সালেহ ফুয়াদ

১১ দলের সমঝোতা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন ইসলামী আন্দোলনের সিনিয়র নায়েবে আমির সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করীম। তাঁর মতে, শরিকদের কোনো কোনো দল শরিয়তকে অবজ্ঞা করছে। শরিকদের মধ্যে অনেকেই এমন কিছু কাজ করছে যা ইসলাম ও শরিয়াহ সম্মত না, বরং শরিয়তের সঙ্গে মারাত্মক সাংঘর্ষিক।
আজ শনিবার সন্ধ্যায় ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে স্ট্রিমকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করীম এসব কথা বলেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি, ইসলামী আন্দোলনসহ ১১ দল সমঝোতার মাধ্যমে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছে। তবে কোন দল কতটি আসনে নির্বাচন করবে এ নিয়ে এখনো সমঝোতায় পৌঁছতে পারেনি দলগুলো। আসন নিয়ে জামায়াতের সঙ্গে চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলনের টানাপোড়েন চলছে। এ কারণে নির্বাচনে আর মাত্র এক মাস বাকি থাকলে ১১ দল একক প্রার্থী ঘোষণা করতে পারেনি।
ফয়জুল করীম ১১ দলের সমঝোতা টিকবে কিনা তা নিয়ে নিজের সংশয় প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের মুহতারাম আমির—চরমোনাই পীর সাহেব সর্বপ্রথম ইসলামপন্থীদের ভোট এক বাক্সে নিয়ে আসার চিন্তা করেছেন, "যে জীবনভরা আমরা ফ্যাসিস্টদের কবলে ছিলাম, ইসলাম কোনোদিন ক্ষমতায় যায় নাই, দেখি ইসলামকে ক্ষমতায় নেওয়া যায় কিনা।" এইটার চেষ্টা তিনিই করেছেন এবং প্রথম পলিসিটা তাঁর মাথা থেকেই আসছে।’
এই চেষ্টা এখন কোন পর্যায়ে আছে জানতে চাইলে ইসলামী আন্দোলনের এই সিনিয়র নায়েবে আমির স্ট্রিমকে বলেন, ‘এই চেষ্টা অব্যাহত আছে, জানি না কতক্ষণ টিকে। আমরা ইসলামকে ক্ষমতায় নিতে চাই। কিন্তু কাউকে, কোনো দলকে ক্ষমতায় নেওয়ার জন্য না। এই পলিসিটাকে যদি কোনো দল ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য সিঁড়ি মনে করে সেটা তো ভুল করবে। মারাত্মক ভুল করবে, যে ভুলের আর সমাধান হবে কিনা আমি জানি না।’
আসন সমঝোতার অন্যতম শরিক বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে আসন নিয়ে বিভক্তি থেকেই এই সংশয় প্রকাশ করছেন কিনা জানতে চাইলে সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করীম বলেন, ‘আসলে আসন নিয়ে না। আমরা একটা পলিসি অ্যাডাপ্ট করেছি যে ইসলামকে ক্ষমতায় বসাতে চাই, ইসলাম ও শরিয়াহ অনুযায়ী চলতে চাই। সেখানে দেখা যায়, আমাদের শরিকদের মধ্যে অনেকেই এমন কিছু কাজ করতেছে, যেগুলো ইসলাম ও শরিয়াহ সম্মত না এবং শরিয়তের সঙ্গে মারাত্মক সাংঘর্ষিক। শরিয়তকে অবজ্ঞা করে তো আসলে ইসলাম হয় না।’
তিনি বলেন, ‘এখন নারীর অধিকার রক্ষা করতে গিয়া যদি শরিয়ত-কুরআনের বিরুদ্ধে কথা বলে যে আসেন আমরা বৈষম্য দূর করি, তাহলে সমস্যা।’
সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করীম ইসলামী আন্দোলনের নির্বাচনী প্রস্তুতি, দলটির নির্বাচনী ইশতেহার, জামায়াতসহ এগারো দলের সঙ্গে আসন সমঝোতা প্রসঙ্গে আলাপ করেছেন। সাক্ষাৎকারটি বিস্তারিতভাবে রোববার স্ট্রিমে প্রকাশ করা হবে।

