স্ট্রিম সংবাদদাতা

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক মো. মাহফুজুর রহমান এক ফেসবুক পোস্টে জাতীয় নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অভিযোগ এনে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা। আজ শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক মো. শামছুল আলম ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মো. জামাল উদ্দীনের সই করা এক বিবৃতিতে ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়।
এর আগে শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক একাউন্টে নির্বাচনের নিয়ে একটি পোস্ট করেন উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক মো. মাহফুজুর রহমান। সেখানে তিনি বলেন, ‘একজন সাধারণ ভোটার হিসেবে নির্বাচন কমিশনের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে এবং নির্বাচনের ফলাফল গ্রহণযোগ্য করতে প্রধান বিচারপতির তত্ত্বাবধানে গঠিত একটি কমিটির মাধ্যমে সব দলের প্রতিনিধির উপস্থিতিতে উন্মুক্তভাবে সংশ্লিষ্ট সব ডকুমেন্ট যাচাই-বাছাইপূর্বক সব আসনের প্রদত্ত ভোটে পুনর্গণনার মাধ্যমে সন্দেহাতীতভাবে নিশ্চিতকরনের পর বিজয়ীদের ফলাফল পুনর্প্রকাশ করার দাবি জানাচ্ছি।’
উপ-উপাচার্য এই ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফলকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন বলে বিবৃতিতে দাবি করেছে জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরাম। সংগঠনটি বলছে, উপ-উপাচার্যের মতো উচ্চ প্রশাসনিক পদে থেকে প্রদত্ত বক্তব্য কেবল ব্যক্তিগত মতামত হিসেবে বিবেচিত হয় না, তা প্রতিষ্ঠানের নৈতিক অবস্থান হিসেবেও প্রতিফলিত হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, প্রশাসনিক পদে অধিষ্ঠিত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক নিরপেক্ষতা, সংযম ও দায়িত্বশীলতা আরও বেশি প্রত্যাশিত।
ফোরামের অভিযোগ, জাকসু নির্বাচন নিয়ে অধ্যাপক নাহরিন ইসলাম খানের মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তার বিরুদ্ধে প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করলেও, উপ-উপাচার্যের ফেসবুক স্ট্যাটাসে জাতীয় নির্বাচন সম্পর্কিত ফলাফল প্রশ্নবিদ্ধ করার মতো মন্তব্য ও জাকসুর জিএসসহ কয়েকজন জাকসু নেতার ধারাবাহিক অপপ্রচারের বিষয়ে দৃশ্যমান কোনো অবস্থান নেই প্রশাসনের।
এই দ্বৈত মানদণ্ড বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নৈতিক অবস্থানকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে বলে দাবি সংগঠনটির।
ফোরাম আশা প্রকাশ করে বলে, উপ-উপাচার্য সংশ্লিষ্ট ফেসবুক বক্তব্য অবিলম্বে প্রত্যাহার করবেন এবং প্রাতিষ্ঠানিক নিরপেক্ষতা বজায় রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করবেন।
এছাড়াও বিবৃতিতে অধ্যাপক নাহরিন ইসলাম খানের বিরুদ্ধে জারি করা বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহার এবং নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় জড়িত দুষ্কৃতিকারীদের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার জন্য দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
এ বিষয়ে জানতে উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক মো. মাহফুজুর রহমানের ফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তিনি তা রিসিভ করেননি।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক মো. মাহফুজুর রহমান এক ফেসবুক পোস্টে জাতীয় নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অভিযোগ এনে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা। আজ শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক মো. শামছুল আলম ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মো. জামাল উদ্দীনের সই করা এক বিবৃতিতে ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়।
