স্ট্রিম প্রতিবেদক

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস তাঁর নির্বাচনী হলফনামায় স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ মিলিয়ে মোট সম্পদের মূল্য দেখিয়েছেন ৭৫ কোটি ৫ লাখ ৮৩ হাজার ১৪৩ টাকা। একই সঙ্গে তার বার্ষিক আয় উল্লেখ করা হয়েছে ৯ কোটি ২৬ লাখ ৪৫ হাজার ১৩৩ টাকা।
হলফনামায় আরও উল্লেখ করা হয়, মির্জা আব্বাসের মোট দায় রয়েছে ২৩ কোটি ৭৫ লাখ ৫৭ হাজার ৭৫৮ টাকা। তাঁর স্ত্রী, বিএনপি নেত্রী আফরোজা আব্বাসের দায় দেখানো হয়েছে ১ কোটি ২৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে ঢাকা-৮ আসন থেকে জমা দেওয়া হলফনামা থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
মির্জা আব্বাস সর্বশেষ ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিলেন। ওই নির্বাচনে তার স্ত্রী আফরোজা আব্বাস ঢাকা-৯ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচনের পর ২০১৯ সালের ৭ জানুয়ারি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ও মহিলা দলের সভানেত্রী আফরোজা আব্বাসের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের সহকারী পরিচালক মো. সালাহউদ্দিন শাহজাহানপুর থানায় একটি মামলা করেন। মামলার এজাহারে বলা হয়, নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া আফরোজা আব্বাসের নামে প্রদর্শিত সম্পদ প্রকৃতপক্ষে তাঁর স্বামী মির্জা আব্বাসের সহায়তায় অবৈধ উৎস থেকে অর্জিত। মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে।
গত ২৯ ডিসেম্বর, অর্থাৎ মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিনে দাখিল করা হলফনামায় অস্থাবর সম্পদের বিবরণে উল্লেখ করা হয়েছে—মির্জা আব্বাসের কাছে নগদ অর্থ রয়েছে ২ কোটি ৫১ লাখ টাকা এবং বৈদেশিক মুদ্রা হিসেবে রয়েছে ১ লাখ ২ হাজার ৮৭৫ মার্কিন ডলার। এছাড়া ঢাকা ব্যাংকের শেয়ারের মূল্য দেখানো হয়েছে ৫৮ কোটি টাকা। তার বিও অ্যাকাউন্টে বর্তমানে শেয়ারের মূল্য ২ কোটি ১ লাখ ৭২ হাজার ২৫১ টাকা। স্বর্ণালংকার রয়েছে ৩০ লাখ টাকার, বৈদ্যুতিক ও ইলেকট্রনিক পণ্য ২২ লাখ টাকার এবং আসবাবপত্রের মূল্য ২০ লাখ টাকা।
স্থাবর সম্পত্তির অর্জনকালীন মূল্য দেখানো হয়েছে ৩ কোটি ৭৫ লাখ ৯২ হাজার টাকা। পাশাপাশি যৌথ মালিকানাধীন সম্পদের মূল্য উল্লেখ করা হয়েছে ৯৪ লাখ ৮১ হাজার ১৩১ টাকা।
হলফনামা অনুযায়ী, মির্জা আব্বাসের স্ত্রী আফরোজা আব্বাসের অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ৩৩ কোটি ১৪ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। তবে তার নামে কোনো স্থাবর সম্পত্তি দেখানো হয়নি।
আয়ের উৎস হিসেবে মির্জা আব্বাস উল্লেখ করেছেন—বাড়ি, অ্যাপার্টমেন্ট, বাণিজ্যিক স্থান ও অন্যান্য স্থাবর সম্পত্তি থেকে ভাড়া বাবদ ৩ কোটি ৪ লাখ ১৭ হাজার ১৮২ টাকা, শেয়ার, বন্ড, সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংক আমানত থেকে ৪ কোটি ৯৩ লাখ ১০ হাজার ৩৪১ টাকা এবং এফডিআর ও ব্যাংক মুনাফা থেকে ১ কোটি ২৯ লাখ ১৭ হাজার ৬০৯ টাকা। তার স্ত্রীর আয় হিসেবে দেখানো হয়েছে এফডিআর ও ব্যাংক মুনাফা বাবদ ৪ লাখ ৩৭ হাজার ১২ টাকা এবং গাড়ি বিক্রয় থেকে ৪০ লাখ টাকা।
মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে বর্তমানে ১৫টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে এবং ৭টি মামলা স্থগিত অবস্থায় আছে। এছাড়া ১০টি মামলা থেকে তিনি অব্যাহতি পেয়েছেন বা প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে হলফনামায় উল্লেখ রয়েছে।
হলফনামায় দায়ের বিবরণে বলা হয়েছে, মির্জা আব্বাসের বিও অ্যাকাউন্ট সংশ্লিষ্ট দায় এবং অগ্রিম বাড়িভাড়া বাবদ মোট দায়ের পরিমাণ ২৩ কোটি ৭৫ লাখ ৫৭ হাজার ৭৫৮ টাকা। তার স্ত্রী আফরোজা আব্বাসের ক্ষেত্রে সিকিউরিটি ডিপোজিট বাবদ দায় রয়েছে ১ কোটি ২৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
এদিকে নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র বাছাই চলবে আগামী ৪ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত। আপিল দায়ের করা যাবে ৫ থেকে ৯ জানুয়ারি, আর আপিল নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২০ জানুয়ারি। চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ও প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ২১ জানুয়ারি।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস তাঁর নির্বাচনী হলফনামায় স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ মিলিয়ে মোট সম্পদের মূল্য দেখিয়েছেন ৭৫ কোটি ৫ লাখ ৮৩ হাজার ১৪৩ টাকা। একই সঙ্গে তার বার্ষিক আয় উল্লেখ করা হয়েছে ৯ কোটি ২৬ লাখ ৪৫ হাজার ১৩৩ টাকা।
হলফনামায় আরও উল্লেখ করা হয়, মির্জা আব্বাসের মোট দায় রয়েছে ২৩ কোটি ৭৫ লাখ ৫৭ হাজার ৭৫৮ টাকা। তাঁর স্ত্রী, বিএনপি নেত্রী আফরোজা আব্বাসের দায় দেখানো হয়েছে ১ কোটি ২৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে ঢাকা-৮ আসন থেকে জমা দেওয়া হলফনামা থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
মির্জা আব্বাস সর্বশেষ ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিলেন। ওই নির্বাচনে তার স্ত্রী আফরোজা আব্বাস ঢাকা-৯ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচনের পর ২০১৯ সালের ৭ জানুয়ারি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ও মহিলা দলের সভানেত্রী আফরোজা আব্বাসের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের সহকারী পরিচালক মো. সালাহউদ্দিন শাহজাহানপুর থানায় একটি মামলা করেন। মামলার এজাহারে বলা হয়, নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া আফরোজা আব্বাসের নামে প্রদর্শিত সম্পদ প্রকৃতপক্ষে তাঁর স্বামী মির্জা আব্বাসের সহায়তায় অবৈধ উৎস থেকে অর্জিত। মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে।
গত ২৯ ডিসেম্বর, অর্থাৎ মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিনে দাখিল করা হলফনামায় অস্থাবর সম্পদের বিবরণে উল্লেখ করা হয়েছে—মির্জা আব্বাসের কাছে নগদ অর্থ রয়েছে ২ কোটি ৫১ লাখ টাকা এবং বৈদেশিক মুদ্রা হিসেবে রয়েছে ১ লাখ ২ হাজার ৮৭৫ মার্কিন ডলার। এছাড়া ঢাকা ব্যাংকের শেয়ারের মূল্য দেখানো হয়েছে ৫৮ কোটি টাকা। তার বিও অ্যাকাউন্টে বর্তমানে শেয়ারের মূল্য ২ কোটি ১ লাখ ৭২ হাজার ২৫১ টাকা। স্বর্ণালংকার রয়েছে ৩০ লাখ টাকার, বৈদ্যুতিক ও ইলেকট্রনিক পণ্য ২২ লাখ টাকার এবং আসবাবপত্রের মূল্য ২০ লাখ টাকা।
স্থাবর সম্পত্তির অর্জনকালীন মূল্য দেখানো হয়েছে ৩ কোটি ৭৫ লাখ ৯২ হাজার টাকা। পাশাপাশি যৌথ মালিকানাধীন সম্পদের মূল্য উল্লেখ করা হয়েছে ৯৪ লাখ ৮১ হাজার ১৩১ টাকা।
