স্ট্রিম প্রতিবেদক

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে বেরিয়ে ১০ নেতাকর্মী যোগদান করেছেন বলে দাবি জামায়াতে ইসলামীর। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) দলটির ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ শাখার সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। তবে জামায়াতের দাবিকে ‘ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলেছে ইসলামী আন্দোলন।
জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ‘১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য’ থেকে গতকাল শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) ইসলামী আন্দোলনের বেরিয়ে যাওয়ার পর উভয় দলের অনুসারীরা সামাজিক মাধ্যমে পরস্পরের বিরুদ্ধে সমালোচনার তোপ দাগছেন। এমন পরিস্থিতিতে শনিবার জামায়াতের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের ৭৫ নম্বর ওয়ার্ড (দাসেরকান্দি) ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি গাজী নাসির উদ্দিন, ব্যবসায়ী কাজী আক্তার হোসেন, কাজী খালেদ হোসেনসহ ১০ নেতাকর্মী তাদের দলে যোগ দিয়েছেন।
যোগদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা-৯ আসনে জামায়াতের সংসদ সদস্য প্রার্থী ও বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি কবির আহমদ। সভাপতিত্ব করেন জামায়াতের খিলগাঁও পূর্ব থানা আমির মাওলানা মাহমুদুর রহমান।
যোগদান অনুষ্ঠানের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, গাজী নাসিরসহ নবাগতদের ফুল ও মিষ্টি দিয়ে স্বাগত জানাচ্ছেন জামায়াত নেতারা। তাদের সামনে জামায়াতের আদর্শ, লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য তুলে ধরা হয়। বিষয়টি নজরে আসার পর যোগদানের খবরকে ‘ভিত্তিহীন’ ও ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ অভিযোগ করেন ইসলামী আন্দোলন।
দলটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও ঢাকা-৯ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী শাহ ইফতেখার তারিক এক বিবৃতিতে বলেছেন, ১০ নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদানের সংবাদ বানোয়াট, সর্বৈব মিথ্যা এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি বলেন, আমি দৃঢ়তার সঙ্গে বলছি– একটি বিশেষ দলের পক্ষ থেকে পরিবেশিত বানোয়াট সংবাদ যাচাই না করে প্রকাশ দায়িত্বশীল সংবাদমাধ্যমের কাছ থেকে প্রত্যাশিত নয়। যাচাই-বাছাই করে সংবাদ প্রচার করা উচিত।
আক্ষেপ করে শাহ ইফতেখার বলেন, যে দল এসব অপতথ্য ছড়াচ্ছে, তারা মিথ্যা নাটক সাজিয়ে কীভাবে সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠা করবে, তা আমাদের বোধগম্য নয়। মিথ্যা প্রচারকারী দল কখনো দেশ ও জাতির জন্য কল্যাণকামী নয়।
যাদের যোগদান নিয়ে দল দুটির মধ্যে ঝামেলা দেখা দিয়েছে, তাদের নেতা গাজী নাসির উদ্দিন স্ট্রিমকে জানিয়েছেন, তারা ১০-১১ বছর আগে থেকেই চরমোনাই পীরের দল করেন। এই সময়ে থানার নেতারা তিনবার ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের ৭৫ নম্বর ওয়ার্ড কমিটি করার সিদ্ধান্ত দেয়। প্রত্যেকবার কমিটি করে পাঠালেও অনুমোদন দেয়নি। কেন্দ্র থেকেও দাপ্তরিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি। অনুমোদন না মিললেও তারা সাংগঠনিকভাবে সব কার্যক্রম চালিয়ে আসছেন বলে জানান তিনি।
গাজী নাসির বলেন, এখানে ডেমরায় চরমোনাই পীরের লঞ্চ কমিটি রয়েছে, তাদের সঙ্গে আমাদের যুক্ত করা আছে। আমরা তো লঞ্চে যাই; নিয়মিত চাঁদা দিই। লঞ্চের আয়-ব্যয়ও দেখভাল করি। উনারা আমাদের এখানে আসেন, সাংগঠনিক সবকিছু চলে। কিন্তু আমাদের কমিটি বাস্তবায়ন করে না। কোনো কর্মসূচি হলে আমরা গাড়ি ভরে যাই; উনারাও আমাদের এখানে আসেন।
