স্ট্রিম প্রতিবেদক

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীমের নির্বাচনী আসনে জামায়াতে ইসলামী কোনো প্রার্থী দেবে না বলে জানিয়েছেন দলের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের একথা জানান তিনি।
মুফতি ফয়জুল করীম বরিশাল-৫ (সদর-সিটি) ও বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনে নির্বাচন করবেন। এর মধ্যে বরিশাল-৬ আসনে জামায়াতের প্রার্থী হয়েছেন মাওলানা মাহমুদুন্নবী।
ডা. তাহের বলেন, ‘আমরা ইসলামী আন্দোলনের সম্মানে তাদের নায়েবে আমিরের আসনে কোনো প্রার্থী না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কারণ চরমোনাইর পীর নির্বাচন করবেন না। উনাদের যিনি নায়েবে আমির ফয়জুল করীম, তাঁকে সৌজন্যতা হিসেবে আমাদের প্রার্থী তুলে নেব।’
সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে ডা. তাহের জানান, তাদের ১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যে এখনো অনেক দল যোগ দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করছে। এখন আর আসন দেওয়ার সুযোগ নেই। তিনি বলেন, ‘আমরা বলেছি– আসন পাইবা না। আসতে পারলে আসো।’
ইসলামপন্থী দলগুলোর ভোট এক বাক্সে নেওয়ার লক্ষ্যে জামায়াতের সঙ্গে নির্বাচনী ঐক্যের সামনের কাতারে ছিল ইসলামী আন্দোলন। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলনসহ আট দল প্রায় এক বছর ধরে যুগপৎ আন্দোলন করেছে।
সম্প্রতি ইসলামপন্থী দলগুলোর এই নির্বাচনে ঐক্যে যোগ দেয় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। সব মিলে সেখানে দলের সংখ্যা দাঁড়ায় ১১। কিন্তু আসন সমঝোতা নিয়ে মতবিরোধ থেকে আলাদা নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছে ইসলামী আন্দোলন।
নির্বাচনী ঐক্যে ইসলামী আন্দোলনসহ মোট ১১ দল ছিল জানিয়ে ডা. তাহের বলেন, ঐক্য সৃষ্টির ক্ষেত্রে প্রত্যেক দলের অনেক ভূমিকা ছিল। কিন্তু ‘টুকটাক টেকনিক্যাল ইস্যুতে’ ইসলামী আন্দোলন আলাদা নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীমের নির্বাচনী আসনে জামায়াতে ইসলামী কোনো প্রার্থী দেবে না বলে জানিয়েছেন দলের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের একথা জানান তিনি।
মুফতি ফয়জুল করীম বরিশাল-৫ (সদর-সিটি) ও বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনে নির্বাচন করবেন। এর মধ্যে বরিশাল-৬ আসনে জামায়াতের প্রার্থী হয়েছেন মাওলানা মাহমুদুন্নবী।
ডা. তাহের বলেন, ‘আমরা ইসলামী আন্দোলনের সম্মানে তাদের নায়েবে আমিরের আসনে কোনো প্রার্থী না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কারণ চরমোনাইর পীর নির্বাচন করবেন না। উনাদের যিনি নায়েবে আমির ফয়জুল করীম, তাঁকে সৌজন্যতা হিসেবে আমাদের প্রার্থী তুলে নেব।’
সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে ডা. তাহের জানান, তাদের ১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যে এখনো অনেক দল যোগ দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করছে। এখন আর আসন দেওয়ার সুযোগ নেই। তিনি বলেন, ‘আমরা বলেছি– আসন পাইবা না। আসতে পারলে আসো।’
ইসলামপন্থী দলগুলোর ভোট এক বাক্সে নেওয়ার লক্ষ্যে জামায়াতের সঙ্গে নির্বাচনী ঐক্যের সামনের কাতারে ছিল ইসলামী আন্দোলন। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলনসহ আট দল প্রায় এক বছর ধরে যুগপৎ আন্দোলন করেছে।
সম্প্রতি ইসলামপন্থী দলগুলোর এই নির্বাচনে ঐক্যে যোগ দেয় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। সব মিলে সেখানে দলের সংখ্যা দাঁড়ায় ১১। কিন্তু আসন সমঝোতা নিয়ে মতবিরোধ থেকে আলাদা নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছে ইসলামী আন্দোলন।
নির্বাচনী ঐক্যে ইসলামী আন্দোলনসহ মোট ১১ দল ছিল জানিয়ে ডা. তাহের বলেন, ঐক্য সৃষ্টির ক্ষেত্রে প্রত্যেক দলের অনেক ভূমিকা ছিল। কিন্তু ‘টুকটাক টেকনিক্যাল ইস্যুতে’ ইসলামী আন্দোলন আলাদা নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

ঢাকার দুটিসহ (উত্তর ও দক্ষিণ) পাঁচ সিটি করপোরেশনে মেয়র প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। রোববার (২৯ মার্চ) রাতে রাজধানীর বাংলামটরে অস্থায়ী কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন।
১১ ঘণ্টা আগে
ঘোষণার পরও সংসদের প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী ছায়া মন্ত্রিসভা দিতে পারেনি। দেরি করার পেছনে দলটির নেতারা বলছেন, আইনি কাঠামো ছাড়া ছায়া মন্ত্রিসভা কার্যকর হবে না। এজন্য ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের পরে সরকারের কাছে তারা ‘এক্সেস টু মিনিস্ট্রি’ বিষয়ে আইনি ভিত্তি চাইবেন।
১২ ঘণ্টা আগে
সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করতে যাচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এ বিষয়ে রোববার (২৯ মার্চ) রাত ৯টায় রাজধানীর বাংলামোটরে দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়েছে।
১ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, প্রতিদিন রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হলে দলের বদনাম হবে। মানুষেরও কষ্ট হবে। শনিবার (২৮ মার্চ) রাতে রাজধানীর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হওয়া বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর উদ্দেশে একথা বলেন তিনি।
১ দিন আগে