স্ট্রিম সংবাদদাতা

বাগেরহাটের রামপালে বাসের সঙ্গে মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে বর-কনেসহ ১৩ জন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন আরও ৯ জন। নিহতদের মধ্যে বর ও কনের পরিবারের নারী-শিশুসহ ১২ সদস্য রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকাল ৩টার দিকে মোংলা-খুলনা মহাসড়কে রামপালের বেলাইব্রিজ এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। বাসটি নৌবাহিনীর বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। তবে বাহিনীটির পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
মাইক্রোবাসটিতে চালকসহ মোট ১৫ জন আরোহী ছিলেন। নিহত সবাই মাইক্রোবাসের যাত্রী ছিলেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। তবে হতাহতদের বিস্তারিত নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
রামপাল থানার ওসি (তদন্ত) সুব্রত বিশ্বাস জানান, দুর্ঘটনার পর ৯ জনের মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে রাখা হয়েছে। এছাড়া আরও চারজনের মরদেহ রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আছে। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
পারিবারের সূত্রে জানা গেছে, নিহতদের সবাই মোংলা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের শেলাবুনিয়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রাজ্জাকের পরিবারের সদস্য ও তাঁর আত্মীয়-স্বজন। তাঁদের মধ্যে কয়েকজন নারী ও শিশু রয়েছে।
কনের মামা আবু তাহের জানান, আজ দুপুরে আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে সাব্বির খুলনার কয়রা উপজেলার নাকশায় তার ভাগ্নি মার্জিয়া আক্তারের মিতুর সঙ্গে বিয়ে শেষে তাঁকে নিয়ে নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন। মাইক্রোবাসে থাকা সবাই সেখান থেকে মোংলায় ফিরছিলেন। রামপালের কাছাকাছি এলে তাঁদের বহনকারী মাইক্রোবাসটি দুর্ঘটনায় পড়ে। এতে কনে মার্জিয়া, তাঁর বোন লামিয়া ও নানী মারা গেছে। এছাড়া বরসহ ৮ জন মারা গেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বাসটি নৌবাহিনীর। এটি দ্রুত গতিতে মোংলা থেকে খুলনার দিকে যাচ্ছিল। বেলাইব্রিজ এলাকায় পৌঁছে বিপরীত দিক থেকে আসা দ্রুত গতির মাইক্রোবাসটির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মাইক্রোবাসটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এ সময় ১২ জন নিহত এবং ১০ জন আহত হন। পরে খুমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজনের মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। আহতদের উদ্ধার করে রামপাল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। দুর্ঘটনার পর নৌবাহিনীর লোকজন দুর্ঘটনা এলাকা নিয়ন্ত্রণে নেয়।
নিহতদের মধ্যে ৯ জনের মরদেহ খুমেক হাসপাতালে রয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে। অন্য চারজনের মরদেহ রামপাল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুকান্ত কুমার পাল।
খুমেক হাসপাতালের মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. মেহনাজ মোশাররফ বলেন, ‘সড়ক দুর্ঘটনার পর শিশুসহ নিহত আট জনের মরদেহ আমাদের হাসপাতালে আনা হয়। মৃত অবস্থায় তাদের আনা হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজনের মৃত্যু হয়।’

বাগেরহাটের রামপালে বাসের সঙ্গে মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে বর-কনেসহ ১৩ জন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন আরও ৯ জন। নিহতদের মধ্যে বর ও কনের পরিবারের নারী-শিশুসহ ১২ সদস্য রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকাল ৩টার দিকে মোংলা-খুলনা মহাসড়কে রামপালের বেলাইব্রিজ এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। বাসটি নৌবাহিনীর বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। তবে বাহিনীটির পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
মাইক্রোবাসটিতে চালকসহ মোট ১৫ জন আরোহী ছিলেন। নিহত সবাই মাইক্রোবাসের যাত্রী ছিলেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। তবে হতাহতদের বিস্তারিত নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
রামপাল থানার ওসি (তদন্ত) সুব্রত বিশ্বাস জানান, দুর্ঘটনার পর ৯ জনের মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে রাখা হয়েছে। এছাড়া আরও চারজনের মরদেহ রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আছে। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
পারিবারের সূত্রে জানা গেছে, নিহতদের সবাই মোংলা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের শেলাবুনিয়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রাজ্জাকের পরিবারের সদস্য ও তাঁর আত্মীয়-স্বজন। তাঁদের মধ্যে কয়েকজন নারী ও শিশু রয়েছে।
কনের মামা আবু তাহের জানান, আজ দুপুরে আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে সাব্বির খুলনার কয়রা উপজেলার নাকশায় তার ভাগ্নি মার্জিয়া আক্তারের মিতুর সঙ্গে বিয়ে শেষে তাঁকে নিয়ে নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন। মাইক্রোবাসে থাকা সবাই সেখান থেকে মোংলায় ফিরছিলেন। রামপালের কাছাকাছি এলে তাঁদের বহনকারী মাইক্রোবাসটি দুর্ঘটনায় পড়ে। এতে কনে মার্জিয়া, তাঁর বোন লামিয়া ও নানী মারা গেছে। এছাড়া বরসহ ৮ জন মারা গেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বাসটি নৌবাহিনীর। এটি দ্রুত গতিতে মোংলা থেকে খুলনার দিকে যাচ্ছিল। বেলাইব্রিজ এলাকায় পৌঁছে বিপরীত দিক থেকে আসা দ্রুত গতির মাইক্রোবাসটির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মাইক্রোবাসটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এ সময় ১২ জন নিহত এবং ১০ জন আহত হন। পরে খুমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজনের মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। আহতদের উদ্ধার করে রামপাল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। দুর্ঘটনার পর নৌবাহিনীর লোকজন দুর্ঘটনা এলাকা নিয়ন্ত্রণে নেয়।
নিহতদের মধ্যে ৯ জনের মরদেহ খুমেক হাসপাতালে রয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে। অন্য চারজনের মরদেহ রামপাল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুকান্ত কুমার পাল।
খুমেক হাসপাতালের মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. মেহনাজ মোশাররফ বলেন, ‘সড়ক দুর্ঘটনার পর শিশুসহ নিহত আট জনের মরদেহ আমাদের হাসপাতালে আনা হয়। মৃত অবস্থায় তাদের আনা হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজনের মৃত্যু হয়।’

সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেছেন, তাঁর নিজস্ব রাজনৈতিক আদর্শ থাকলেও রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে তা কোনো প্রভাব ফেলবে না।
৯ ঘণ্টা আগে
সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন নিয়ে আলোচনার জন্য বিরোধীদলীয় নেতার দেওয়া প্রস্তাব নিয়ে আগামী মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুই ঘণ্টাব্যাপী আলোচনা হবে। তবে এর আগে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকা নিয়ে সংসদে সরকারি দল ও বিরোধী দলের মধ্যে অনির্ধারিত বিতর্ক হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
ইন্দোবাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস সংগ্রাম পরিষদের টানা দুই দিনের সর্বাত্মক কর্মবিরতির মুখে নতি স্বীকার করেছে প্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষ। আন্দোলনের মুখে চারজন শ্রমিকের ছাঁটাই আদেশ প্রত্যাহারসহ চার দফা দাবি মেনে নিয়েছে মালিকপক্ষ।
১০ ঘণ্টা আগে
লিবিয়ায় বন্দিশালায় (গেমঘর) দালালের নির্যাতনে মাদারীপুরের দুই যুবক নিহত হয়েছেন। সপ্তাহখানেক আগে মৃত্যু হলেও তা পরিবারের কাছে গোপন রাখা হয়।
১০ ঘণ্টা আগে