স্ট্রিম প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে আচরণবিধি কঠোরভাবে বাস্তবায়ন, নির্বাচনী কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
মঙ্গলবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে বৈঠক শেষে এসব কথা বলেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং মিডিয়া ও প্রেস সেকশনের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
তিন সদস্যের জামায়াত প্রতিনিধি দলে আরও ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও ঢাকা-১৩ আসনের মনোনীত প্রার্থী মোবারক হোসাইন এবং লয়ার্স কাউন্সিলের সভাপতি ও ঢাকা-১০ আসনের মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট জসিমুদ্দিন সরকার।
অ্যাডভোকেট এহসানুল জুবায়ের বলেন, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরপরই দলীয় আমির ডা. শফিকুর রহমানের নির্দেশনায় জামায়াতে ইসলামী সারা দেশে পোস্টার, ব্যানার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ড নিজ উদ্যোগে অপসারণ করেছে, যাতে আচরণবিধি লঙ্ঘনের কোনো সুযোগ না থাকে।
অ্যাডভোকেট এহসানুল জুবায়ের অভিযোগ করে বলেন, বাস্তবে বিভিন্ন এলাকায় ম্যানুয়াল ও ডিজিটাল মাধ্যমে নির্বাচনী আচরণবিধির ব্যাপক লঙ্ঘন হচ্ছে। বিশেষ করে ভার্চুয়াল মাধ্যমে অপপ্রচার, ব্যক্তিগত আক্রমণ এবং একটি বড় রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে কার্ড বিতরণ ও অর্থ প্রদানের প্রতিশ্রুতির মতো বিষয় আচরণবিধির সুস্পষ্ট খেলাপ। এসব বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
নির্বাচনী নিরাপত্তা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নির্বাচন কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন অত্যন্ত জরুরি। সিসি ক্যামেরা না থাকলে সন্ত্রাসী ও অসৎ মহল নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করার সুযোগ পেতে পারে। ভোটারদের নিরাপত্তা ও মানসিক স্বস্তির জন্য এটি নিশ্চিত করা প্রয়োজন। ইসি এ ব্যাপারে উদ্যোগ নিয়েছে বলে তাদের জানিয়েছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে অ্যাডভোকেট এহসানুল জুবায়ের বলেন, সম্প্রতি ঢাকা-৮ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ উসমান হাদির হত্যাকাণ্ডসহ বিভিন্ন ঘটনায় জনমনে আতঙ্ক ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারে আরও দৃশ্যমান উদ্যোগ প্রয়োজন।
প্রবাসীদের ভোটাধিকার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভোটার নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন কারিগরি জটিলতার কারণে প্রত্যাশিত সংখ্যক প্রবাসী এখনো ভোটার হতে পারেননি। এ বিষয়ে সময়ের মধ্যে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
ভার্চুয়াল মাধ্যমে আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে কমিশন নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে বলে জানান তিনি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে আচরণবিধি কঠোরভাবে বাস্তবায়ন, নির্বাচনী কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
মঙ্গলবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে বৈঠক শেষে এসব কথা বলেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং মিডিয়া ও প্রেস সেকশনের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
তিন সদস্যের জামায়াত প্রতিনিধি দলে আরও ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও ঢাকা-১৩ আসনের মনোনীত প্রার্থী মোবারক হোসাইন এবং লয়ার্স কাউন্সিলের সভাপতি ও ঢাকা-১০ আসনের মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট জসিমুদ্দিন সরকার।
অ্যাডভোকেট এহসানুল জুবায়ের বলেন, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরপরই দলীয় আমির ডা. শফিকুর রহমানের নির্দেশনায় জামায়াতে ইসলামী সারা দেশে পোস্টার, ব্যানার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ড নিজ উদ্যোগে অপসারণ করেছে, যাতে আচরণবিধি লঙ্ঘনের কোনো সুযোগ না থাকে।
অ্যাডভোকেট এহসানুল জুবায়ের অভিযোগ করে বলেন, বাস্তবে বিভিন্ন এলাকায় ম্যানুয়াল ও ডিজিটাল মাধ্যমে নির্বাচনী আচরণবিধির ব্যাপক লঙ্ঘন হচ্ছে। বিশেষ করে ভার্চুয়াল মাধ্যমে অপপ্রচার, ব্যক্তিগত আক্রমণ এবং একটি বড় রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে কার্ড বিতরণ ও অর্থ প্রদানের প্রতিশ্রুতির মতো বিষয় আচরণবিধির সুস্পষ্ট খেলাপ। এসব বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
নির্বাচনী নিরাপত্তা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নির্বাচন কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন অত্যন্ত জরুরি। সিসি ক্যামেরা না থাকলে সন্ত্রাসী ও অসৎ মহল নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করার সুযোগ পেতে পারে। ভোটারদের নিরাপত্তা ও মানসিক স্বস্তির জন্য এটি নিশ্চিত করা প্রয়োজন। ইসি এ ব্যাপারে উদ্যোগ নিয়েছে বলে তাদের জানিয়েছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে অ্যাডভোকেট এহসানুল জুবায়ের বলেন, সম্প্রতি ঢাকা-৮ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ উসমান হাদির হত্যাকাণ্ডসহ বিভিন্ন ঘটনায় জনমনে আতঙ্ক ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারে আরও দৃশ্যমান উদ্যোগ প্রয়োজন।
প্রবাসীদের ভোটাধিকার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভোটার নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন কারিগরি জটিলতার কারণে প্রত্যাশিত সংখ্যক প্রবাসী এখনো ভোটার হতে পারেননি। এ বিষয়ে সময়ের মধ্যে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
ভার্চুয়াল মাধ্যমে আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে কমিশন নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে বলে জানান তিনি।

ঢাকার দুটিসহ (উত্তর ও দক্ষিণ) পাঁচ সিটি করপোরেশনে মেয়র প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। রোববার (২৯ মার্চ) রাতে রাজধানীর বাংলামটরে অস্থায়ী কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন।
৯ ঘণ্টা আগে
ঘোষণার পরও সংসদের প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী ছায়া মন্ত্রিসভা দিতে পারেনি। দেরি করার পেছনে দলটির নেতারা বলছেন, আইনি কাঠামো ছাড়া ছায়া মন্ত্রিসভা কার্যকর হবে না। এজন্য ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের পরে সরকারের কাছে তারা ‘এক্সেস টু মিনিস্ট্রি’ বিষয়ে আইনি ভিত্তি চাইবেন।
১১ ঘণ্টা আগে
সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করতে যাচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এ বিষয়ে রোববার (২৯ মার্চ) রাত ৯টায় রাজধানীর বাংলামোটরে দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়েছে।
২১ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, প্রতিদিন রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হলে দলের বদনাম হবে। মানুষেরও কষ্ট হবে। শনিবার (২৮ মার্চ) রাতে রাজধানীর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হওয়া বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর উদ্দেশে একথা বলেন তিনি।
১ দিন আগে