বাঙালি নারী সর্বংসহা, পতিই তাঁর পরম ধর্ম এবং স্বামীর বাইরে তাঁর নিজস্ব কোনো মত ও পথ নেই। রুপালি পর্দার অভিনেত্রী শাবানা যেমন করতেন, চলতে ফিরতে গিয়ে বাস্তব জীবনে আমরাও কেন সেই আচরণ করি? আধুনিক নারীরা কেন ক্রমাগত পুঁজিবাদী পুরুষতান্ত্রিক ব্যবস্থার সঙ্গে অস্তিত্ব আর আত্মপরিচয়ের দেনদরবারে লিপ্ত হয়ে পড়েন?
নাজিয়া আফরিন

বন্ধুর সঙ্গে টুকটাক কথা হচ্ছিলো মেসেঞ্জারে। সকাল সকাল সে একটি আইনি কাজ সারতে যাচ্ছিল শহরের আরেক প্রান্তে। বললাম, পূর্ব নির্ধারিত কাজ না থাকলে আমি সঙ্গে যেতে পারতাম। সে জবাব দিল, স্বামী সঙ্গে আছে। স্বতঃস্ফূর্তভাবেই মুখ দিয়ে বেরিয়ে গেল, ওরে শাবানা!
নব্বয়ের দশকে আমরা যাঁরা বাংলাদেশের চলচ্চিত্র দেখে বড় হয়েছি, তাদের কাছে স্বামী ও শাবানা—যেন জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ! তুখোড় এই বাংলাদেশি অভিনেত্রী আশি ও নব্বইয়ের দশকে রূপালি পর্দায় বাঙালি নারীর এক অটুট স্টেরিওটাইপ নির্মাণ করেছেন। এই বাঙালি নারী সর্বংসহা, পতিই তাঁর পরম ধর্ম এবং স্বামীর বাইরে তাঁর নিজস্ব কোনো মত ও পথ নেই। শাবানা হয়ে নিজের দেহ ও মনের সম্পূর্ণ এজেন্সি তিনি পুরুষের হাতে অর্পণ করেছেন। শুধু তা-ই নয়, পুরুষের পদতলে দলিত হয়ে সুখ অনুভব করছেন। অন্তত তাঁর অভীনিত সিনেমাগুলো দেখে এমন ভাবার যথেষ্ট অবকাশ থাকে বইকি!
এই পরিপূর্ণ আত্মসমর্পণ বা বশ্যতা কিন্তু অনেক নারীর কাছেই স্বস্তির। ব্রিটিশ নারী নির্মাতা ফিবি ওয়ালার ব্রিজের সুবিখ্যাত ব্ল্যাক কমেডি ‘ফ্লিব্যাগ’-এর একটি দৃশ্যে কেন্দ্রীয় নারী চরিত্র—যে চরিত্রে ফিবি নিজেই অভিনয় করেছেন—বলেন, ‘না, আমি চাই কেউ আমাকে বলে দিক প্রতিদিন সকালে কী পোশাক পরব। আমি চাই কেউ আমাকে বলে দিক কী খাব। কী পছন্দ করব, কী ঘৃণা করব, কী নিয়ে প্রচণ্ড ঘৃণায় ফেটে পড়ব। কী গান শুনব, কোন ব্যান্ড ভালোবাসব। কীসের টিকেট কাটব। কী নিয়ে মশকরা করব আর কী নিয়ে করব না। আমি চাই কেউ আমাকে বলে দিক কী বিশ্বাস করব। কাকে ভোট দেব আর কাকে ভালোবাসবে এবং কীভাবে…তাদের সেটা বলব।’

