স্ট্রিম প্রতিবেদক

টানা ৩৯টি বৈঠকের চুলচেরা বিশ্লেষণের পর বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দায়ের করা প্রায় ২৪ হাজার ‘রাজনৈতিক হয়রানিমূলক’ মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ চূড়ান্ত করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, এই সুপারিশ বাস্তবায়িত হলে বিরোধী মতের প্রায় ৫ লাখ মানুষ দীর্ঘদিনের আইনি জটিলতা ও হয়রানি থেকে অব্যাহতি পাবেন।
আইন মন্ত্রণালয় জানায়, যাচাই-বাছাই শেষে মোট ২৩ হাজার ৮৬৫টি মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ করা হয়েছে। আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলের নেতৃত্বে গঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি এবং জেলা পর্যায়ের কমিটির সমন্বিত পর্যালোচনার পরই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত বিগত সরকারের প্রায় সাড়ে ১৫ বছরে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমনের উদ্দেশ্যে এসব মামলা দায়ের করা হয়েছিল। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার এসব মামলা পর্যালোচনার উদ্যোগ নেয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, হেফাজতে ইসলাম ও গণঅধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে এসব মামলা দায়ের করা হয়েছিল। সরকারের পর্যালোচনায় এসব মামলাকে ‘রাজনৈতিক হয়রানিমূলক’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের লক্ষ্যে গত বছরের ২২ সেপ্টেম্বর দুটি পৃথক কমিটি গঠন করে সরকার। এর মধ্যে নীতিগত সিদ্ধান্ত ও চূড়ান্ত সুপারিশের জন্য আইন উপদেষ্টার নেতৃত্বে ছয় সদস্যের আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি এবং মাঠ পর্যায়ের তথ্য যাচাইয়ের জন্য জেলা প্রশাসকের (ডিসি) নেতৃত্বে চার সদস্যের জেলা কমিটি কাজ করছে।
আইন মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ভুক্তভোগী রাজনৈতিক দল ও সংগঠনগুলোর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রথমে জেলা কমিটি প্রাথমিক যাচাই-বাছাই করে প্রতিবেদন পাঠায়। সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি ধাপে ধাপে ৩৯টি সভা করে প্রতিটি মামলার আইনি মেরিট ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে। দীর্ঘ এই যাচাই-বাছাই শেষে ২৩ হাজার ৮৬৫টি মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ চূড়ান্ত করা হয়।
জেলা পর্যায়ের কমিটিতে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ছাড়াও পুলিশ সুপার (মহানগর এলাকায় উপ-পুলিশ কমিশনার) এবং পাবলিক প্রসিকিউটর সদস্য হিসেবে রয়েছেন। অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটিতে আইন উপদেষ্টার সঙ্গে রয়েছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব, অতিরিক্ত সচিব (আইন ও শৃঙ্খলা), যুগ্মসচিব (আইন) এবং আইন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মামলা প্রত্যাহারের এই কার্যক্রম এখনো চলমান রয়েছে। জেলা পর্যায় থেকে আরও তথ্য ও যাচাই প্রতিবেদন আসার পর ভবিষ্যতে এই তালিকায় আরও মামলা যুক্ত হতে পারে।

টানা ৩৯টি বৈঠকের চুলচেরা বিশ্লেষণের পর বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দায়ের করা প্রায় ২৪ হাজার ‘রাজনৈতিক হয়রানিমূলক’ মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ চূড়ান্ত করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, এই সুপারিশ বাস্তবায়িত হলে বিরোধী মতের প্রায় ৫ লাখ মানুষ দীর্ঘদিনের আইনি জটিলতা ও হয়রানি থেকে অব্যাহতি পাবেন।
আইন মন্ত্রণালয় জানায়, যাচাই-বাছাই শেষে মোট ২৩ হাজার ৮৬৫টি মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ করা হয়েছে। আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলের নেতৃত্বে গঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি এবং জেলা পর্যায়ের কমিটির সমন্বিত পর্যালোচনার পরই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত বিগত সরকারের প্রায় সাড়ে ১৫ বছরে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমনের উদ্দেশ্যে এসব মামলা দায়ের করা হয়েছিল। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার এসব মামলা পর্যালোচনার উদ্যোগ নেয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, হেফাজতে ইসলাম ও গণঅধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে এসব মামলা দায়ের করা হয়েছিল। সরকারের পর্যালোচনায় এসব মামলাকে ‘রাজনৈতিক হয়রানিমূলক’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের লক্ষ্যে গত বছরের ২২ সেপ্টেম্বর দুটি পৃথক কমিটি গঠন করে সরকার। এর মধ্যে নীতিগত সিদ্ধান্ত ও চূড়ান্ত সুপারিশের জন্য আইন উপদেষ্টার নেতৃত্বে ছয় সদস্যের আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি এবং মাঠ পর্যায়ের তথ্য যাচাইয়ের জন্য জেলা প্রশাসকের (ডিসি) নেতৃত্বে চার সদস্যের জেলা কমিটি কাজ করছে।
আইন মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ভুক্তভোগী রাজনৈতিক দল ও সংগঠনগুলোর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রথমে জেলা কমিটি প্রাথমিক যাচাই-বাছাই করে প্রতিবেদন পাঠায়। সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি ধাপে ধাপে ৩৯টি সভা করে প্রতিটি মামলার আইনি মেরিট ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে। দীর্ঘ এই যাচাই-বাছাই শেষে ২৩ হাজার ৮৬৫টি মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ চূড়ান্ত করা হয়।
জেলা পর্যায়ের কমিটিতে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ছাড়াও পুলিশ সুপার (মহানগর এলাকায় উপ-পুলিশ কমিশনার) এবং পাবলিক প্রসিকিউটর সদস্য হিসেবে রয়েছেন। অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটিতে আইন উপদেষ্টার সঙ্গে রয়েছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব, অতিরিক্ত সচিব (আইন ও শৃঙ্খলা), যুগ্মসচিব (আইন) এবং আইন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মামলা প্রত্যাহারের এই কার্যক্রম এখনো চলমান রয়েছে। জেলা পর্যায় থেকে আরও তথ্য ও যাচাই প্রতিবেদন আসার পর ভবিষ্যতে এই তালিকায় আরও মামলা যুক্ত হতে পারে।

সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেছেন, তাঁর নিজস্ব রাজনৈতিক আদর্শ থাকলেও রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে তা কোনো প্রভাব ফেলবে না।
৮ ঘণ্টা আগে
সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন নিয়ে আলোচনার জন্য বিরোধীদলীয় নেতার দেওয়া প্রস্তাব নিয়ে আগামী মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুই ঘণ্টাব্যাপী আলোচনা হবে। তবে এর আগে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকা নিয়ে সংসদে সরকারি দল ও বিরোধী দলের মধ্যে অনির্ধারিত বিতর্ক হয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
ইন্দোবাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস সংগ্রাম পরিষদের টানা দুই দিনের সর্বাত্মক কর্মবিরতির মুখে নতি স্বীকার করেছে প্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষ। আন্দোলনের মুখে চারজন শ্রমিকের ছাঁটাই আদেশ প্রত্যাহারসহ চার দফা দাবি মেনে নিয়েছে মালিকপক্ষ।
৯ ঘণ্টা আগে
লিবিয়ায় বন্দিশালায় (গেমঘর) দালালের নির্যাতনে মাদারীপুরের দুই যুবক নিহত হয়েছেন। সপ্তাহখানেক আগে মৃত্যু হলেও তা পরিবারের কাছে গোপন রাখা হয়।
১০ ঘণ্টা আগে