে কেউ গেয়ে ওঠে—“বৃষ্টির জন্য বরণ কইরো মা”, কখনও বা মাঠে-মাঠে ছোট ছোট মেয়েদের “আষাঢ়ে গান”। সেসব আচার—যেমন “মেঘবান্ধা”, “বানভাসান”, বা “বর্ষা আহ্বান”—একেকটি যেন বর্ষার প্রতীক্ষায় লেখা কবিতা।
লোকবিশ্বাস বলে, এমন আচার করলে আকাশ নরম হয়। মেঘ জমে, নেচে ওঠে ফসলের আশা। শিশুরা গেয়ে গেয়ে বাড়ি বাড়ি ঘোরে, কখনও মাটিতে জল ঢেলে ‘বৃষ্টির প্রতীক’ গড়ে। আবার কোথাও গ্রামের প্রবীণ নারী—যার গলায় বহু যুগের সুর জমে আছে—তুলে ধরেন সেই “আউল-বাউল” সুর, যেখানে ঈশ্বর আর প্রকৃতি একাকার।
বৃষ্টি বাংলার শুধু মৌসুমি প্রয়োজন নয়—এ এক আবেগ, এক আত্মীয়তা। তাই তো বর্ষা এসেছে মানেই শুধু ধানচাষের মৌসুম নয়, এ মানেই জীবনের নতুন ভাষা। নৌকা বাইচ, রাখালিয়া গান, পদ্মার পাড়ে বসে বাউলের একতারা—সব মিলিয়ে বর্ষা বাংলার লোকজ জীবনের প্রধান অনুষঙ্গ হয়ে ওঠে।
যখন আধুনিকতা বৃষ্টির হিসাব রাখে গ্রাফ আর উপগ্রহে, তখনও বাংলার কোনো এক গ্রামে, এক শিশুর হাত ধরে তার ঠাকুমা মেঘ ডাকার সুর শেখায়। তাতে হয়তো বিজ্ঞান নেই, কিন্তু থাকে বিশ্বাস, মাটির ঘ্রাণ, আর বেঁচে থাকার অপার আশা।

বাংলার গ্রামীণ সমাজে খরার সময় ব্যাঙের বিয়ে দেওয়ার রীতি বহুল প্রচলিত। লোকবিশ্বাস অনুযায়ী ব্যাঙ হচ্ছে বর্ষার দূত। কথিত আছে, ব্যাঙের বিয়ে হলেই বরুণ দেবতা সন্তুষ্ট হন। আর আশীর্বাদ হিসেবে নামে বৃষ্টি। ব্যাঙের জন্য আয়োজন হয় সত্যিকারের বিয়ের মতো-টোপর, হলুদ, শঙ্খধ্বনি, কুলোর পাত্র। গ্রামের শিশু থেকে বৃদ্ধ এই আয়োজনে অংশ নেন সকলেই।
বৃষ্টি কামনায় গ্রামের সবচেয়ে উঁচু তালগাছের নিচে আয়োজন হয় ‘শিন্নি’র। সবাই মিলে খিচুড়ি রান্না করেন, পরিবেশন করা হয় কলাপাতায়। রান্নার আগে ও পরে চলে মোনাজাত বা প্রার্থনা-বৃষ্টির জন্য। এই শিন্নি শুধু ভোজন নয়, বরং সমবেত আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। এতে গ্রামের সবাই একত্রিত হন, একসঙ্গে ভাগাভাগি করেন সংকট ও আশার অনুভূতি।

খরার সময় গ্রামের মেয়েরা শুকনো উঠোনে পানি ঢেলে কাদা তৈরি করেন। সবাই মিলে কাদায় নাচেন। গানের তালে একে অপরকে মাখিয়ে দেন কাদা। এটি একদিকে যেমন কিশোরী-তরুণীদের খেলার আনন্দ, তেমনি প্রকৃতির প্রতি এক ধরনের প্রতিবাদ-‘তুমি নীরব, আমরা তো নই!’ এই আচার প্রকৃতির নিরবতা ভাঙার এক প্রতীকী প্রয়াস।
উত্তরবঙ্গের নারীদের মধ্যে প্রচলিত এই পূজা একান্তই নারীদের আয়োজন। এখানে কলাগাছ, ফিঙে পাখির বাসা, ঘট, কুলার মাধ্যমে মেঘের দেবতা ‘হুদুম’কে আহ্বান জানানো হয়। নারীরা গেয়ে ওঠেন- “হুদুম দ্যাও, এক ছলকা পানি দ্যাও...”