আধুনিক নারী ক্রমাগত পুঁজিবাদী পুরুষতান্ত্রিক ব্যবস্থার সঙ্গে অস্তিত্ব আর আত্মপরিচয়ের দেনদরবারে লিপ্ত। নব্য উদারবাদী সমাজে নারী ক্রমাগত ফেটিশাইজড বা বস্তুকামের লক্ষ্য। একজন মানুষ হিসেবে নারীর মৌলিক অধিকার আদায়ের সংগ্রামও পুঁজিবাদী লেনদেনের ঘুঁটিতে পরিণত হয়। আর তাই একজন ‘স্বাধীনচেতা’ নারী যখন নিজেকে প্রকাশ করতে চান, তখন তাঁর নিজেকে ক্রয়ক্ষমতার প্রমাণ দিতে হয় ধাপে ধাপে। এ ছাড়া, ‘স্বাধীনচেতা নারী’ বলতে আমরা একটি ‘অ্যান্টি শাবানা’ রূপকে বুঝি, যা মোটা দাগে ‘ফেমিনিনিটি’ বা ‘মেয়েলিপনা’ বিবর্জিত। অর্থাৎ ‘মেয়েলিপনা’ ত্যাগ করে পুরুষের মতো উপার্জন ও ব্যয়ের ক্ষমতা অর্জন করতে পারলেই শুধু পুরুষের মতো ‘স্বাধীনচেতা’ হতে পারা যায়। কিন্তু কেন?
কারণ পুরুষতান্ত্রিক ব্যবস্থায় শত শত বছর ধরে এভাবেই নারীর কন্ডিশনিং হয়েছে। তার প্রতিমা গড়ে তোলা হয়েছে। অর্থাৎ ব্যবস্থাগতভাবে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে নির্দিষ্ট আচরণ করতে প্রশিক্ষিত হয়েছে নারী। কালে কালে এই আচরণের প্রক্রিয়া পাল্টে গেছে। কিন্তু একটি নিয়ামক অপরিবর্তিত থেকেছে, হায়ার্কার্কিতে নারী সবসময় পুরুষের নিচে। নারী যে শ্রেণিরই হোন, যে অর্থনৈতিক-সামাজিক-শিক্ষাগত যোগ্যতাই অর্জন করুন না কেন, তিনি নিম্নবর্গই থেকে যান। একটি উদাহারণ দেওয়া যাক, আমি একজন কর্মজীবী মা। কাজের খাতিরে প্রায়ই আমাকে সন্তান বাসায় রেখে ঢাকার বাইরে ভ্রমণ করতে হয়। তো আমার এক সাবেক সহকর্মী, যিনি শিশুপালনে অনভিজ্ঞ, আমাকে একবার বেশ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গেই পরামর্শ দিলেন, ছেলেকে নিয়েই তো যেতে পারি। যদিও আমার কাজের ধরন বা আমার ছেলের অভ্যাস ও জীবনাচরণ নিয়ে তাঁর কোনো ধারনা ছিল না। নিজের জীবন নিয়ে এ রকম বহু পরামর্শ আমি পুরুষ শুভানুধ্যায়ীদের কাছ থেকে পেয়েছি। আদতে আমাদের চিন্তার ভেতরে ব্যক্তি হিসেবে নারীর অস্তিত্ব পুরুষের অনুমোদননির্ভর করে রাখা হয়েছে। আর সে কারণে একজন পুরুষ নারী হিসেবে আপনার পরিস্থিতি নিয়ে একেবারে অবগত না হয়েও এভাবে অবলীলায় পরামর্শ দিতে পারেন। সবসময় যে তিনি এটা সচেতনভাবে করেন তা নয়। পুরুষতান্ত্রিকতার শেকড় আমাদের সামষ্টিক অবচেতনের এত গভীরে প্রোথিত যে চাইলেও তা পুরোপুরি উপড়ে ফেলাটা সহজ হয়ে ওঠে না। তবে যাঁরা কাজটি করতে চান, তাঁদের ক্রমাগত নিজেকে ও আশপাশের সবকিছুকে প্রশ্ন করতে হয়। ক্রমাগত সমঝোতার এই প্রক্রিয়া যেকোনো পুরুষের পক্ষে চ্যালেঞ্জিং ও ভারদায়কই বটে!

দিন কয়েক আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভারতীয় অভিনেত্রী শাবানা আজমির একটি সাক্ষাৎকারের ক্লিপ দেখছিলাম। সিমি গেরেওয়ালকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলছিলেন, নারী সবসময় নিজের সাফল্য নিয়ে কৈফিয়ত দিতে থাকেন। তিনি যদি একজন রাষ্ট্রপ্রধানও হন, প্রমাণ করার চেষ্টা করেন যে তিনি একজন ভালো মা, ভালো স্ত্রী বা ভালো মেয়ে। মোদ্দা কথা হলো, নারী যতই স্বাধীনচেতা বা অধিকার সচেতন হন না কেন, মনের গভীরে তিনি শাবানাই থেকে যান। আর সে কারণেই ফিবি ওয়ালার ব্রিজের মতো বড় হয়ে আমিও শাবানা হতে চাই।
লেখক: শিক্ষক, ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস; সাংবাদিক।

