স্ট্রিম প্রতিবেদক

একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব জাহানারা আরজু ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। সোমবার (২ মার্চ) দুপুর দেড়টায় রাজধানীর গুলশানের নিজ বাসভবনে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৩ বছর। তিনি দুই ছেলে, এক মেয়ে ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
জাহানারা আরজু সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামের মা। তাঁর স্বামী মরহুম এ কে এম নুরুল ইসলাম ছিলেন বাংলাদেশের সাবেক উপরাষ্ট্রপতি ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার। তিনি সরকারের আইন ও শিক্ষামন্ত্রী এবং পাকিস্তান আমলে ঢাকা হাইকোর্টের বিচারপতির দায়িত্বও পালন করেছেন।
১৯৩২ সালের ১৭ নভেম্বর জন্মগ্রহণ করেন জাহানারা আরজু। তিনি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের প্রথম মহিলা সাপ্তাহিক ‘সুলতানা’ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাকালীন সম্পাদক ছিলেন। ১৯৪৫ সালে ‘আজাদ’ পত্রিকায় তাঁর প্রথম কবিতা প্রকাশিত হয়। পরবর্তীকালে সওগাত, মোহাম্মদী, বেগম, মিল্লাত ও ইত্তেহাদসহ বিভিন্ন সাময়িকীতে তাঁর লেখা নিয়মিত প্রকাশিত হয়েছে।
বাংলা সাহিত্যে অসামান্য অবদানের জন্য ১৯৮৭ সালে তিনি রাষ্ট্রের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘একুশে পদক’ লাভ করেন। দীর্ঘ সাহিত্যজীবনে তিনি সর্বমোট ২৬টি পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।
পারিবারিক সূত্র জানায়, মরহুমার প্রথম জানাজা আজ সোমবার বাদ মাগরিব গুলশানের আজাদ মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে। এরপর মানিকগঞ্জের হরিরামপুরের খলিলপুর গ্রামে দ্বিতীয় জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হবে। জানাজা শেষে তাঁকে স্বামীর কবরের পাশে দাফন করা হবে।

একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব জাহানারা আরজু ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। সোমবার (২ মার্চ) দুপুর দেড়টায় রাজধানীর গুলশানের নিজ বাসভবনে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৩ বছর। তিনি দুই ছেলে, এক মেয়ে ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
জাহানারা আরজু সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামের মা। তাঁর স্বামী মরহুম এ কে এম নুরুল ইসলাম ছিলেন বাংলাদেশের সাবেক উপরাষ্ট্রপতি ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার। তিনি সরকারের আইন ও শিক্ষামন্ত্রী এবং পাকিস্তান আমলে ঢাকা হাইকোর্টের বিচারপতির দায়িত্বও পালন করেছেন।
১৯৩২ সালের ১৭ নভেম্বর জন্মগ্রহণ করেন জাহানারা আরজু। তিনি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের প্রথম মহিলা সাপ্তাহিক ‘সুলতানা’ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাকালীন সম্পাদক ছিলেন। ১৯৪৫ সালে ‘আজাদ’ পত্রিকায় তাঁর প্রথম কবিতা প্রকাশিত হয়। পরবর্তীকালে সওগাত, মোহাম্মদী, বেগম, মিল্লাত ও ইত্তেহাদসহ বিভিন্ন সাময়িকীতে তাঁর লেখা নিয়মিত প্রকাশিত হয়েছে।
বাংলা সাহিত্যে অসামান্য অবদানের জন্য ১৯৮৭ সালে তিনি রাষ্ট্রের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘একুশে পদক’ লাভ করেন। দীর্ঘ সাহিত্যজীবনে তিনি সর্বমোট ২৬টি পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।
পারিবারিক সূত্র জানায়, মরহুমার প্রথম জানাজা আজ সোমবার বাদ মাগরিব গুলশানের আজাদ মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে। এরপর মানিকগঞ্জের হরিরামপুরের খলিলপুর গ্রামে দ্বিতীয় জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হবে। জানাজা শেষে তাঁকে স্বামীর কবরের পাশে দাফন করা হবে।

সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেছেন, তাঁর নিজস্ব রাজনৈতিক আদর্শ থাকলেও রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে তা কোনো প্রভাব ফেলবে না।
১০ ঘণ্টা আগে
সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন নিয়ে আলোচনার জন্য বিরোধীদলীয় নেতার দেওয়া প্রস্তাব নিয়ে আগামী মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুই ঘণ্টাব্যাপী আলোচনা হবে। তবে এর আগে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকা নিয়ে সংসদে সরকারি দল ও বিরোধী দলের মধ্যে অনির্ধারিত বিতর্ক হয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
ইন্দোবাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস সংগ্রাম পরিষদের টানা দুই দিনের সর্বাত্মক কর্মবিরতির মুখে নতি স্বীকার করেছে প্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষ। আন্দোলনের মুখে চারজন শ্রমিকের ছাঁটাই আদেশ প্রত্যাহারসহ চার দফা দাবি মেনে নিয়েছে মালিকপক্ষ।
১১ ঘণ্টা আগে
লিবিয়ায় বন্দিশালায় (গেমঘর) দালালের নির্যাতনে মাদারীপুরের দুই যুবক নিহত হয়েছেন। সপ্তাহখানেক আগে মৃত্যু হলেও তা পরিবারের কাছে গোপন রাখা হয়।
১১ ঘণ্টা আগে