এই গানে ফুটে ওঠে কষ্ট, কামনা, আর বৃষ্টির জন্য আকুলতা। পুরুষদের প্রবেশ নিষিদ্ধ, ফলে এটি নারীর অভ্যন্তরীণ জগতে বৃষ্টির জন্য একান্ত প্রার্থনা।
দেশের মুসলিম সম্প্রদায়ে অনাবৃষ্টির সময় খোলা মাঠে ইসতিসকার নামাজ আদায় করা হয়। সবাই একত্রিত হয়ে আল্লাহর কাছে বৃষ্টির জন্য মোনাজাত করেন। এটি শুধু ধর্মীয় আচার নয়, বরং মানবিক দুর্দশা ও ঈশ্বরের প্রতি আস্থার এক গভীর প্রকাশ।
‘কুলা নামানি’ বাংলার আরেকটি লোকাচার। কিশোরীরা সাদা চুন ও কালি দিয়ে মুখে মেঘের প্রতীক আঁকে, মাথায় ধান, ফুল, কাকের বাসা দিয়ে সাজানো কুলা নেয়। তারা দলবেঁধে বাড়ি বাড়ি ঘুরে গান গায়, চাঁদা তোলে, খিচুড়ি রান্না করে। এই উৎসব যেন এক গ্রামীণ নাট্যমঞ্চ, যেখানে প্রতিটি শিশু-তরুণী একেকটি মেঘের প্রতীক।
৫-৯ বছরের মেয়েরা উঠানে ছোট পুকুর খনন করে, তাতে তুলসী, দূর্বা, চন্দন দিয়ে সাজায়। তারা বিশ্বাস করে, এই পুকুরে স্নান করলে বা জল দিলে বৃষ্টি আসবে। এটি একদিকে যেমন প্রতীকী প্রকৃতি, তেমনি শিশুমন ও প্রকৃতির বন্ধনের এক অনন্য নিদর্শন।
বাংলার পাহাড়ি অঞ্চলে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে ‘হুদমা’ দেবতার নামে গান গাওয়ার রীতি আছে। শিশুরা, কিশোরীরা দলবেঁধে রাতের আঁধারে গান গায়, বিশ্বাস করে এতে হুদমা দেবতা সন্তুষ্ট হয়ে বৃষ্টি দেবেন। এটি প্রকৃতিকে সন্তুষ্ট করার আধ্যাত্মিক প্রয়াস।
বাংলার মানুষের কাছে বৃষ্টি শুধু জলবায়ুর ঘটনা নয়, আশা-নিরাশার, সংস্কৃতি-পরম্পরার প্রশ্ন। লোকসংস্কৃতির এই আয়োজনগুলো কেবল ধর্মীয় বা সামাজিক নয়, বরং প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের চিরন্তন সম্পর্কের স্মারক। আধুনিক বিজ্ঞানের যুগে এসব রীতি হয়তো অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু তারা আজও স্মরণ করিয়ে দেয় যখন যুক্তি থেমে যায়, তখন গান, ছড়া, নাট্য, প্রার্থনা, কল্পনা এগিয়ে আসে মেঘ ডাকার জন্য। বাংলার এই লোকজ আয়োজন তাই আমাদের শিকড়, আমাদের চেতনার বৃষ্টি।

মেঘ ডাকেনা, বাতাস যেন ভুলে যায় গান—ঠিক সেই নির্জন নিঃসঙ্গতা ভেদ করে বাংলার মাটিতে উঠতে থাকে প্রাচীন কণ্ঠের গুঞ্জন। কখনও “আষাঢ়স্য প্রথম দিবসে” কৃষ্ণচূড়ার নিচে দাঁড়িয়ে কেউ গেয়ে ওঠে—“বৃষ্টির জন্য বরণ কইরো মা”, কখনও বা মাঠে-মাঠে ছোট ছোট মেয়েদের “আষাঢ়ে গান”। সেসব আচার—যেমন “মেঘবান্ধা”, “বানভাসান”, বা “বর্ষা আহ্বান”—একেকটি যেন বর্ষার প্রতীক্ষায় লেখা কবিতা।