বন্ধুর সঙ্গে টুকটাক কথা হচ্ছিলো মেসেঞ্জারে। সকাল সকাল সে একটি আইনি কাজ সারতে যাচ্ছিল শহরের আরেক প্রান্তে। বললাম, পূর্ব নির্ধারিত কাজ না থাকলে আমি সঙ্গে যেতে পারতাম। সে জবাব দিল, স্বামী সঙ্গে আছে। স্বতঃস্ফূর্তভাবেই মুখ দিয়ে বেরিয়ে গেল, ওরে শাবানা!
নব্বয়ের দশকে আমরা যাঁরা বাংলাদেশের চলচ্চিত্র দেখে বড় হয়েছি, তাদের কাছে স্বামী ও শাবানা—যেন জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ! তুখোড় এই বাংলাদেশি অভিনেত্রী আশি ও নব্বইয়ের দশকে রূপালি পর্দায় বাঙালি নারীর এক অটুট স্টেরিওটাইপ নির্মাণ করেছেন। এই বাঙালি নারী সর্বংসহা, পতিই তাঁর পরম ধর্ম এবং স্বামীর বাইরে তাঁর নিজস্ব কোনো মত ও পথ নেই। শাবানা হয়ে নিজের দেহ ও মনের সম্পূর্ণ এজেন্সি তিনি পুরুষের হাতে অর্পণ করেছেন। শুধু তা-ই নয়, পুরুষের পদতলে দলিত হয়ে সুখ অনুভব করছেন। অন্তত তাঁর অভীনিত সিনেমাগুলো দেখে এমন ভাবার যথেষ্ট অবকাশ থাকে বইকি!
এই পরিপূর্ণ আত্মসমর্পণ বা বশ্যতা কিন্তু অনেক নারীর কাছেই স্বস্তির। ব্রিটিশ নারী নির্মাতা ফিবি ওয়ালার ব্রিজের সুবিখ্যাত ব্ল্যাক কমেডি ‘ফ্লিব্যাগ’-এর একটি দৃশ্যে কেন্দ্রীয় নারী চরিত্র—যে চরিত্রে ফিবি নিজেই অভিনয় করেছেন—বলেন, ‘না, আমি চাই কেউ আমাকে বলে দিক প্রতিদিন সকালে কী পোশাক পরব। আমি চাই কেউ আমাকে বলে দিক কী খাব। কী পছন্দ করব, কী ঘৃণা করব, কী নিয়ে প্রচণ্ড ঘৃণায় ফেটে পড়ব। কী গান শুনব, কোন ব্যান্ড ভালোবাসব। কীসের টিকেট কাটব। কী নিয়ে মশকরা করব আর কী নিয়ে করব না। আমি চাই কেউ আমাকে বলে দিক কী বিশ্বাস করব। কাকে ভোট দেব আর কাকে ভালোবাসবে এবং কীভাবে…তাদের সেটা বলব।’

আধুনিক নারী ক্রমাগত পুঁজিবাদী পুরুষতান্ত্রিক ব্যবস্থার সঙ্গে অস্তিত্ব আর আত্মপরিচয়ের দেনদরবারে লিপ্ত। নব্য উদারবাদী সমাজে নারী ক্রমাগত ফেটিশাইজড বা বস্তুকামের লক্ষ্য। একজন মানুষ হিসেবে নারীর মৌলিক অধিকার আদায়ের সংগ্রামও পুঁজিবাদী লেনদেনের ঘুঁটিতে পরিণত হয়। আর তাই একজন ‘স্বাধীনচেতা’ নারী যখন নিজেকে প্রকাশ করতে চান, তখন তাঁর নিজেকে ক্রয়ক্ষমতার প্রমাণ দিতে হয় ধাপে ধাপে। এ ছাড়া, ‘স্বাধীনচেতা নারী’ বলতে আমরা একটি ‘অ্যান্টি শাবানা’ রূপকে বুঝি, যা মোটা দাগে ‘ফেমিনিনিটি’ বা ‘মেয়েলিপনা’ বিবর্জিত। অর্থাৎ ‘মেয়েলিপনা’ ত্যাগ করে পুরুষের মতো উপার্জন ও ব্যয়ের ক্ষমতা অর্জন করতে পারলেই শুধু পুরুষের মতো ‘স্বাধীনচেতা’ হতে পারা যায়। কিন্তু কেন?
কারণ পুরুষতান্ত্রিক ব্যবস্থায় শত শত বছর ধরে এভাবেই নারীর কন্ডিশনিং হয়েছে। তার প্রতিমা গড়ে তোলা হয়েছে। অর্থাৎ ব্যবস্থাগতভাবে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে নির্দিষ্ট আচরণ করতে প্রশিক্ষিত হয়েছে নারী। কালে কালে এই আচরণের প্রক্রিয়া পাল্টে গেছে। কিন্তু একটি নিয়ামক অপরিবর্তিত থেকেছে, হায়ার্কার্কিতে নারী সবসময় পুরুষের নিচে। নারী যে শ্রেণিরই হোন, যে অর্থনৈতিক-সামাজিক-শিক্ষাগত যোগ্যতাই অর্জন করুন না কেন, তিনি নিম্নবর্গই থেকে যান। একটি উদাহারণ দেওয়া যাক, আমি একজন কর্মজীবী মা। কাজের খাতিরে প্রায়ই আমাকে সন্তান বাসায় রেখে ঢাকার বাইরে ভ্রমণ করতে হয়। তো আমার এক সাবেক সহকর্মী, যিনি শিশুপালনে অনভিজ্ঞ, আমাকে একবার বেশ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গেই পরামর্শ দিলেন, ছেলেকে নিয়েই তো যেতে পারি। যদিও আমার কাজের ধরন বা আমার ছেলের অভ্যাস ও জীবনাচরণ নিয়ে তাঁর কোনো ধারনা ছিল না। নিজের জীবন নিয়ে এ রকম বহু পরামর্শ আমি পুরুষ শুভানুধ্যায়ীদের কাছ থেকে পেয়েছি। আদতে আমাদের চিন্তার ভেতরে ব্যক্তি হিসেবে নারীর অস্তিত্ব পুরুষের অনুমোদননির্ভর করে রাখা হয়েছে। আর সে কারণে একজন পুরুষ নারী হিসেবে আপনার পরিস্থিতি নিয়ে একেবারে অবগত না হয়েও এভাবে অবলীলায় পরামর্শ দিতে পারেন। সবসময় যে তিনি এটা সচেতনভাবে করেন তা নয়। পুরুষতান্ত্রিকতার শেকড় আমাদের সামষ্টিক অবচেতনের এত গভীরে প্রোথিত যে চাইলেও তা পুরোপুরি উপড়ে ফেলাটা সহজ হয়ে ওঠে না। তবে যাঁরা কাজটি করতে চান, তাঁদের ক্রমাগত নিজেকে ও আশপাশের সবকিছুকে প্রশ্ন করতে হয়। ক্রমাগত সমঝোতার এই প্রক্রিয়া যেকোনো পুরুষের পক্ষে চ্যালেঞ্জিং ও ভারদায়কই বটে!

