মাহবুবুর রহমানকে নিজের বাসার সামনে একটি মোটরসাইকেলে আসা তিনজন তাঁকে গুলি করে। তিনি মাটিতে পড়ে গেলে তাঁর দুই পায়ের রগ কেটে মৃত্যু নিশ্চিত করে দুর্বৃত্তরা।
স্ট্রিম প্রতিবেদক

খুলনা নগরীতে সাবেক (বহিষ্কৃত) যুবদল নেতা মোল্লা মাহবুবুর রহমানকে (৩৮) বাড়ির সামনে গুলি ও পায়ের রগ কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার (১১ জুলাই) দুপুর দেড়টার দিকে মহেশ্বরপাশা পশ্চিমপাড়ায় এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।
মাহবুবুর রহমান পশ্চিমপাড়া এলাকার মো. আব্দুল করিম মোল্লার ছেলে। তিনি নগরীর দৌলতপুর থানা যুবদলের সাবেক সহসভাপতি। তাঁর হত্যাকাণ্ডের খবর নিশ্চিত করেন জেলার দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর আতাহার আলী। তাঁর মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজে (খুমেক) হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
মাহবুবের স্বজন ও প্রতিবেশীরা জানান, শুক্রবার দুপুর দেড়টার দিকে মাহবুবুর রহমান বাসার সামনে নিজের প্রাইভেট কারটি পরিস্কার করছিলেন। এ সময়ে হেলমেট পরা অবস্থায় তিনজন একটি মোটরসাইকেলে এসে তাঁকে গুলি করতে থাকে। এর একটি গুলি মাথায় লাগলে তিনি মাটিতে পড়ে যান। এ সময় দুর্বৃত্তরা তাঁর দুই পায়ের রগ কেটে মৃত্যু নিশ্চিত করে।
মাহবুবুর রহমান দৌলতপুর থানা যুবদলের সহসভাপতি ছিলেন। তবে চলতি বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) শিক্ষার্থী ও বহিরাগতদের সংঘর্ষ হয়। এতে শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়। এ সময় রামদা হাতে দাঁড়িয়ে থাকা যুবদল নেতা মাহবুবুরের একটি ছবি ছড়িয়ে পড়লে বির্তক সৃষ্টি হয়। এর জেরে ওই দিনগত রাতেই সংগঠন থেকে মাহাবুবকে বহিষ্কার করে যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি। এরপরও তিনি দলীয় কার্যক্রমে নিয়মিত অংশ নিতেন।
দৌলতপুর থানার ওসি মীর আতাহার আলী জানান, ‘হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ঘটনাস্থল থেকে গুলির ৪টি খোসা ও একটি অব্যবহৃত গুলি জব্দ করা হয়েছে। তবে কী কারণে ও কারা মাহবুবকে হত্যা করতে পারে, প্রাথমিকভাবে বলা যাচ্ছে না।’
এদিকে মাহবুব হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে সন্ধ্যায় ওই এলাকায় বিক্ষোভ করেছে ছাত্রদলের স্থানীয় কিছু নেতা-কর্মী। এ ঘটনায় সন্ধ্যা পর্যন্ত থানায় কেউ মামলা করেনি। তবে বিষয়টি পুলিশ গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। এর কারণ উদ্ঘাটনসহ জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে বলে জানান ওসি।

খুলনা নগরীতে সাবেক (বহিষ্কৃত) যুবদল নেতা মোল্লা মাহবুবুর রহমানকে (৩৮) বাড়ির সামনে গুলি ও পায়ের রগ কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার (১১ জুলাই) দুপুর দেড়টার দিকে মহেশ্বরপাশা পশ্চিমপাড়ায় এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।
মাহবুবুর রহমান পশ্চিমপাড়া এলাকার মো. আব্দুল করিম মোল্লার ছেলে। তিনি নগরীর দৌলতপুর থানা যুবদলের সাবেক সহসভাপতি। তাঁর হত্যাকাণ্ডের খবর নিশ্চিত করেন জেলার দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর আতাহার আলী। তাঁর মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজে (খুমেক) হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
মাহবুবের স্বজন ও প্রতিবেশীরা জানান, শুক্রবার দুপুর দেড়টার দিকে মাহবুবুর রহমান বাসার সামনে নিজের প্রাইভেট কারটি পরিস্কার করছিলেন। এ সময়ে হেলমেট পরা অবস্থায় তিনজন একটি মোটরসাইকেলে এসে তাঁকে গুলি করতে থাকে। এর একটি গুলি মাথায় লাগলে তিনি মাটিতে পড়ে যান। এ সময় দুর্বৃত্তরা তাঁর দুই পায়ের রগ কেটে মৃত্যু নিশ্চিত করে।
মাহবুবুর রহমান দৌলতপুর থানা যুবদলের সহসভাপতি ছিলেন। তবে চলতি বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) শিক্ষার্থী ও বহিরাগতদের সংঘর্ষ হয়। এতে শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়। এ সময় রামদা হাতে দাঁড়িয়ে থাকা যুবদল নেতা মাহবুবুরের একটি ছবি ছড়িয়ে পড়লে বির্তক সৃষ্টি হয়। এর জেরে ওই দিনগত রাতেই সংগঠন থেকে মাহাবুবকে বহিষ্কার করে যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি। এরপরও তিনি দলীয় কার্যক্রমে নিয়মিত অংশ নিতেন।
দৌলতপুর থানার ওসি মীর আতাহার আলী জানান, ‘হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ঘটনাস্থল থেকে গুলির ৪টি খোসা ও একটি অব্যবহৃত গুলি জব্দ করা হয়েছে। তবে কী কারণে ও কারা মাহবুবকে হত্যা করতে পারে, প্রাথমিকভাবে বলা যাচ্ছে না।’
এদিকে মাহবুব হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে সন্ধ্যায় ওই এলাকায় বিক্ষোভ করেছে ছাত্রদলের স্থানীয় কিছু নেতা-কর্মী। এ ঘটনায় সন্ধ্যা পর্যন্ত থানায় কেউ মামলা করেনি। তবে বিষয়টি পুলিশ গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। এর কারণ উদ্ঘাটনসহ জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে বলে জানান ওসি।

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলায় নিখোঁজের দুদিন পর জোনায়েদ (১৪) নামের এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
১ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে হামে আক্রান্ত হয়ে ১০ শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে। এছাড়া হাম ও হামজনিত নিউমোনিয়ার লক্ষণ নিয়ে আরও কয়েকজনসহ মোট ১৪ শিশু চিকিৎসা নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
২ ঘণ্টা আগে
সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেছেন, তাঁর নিজস্ব রাজনৈতিক আদর্শ থাকলেও রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে তা কোনো প্রভাব ফেলবে না।
১২ ঘণ্টা আগে
সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন নিয়ে আলোচনার জন্য বিরোধীদলীয় নেতার দেওয়া প্রস্তাব নিয়ে আগামী মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুই ঘণ্টাব্যাপী আলোচনা হবে। তবে এর আগে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকা নিয়ে সংসদে সরকারি দল ও বিরোধী দলের মধ্যে অনির্ধারিত বিতর্ক হয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে