স্ট্রিম প্রতিবেদক

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহেরকে নির্বাচিত করা হলে কুমিল্লাবাসী মন্ত্রিপরিষদের একজন সিনিয়র সদস্য পাবেন বলে মন্তব্য করেছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। আজ শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম পাইলট হাইস্কুল মাঠে আয়োজিত ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই মন্তব্য করেছেন তিনি।
জামায়াত আমির বলেন, ‘চৌদ্দগ্রামের প্রতি ইঞ্চি মাটি আব্দুল্লাহ মো. তাহেরকে খুব ভালোভাবেই চেনে, তাই আপনাদের সামনে তাঁকে পরিচয় করিয়ে দেওয়া মানে মাসির সামনে মায়ের গল্প বলার মতো।’ এরপর তিনি বলেন, ‘সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহেরকে আপনারা যদি নির্বাচিত করেন, তাহলে মন্ত্রিপরিষদের একজন সিনিয়র সদস্য আপনারা কুমিল্লা থেকে পাবেন। এখন সেই সিদ্ধান্ত আপনাদের নিতে হবে। কুমিল্লাবাসী যেমন মজলুম ছিল, আমরাও মজলুম ছিলাম। তাই এখানে যারা মজলুম আছে, আমরা তাদের পক্ষে আছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘৫ আগস্টের পরে আপনারা দেখেছেন, কার কী চরিত্র। যারা আমাদের সম্পদে হাত দেয়, আমার জীবনে হাত দেয়, যারা নিজেদের জীবনকেই শেষ করে দেয় এবং যারা আমার মায়েদের ইজ্জতে হাত দেয়, মায়েদের পেটে লাথি মারে, মায়েদের কাপড় খুলে নেওয়ার হুংকার দেয়, তাদের হাতে কি বাংলাদেশের ৯ কোটি মা-বোন নিরাপদ? সাধারণ পোশাক পরা মহিলাও এখন জামায়াতকে ক্ষমতায় দেখতে চাচ্ছে। এটিই তাদের পেরেশান করে তুলেছে! ভাই, আপনাদেরও তো ঘরে মা আছেন, স্ত্রী আছেন, জায়া আছেন। অন্তত তাদের দিকে তাকিয়ে নারীদের সম্মান করতে শিখুন।’
জামায়াত আমির বলেন, ‘আমাদের মায়েদের উপর হাত দেবেন আর আমরা বসে বসে দেখব, এটা হতে পারে না। তখন আমাদের জবাব দেওয়া ওয়াজিব হয়ে যাবে। তাই সময় থাকতে ফিরে আসুন। মায়ের জাতিকে সম্মান করুন।’

জামায়াত আমিরের বক্তব্যের সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের অন্যতম শরিক বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। এসময় তাকে দেখিয়ে জামায়াত আমির বলেন, ‘এখানে আছেন আল্লামা মামুনুল হক। তিনি তার বংশীয় ধারাক্রমে কওমির একজন প্রতিনিধিত্বকারী। তাঁকে সঙ্গে নিয়ে কি আমরা কওমি মাদ্রাসা বন্ধ করব নাকি? এরকম আরও অনেকে আমাদের সঙ্গে আছেন। কওমি বন্ধের গুজব মিথ্যা। তবে মানুষ পোড় খেতে খেতে এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, মানুষ আর গুজব কানে তোলে না। আল্লাহ যদি আমাদের সরকার গঠনের সুযোগ দেন, তাহলে বেফাকের (কওমি মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড) সঙ্গে বসে আমরা সিদ্ধান্ত নেবো। এখানে আরও মাদ্রাসার প্রতিনিধি আছেন। দ্বীনি শিক্ষাটি ধরে রেখেছে কওমি মাদরাসা। আমরা দ্বীন চাই, কেন আমরা কওমি মাদরাসা বন্ধ করবো?’
জুলাই অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া তরুণরা বেকার ভাতা চান না জানিয়ে ডা. শফিক বলেন, ‘তারা তো বলেন না, আমাদের বেকার ভাতা দেন। তাহলে কেন বেকার ভাতার প্রসঙ্গ আসল? আমরা তাদের হাতকে শক্তিশালী করতে চাই। আমরা দেশটিকে যুবকদের হাতে তুলে দিতে চাই; আর এর বাস্তব প্রমাণ হলো যুবক-তরুণদের দল আমাদের সঙ্গে আছে। নির্বাচনে ক্যান্ডিডেট যাদের করেছি তাদের ৬২ ভাগ যুবক। এটা হবে তারুণ্যের বাংলাদেশ। এটা হবে যৌবনদীপ্ত বাংলাদেশ।’
‘যেখানে ১১ দলের যে প্রতীক থাকবে, সেটাই হবে সবার প্রতীক’ মন্তব্য করে ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে জোটের প্রার্থীদের পক্ষে ভোট চান জামায়াত আমির।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহেরকে নির্বাচিত করা হলে কুমিল্লাবাসী মন্ত্রিপরিষদের একজন সিনিয়র সদস্য পাবেন বলে মন্তব্য করেছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। আজ শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম পাইলট হাইস্কুল মাঠে আয়োজিত ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই মন্তব্য করেছেন তিনি।
জামায়াত আমির বলেন, ‘চৌদ্দগ্রামের প্রতি ইঞ্চি মাটি আব্দুল্লাহ মো. তাহেরকে খুব ভালোভাবেই চেনে, তাই আপনাদের সামনে তাঁকে পরিচয় করিয়ে দেওয়া মানে মাসির সামনে মায়ের গল্প বলার মতো।’ এরপর তিনি বলেন, ‘সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহেরকে আপনারা যদি নির্বাচিত করেন, তাহলে মন্ত্রিপরিষদের একজন সিনিয়র সদস্য আপনারা কুমিল্লা থেকে পাবেন। এখন সেই সিদ্ধান্ত আপনাদের নিতে হবে। কুমিল্লাবাসী যেমন মজলুম ছিল, আমরাও মজলুম ছিলাম। তাই এখানে যারা মজলুম আছে, আমরা তাদের পক্ষে আছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘৫ আগস্টের পরে আপনারা দেখেছেন, কার কী চরিত্র। যারা আমাদের সম্পদে হাত দেয়, আমার জীবনে হাত দেয়, যারা নিজেদের জীবনকেই শেষ করে দেয় এবং যারা আমার মায়েদের ইজ্জতে হাত দেয়, মায়েদের পেটে লাথি মারে, মায়েদের কাপড় খুলে নেওয়ার হুংকার দেয়, তাদের হাতে কি বাংলাদেশের ৯ কোটি মা-বোন নিরাপদ? সাধারণ পোশাক পরা মহিলাও এখন জামায়াতকে ক্ষমতায় দেখতে চাচ্ছে। এটিই তাদের পেরেশান করে তুলেছে! ভাই, আপনাদেরও তো ঘরে মা আছেন, স্ত্রী আছেন, জায়া আছেন। অন্তত তাদের দিকে তাকিয়ে নারীদের সম্মান করতে শিখুন।’
জামায়াত আমির বলেন, ‘আমাদের মায়েদের উপর হাত দেবেন আর আমরা বসে বসে দেখব, এটা হতে পারে না। তখন আমাদের জবাব দেওয়া ওয়াজিব হয়ে যাবে। তাই সময় থাকতে ফিরে আসুন। মায়ের জাতিকে সম্মান করুন।’

জামায়াত আমিরের বক্তব্যের সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের অন্যতম শরিক বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। এসময় তাকে দেখিয়ে জামায়াত আমির বলেন, ‘এখানে আছেন আল্লামা মামুনুল হক। তিনি তার বংশীয় ধারাক্রমে কওমির একজন প্রতিনিধিত্বকারী। তাঁকে সঙ্গে নিয়ে কি আমরা কওমি মাদ্রাসা বন্ধ করব নাকি? এরকম আরও অনেকে আমাদের সঙ্গে আছেন। কওমি বন্ধের গুজব মিথ্যা। তবে মানুষ পোড় খেতে খেতে এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, মানুষ আর গুজব কানে তোলে না। আল্লাহ যদি আমাদের সরকার গঠনের সুযোগ দেন, তাহলে বেফাকের (কওমি মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড) সঙ্গে বসে আমরা সিদ্ধান্ত নেবো। এখানে আরও মাদ্রাসার প্রতিনিধি আছেন। দ্বীনি শিক্ষাটি ধরে রেখেছে কওমি মাদরাসা। আমরা দ্বীন চাই, কেন আমরা কওমি মাদরাসা বন্ধ করবো?’
জুলাই অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া তরুণরা বেকার ভাতা চান না জানিয়ে ডা. শফিক বলেন, ‘তারা তো বলেন না, আমাদের বেকার ভাতা দেন। তাহলে কেন বেকার ভাতার প্রসঙ্গ আসল? আমরা তাদের হাতকে শক্তিশালী করতে চাই। আমরা দেশটিকে যুবকদের হাতে তুলে দিতে চাই; আর এর বাস্তব প্রমাণ হলো যুবক-তরুণদের দল আমাদের সঙ্গে আছে। নির্বাচনে ক্যান্ডিডেট যাদের করেছি তাদের ৬২ ভাগ যুবক। এটা হবে তারুণ্যের বাংলাদেশ। এটা হবে যৌবনদীপ্ত বাংলাদেশ।’
‘যেখানে ১১ দলের যে প্রতীক থাকবে, সেটাই হবে সবার প্রতীক’ মন্তব্য করে ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে জোটের প্রার্থীদের পক্ষে ভোট চান জামায়াত আমির।

ঢাকার দুটিসহ (উত্তর ও দক্ষিণ) পাঁচ সিটি করপোরেশনে মেয়র প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। রোববার (২৯ মার্চ) রাতে রাজধানীর বাংলামটরে অস্থায়ী কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন।
১০ ঘণ্টা আগে
ঘোষণার পরও সংসদের প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী ছায়া মন্ত্রিসভা দিতে পারেনি। দেরি করার পেছনে দলটির নেতারা বলছেন, আইনি কাঠামো ছাড়া ছায়া মন্ত্রিসভা কার্যকর হবে না। এজন্য ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের পরে সরকারের কাছে তারা ‘এক্সেস টু মিনিস্ট্রি’ বিষয়ে আইনি ভিত্তি চাইবেন।
১১ ঘণ্টা আগে
সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করতে যাচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এ বিষয়ে রোববার (২৯ মার্চ) রাত ৯টায় রাজধানীর বাংলামোটরে দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়েছে।
১ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, প্রতিদিন রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হলে দলের বদনাম হবে। মানুষেরও কষ্ট হবে। শনিবার (২৮ মার্চ) রাতে রাজধানীর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হওয়া বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর উদ্দেশে একথা বলেন তিনি।
১ দিন আগে