শহীদ মিনারে রুমিন ফারহানাকে বাধা: বিএনপির ১৫৫ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

স্ট্রিম সংবাদদাতা
স্ট্রিম সংবাদদাতা
ব্রাহ্মণবাড়িয়া

প্রকাশ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৯: ৫৩
রুমিন ফারহানাকে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদনে বাধা ও কর্মীদের মারধরের ঘটনায় মামলা হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানাকে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদনে বাধা ও কর্মীদের মারধরের ঘটনায় মামলা হয়েছে। এতে ৫ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১৪০-১৫০ জনকে আসামি করা হয়। আসামিদের অধিকাংশই বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী।

আজ রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সরাইল থানায় রুমিন ফারহানার কর্মী আবুল আহাদ মামলাটি করেন। সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনজুর কাদের ভূঁইয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মামলায় সরাইল উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেনকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। ওসি জানান, মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়েছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টার দিকে সরাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে বাধার মুখে পড়েন এমপি রুমিন ফারহানা। আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে একদল নেতাকর্মী তাঁকে লক্ষ্য করে ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দেন। এর একপর্যায়ে ধস্তাধস্তি শুরু হলে রুমিন ফারহানার আনা পুষ্পস্তবকটি ছিঁড়ে ফেলা হয়। ফলে শ্রদ্ধা নিবেদন না করেই তিনি এলাকা ত্যাগ করেন। এর প্রতিবাদে রাত সাড়ে ১২টার দিকে সরাইলের শাহবাজপুর এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক প্রায় এক ঘণ্টা অবরোধ করে রাখেন তাঁর সমর্থকরা।

মামলার বিষয়ে প্রধান আসামি আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘ঘটনার দিন আমি সেখানে ছিলাম না। ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে তিনি মামলা করেছেন।’ তবে ভিডিও ফুটেজে তাঁকে স্লোগানরত নেতাকর্মীদের মধ্যে দেখা গেছে।

উল্লেখ্য, সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বিজয়ী হন রুমিন ফারহানা। দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে নির্বাচন করায় বিএনপি তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করে।

সম্পর্কিত