১১ দলের সমঝোতা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন ইসলামী আন্দোলনের সিনিয়র নায়েবে আমির সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করীম। তাঁর মতে, শরিকদের কোনো কোনো দল শরিয়তকে অবজ্ঞা করছে। শরিকদের মধ্যে অনেকেই এমন কিছু কাজ করছে যা ইসলাম ও শরিয়াহ সম্মত না, বরং শরিয়তের সঙ্গে মারাত্মক সাংঘর্ষিক।
আজ শনিবার সন্ধ্যায় ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে স্ট্রিমকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করীম এসব কথা বলেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি, ইসলামী আন্দোলনসহ ১১ দল সমঝোতার মাধ্যমে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছে। তবে কোন দল কতটি আসনে নির্বাচন করবে এ নিয়ে এখনো সমঝোতায় পৌঁছতে পারেনি দলগুলো। আসন নিয়ে জামায়াতের সঙ্গে চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলনের টানাপোড়েন চলছে। এ কারণে নির্বাচনে আর মাত্র এক মাস বাকি থাকলে ১১ দল একক প্রার্থী ঘোষণা করতে পারেনি।
ফয়জুল করীম ১১ দলের সমঝোতা টিকবে কিনা তা নিয়ে নিজের সংশয় প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের মুহতারাম আমির—চরমোনাই পীর সাহেব সর্বপ্রথম ইসলামপন্থীদের ভোট এক বাক্সে নিয়ে আসার চিন্তা করেছেন, "যে জীবনভরা আমরা ফ্যাসিস্টদের কবলে ছিলাম, ইসলাম কোনোদিন ক্ষমতায় যায় নাই, দেখি ইসলামকে ক্ষমতায় নেওয়া যায় কিনা।" এইটার চেষ্টা তিনিই করেছেন এবং প্রথম পলিসিটা তাঁর মাথা থেকেই আসছে।’
এই চেষ্টা এখন কোন পর্যায়ে আছে জানতে চাইলে ইসলামী আন্দোলনের এই সিনিয়র নায়েবে আমির স্ট্রিমকে বলেন, ‘এই চেষ্টা অব্যাহত আছে, জানি না কতক্ষণ টিকে। আমরা ইসলামকে ক্ষমতায় নিতে চাই। কিন্তু কাউকে, কোনো দলকে ক্ষমতায় নেওয়ার জন্য না। এই পলিসিটাকে যদি কোনো দল ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য সিঁড়ি মনে করে সেটা তো ভুল করবে। মারাত্মক ভুল করবে, যে ভুলের আর সমাধান হবে কিনা আমি জানি না।’
আসন সমঝোতার অন্যতম শরিক বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে আসন নিয়ে বিভক্তি থেকেই এই সংশয় প্রকাশ করছেন কিনা জানতে চাইলে সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করীম বলেন, ‘আসলে আসন নিয়ে না। আমরা একটা পলিসি অ্যাডাপ্ট করেছি যে ইসলামকে ক্ষমতায় বসাতে চাই, ইসলাম ও শরিয়াহ অনুযায়ী চলতে চাই। সেখানে দেখা যায়, আমাদের শরিকদের মধ্যে অনেকেই এমন কিছু কাজ করতেছে, যেগুলো ইসলাম ও শরিয়াহ সম্মত না এবং শরিয়তের সঙ্গে মারাত্মক সাংঘর্ষিক। শরিয়তকে অবজ্ঞা করে তো আসলে ইসলাম হয় না।’
তিনি বলেন, ‘এখন নারীর অধিকার রক্ষা করতে গিয়া যদি শরিয়ত-কুরআনের বিরুদ্ধে কথা বলে যে আসেন আমরা বৈষম্য দূর করি, তাহলে সমস্যা।’
সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করীম ইসলামী আন্দোলনের নির্বাচনী প্রস্তুতি, দলটির নির্বাচনী ইশতেহার, জামায়াতসহ এগারো দলের সঙ্গে আসন সমঝোতা প্রসঙ্গে আলাপ করেছেন। সাক্ষাৎকারটি বিস্তারিতভাবে রোববার স্ট্রিমে প্রকাশ করা হবে।

ঢাকার দুটিসহ (উত্তর ও দক্ষিণ) পাঁচ সিটি করপোরেশনে মেয়র প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। রোববার (২৯ মার্চ) রাতে রাজধানীর বাংলামটরে অস্থায়ী কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন।
৬ ঘণ্টা আগে
ঘোষণার পরও সংসদের প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী ছায়া মন্ত্রিসভা দিতে পারেনি। দেরি করার পেছনে দলটির নেতারা বলছেন, আইনি কাঠামো ছাড়া ছায়া মন্ত্রিসভা কার্যকর হবে না। এজন্য ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের পরে সরকারের কাছে তারা ‘এক্সেস টু মিনিস্ট্রি’ বিষয়ে আইনি ভিত্তি চাইবেন।
৭ ঘণ্টা আগে
সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করতে যাচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এ বিষয়ে রোববার (২৯ মার্চ) রাত ৯টায় রাজধানীর বাংলামোটরে দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়েছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, প্রতিদিন রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হলে দলের বদনাম হবে। মানুষেরও কষ্ট হবে। শনিবার (২৮ মার্চ) রাতে রাজধানীর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হওয়া বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর উদ্দেশে একথা বলেন তিনি।
১ দিন আগে