স্ট্রিম প্রতিবেদক

ঢাকা-১১ (বাড্ডা-ভাটারা-রামপুরা) আসনের নাগরিক ভোগান্তির জন্য ‘রাজনৈতিক মদদপুষ্ট ভূমিদস্যুদের’ দায়ী করেছেন এনসিপি আহ্বায়ক ও আসনটির ১১ দল সমর্থিত প্রার্থী নাহিদ ইসলাম। তিনি অভিযোগ করেছেন, ‘গত তিন দশক ধরে প্রধান দুই রাজনৈতিক দল ভাগ-বাটোয়ারা করে এই এলাকার জমি ও জলাশয় দখল করেছে।’ আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিজয়ী হলে এই সিন্ডিকেট নির্মূল করে ভুক্তভোগীদের জমি ফিরিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) বাড্ডার ডিআইটি প্রজেক্ট খেলার মাঠে এক জনসভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন নাহিদ।
জনসভায় বাড্ডা-ভাটারা এলাকার নাগরিক দুর্দশার চিত্র তুলে ধরে নাহিদ বলেন, ‘এই বাড্ডা-ভাটারার প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ ইনফরমাল ইকোনমি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। অথচ এখানে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা ৮ থেকে ১০ শতাংশ। বর্ষাকালে সামান্য বৃষ্টিতে ৬০ শতাংশ রাস্তা তলিয়ে যায় এবং মাত্র ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ এলাকা পরিকল্পিত ড্রেনেজ সিস্টেমের আওতাভুক্ত। রামপুরা খাল, শাহজাদপুর খাল ও বালু নদী দখল ও ভরাটের কারণে জলাবদ্ধতা এই এলাকার নিত্যসঙ্গী।’
এলাকার উন্নয়ন না হওয়ার পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে তিনি ‘রাজনৈতিক ভূমিদস্যুতাকে’ দায়ী করে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘এই এলাকার গত ৩০ বছরের ইতিহাস হলো ভূমি দখলের ইতিহাস। ৫ আগস্টের আগে যারা প্রধান দুই দল হিসেবে পরিচিত ছিল, তাদের স্থানীয় নেতারাই গত ৩০ বছর ধরে ভাগ-বাটোয়ারা করে সাধারণ মানুষের জমি ও খাস জমি দখল করেছে। রাজনৈতিক কারণে তারা বিরোধিতা দেখালেও, ব্যবসায়ী স্বার্থে তারা সবসময় ঐক্যবদ্ধ ছিল।’
বিগত ১৬ বছরের উদহারণ টেনে তিনি বলেন, ‘একজন গত ১৫ থেকে ১৬ বছর বিদেশে ছিলেন, কিন্তু রিয়েল এস্টেট কোম্পানির নামে দখল করা ভূমির ব্যবসার ভাগ তিনি ঠিকই পেতেন। ৫ আগস্টের পর একজন চলে গেছেন, আর বিদেশ থেকে ফিরে অন্যজন সেই অফিস ও গাড়ি দখল করেছেন। অর্থাৎ জনগণ সবসময় এদের দ্বারা শোষিত হয়েছে।’
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ১১ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থীদের বিজয়ী করার আহ্বান জানিয়ে নাহিদ ইসলাম এলাকাবাসীকে বেশ কিছু প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি বলেন, ‘আমরা কথা দিচ্ছি, এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করব এবং নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করব। যেসকল মানুষ ভূমি হারিয়েছে, তাদের ভূমি ফিরিয়ে দেব অথবা ন্যায্য মূল্য পাইয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করব। ঢাকা-১১ থেকে ভূমিদস্যুদের সিন্ডিকেট চিরতরে নির্মূল করা হবে।’
জনসভায় উপস্থিত ছিলেন এনসপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক, প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান।

