স্ট্রিম প্রতিবেদক

জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে আদর্শিক প্রশ্নে কোনো জোট হয়নি বলে জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, জামায়াতের সঙ্গে নির্বাচনী সমঝোতা হয়েছে। এটি একদিকে নির্বাচনি বৈতরণী পার হওয়ার জন্য; অন্যদিকে সংস্কার, বিচার ও আধিপত্যবাদবিরোধী আন্দোলনে এক থাকার।
রোববার (২৮ ডিসেম্বর) রাতে রাজধানীর বাংলামটরের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, আসন্ন সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠু ও প্রতিযোগিতাপূর্ণ করার জন্য বৃহত্তর ঐক্যের প্রয়োজনবোধ থেকে আমরা জামায়াত ও সমমনা আট দলের সঙ্গে কথা বলেছি। এর ভিত্তিতে নির্বাচনী সমঝোতায় একমত হয়েছি।
নাহিদ ইসলাম বলেন, গণভোট ও জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই দলীয় সিদ্ধান্ত জানানোর জন্যই এই সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করা হয়েছে।
মাসখানেক আগে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে এককভাবে অংশ নিতে প্রস্তুতির কথা জানায় এনসিপি। হঠাৎ করেই জামায়াতের সঙ্গে এনসিপির জোটের আলোচনা শুরু হয়, যা রোববার বিকেলে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান আট দলীয় জোটের সঙ্গে এনসিপির যোগ দেওয়ার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানান।
জাতীয় প্রেস ক্লাবে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে জামায়াত আমির এনসিপি ও লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (এলডিপি) তাদের জোটে যোগ দিয়েছে বলে জানান। তিনি বলেন, ‘আমাদের আট দলের সঙ্গে দুটি দল যুক্ত হয়েছে– এনসিপি ও এলডিপি।’
জামায়াত আমির বলেন, ‘এলডিপির অলি আহমেদ উপস্থিত আছেন। আর এনসিপির নাহিদ ইসলাম এতক্ষণ আমাদের সঙ্গে মিটিং করেছেন। আমাদের জোটে যুক্ত হয়েছেন। রাতের মধ্যে সংবাদ সম্মেলন করে তারা বিস্তারিত তুলে ধরবেন।’
এর কয়েক ঘণ্টা পরই সংবাদ সম্মেলনে আসেন নাহিদ ইসলাম। জামায়াতের নেতৃত্বাধীন জোটে যাওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘দলের সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে বৃহত্তর ঐক্যের জন্য এই জোট গঠন হয়েছে।’ একাধিক নেতার পদত্যাগের বিষয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘এটি যার যার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। আমরা তাদের সঙ্গে আবার আলোচনা করব; বুঝানোর চেষ্টা করব।’
বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করা জামায়াতের সঙ্গে জোট আদর্শকে প্রশ্নবিদ্ধ করে কিনা– প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘নির্বাচিত হলে এনসিপি নিজের মতো কাজ করবে। অন্যান্য দল তাদের মতো কাজ করবে।’
সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে জামায়াত ও এনসিপির মধ্যে ৩০টি আসন ভাগাভাগি নিয়ে সমঝোতা হয়েছে। আট দলের সংবাদ সম্মেলনে এ ব্যাপারে জামায়াত আমির জানান, তাদের আসন সমঝোতা অলমোস্ট কমপ্লিট।
গত ১১ ডিসেম্বর ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদ নিয়ে গণভোটের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সংসদ নির্বাচন ও গণভোট হবে।

জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে আদর্শিক প্রশ্নে কোনো জোট হয়নি বলে জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, জামায়াতের সঙ্গে নির্বাচনী সমঝোতা হয়েছে। এটি একদিকে নির্বাচনি বৈতরণী পার হওয়ার জন্য; অন্যদিকে সংস্কার, বিচার ও আধিপত্যবাদবিরোধী আন্দোলনে এক থাকার।
রোববার (২৮ ডিসেম্বর) রাতে রাজধানীর বাংলামটরের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, আসন্ন সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠু ও প্রতিযোগিতাপূর্ণ করার জন্য বৃহত্তর ঐক্যের প্রয়োজনবোধ থেকে আমরা জামায়াত ও সমমনা আট দলের সঙ্গে কথা বলেছি। এর ভিত্তিতে নির্বাচনী সমঝোতায় একমত হয়েছি।
নাহিদ ইসলাম বলেন, গণভোট ও জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই দলীয় সিদ্ধান্ত জানানোর জন্যই এই সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করা হয়েছে।
মাসখানেক আগে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে এককভাবে অংশ নিতে প্রস্তুতির কথা জানায় এনসিপি। হঠাৎ করেই জামায়াতের সঙ্গে এনসিপির জোটের আলোচনা শুরু হয়, যা রোববার বিকেলে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান আট দলীয় জোটের সঙ্গে এনসিপির যোগ দেওয়ার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানান।
জাতীয় প্রেস ক্লাবে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে জামায়াত আমির এনসিপি ও লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (এলডিপি) তাদের জোটে যোগ দিয়েছে বলে জানান। তিনি বলেন, ‘আমাদের আট দলের সঙ্গে দুটি দল যুক্ত হয়েছে– এনসিপি ও এলডিপি।’
জামায়াত আমির বলেন, ‘এলডিপির অলি আহমেদ উপস্থিত আছেন। আর এনসিপির নাহিদ ইসলাম এতক্ষণ আমাদের সঙ্গে মিটিং করেছেন। আমাদের জোটে যুক্ত হয়েছেন। রাতের মধ্যে সংবাদ সম্মেলন করে তারা বিস্তারিত তুলে ধরবেন।’
এর কয়েক ঘণ্টা পরই সংবাদ সম্মেলনে আসেন নাহিদ ইসলাম। জামায়াতের নেতৃত্বাধীন জোটে যাওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘দলের সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে বৃহত্তর ঐক্যের জন্য এই জোট গঠন হয়েছে।’ একাধিক নেতার পদত্যাগের বিষয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘এটি যার যার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। আমরা তাদের সঙ্গে আবার আলোচনা করব; বুঝানোর চেষ্টা করব।’
বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করা জামায়াতের সঙ্গে জোট আদর্শকে প্রশ্নবিদ্ধ করে কিনা– প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘নির্বাচিত হলে এনসিপি নিজের মতো কাজ করবে। অন্যান্য দল তাদের মতো কাজ করবে।’
সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে জামায়াত ও এনসিপির মধ্যে ৩০টি আসন ভাগাভাগি নিয়ে সমঝোতা হয়েছে। আট দলের সংবাদ সম্মেলনে এ ব্যাপারে জামায়াত আমির জানান, তাদের আসন সমঝোতা অলমোস্ট কমপ্লিট।
গত ১১ ডিসেম্বর ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদ নিয়ে গণভোটের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সংসদ নির্বাচন ও গণভোট হবে।

ঢাকার দুটিসহ (উত্তর ও দক্ষিণ) পাঁচ সিটি করপোরেশনে মেয়র প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। রোববার (২৯ মার্চ) রাতে রাজধানীর বাংলামটরে অস্থায়ী কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন।
১১ ঘণ্টা আগে
ঘোষণার পরও সংসদের প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী ছায়া মন্ত্রিসভা দিতে পারেনি। দেরি করার পেছনে দলটির নেতারা বলছেন, আইনি কাঠামো ছাড়া ছায়া মন্ত্রিসভা কার্যকর হবে না। এজন্য ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের পরে সরকারের কাছে তারা ‘এক্সেস টু মিনিস্ট্রি’ বিষয়ে আইনি ভিত্তি চাইবেন।
১২ ঘণ্টা আগে
সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করতে যাচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এ বিষয়ে রোববার (২৯ মার্চ) রাত ৯টায় রাজধানীর বাংলামোটরে দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়েছে।
১ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, প্রতিদিন রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হলে দলের বদনাম হবে। মানুষেরও কষ্ট হবে। শনিবার (২৮ মার্চ) রাতে রাজধানীর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হওয়া বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর উদ্দেশে একথা বলেন তিনি।
১ দিন আগে