গাজী নাসির ১০ বছরেও কমিটি করতে না পারাকে ইসলামী আন্দোলনের সাংগঠনিক দুর্বলতা মনে করেন। বলেন, ‘আমি দেখছি, এদের (ইসলামী আন্দোলন) কাজগুলো খুব দুর্বল। এই কারণে আমি স্বেচ্ছায় ও সজ্ঞানে জামায়াতে যোগ দিয়েছি। ৭৫ নম্বর ওয়ার্ডে আমাদেরটি ছাড়া দ্বিতীয় কোনো কমিটি ইসলামী আন্দোলনের নেই।’
গাজী নাসিরের বক্তব্যের বিষয়ে জানালে পরে ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক শেখ ফজলুল করীম মারুফ স্ট্রিমকে বলেন, ‘যেখানকার নেতাকর্মীর যোগ দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে, সেটি দাসেরকান্দি, রূপগঞ্জের কাছাকাছি। ওখানে আমাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম খুবই দুর্বল। আনুষ্ঠানিক কোনো কমিটি নেই। সারাদেশে প্রতি দুই বছর অন্তর আমাদের কমিটি নবায়ন হয়। দাসেরকান্দিতে কখনো হয়নি।’
তিনি বলেন, ‘উনারা (গাজী নাসিরসহ ১০ জন) হয়তো অনেক দিন ধরে চরমোনাইয়ের মাহফিলে যান। কিন্তু তারা আমাদের সাংগঠনিক কাঠামোতে নেই। উনারা একেবারেই আমাদের সঙ্গে ছিলেন না– আমরা এটি বলছি না। সম্পর্ক থাকলেও তারা ইসলামী আন্দোলনের নেতাকর্মী নন।’

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে বেরিয়ে ১০ নেতাকর্মী যোগদান করেছেন বলে দাবি জামায়াতে ইসলামীর। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) দলটির ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ শাখার সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। তবে জামায়াতের দাবিকে ‘ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলেছে ইসলামী আন্দোলন।
জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ‘১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য’ থেকে গতকাল শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) ইসলামী আন্দোলনের বেরিয়ে যাওয়ার পর উভয় দলের অনুসারীরা সামাজিক মাধ্যমে পরস্পরের বিরুদ্ধে সমালোচনার তোপ দাগছেন। এমন পরিস্থিতিতে শনিবার জামায়াতের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের ৭৫ নম্বর ওয়ার্ড (দাসেরকান্দি) ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি গাজী নাসির উদ্দিন, ব্যবসায়ী কাজী আক্তার হোসেন, কাজী খালেদ হোসেনসহ ১০ নেতাকর্মী তাদের দলে যোগ দিয়েছেন।
যোগদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা-৯ আসনে জামায়াতের সংসদ সদস্য প্রার্থী ও বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি কবির আহমদ। সভাপতিত্ব করেন জামায়াতের খিলগাঁও পূর্ব থানা আমির মাওলানা মাহমুদুর রহমান।
যোগদান অনুষ্ঠানের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, গাজী নাসিরসহ নবাগতদের ফুল ও মিষ্টি দিয়ে স্বাগত জানাচ্ছেন জামায়াত নেতারা। তাদের সামনে জামায়াতের আদর্শ, লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য তুলে ধরা হয়। বিষয়টি নজরে আসার পর যোগদানের খবরকে ‘ভিত্তিহীন’ ও ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ অভিযোগ করেন ইসলামী আন্দোলন।
দলটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও ঢাকা-৯ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী শাহ ইফতেখার তারিক এক বিবৃতিতে বলেছেন, ১০ নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদানের সংবাদ বানোয়াট, সর্বৈব মিথ্যা এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি বলেন, আমি দৃঢ়তার সঙ্গে বলছি– একটি বিশেষ দলের পক্ষ থেকে পরিবেশিত বানোয়াট সংবাদ যাচাই না করে প্রকাশ দায়িত্বশীল সংবাদমাধ্যমের কাছ থেকে প্রত্যাশিত নয়। যাচাই-বাছাই করে সংবাদ প্রচার করা উচিত।