লোকবিশ্বাস বলে, এমন আচার করলে আকাশ নরম হয়। মেঘ জমে, নেচে ওঠে ফসলের আশা। শিশুরা গেয়ে গেয়ে বাড়ি বাড়ি ঘোরে, কখনও মাটিতে জল ঢেলে ‘বৃষ্টির প্রতীক’ গড়ে। আবার কোথাও গ্রামের প্রবীণ নারী—যার গলায় বহু যুগের সুর জমে আছে—তুলে ধরেন সেই “আউল-বাউল” সুর, যেখানে ঈশ্বর আর প্রকৃতি একাকার।
বৃষ্টি বাংলার শুধু মৌসুমি প্রয়োজন নয়—এ এক আবেগ, এক আত্মীয়তা। তাই তো বর্ষা এসেছে মানেই শুধু ধানচাষের মৌসুম নয়, এ মানেই জীবনের নতুন ভাষা। নৌকা বাইচ, রাখালিয়া গান, পদ্মার পাড়ে বসে বাউলের একতারা—সব মিলিয়ে বর্ষা বাংলার লোকজ জীবনের প্রধান অনুষঙ্গ হয়ে ওঠে।
যখন আধুনিকতা বৃষ্টির হিসাব রাখে গ্রাফ আর উপগ্রহে, তখনও বাংলার কোনো এক গ্রামে, এক শিশুর হাত ধরে তার ঠাকুমা মেঘ ডাকার সুর শেখায়। তাতে হয়তো বিজ্ঞান নেই, কিন্তু থাকে বিশ্বাস, মাটির ঘ্রাণ, আর বেঁচে থাকার অপার আশা।

বাংলার গ্রামীণ সমাজে খরার সময় ব্যাঙের বিয়ে দেওয়ার রীতি বহুল প্রচলিত। লোকবিশ্বাস অনুযায়ী ব্যাঙ হচ্ছে বর্ষার দূত। কথিত আছে, ব্যাঙের বিয়ে হলেই বরুণ দেবতা সন্তুষ্ট হন। আর আশীর্বাদ হিসেবে নামে বৃষ্টি। ব্যাঙের জন্য আয়োজন হয় সত্যিকারের বিয়ের মতো-টোপর, হলুদ, শঙ্খধ্বনি, কুলোর পাত্র। গ্রামের শিশু থেকে বৃদ্ধ এই আয়োজনে অংশ নেন সকলেই।
বৃষ্টি কামনায় গ্রামের সবচেয়ে উঁচু তালগাছের নিচে আয়োজন হয় ‘শিন্নি’র। সবাই মিলে খিচুড়ি রান্না করেন, পরিবেশন করা হয় কলাপাতায়। রান্নার আগে ও পরে চলে মোনাজাত বা প্রার্থনা-বৃষ্টির জন্য। এই শিন্নি শুধু ভোজন নয়, বরং সমবেত আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। এতে গ্রামের সবাই একত্রিত হন, একসঙ্গে ভাগাভাগি করেন সংকট ও আশার অনুভূতি।

খরার সময় গ্রামের মেয়েরা শুকনো উঠোনে পানি ঢেলে কাদা তৈরি করেন। সবাই মিলে কাদায় নাচেন। গানের তালে একে অপরকে মাখিয়ে দেন কাদা। এটি একদিকে যেমন কিশোরী-তরুণীদের খেলার আনন্দ, তেমনি প্রকৃতির প্রতি এক ধরনের প্রতিবাদ-‘তুমি নীরব, আমরা তো নই!’ এই আচার প্রকৃতির নিরবতা ভাঙার এক প্রতীকী প্রয়াস।
উত্তরবঙ্গের নারীদের মধ্যে প্রচলিত এই পূজা একান্তই নারীদের আয়োজন। এখানে কলাগাছ, ফিঙে পাখির বাসা, ঘট, কুলার মাধ্যমে মেঘের দেবতা ‘হুদুম’কে আহ্বান জানানো হয়। নারীরা গেয়ে ওঠেন- “হুদুম দ্যাও, এক ছলকা পানি দ্যাও...”