হলফনামা অনুযায়ী, মির্জা আব্বাসের স্ত্রী আফরোজা আব্বাসের অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ৩৩ কোটি ১৪ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। তবে তার নামে কোনো স্থাবর সম্পত্তি দেখানো হয়নি।
আয়ের উৎস হিসেবে মির্জা আব্বাস উল্লেখ করেছেন—বাড়ি, অ্যাপার্টমেন্ট, বাণিজ্যিক স্থান ও অন্যান্য স্থাবর সম্পত্তি থেকে ভাড়া বাবদ ৩ কোটি ৪ লাখ ১৭ হাজার ১৮২ টাকা, শেয়ার, বন্ড, সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংক আমানত থেকে ৪ কোটি ৯৩ লাখ ১০ হাজার ৩৪১ টাকা এবং এফডিআর ও ব্যাংক মুনাফা থেকে ১ কোটি ২৯ লাখ ১৭ হাজার ৬০৯ টাকা। তার স্ত্রীর আয় হিসেবে দেখানো হয়েছে এফডিআর ও ব্যাংক মুনাফা বাবদ ৪ লাখ ৩৭ হাজার ১২ টাকা এবং গাড়ি বিক্রয় থেকে ৪০ লাখ টাকা।
মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে বর্তমানে ১৫টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে এবং ৭টি মামলা স্থগিত অবস্থায় আছে। এছাড়া ১০টি মামলা থেকে তিনি অব্যাহতি পেয়েছেন বা প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে হলফনামায় উল্লেখ রয়েছে।
হলফনামায় দায়ের বিবরণে বলা হয়েছে, মির্জা আব্বাসের বিও অ্যাকাউন্ট সংশ্লিষ্ট দায় এবং অগ্রিম বাড়িভাড়া বাবদ মোট দায়ের পরিমাণ ২৩ কোটি ৭৫ লাখ ৫৭ হাজার ৭৫৮ টাকা। তার স্ত্রী আফরোজা আব্বাসের ক্ষেত্রে সিকিউরিটি ডিপোজিট বাবদ দায় রয়েছে ১ কোটি ২৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
এদিকে নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র বাছাই চলবে আগামী ৪ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত। আপিল দায়ের করা যাবে ৫ থেকে ৯ জানুয়ারি, আর আপিল নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২০ জানুয়ারি। চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ও প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ২১ জানুয়ারি।

ঢাকার দুটিসহ (উত্তর ও দক্ষিণ) পাঁচ সিটি করপোরেশনে মেয়র প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। রোববার (২৯ মার্চ) রাতে রাজধানীর বাংলামটরে অস্থায়ী কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন।
৯ ঘণ্টা আগে
ঘোষণার পরও সংসদের প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী ছায়া মন্ত্রিসভা দিতে পারেনি। দেরি করার পেছনে দলটির নেতারা বলছেন, আইনি কাঠামো ছাড়া ছায়া মন্ত্রিসভা কার্যকর হবে না। এজন্য ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের পরে সরকারের কাছে তারা ‘এক্সেস টু মিনিস্ট্রি’ বিষয়ে আইনি ভিত্তি চাইবেন।
১১ ঘণ্টা আগে
সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করতে যাচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এ বিষয়ে রোববার (২৯ মার্চ) রাত ৯টায় রাজধানীর বাংলামোটরে দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়েছে।
২১ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, প্রতিদিন রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হলে দলের বদনাম হবে। মানুষেরও কষ্ট হবে। শনিবার (২৮ মার্চ) রাতে রাজধানীর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হওয়া বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর উদ্দেশে একথা বলেন তিনি।
১ দিন আগে