আক্ষেপ করে শাহ ইফতেখার বলেন, যে দল এসব অপতথ্য ছড়াচ্ছে, তারা মিথ্যা নাটক সাজিয়ে কীভাবে সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠা করবে, তা আমাদের বোধগম্য নয়। মিথ্যা প্রচারকারী দল কখনো দেশ ও জাতির জন্য কল্যাণকামী নয়।
যাদের যোগদান নিয়ে দল দুটির মধ্যে ঝামেলা দেখা দিয়েছে, তাদের নেতা গাজী নাসির উদ্দিন স্ট্রিমকে জানিয়েছেন, তারা ১০-১১ বছর আগে থেকেই চরমোনাই পীরের দল করেন। এই সময়ে থানার নেতারা তিনবার ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের ৭৫ নম্বর ওয়ার্ড কমিটি করার সিদ্ধান্ত দেয়। প্রত্যেকবার কমিটি করে পাঠালেও অনুমোদন দেয়নি। কেন্দ্র থেকেও দাপ্তরিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি। অনুমোদন না মিললেও তারা সাংগঠনিকভাবে সব কার্যক্রম চালিয়ে আসছেন বলে জানান তিনি।
গাজী নাসির বলেন, এখানে ডেমরায় চরমোনাই পীরের লঞ্চ কমিটি রয়েছে, তাদের সঙ্গে আমাদের যুক্ত করা আছে। আমরা তো লঞ্চে যাই; নিয়মিত চাঁদা দিই। লঞ্চের আয়-ব্যয়ও দেখভাল করি। উনারা আমাদের এখানে আসেন, সাংগঠনিক সবকিছু চলে। কিন্তু আমাদের কমিটি বাস্তবায়ন করে না। কোনো কর্মসূচি হলে আমরা গাড়ি ভরে যাই; উনারাও আমাদের এখানে আসেন।
গাজী নাসির ১০ বছরেও কমিটি করতে না পারাকে ইসলামী আন্দোলনের সাংগঠনিক দুর্বলতা মনে করেন। বলেন, ‘আমি দেখছি, এদের (ইসলামী আন্দোলন) কাজগুলো খুব দুর্বল। এই কারণে আমি স্বেচ্ছায় ও সজ্ঞানে জামায়াতে যোগ দিয়েছি। ৭৫ নম্বর ওয়ার্ডে আমাদেরটি ছাড়া দ্বিতীয় কোনো কমিটি ইসলামী আন্দোলনের নেই।’
গাজী নাসিরের বক্তব্যের বিষয়ে জানালে পরে ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক শেখ ফজলুল করীম মারুফ স্ট্রিমকে বলেন, ‘যেখানকার নেতাকর্মীর যোগ দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে, সেটি দাসেরকান্দি, রূপগঞ্জের কাছাকাছি। ওখানে আমাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম খুবই দুর্বল। আনুষ্ঠানিক কোনো কমিটি নেই। সারাদেশে প্রতি দুই বছর অন্তর আমাদের কমিটি নবায়ন হয়। দাসেরকান্দিতে কখনো হয়নি।’
তিনি বলেন, ‘উনারা (গাজী নাসিরসহ ১০ জন) হয়তো অনেক দিন ধরে চরমোনাইয়ের মাহফিলে যান। কিন্তু তারা আমাদের সাংগঠনিক কাঠামোতে নেই। উনারা একেবারেই আমাদের সঙ্গে ছিলেন না– আমরা এটি বলছি না। সম্পর্ক থাকলেও তারা ইসলামী আন্দোলনের নেতাকর্মী নন।’

ঢাকার দুটিসহ (উত্তর ও দক্ষিণ) পাঁচ সিটি করপোরেশনে মেয়র প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। রোববার (২৯ মার্চ) রাতে রাজধানীর বাংলামটরে অস্থায়ী কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন।
১১ ঘণ্টা আগে
ঘোষণার পরও সংসদের প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী ছায়া মন্ত্রিসভা দিতে পারেনি। দেরি করার পেছনে দলটির নেতারা বলছেন, আইনি কাঠামো ছাড়া ছায়া মন্ত্রিসভা কার্যকর হবে না। এজন্য ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের পরে সরকারের কাছে তারা ‘এক্সেস টু মিনিস্ট্রি’ বিষয়ে আইনি ভিত্তি চাইবেন।
১২ ঘণ্টা আগে
সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করতে যাচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এ বিষয়ে রোববার (২৯ মার্চ) রাত ৯টায় রাজধানীর বাংলামোটরে দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়েছে।
১ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, প্রতিদিন রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হলে দলের বদনাম হবে। মানুষেরও কষ্ট হবে। শনিবার (২৮ মার্চ) রাতে রাজধানীর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হওয়া বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর উদ্দেশে একথা বলেন তিনি।
১ দিন আগে