এর আগে শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক একাউন্টে নির্বাচনের নিয়ে একটি পোস্ট করেন উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক মো. মাহফুজুর রহমান। সেখানে তিনি বলেন, ‘একজন সাধারণ ভোটার হিসেবে নির্বাচন কমিশনের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে এবং নির্বাচনের ফলাফল গ্রহণযোগ্য করতে প্রধান বিচারপতির তত্ত্বাবধানে গঠিত একটি কমিটির মাধ্যমে সব দলের প্রতিনিধির উপস্থিতিতে উন্মুক্তভাবে সংশ্লিষ্ট সব ডকুমেন্ট যাচাই-বাছাইপূর্বক সব আসনের প্রদত্ত ভোটে পুনর্গণনার মাধ্যমে সন্দেহাতীতভাবে নিশ্চিতকরনের পর বিজয়ীদের ফলাফল পুনর্প্রকাশ করার দাবি জানাচ্ছি।’
উপ-উপাচার্য এই ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফলকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন বলে বিবৃতিতে দাবি করেছে জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরাম। সংগঠনটি বলছে, উপ-উপাচার্যের মতো উচ্চ প্রশাসনিক পদে থেকে প্রদত্ত বক্তব্য কেবল ব্যক্তিগত মতামত হিসেবে বিবেচিত হয় না, তা প্রতিষ্ঠানের নৈতিক অবস্থান হিসেবেও প্রতিফলিত হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, প্রশাসনিক পদে অধিষ্ঠিত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক নিরপেক্ষতা, সংযম ও দায়িত্বশীলতা আরও বেশি প্রত্যাশিত।
ফোরামের অভিযোগ, জাকসু নির্বাচন নিয়ে অধ্যাপক নাহরিন ইসলাম খানের মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তার বিরুদ্ধে প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করলেও, উপ-উপাচার্যের ফেসবুক স্ট্যাটাসে জাতীয় নির্বাচন সম্পর্কিত ফলাফল প্রশ্নবিদ্ধ করার মতো মন্তব্য ও জাকসুর জিএসসহ কয়েকজন জাকসু নেতার ধারাবাহিক অপপ্রচারের বিষয়ে দৃশ্যমান কোনো অবস্থান নেই প্রশাসনের।
এই দ্বৈত মানদণ্ড বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নৈতিক অবস্থানকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে বলে দাবি সংগঠনটির।
ফোরাম আশা প্রকাশ করে বলে, উপ-উপাচার্য সংশ্লিষ্ট ফেসবুক বক্তব্য অবিলম্বে প্রত্যাহার করবেন এবং প্রাতিষ্ঠানিক নিরপেক্ষতা বজায় রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করবেন।
এছাড়াও বিবৃতিতে অধ্যাপক নাহরিন ইসলাম খানের বিরুদ্ধে জারি করা বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহার এবং নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় জড়িত দুষ্কৃতিকারীদের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার জন্য দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
এ বিষয়ে জানতে উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক মো. মাহফুজুর রহমানের ফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তিনি তা রিসিভ করেননি।

ঢাকার দুটিসহ (উত্তর ও দক্ষিণ) পাঁচ সিটি করপোরেশনে মেয়র প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। রোববার (২৯ মার্চ) রাতে রাজধানীর বাংলামটরে অস্থায়ী কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন।
৯ ঘণ্টা আগে
ঘোষণার পরও সংসদের প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী ছায়া মন্ত্রিসভা দিতে পারেনি। দেরি করার পেছনে দলটির নেতারা বলছেন, আইনি কাঠামো ছাড়া ছায়া মন্ত্রিসভা কার্যকর হবে না। এজন্য ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের পরে সরকারের কাছে তারা ‘এক্সেস টু মিনিস্ট্রি’ বিষয়ে আইনি ভিত্তি চাইবেন।
১১ ঘণ্টা আগে
সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করতে যাচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এ বিষয়ে রোববার (২৯ মার্চ) রাত ৯টায় রাজধানীর বাংলামোটরে দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়েছে।
২১ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, প্রতিদিন রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হলে দলের বদনাম হবে। মানুষেরও কষ্ট হবে। শনিবার (২৮ মার্চ) রাতে রাজধানীর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হওয়া বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর উদ্দেশে একথা বলেন তিনি।
১ দিন আগে