স্ট্রিম প্রতিবেদক

ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে জনগণের রায়কে পাল্টে দেওয়ার অভিযোগে সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রেজওয়ানা হাসান ও ড. খলিলুর রহমানের গ্রেপ্তার এবং জিজ্ঞাসাবাদের দাবিতে আজ রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
শুক্রবার (৬ মার্চ) জুমার নামাজের পর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরীর উদ্যোগে এই বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে বলে দলটি জানিয়েছে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। এ ছাড়া দলের ঢাকা মহানগরীর শীর্ষ নেতারা সমাবেশে বক্তব্য দেবেন।
জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, অভিযুক্ত সাবেক উপদেষ্টারা কারসাজির মাধ্যমে নির্বাচনের ফলাফল প্রভাবিত করে জনগণের ম্যান্ডেটকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করেছেন। এই ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর অপরাধে তাঁদের অবিলম্বে আইনের আওতায় এনে জিজ্ঞাসাবাদের দাবি জানানো হবে আজকের সমাবেশ থেকে। কর্মসূচি সফল করার জন্য দলের সকল স্তরের নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণকে যথাসময়ে উপস্থিত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এদিকে সম্প্রতি এক গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্য কেন্দ্র করে সৃষ্টি হওয়া বিতর্ককে দুর্ভাগ্যজনক এবং অনাকাঙ্ক্ষিত বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তিনি বলেন, তাঁর বক্তব্যকে খণ্ডিত করে প্রচার করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) স্ট্রিমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। তাঁর ওই বক্তব্যের সঙ্গে নির্বাচনকে যুক্ত করে বিভ্রান্তি তৈরি করা হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।
রিজওয়ানা হাসান বলেন, ‘একটি টিভি চ্যানেলের সঙ্গে কথা হচ্ছিল নানান বিষয়ে, এর মধ্যে একটি বিষয় ছিল নারীর প্রতি উগ্রবাদ নিয়ে। প্রশ্নটি ছিল—মাজারে হামলা, বাউলদের ওপর নির্যাতন, নারীদের নিয়ে কটূক্তিকে আপনি কীভাবে দেখেছেন? অনেকেই বলেছে, উগ্রপন্থিদের সুযোগ দিয়েছে সরকার।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমার বক্তব্যের সারাংশ এ রকম—যারা কটূক্তি করেছে তাদের বিষয়ে নারীসমাজ যেমন প্রতিবাদ করেছে, লিগ্যাল নোটিশ দিয়েছে, সরকারও কথা বলেছে। ফলে তারা ক্ষমা চেয়েছে। কটূক্তি করা উগ্রবাদী শক্তি যেন মেইনস্ট্রিম না হয়, সেটার বিষয়ে আমাদের (নারীসমাজকে) কাজ করতে হবে। নারীসমাজ (সরকার না) সেসব কটূক্তি করা শক্তিকে মেইনস্ট্রিম (যার অর্থ কোনো রাজনৈতিক দল নয়) হতে দেয় নাই। উপস্থাপক আমার বক্তব্যের মাঝখানে হঠাৎ বিরোধী দলের কথা তুললে আমি বলেছি, যদি বিরোধী দলের রাজনীতির কোনো অংশ নারীর ক্ষমতায়নের সাথে সম্পৃক্ত হয়, আমরা সেটা নিয়ে কাজ করব।’
এরপর সাবেক এই উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘আমার বক্তব্যে উগ্রবাদী শক্তির কথা বলেছি, স্বভাবতই কোনো দলের নাম উচ্চারণও করিনি। কারণ, সেটা প্রাসঙ্গিকও ছিল না। আর বিরোধী দল তো অবশ্যই মেইনস্ট্রিম। সুতরাং আমি কোনো দলকে মেইনস্ট্রিম হতে দেই নাই বলে যে বক্তব্য প্রচার হচ্ছে—সেটা অপব্যাখ্যা, অবান্তর এবং অনভিপ্রেত।’

ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে জনগণের রায়কে পাল্টে দেওয়ার অভিযোগে সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রেজওয়ানা হাসান ও ড. খলিলুর রহমানের গ্রেপ্তার এবং জিজ্ঞাসাবাদের দাবিতে আজ রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
শুক্রবার (৬ মার্চ) জুমার নামাজের পর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরীর উদ্যোগে এই বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে বলে দলটি জানিয়েছে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। এ ছাড়া দলের ঢাকা মহানগরীর শীর্ষ নেতারা সমাবেশে বক্তব্য দেবেন।
জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, অভিযুক্ত সাবেক উপদেষ্টারা কারসাজির মাধ্যমে নির্বাচনের ফলাফল প্রভাবিত করে জনগণের ম্যান্ডেটকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করেছেন। এই ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর অপরাধে তাঁদের অবিলম্বে আইনের আওতায় এনে জিজ্ঞাসাবাদের দাবি জানানো হবে আজকের সমাবেশ থেকে। কর্মসূচি সফল করার জন্য দলের সকল স্তরের নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণকে যথাসময়ে উপস্থিত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এদিকে সম্প্রতি এক গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্য কেন্দ্র করে সৃষ্টি হওয়া বিতর্ককে দুর্ভাগ্যজনক এবং অনাকাঙ্ক্ষিত বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তিনি বলেন, তাঁর বক্তব্যকে খণ্ডিত করে প্রচার করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) স্ট্রিমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। তাঁর ওই বক্তব্যের সঙ্গে নির্বাচনকে যুক্ত করে বিভ্রান্তি তৈরি করা হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।
রিজওয়ানা হাসান বলেন, ‘একটি টিভি চ্যানেলের সঙ্গে কথা হচ্ছিল নানান বিষয়ে, এর মধ্যে একটি বিষয় ছিল নারীর প্রতি উগ্রবাদ নিয়ে। প্রশ্নটি ছিল—মাজারে হামলা, বাউলদের ওপর নির্যাতন, নারীদের নিয়ে কটূক্তিকে আপনি কীভাবে দেখেছেন? অনেকেই বলেছে, উগ্রপন্থিদের সুযোগ দিয়েছে সরকার।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমার বক্তব্যের সারাংশ এ রকম—যারা কটূক্তি করেছে তাদের বিষয়ে নারীসমাজ যেমন প্রতিবাদ করেছে, লিগ্যাল নোটিশ দিয়েছে, সরকারও কথা বলেছে। ফলে তারা ক্ষমা চেয়েছে। কটূক্তি করা উগ্রবাদী শক্তি যেন মেইনস্ট্রিম না হয়, সেটার বিষয়ে আমাদের (নারীসমাজকে) কাজ করতে হবে। নারীসমাজ (সরকার না) সেসব কটূক্তি করা শক্তিকে মেইনস্ট্রিম (যার অর্থ কোনো রাজনৈতিক দল নয়) হতে দেয় নাই। উপস্থাপক আমার বক্তব্যের মাঝখানে হঠাৎ বিরোধী দলের কথা তুললে আমি বলেছি, যদি বিরোধী দলের রাজনীতির কোনো অংশ নারীর ক্ষমতায়নের সাথে সম্পৃক্ত হয়, আমরা সেটা নিয়ে কাজ করব।’
এরপর সাবেক এই উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘আমার বক্তব্যে উগ্রবাদী শক্তির কথা বলেছি, স্বভাবতই কোনো দলের নাম উচ্চারণও করিনি। কারণ, সেটা প্রাসঙ্গিকও ছিল না। আর বিরোধী দল তো অবশ্যই মেইনস্ট্রিম। সুতরাং আমি কোনো দলকে মেইনস্ট্রিম হতে দেই নাই বলে যে বক্তব্য প্রচার হচ্ছে—সেটা অপব্যাখ্যা, অবান্তর এবং অনভিপ্রেত।’

ঢাকার দুটিসহ (উত্তর ও দক্ষিণ) পাঁচ সিটি করপোরেশনে মেয়র প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। রোববার (২৯ মার্চ) রাতে রাজধানীর বাংলামটরে অস্থায়ী কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন।
৮ ঘণ্টা আগে
ঘোষণার পরও সংসদের প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী ছায়া মন্ত্রিসভা দিতে পারেনি। দেরি করার পেছনে দলটির নেতারা বলছেন, আইনি কাঠামো ছাড়া ছায়া মন্ত্রিসভা কার্যকর হবে না। এজন্য ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের পরে সরকারের কাছে তারা ‘এক্সেস টু মিনিস্ট্রি’ বিষয়ে আইনি ভিত্তি চাইবেন।
৯ ঘণ্টা আগে
সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করতে যাচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এ বিষয়ে রোববার (২৯ মার্চ) রাত ৯টায় রাজধানীর বাংলামোটরে দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়েছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, প্রতিদিন রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হলে দলের বদনাম হবে। মানুষেরও কষ্ট হবে। শনিবার (২৮ মার্চ) রাতে রাজধানীর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হওয়া বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর উদ্দেশে একথা বলেন তিনি।
১ দিন আগে