স্ট্রিম সংবাদদাতা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জে সংসদ সদস্য (এমপি) প্রার্থী না হলে ‘সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের’ মানুষ ভোটকেন্দ্রেই যেতেন না বলে দাবি করেছেন বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের মহাসচিব গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক। ভোটারদের কেন্দ্রে নেওয়ার জন্যই প্রার্থী হয়েছেন জানিয়ে তিনি বলেছেন, ‘আমি নির্বাচনে না আসলে (এলে) সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ ভোটকেন্দ্রে যেত না। যাতে সবাই ভোটকেন্দ্রে যায় এবং সবাইকে ভোটের উৎসবে শামিল করার জন্য মূলত আমার নির্বাচনে আসা।’
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধ কমপ্লেক্স গেটে প্রার্থনা শেষে গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক এসব কথা বলেন। এ সময় কমপ্লেক্সের গেট বন্ধ থাকায় তিনি বাইরে দাঁড়িয়ে প্রার্থনা করেন গোপালগঞ্জ-৩ (টুঙ্গিপাড়া ও কোটালীপাড়া) আসনের এই স্বতন্ত্র প্রার্থী। পরে কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে টুঙ্গিপাড়ায় তিনি নির্বাচনী প্রচার চালান।
গোবিন্দ প্রামাণিক বলেন, ‘গোপালগঞ্জ-৩ আসনের সাধারণ মানুষ যে ভোটার, তা উপলব্ধি করতে পারেনি আগে কখনো। আমরা মানুষের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছি, মানুষ আমাদের স্বাগত জানাচ্ছে এবং তাদের ভোটের যে মূল্য আছে, সেটি তারা এখন বুঝতে পারছে।’
গোপালগঞ্জ-৩ আসনের এর প্রার্থী আরও বলেন, ‘আমার সম্প্রদায় ছাড়াও সব সম্প্রদায়ের মানুষ আমাকে অত্যন্ত ভালোবাসে। আমি সব সময় নিরপেক্ষ ভূমিকা রাখি। অন্যান্য সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যেও চরম ভীতি রয়েছে। তারাও আমাকে অনুরোধ করেছে নির্বাচনে আসার জন্য আর সেই ভীতি কাটানোর জন্যই আমি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি।’
বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে প্রার্থনার বিষয়ে গোবিন্দ প্রামাণিক বলেন, ‘আমাদের দীর্ঘদিনের একটা স্বপ্ন ছিল বাঙালি সংস্কৃতির পীঠ ভূমিতে আসা। টুঙ্গিপাড়ায় আসব, সেখানে (বঙ্গবন্ধুর সমাধি) একটু দর্শন করব না, তা হয় না। ভেতরে প্রবেশ করতে না পারায় সমাধিসৌধের গেটের বাইরে দাঁড়িয়ে আমাদের ধর্মমতে প্রার্থনা করলাম।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জে সংসদ সদস্য (এমপি) প্রার্থী না হলে ‘সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের’ মানুষ ভোটকেন্দ্রেই যেতেন না বলে দাবি করেছেন বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের মহাসচিব গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক। ভোটারদের কেন্দ্রে নেওয়ার জন্যই প্রার্থী হয়েছেন জানিয়ে তিনি বলেছেন, ‘আমি নির্বাচনে না আসলে (এলে) সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ ভোটকেন্দ্রে যেত না। যাতে সবাই ভোটকেন্দ্রে যায় এবং সবাইকে ভোটের উৎসবে শামিল করার জন্য মূলত আমার নির্বাচনে আসা।’
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধ কমপ্লেক্স গেটে প্রার্থনা শেষে গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক এসব কথা বলেন। এ সময় কমপ্লেক্সের গেট বন্ধ থাকায় তিনি বাইরে দাঁড়িয়ে প্রার্থনা করেন গোপালগঞ্জ-৩ (টুঙ্গিপাড়া ও কোটালীপাড়া) আসনের এই স্বতন্ত্র প্রার্থী। পরে কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে টুঙ্গিপাড়ায় তিনি নির্বাচনী প্রচার চালান।
গোবিন্দ প্রামাণিক বলেন, ‘গোপালগঞ্জ-৩ আসনের সাধারণ মানুষ যে ভোটার, তা উপলব্ধি করতে পারেনি আগে কখনো। আমরা মানুষের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছি, মানুষ আমাদের স্বাগত জানাচ্ছে এবং তাদের ভোটের যে মূল্য আছে, সেটি তারা এখন বুঝতে পারছে।’
গোপালগঞ্জ-৩ আসনের এর প্রার্থী আরও বলেন, ‘আমার সম্প্রদায় ছাড়াও সব সম্প্রদায়ের মানুষ আমাকে অত্যন্ত ভালোবাসে। আমি সব সময় নিরপেক্ষ ভূমিকা রাখি। অন্যান্য সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যেও চরম ভীতি রয়েছে। তারাও আমাকে অনুরোধ করেছে নির্বাচনে আসার জন্য আর সেই ভীতি কাটানোর জন্যই আমি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি।’
বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে প্রার্থনার বিষয়ে গোবিন্দ প্রামাণিক বলেন, ‘আমাদের দীর্ঘদিনের একটা স্বপ্ন ছিল বাঙালি সংস্কৃতির পীঠ ভূমিতে আসা। টুঙ্গিপাড়ায় আসব, সেখানে (বঙ্গবন্ধুর সমাধি) একটু দর্শন করব না, তা হয় না। ভেতরে প্রবেশ করতে না পারায় সমাধিসৌধের গেটের বাইরে দাঁড়িয়ে আমাদের ধর্মমতে প্রার্থনা করলাম।’

ঢাকার দুটিসহ (উত্তর ও দক্ষিণ) পাঁচ সিটি করপোরেশনে মেয়র প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। রোববার (২৯ মার্চ) রাতে রাজধানীর বাংলামটরে অস্থায়ী কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন।
৮ ঘণ্টা আগে
ঘোষণার পরও সংসদের প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী ছায়া মন্ত্রিসভা দিতে পারেনি। দেরি করার পেছনে দলটির নেতারা বলছেন, আইনি কাঠামো ছাড়া ছায়া মন্ত্রিসভা কার্যকর হবে না। এজন্য ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের পরে সরকারের কাছে তারা ‘এক্সেস টু মিনিস্ট্রি’ বিষয়ে আইনি ভিত্তি চাইবেন।
৯ ঘণ্টা আগে
সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করতে যাচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এ বিষয়ে রোববার (২৯ মার্চ) রাত ৯টায় রাজধানীর বাংলামোটরে দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়েছে।
২০ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, প্রতিদিন রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হলে দলের বদনাম হবে। মানুষেরও কষ্ট হবে। শনিবার (২৮ মার্চ) রাতে রাজধানীর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হওয়া বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর উদ্দেশে একথা বলেন তিনি।
১ দিন আগে