স্ট্রিম সংবাদদাতা

বেসরকারি ফলাফলে যশোরে ছয়টি সংসদীয় আসনের পাঁচটিতেই জয় পেয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা। শুধু সদর আসনে জয়ী হয়েছেন বিএনপি প্রার্থী।
যশোর-১ (শার্শা উপজেলা) আসনে ১০২ কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফলে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে জামায়াতের মাওলানা আজিজুর রহমান পেয়েছেন পোস্টালসহ ১ লাখ ১৯ হাজার ৯৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের নুরুজ্জামান লিটন পেয়েছেন ৯৩ হাজার ৫৪২ ভোট।
যশোর-২ (চৌগাছা এবং ঝিকরগাছা উপজেলা) আসনে ১৭৫ কেন্দ্রেই বেসরকারি ফল পাওয়া গেছে। এতে দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ ১ লাখ ৭১ হাজার ৯৯১ ভোট পেয়ে জয় পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ সাবিরা সুলতানা পেয়েছেন ১ লাখ ৪৬ হাজার ৩২২ ভোট।
যশোর-৩ (বসুন্দিয়া ইউনিয়ন ব্যতীত যশোর সদর উপজেলা) আসনে কেন্দ্রের সংখ্যা ১৯০টি। সবগুলো কেন্দ্রেরই বেসরকারি ফল পাওয়া গেছে। এতে ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত ১ লাখ ৯৯ হাজার ৬৪৭ ভোট পেয়েছেন। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী আব্দুল কাদের ১ লাখ ৮৪ হাজার ৪৫৯ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় হয়েছেন।
যশোর-৪ (বাঘারপাড়া, অভয়নগর এবং যশোর সদর উপজেলার বসুন্দিয়া ইউনিয়ন) আসনে বেসরকারি ফলে জামায়াতের প্রার্থী গোলাম রছুল পেয়েছেন ১ লাখ ৭৭ হাজার ৫৩৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী মতিয়ার রহমান ফারাজীর ভোটের সংখ্যা ১ লাখ ২৮ হাজার ১৭২।
যশোর-৫ (মনিরামপুর উপজেলা) আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী গাজী এনামুল হক পেয়েছেন ১ লাখ ৩২ হাজার ৮৫৮ ভোট। এখানে বিএনপি ‘বিদ্রোহী’ শহিদ ইকবাল কলস প্রতীকে পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৫১৭ ভোট। ধানের শীষের প্রার্থী রশিদ আহমদ ৫৫ হাজার ৪১৯ ভোট পেয়ে হয়েছেন তৃতীয়। এই আসনে কেন্দ্রের সংখ্যা ১২৮টি।
যশোর-৬ (কেশবপুর উপজেলা) আসনে ৮১ কেন্দ্রেরই বেসরকারি ফল পাওয়া গেছে। এতে জামায়াতের প্রার্থী মুক্তার আলী ৯২ হাজার ২৫৩ ভোট পেয়ে জয় পেয়েছেন। বিএনপি প্রার্থী আবুল হোসেন আজাদ পেয়েছেন ৭৯ হাজার ৯৭৯ ভোট।

বেসরকারি ফলাফলে যশোরে ছয়টি সংসদীয় আসনের পাঁচটিতেই জয় পেয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা। শুধু সদর আসনে জয়ী হয়েছেন বিএনপি প্রার্থী।
যশোর-১ (শার্শা উপজেলা) আসনে ১০২ কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফলে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে জামায়াতের মাওলানা আজিজুর রহমান পেয়েছেন পোস্টালসহ ১ লাখ ১৯ হাজার ৯৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের নুরুজ্জামান লিটন পেয়েছেন ৯৩ হাজার ৫৪২ ভোট।
যশোর-২ (চৌগাছা এবং ঝিকরগাছা উপজেলা) আসনে ১৭৫ কেন্দ্রেই বেসরকারি ফল পাওয়া গেছে। এতে দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ ১ লাখ ৭১ হাজার ৯৯১ ভোট পেয়ে জয় পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ সাবিরা সুলতানা পেয়েছেন ১ লাখ ৪৬ হাজার ৩২২ ভোট।
যশোর-৩ (বসুন্দিয়া ইউনিয়ন ব্যতীত যশোর সদর উপজেলা) আসনে কেন্দ্রের সংখ্যা ১৯০টি। সবগুলো কেন্দ্রেরই বেসরকারি ফল পাওয়া গেছে। এতে ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত ১ লাখ ৯৯ হাজার ৬৪৭ ভোট পেয়েছেন। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী আব্দুল কাদের ১ লাখ ৮৪ হাজার ৪৫৯ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় হয়েছেন।
যশোর-৪ (বাঘারপাড়া, অভয়নগর এবং যশোর সদর উপজেলার বসুন্দিয়া ইউনিয়ন) আসনে বেসরকারি ফলে জামায়াতের প্রার্থী গোলাম রছুল পেয়েছেন ১ লাখ ৭৭ হাজার ৫৩৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী মতিয়ার রহমান ফারাজীর ভোটের সংখ্যা ১ লাখ ২৮ হাজার ১৭২।
যশোর-৫ (মনিরামপুর উপজেলা) আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী গাজী এনামুল হক পেয়েছেন ১ লাখ ৩২ হাজার ৮৫৮ ভোট। এখানে বিএনপি ‘বিদ্রোহী’ শহিদ ইকবাল কলস প্রতীকে পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৫১৭ ভোট। ধানের শীষের প্রার্থী রশিদ আহমদ ৫৫ হাজার ৪১৯ ভোট পেয়ে হয়েছেন তৃতীয়। এই আসনে কেন্দ্রের সংখ্যা ১২৮টি।
যশোর-৬ (কেশবপুর উপজেলা) আসনে ৮১ কেন্দ্রেরই বেসরকারি ফল পাওয়া গেছে। এতে জামায়াতের প্রার্থী মুক্তার আলী ৯২ হাজার ২৫৩ ভোট পেয়ে জয় পেয়েছেন। বিএনপি প্রার্থী আবুল হোসেন আজাদ পেয়েছেন ৭৯ হাজার ৯৭৯ ভোট।

ঢাকার দুটিসহ (উত্তর ও দক্ষিণ) পাঁচ সিটি করপোরেশনে মেয়র প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। রোববার (২৯ মার্চ) রাতে রাজধানীর বাংলামটরে অস্থায়ী কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন।
৮ ঘণ্টা আগে
ঘোষণার পরও সংসদের প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী ছায়া মন্ত্রিসভা দিতে পারেনি। দেরি করার পেছনে দলটির নেতারা বলছেন, আইনি কাঠামো ছাড়া ছায়া মন্ত্রিসভা কার্যকর হবে না। এজন্য ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের পরে সরকারের কাছে তারা ‘এক্সেস টু মিনিস্ট্রি’ বিষয়ে আইনি ভিত্তি চাইবেন।
৯ ঘণ্টা আগে
সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করতে যাচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এ বিষয়ে রোববার (২৯ মার্চ) রাত ৯টায় রাজধানীর বাংলামোটরে দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়েছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, প্রতিদিন রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হলে দলের বদনাম হবে। মানুষেরও কষ্ট হবে। শনিবার (২৮ মার্চ) রাতে রাজধানীর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হওয়া বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর উদ্দেশে একথা বলেন তিনি।
১ দিন আগে