এই গানে ফুটে ওঠে কষ্ট, কামনা, আর বৃষ্টির জন্য আকুলতা। পুরুষদের প্রবেশ নিষিদ্ধ, ফলে এটি নারীর অভ্যন্তরীণ জগতে বৃষ্টির জন্য একান্ত প্রার্থনা।
দেশের মুসলিম সম্প্রদায়ে অনাবৃষ্টির সময় খোলা মাঠে ইসতিসকার নামাজ আদায় করা হয়। সবাই একত্রিত হয়ে আল্লাহর কাছে বৃষ্টির জন্য মোনাজাত করেন। এটি শুধু ধর্মীয় আচার নয়, বরং মানবিক দুর্দশা ও ঈশ্বরের প্রতি আস্থার এক গভীর প্রকাশ।
‘কুলা নামানি’ বাংলার আরেকটি লোকাচার। কিশোরীরা সাদা চুন ও কালি দিয়ে মুখে মেঘের প্রতীক আঁকে, মাথায় ধান, ফুল, কাকের বাসা দিয়ে সাজানো কুলা নেয়। তারা দলবেঁধে বাড়ি বাড়ি ঘুরে গান গায়, চাঁদা তোলে, খিচুড়ি রান্না করে। এই উৎসব যেন এক গ্রামীণ নাট্যমঞ্চ, যেখানে প্রতিটি শিশু-তরুণী একেকটি মেঘের প্রতীক।
৫-৯ বছরের মেয়েরা উঠানে ছোট পুকুর খনন করে, তাতে তুলসী, দূর্বা, চন্দন দিয়ে সাজায়। তারা বিশ্বাস করে, এই পুকুরে স্নান করলে বা জল দিলে বৃষ্টি আসবে। এটি একদিকে যেমন প্রতীকী প্রকৃতি, তেমনি শিশুমন ও প্রকৃতির বন্ধনের এক অনন্য নিদর্শন।
বাংলার পাহাড়ি অঞ্চলে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে ‘হুদমা’ দেবতার নামে গান গাওয়ার রীতি আছে। শিশুরা, কিশোরীরা দলবেঁধে রাতের আঁধারে গান গায়, বিশ্বাস করে এতে হুদমা দেবতা সন্তুষ্ট হয়ে বৃষ্টি দেবেন। এটি প্রকৃতিকে সন্তুষ্ট করার আধ্যাত্মিক প্রয়াস।
বাংলার মানুষের কাছে বৃষ্টি শুধু জলবায়ুর ঘটনা নয়, আশা-নিরাশার, সংস্কৃতি-পরম্পরার প্রশ্ন। লোকসংস্কৃতির এই আয়োজনগুলো কেবল ধর্মীয় বা সামাজিক নয়, বরং প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের চিরন্তন সম্পর্কের স্মারক। আধুনিক বিজ্ঞানের যুগে এসব রীতি হয়তো অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু তারা আজও স্মরণ করিয়ে দেয় যখন যুক্তি থেমে যায়, তখন গান, ছড়া, নাট্য, প্রার্থনা, কল্পনা এগিয়ে আসে মেঘ ডাকার জন্য। বাংলার এই লোকজ আয়োজন তাই আমাদের শিকড়, আমাদের চেতনার বৃষ্টি।

স্বাক্ষরটি বেশ বড়, স্পষ্ট আর নজরকাড়া। বহু বছর ধরেই তাঁর এই স্বাক্ষরটি মানুষের মনোযোগ আকর্ষণ করে আসছে। ট্রাম্প নিজেও নিজের স্বাক্ষর নিয়ে বেশ গর্বিত। ২০২৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর সামরিক নেতাদের উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে তিনি বলেছিলেন, ‘আমি আমার স্বাক্ষর খুব ভালোবাসি, সত্যি বলছি। সবাই আমার স্বাক্ষর পছন্দ করে।
১৬ ঘণ্টা আগে
কিছুদিন আগেই মাইগ্রেনের ব্যথায় মৃত্যুবরণ করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ইউএনও। মাইগ্রেন আর সাধারণ মাথাব্যথা যে এক জিনিস নয়, এ ব্যাপারে বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিত হয়েছেন ঠিকই কিন্তু এই ব্যথা কেন হয় বা কীভাবে এই ব্যথাকে জীবন থেকে পুরোপুরি বিদায় করা যায়, তা নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা কাটেনি।
১৭ ঘণ্টা আগে
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই চ্যাটবট মানুষের একাকীত্ব কমাতে বেশ সাহায্য করে। বিশেষ করে যাদের আশেপাশে কথা বলার মতো কেউ নেই, তাদের জন্য এটি খুব উপকারী।
২ দিন আগে
আমাদের আশেপাশে এমন অনেক মানুষ আছেন, যারা অন্যদের সঙ্গে মেলামেশা করতে কিংবা আড্ডা দিতে খুব পছন্দ করেন। এই মানুষদের আমরা ‘সামাজিক মানুষ’ বলে জানি। তাদের নিয়ে সাধারণত কারও কোনো দুশ্চিন্তা বা অভিযোগ থাকে না। কিন্তু যারা একটু চুপচাপ বা একা থাকতে ভালোবাসেন, তাদের নিয়ে আমাদের অনেকেরই অভিযোগের শেষ নেই।
৩ দিন আগে