দিন কয়েক আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভারতীয় অভিনেত্রী শাবানা আজমির একটি সাক্ষাৎকারের ক্লিপ দেখছিলাম। সিমি গেরেওয়ালকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলছিলেন, নারী সবসময় নিজের সাফল্য নিয়ে কৈফিয়ত দিতে থাকেন। তিনি যদি একজন রাষ্ট্রপ্রধানও হন, প্রমাণ করার চেষ্টা করেন যে তিনি একজন ভালো মা, ভালো স্ত্রী বা ভালো মেয়ে। মোদ্দা কথা হলো, নারী যতই স্বাধীনচেতা বা অধিকার সচেতন হন না কেন, মনের গভীরে তিনি শাবানাই থেকে যান। আর সে কারণেই ফিবি ওয়ালার ব্রিজের মতো বড় হয়ে আমিও শাবানা হতে চাই।
লেখক: শিক্ষক, ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস; সাংবাদিক।

বিশ্ব রাজনীতি কখনো কখনো ব্যক্তির হাতে বন্দি হয়ে পড়ে। তখন নীতি হারায়; প্রাধান্য পায় মেজাজ। প্রতিষ্ঠান দুর্বল হয়; ব্যক্তিত্ব ফুলে ওঠে। এই বাস্তবতা নতুন নয়। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে তা আরও নগ্নভাবে সামনে এসেছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
একুশ শতকের তৃতীয় দশকে বিশ্বরাজনীতি এক অভূতপূর্ব সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে, যেখানে ইউক্রেন থেকে মধ্যপ্রাচ্যের রণক্ষেত্রে পশ্চিমা দেশগুলো তাদের অস্ত্রের ভান্ডার ও অর্থনীতিকে বিসর্জন দিচ্ছে। একদিকে কামানের গর্জন আর ক্ষেপণাস্ত্রের ঝিলিক যখন পরাশক্তিগুলোকে যুদ্ধের চোরাবালিতে নিমজ্জিত করছে, ঠিক তখনই হয়তো বেইজিংয়
২১ ঘণ্টা আগে
আমরা এখন পারস্য উপসাগরের নীল জলে। কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশ মিলিটারি কনটিনজেন্টের একদল সামরিক কর্মকর্তা ফেরিতে করে কুয়েত থেকে ২০ কিলোমিটার দূরবর্তী ফাইলাকা দ্বীপে ভ্রমণে চলেছি। ২০১০-এর জানুয়ারি। আমাদের পূর্ব দিকে ইরান। সেই দেশ থেকে উড়ে এসে একদল সাদা সীগাল আমাদের স্বাগত জানায়।
২ দিন আগে
‘সত্যেন’ নামের আক্ষরিক অর্থ—সত্যের প্রতি নিষ্ঠাবান ব্যক্তি; যিনি সত্যকে ধারণ করেন কিংবা যাঁর কাছে সত্যই পরম আরাধ্য। আমাদের সত্যেন সেন তাঁর নামের এই আক্ষরিক অর্থের এক জীবন্ত ও মূর্ত উদাহরণ।
২ দিন আগে