ঢাকা-১১ (বাড্ডা-ভাটারা-রামপুরা) আসনের নাগরিক ভোগান্তির জন্য ‘রাজনৈতিক মদদপুষ্ট ভূমিদস্যুদের’ দায়ী করেছেন এনসিপি আহ্বায়ক ও আসনটির ১১ দল সমর্থিত প্রার্থী নাহিদ ইসলাম। তিনি অভিযোগ করেছেন, ‘গত তিন দশক ধরে প্রধান দুই রাজনৈতিক দল ভাগ-বাটোয়ারা করে এই এলাকার জমি ও জলাশয় দখল করেছে।’ আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিজয়ী হলে এই সিন্ডিকেট নির্মূল করে ভুক্তভোগীদের জমি ফিরিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) বাড্ডার ডিআইটি প্রজেক্ট খেলার মাঠে এক জনসভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন নাহিদ।
জনসভায় বাড্ডা-ভাটারা এলাকার নাগরিক দুর্দশার চিত্র তুলে ধরে নাহিদ বলেন, ‘এই বাড্ডা-ভাটারার প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ ইনফরমাল ইকোনমি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। অথচ এখানে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা ৮ থেকে ১০ শতাংশ। বর্ষাকালে সামান্য বৃষ্টিতে ৬০ শতাংশ রাস্তা তলিয়ে যায় এবং মাত্র ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ এলাকা পরিকল্পিত ড্রেনেজ সিস্টেমের আওতাভুক্ত। রামপুরা খাল, শাহজাদপুর খাল ও বালু নদী দখল ও ভরাটের কারণে জলাবদ্ধতা এই এলাকার নিত্যসঙ্গী।’
এলাকার উন্নয়ন না হওয়ার পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে তিনি ‘রাজনৈতিক ভূমিদস্যুতাকে’ দায়ী করে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘এই এলাকার গত ৩০ বছরের ইতিহাস হলো ভূমি দখলের ইতিহাস। ৫ আগস্টের আগে যারা প্রধান দুই দল হিসেবে পরিচিত ছিল, তাদের স্থানীয় নেতারাই গত ৩০ বছর ধরে ভাগ-বাটোয়ারা করে সাধারণ মানুষের জমি ও খাস জমি দখল করেছে। রাজনৈতিক কারণে তারা বিরোধিতা দেখালেও, ব্যবসায়ী স্বার্থে তারা সবসময় ঐক্যবদ্ধ ছিল।’
বিগত ১৬ বছরের উদহারণ টেনে তিনি বলেন, ‘একজন গত ১৫ থেকে ১৬ বছর বিদেশে ছিলেন, কিন্তু রিয়েল এস্টেট কোম্পানির নামে দখল করা ভূমির ব্যবসার ভাগ তিনি ঠিকই পেতেন। ৫ আগস্টের পর একজন চলে গেছেন, আর বিদেশ থেকে ফিরে অন্যজন সেই অফিস ও গাড়ি দখল করেছেন। অর্থাৎ জনগণ সবসময় এদের দ্বারা শোষিত হয়েছে।’
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ১১ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থীদের বিজয়ী করার আহ্বান জানিয়ে নাহিদ ইসলাম এলাকাবাসীকে বেশ কিছু প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি বলেন, ‘আমরা কথা দিচ্ছি, এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করব এবং নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করব। যেসকল মানুষ ভূমি হারিয়েছে, তাদের ভূমি ফিরিয়ে দেব অথবা ন্যায্য মূল্য পাইয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করব। ঢাকা-১১ থেকে ভূমিদস্যুদের সিন্ডিকেট চিরতরে নির্মূল করা হবে।’
জনসভায় উপস্থিত ছিলেন এনসপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক, প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান।

ঢাকার দুটিসহ (উত্তর ও দক্ষিণ) পাঁচ সিটি করপোরেশনে মেয়র প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। রোববার (২৯ মার্চ) রাতে রাজধানীর বাংলামটরে অস্থায়ী কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন।
৯ ঘণ্টা আগে
ঘোষণার পরও সংসদের প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী ছায়া মন্ত্রিসভা দিতে পারেনি। দেরি করার পেছনে দলটির নেতারা বলছেন, আইনি কাঠামো ছাড়া ছায়া মন্ত্রিসভা কার্যকর হবে না। এজন্য ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের পরে সরকারের কাছে তারা ‘এক্সেস টু মিনিস্ট্রি’ বিষয়ে আইনি ভিত্তি চাইবেন।
১১ ঘণ্টা আগে
সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করতে যাচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এ বিষয়ে রোববার (২৯ মার্চ) রাত ৯টায় রাজধানীর বাংলামোটরে দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়েছে।
২১ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, প্রতিদিন রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হলে দলের বদনাম হবে। মানুষেরও কষ্ট হবে। শনিবার (২৮ মার্চ) রাতে রাজধানীর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হওয়া বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর উদ্দেশে একথা বলেন তিনি।
১ দিন আগে