ঢাকা-১০

ভোটাধিকার হরণচেষ্টা হলে জুলাইয়ের মতো প্রতিরোধ: আসিফ মাহমুদ

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ২৩ জানুয়ারি ২০২৬, ২০: ১২
এনসিপির মুখপাত্র ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া। সংগৃহীত ছবি

নির্বাচনে জনগণের ভোটাধিকার হরণের চেষ্টা করা হলে ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মতোই আবারও প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। জনগণ তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ না পেলে ১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া এমন মন্তব্য করেছেন।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর রবীন্দ্র সরোবরে ঢাকা-১০ আসনে (ধানমন্ডি-নিউমার্কেট-কলাবাগান-হাজারীবাগ) জামায়াত ইসলামীর আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের পক্ষে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ব্যারিস্টার জসিম উদ্দিন সরকারের জন্য ভোট চেয়ে আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘নির্বাচিত হলে আগামীর বাংলাদেশ গড়ার প্রতিশ্রুতি আমরা রক্ষা করব।'

আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘দীর্ঘ ১৭-১৮ বছর পর বাংলাদেশের মানুষ অধীর আগ্রহ নিয়ে ভোট দেওয়ার জন্য অপেক্ষা করছে। এবারের নির্বাচন নির্ধারণ করবে বাংলাদেশ গত ৫০ বছরের মতো চলবে, নাকি নতুন কোনো পথে হাঁটবে। আমরা প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনকে সতর্ক করতে চাই, যদি জনগণের ভোটাধিকার হরণের চেষ্টা করা হয়, তবে আমরা দাঁড়িয়ে সেই দৃশ্য দেখব না। যেখানেই ভোটাধিকার হরণ হবে, সেখানেই জুলাইয়ের মতো প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।’

গত দেড় বছরের রাজনৈতিক পরিস্থিতির সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘গত ১৭ বছরে একটি দল যা করেছে, গত দেড় বছরে আমরা তার পুনরাবৃত্তি ও মহড়া দেখেছি। তাদের আচরণে সেই পুরোনো ফ্যাসিস্ট লক্ষণগুলোই ফুটে উঠেছে। তবে এবারের নির্বাচনে গতানুগতিক ভোটের হিসাব-নিকাশ কাজ করবে না। রিকশাচালক থেকে শুরু করে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে রাজনৈতিক জনতাত্ত্বিক পরিবর্তন এসেছে।’

নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘অতীতের নির্বাচন কমিশনারদের পরিণতি আমরা দেখেছি। রাতের ভোট আয়োজনকারীদের জনগণ জুতার মালা পরিয়ে জেলে পাঠিয়েছে। বর্তমান কমিশনের কেউ যেন ভবিষ্যতে এমন বিব্রতকর পরিস্থিতিতে না পড়েন, সেই দায়িত্ব তাদেরকেই নিতে হবে।’

ঢাকা-১০ আসনের স্থানীয় সমস্যাগুলো তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘হাজারীবাগে জানমালের নিরাপত্তা নেই, কিশোর গ্যাংয়ের উপদ্রব রয়েছে। ধানমন্ডি লেকের অব্যবস্থাপনা এবং নিউমার্কেটের জলাবদ্ধতা দীর্ঘদিনের সমস্যা। এ ছাড়া সিটি করপোরেশনের অন্তর্ভুক্ত হয়েও কামরাঙ্গীরচরের ৫৫ নম্বর ওয়ার্ডের রাস্তাঘাটের অবস্থা প্রত্যন্ত গ্রামের চেয়েও খারাপ। এই এলাকার মাফিয়া, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের পরিবর্তে জনগণ পরিবর্তন চায়।’

সম্পর্কিত