স্ট্রিম প্রতিবেদক

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করবেন তাঁর নির্বাচনী এলাকা ঢাকা-১৫-তে। রাজধানী ঢাকার মিরপুরের ৬০ ফিট রাস্তা সংলগ্ন মনিপুর গার্লস হাইস্কুল মাঠে সকাল ৮টায় ঈদের নামাজ আদায় করবেন তিনি।
দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নামাজের পর সেখানে সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন জামায়াত আমির। বেলা ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ঢাকার বিদেশি মিশনগুলোর কূটনীতিকদের সঙ্গে এবং বেলা ৩টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সরকারি বাসভবনে রাজনৈতিক নেতা ও সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন তিনি।
জামায়াতের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ঈদুল ফিতরের পরদিন ডা. শফিকুর রহমান সিলেট মহানগরী ও জেলা জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত পৃথক ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করবেন। সেখানে তিনি সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় করবেন।
এছাড়া, ঈদের তৃতীয় দিন জামায়াত আমির মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলার ভাটেরা ইউনিয়নে আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন এবং নিজ এলাকার সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করবেন। ওই অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, সমাজসেবক ও প্রশাসনের কর্মকর্তাসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত থাকবেন বলে জানিয়েছে দলটি।
শীর্ষ জামায়াত নেতারা যেখানে ঈদ উদযাপন করবেন
দলীয় সূত্র জানায়, জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম ঢাকায়, নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার নিজ গ্রামে এবং নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের ঢাকায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করবেন।
দলের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার খুলনার খানজাহান আলী থানার নিজ গ্রামে ঈদের নামাজ আদায় করবেন। এছাড়া সাবেক এমপি ও জামায়াত নেতা মাওলানা শামসুল ইসলাম চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার নিজ গ্রামে ঈদ উদযাপন করবেন।
অন্যান্য শীর্ষ নেতাদের মধ্যে সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এ টি এম মাছুম কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার নিজ এলাকার ঈদগাহ মাঠে, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার নৌকৈড় নিজ গ্রামে, সাবেক এমপি ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. হামিদুর রহমান আযাদ ঢাকায়, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ভাঙ্গাপুষ্করিণী নিজ গ্রামে এবং অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জম হোসাইন হেলাল বরিশালের নিজ গ্রামে ঈদের নামাজ শেষে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।
এ ছাড়া সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের সিলেটের নিজ গ্রামে এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা মো. শাহজাহান চট্টগ্রামে ঈদ উদযাপন করবেন।
কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্যদের মধ্যে আবদুর রব ঢাকায়, সাইফুল আলম খান মিলন ঢাকায়, কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ ঢাকায়, অধ্যক্ষ মো. শাহাবুদ্দিন বগুড়ায়, অধ্যক্ষ মো. ইজ্জত উল্লাহ এমপি সাতক্ষীরার নিজ গ্রামে এবং মোবারক হোসাইন ঢাকায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করবেন।
পাশাপাশি ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার নিজ গ্রামে, ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মো. সেলিম উদ্দিন ঢাকায়, ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার নিজ গ্রামে এবং ড. রেজাউল করিম লক্ষ্মীপুর জেলার নিজ গ্রামে ঈদের নামাজ আদায় ও শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করবেন তাঁর নির্বাচনী এলাকা ঢাকা-১৫-তে। রাজধানী ঢাকার মিরপুরের ৬০ ফিট রাস্তা সংলগ্ন মনিপুর গার্লস হাইস্কুল মাঠে সকাল ৮টায় ঈদের নামাজ আদায় করবেন তিনি।
দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নামাজের পর সেখানে সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন জামায়াত আমির। বেলা ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ঢাকার বিদেশি মিশনগুলোর কূটনীতিকদের সঙ্গে এবং বেলা ৩টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সরকারি বাসভবনে রাজনৈতিক নেতা ও সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন তিনি।
জামায়াতের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ঈদুল ফিতরের পরদিন ডা. শফিকুর রহমান সিলেট মহানগরী ও জেলা জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত পৃথক ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করবেন। সেখানে তিনি সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় করবেন।
এছাড়া, ঈদের তৃতীয় দিন জামায়াত আমির মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলার ভাটেরা ইউনিয়নে আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন এবং নিজ এলাকার সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করবেন। ওই অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, সমাজসেবক ও প্রশাসনের কর্মকর্তাসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত থাকবেন বলে জানিয়েছে দলটি।
শীর্ষ জামায়াত নেতারা যেখানে ঈদ উদযাপন করবেন
দলীয় সূত্র জানায়, জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম ঢাকায়, নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার নিজ গ্রামে এবং নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের ঢাকায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করবেন।
দলের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার খুলনার খানজাহান আলী থানার নিজ গ্রামে ঈদের নামাজ আদায় করবেন। এছাড়া সাবেক এমপি ও জামায়াত নেতা মাওলানা শামসুল ইসলাম চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার নিজ গ্রামে ঈদ উদযাপন করবেন।
অন্যান্য শীর্ষ নেতাদের মধ্যে সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এ টি এম মাছুম কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার নিজ এলাকার ঈদগাহ মাঠে, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার নৌকৈড় নিজ গ্রামে, সাবেক এমপি ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. হামিদুর রহমান আযাদ ঢাকায়, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ভাঙ্গাপুষ্করিণী নিজ গ্রামে এবং অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জম হোসাইন হেলাল বরিশালের নিজ গ্রামে ঈদের নামাজ শেষে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।
এ ছাড়া সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের সিলেটের নিজ গ্রামে এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা মো. শাহজাহান চট্টগ্রামে ঈদ উদযাপন করবেন।
কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্যদের মধ্যে আবদুর রব ঢাকায়, সাইফুল আলম খান মিলন ঢাকায়, কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ ঢাকায়, অধ্যক্ষ মো. শাহাবুদ্দিন বগুড়ায়, অধ্যক্ষ মো. ইজ্জত উল্লাহ এমপি সাতক্ষীরার নিজ গ্রামে এবং মোবারক হোসাইন ঢাকায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করবেন।
পাশাপাশি ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার নিজ গ্রামে, ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মো. সেলিম উদ্দিন ঢাকায়, ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার নিজ গ্রামে এবং ড. রেজাউল করিম লক্ষ্মীপুর জেলার নিজ গ্রামে ঈদের নামাজ আদায় ও শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।

ঢাকার দুটিসহ (উত্তর ও দক্ষিণ) পাঁচ সিটি করপোরেশনে মেয়র প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। রোববার (২৯ মার্চ) রাতে রাজধানীর বাংলামটরে অস্থায়ী কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন।
৮ ঘণ্টা আগে
ঘোষণার পরও সংসদের প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী ছায়া মন্ত্রিসভা দিতে পারেনি। দেরি করার পেছনে দলটির নেতারা বলছেন, আইনি কাঠামো ছাড়া ছায়া মন্ত্রিসভা কার্যকর হবে না। এজন্য ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের পরে সরকারের কাছে তারা ‘এক্সেস টু মিনিস্ট্রি’ বিষয়ে আইনি ভিত্তি চাইবেন।
১০ ঘণ্টা আগে
সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করতে যাচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এ বিষয়ে রোববার (২৯ মার্চ) রাত ৯টায় রাজধানীর বাংলামোটরে দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়েছে।
২০ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, প্রতিদিন রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হলে দলের বদনাম হবে। মানুষেরও কষ্ট হবে। শনিবার (২৮ মার্চ) রাতে রাজধানীর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হওয়া বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর উদ্দেশে একথা বলেন তিনি।
১ দিন আগে