স্ট্রিম প্রতিবেদক

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘পতিত পলাতক একটি চক্র মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের বিকৃতি ঘটিয়েছিল, অনেক ক্ষেত্রে দলীয় ইতিহাসে তারা পরিণত করেছিল। এই অপচেষ্টার কারণেই পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে এখন আবার মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত একটি চক্র বিজয়ের নতুন ইতিহাস রচনার অপচেষ্টা করছে।’
আজ সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্সটিটিউশনে বিজয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বিএনপির এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হয়ে এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তারেক রহমান বলেন, ‘স্বাধীনতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে দেশি বিদেশি অপশক্তি তখনো যেমন সক্রিয় ছিল, এখনো ঠিক একইভাবে তাঁরা সক্রিয়। সময়ের সাথে সাথে হয়তো ষড়যন্ত্রকারীদের রূপ পাল্টেছে। কিন্তু চরিত্র একদমই পাল্টায়নি।’
তিনি বলেন, ‘কারণে অকারণে শর্তের পর শর্ত জুড়ে দেয় কিংবা নানা অজুহাত তৈরি করে বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী একটি চক্র। নির্বাচন অনুষ্ঠানের পথে বারবার নানা রকম বিঘ্ন সৃষ্টির অপচেষ্টা তাঁরা চালিয়ে যাচ্ছে। এখনো চলছে ক্ষেত্রবিশেষে।’
নির্বাচন প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, ‘প্রায় দেড় দশকেরও বেশি সময় পর নির্বাচন কমিশন শেষ পর্যন্ত জনগণের সেই আকাঙ্ক্ষিত জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের তারিখটি ঘোষণা করেছে। তবে প্রিয় ভাই বোনেরা সতর্ক থাকতে হবে। ষড়যন্ত্র কিন্তু এখনো থেমে নেই। গণতন্ত্রের পক্ষের সাহসী সন্তান ওসমান হাদিকে গুলি করে; গুলি করার যে ঘটনাটি এটা কিন্তু সেই ষড়যন্ত্রের অংশ।’
ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যা চেষ্টার ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘কি ছিল ওসমান হাদির অপরাধ? একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে আমার মনে যে প্রশ্নগুলি দেখা দিয়েছে এই কয়েকটি প্রশ্নের জবাবের মধ্যেই আমার মনে হয় জনগণের সামনেও এই ঘাতকদের চরিত্র স্পষ্ট হয়ে উঠবে।’
তারেক রহমান বলেন, ‘আমার মনে একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে যেই প্রশ্নগুলো দেখা দিয়েছে—এক. বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বা সরকারকে যদি ব্যর্থ করা যায় কারা তাহলে খুশি হবে? দুই. নির্বাচন ছাড়াই বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে বহাল রাখা গেলে কারা লাভবান হবে? তিন. দেশে জনগণের ভোটে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত না হলে কাদের লাভ? প্রিয় ভাই বোনেরা আমি বিশ্বাস করি এসব প্রশ্নের জবাবের মধ্যেই হাদির ঘাতকেরা লুকিয়ে রয়েছে। জনগণের শত্রুরা ঘাপটি মেরে রয়েছে এসব প্রশ্নের উত্তরের ভেতর।’
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম, মির্জা আব্বাস, সালাহউদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘পতিত পলাতক একটি চক্র মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের বিকৃতি ঘটিয়েছিল, অনেক ক্ষেত্রে দলীয় ইতিহাসে তারা পরিণত করেছিল। এই অপচেষ্টার কারণেই পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে এখন আবার মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত একটি চক্র বিজয়ের নতুন ইতিহাস রচনার অপচেষ্টা করছে।’
আজ সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্সটিটিউশনে বিজয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বিএনপির এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হয়ে এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তারেক রহমান বলেন, ‘স্বাধীনতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে দেশি বিদেশি অপশক্তি তখনো যেমন সক্রিয় ছিল, এখনো ঠিক একইভাবে তাঁরা সক্রিয়। সময়ের সাথে সাথে হয়তো ষড়যন্ত্রকারীদের রূপ পাল্টেছে। কিন্তু চরিত্র একদমই পাল্টায়নি।’
তিনি বলেন, ‘কারণে অকারণে শর্তের পর শর্ত জুড়ে দেয় কিংবা নানা অজুহাত তৈরি করে বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী একটি চক্র। নির্বাচন অনুষ্ঠানের পথে বারবার নানা রকম বিঘ্ন সৃষ্টির অপচেষ্টা তাঁরা চালিয়ে যাচ্ছে। এখনো চলছে ক্ষেত্রবিশেষে।’
নির্বাচন প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, ‘প্রায় দেড় দশকেরও বেশি সময় পর নির্বাচন কমিশন শেষ পর্যন্ত জনগণের সেই আকাঙ্ক্ষিত জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের তারিখটি ঘোষণা করেছে। তবে প্রিয় ভাই বোনেরা সতর্ক থাকতে হবে। ষড়যন্ত্র কিন্তু এখনো থেমে নেই। গণতন্ত্রের পক্ষের সাহসী সন্তান ওসমান হাদিকে গুলি করে; গুলি করার যে ঘটনাটি এটা কিন্তু সেই ষড়যন্ত্রের অংশ।’
ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যা চেষ্টার ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘কি ছিল ওসমান হাদির অপরাধ? একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে আমার মনে যে প্রশ্নগুলি দেখা দিয়েছে এই কয়েকটি প্রশ্নের জবাবের মধ্যেই আমার মনে হয় জনগণের সামনেও এই ঘাতকদের চরিত্র স্পষ্ট হয়ে উঠবে।’
তারেক রহমান বলেন, ‘আমার মনে একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে যেই প্রশ্নগুলো দেখা দিয়েছে—এক. বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বা সরকারকে যদি ব্যর্থ করা যায় কারা তাহলে খুশি হবে? দুই. নির্বাচন ছাড়াই বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে বহাল রাখা গেলে কারা লাভবান হবে? তিন. দেশে জনগণের ভোটে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত না হলে কাদের লাভ? প্রিয় ভাই বোনেরা আমি বিশ্বাস করি এসব প্রশ্নের জবাবের মধ্যেই হাদির ঘাতকেরা লুকিয়ে রয়েছে। জনগণের শত্রুরা ঘাপটি মেরে রয়েছে এসব প্রশ্নের উত্তরের ভেতর।’
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম, মির্জা আব্বাস, সালাহউদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।

ঢাকার দুটিসহ (উত্তর ও দক্ষিণ) পাঁচ সিটি করপোরেশনে মেয়র প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। রোববার (২৯ মার্চ) রাতে রাজধানীর বাংলামটরে অস্থায়ী কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন।
৮ ঘণ্টা আগে
ঘোষণার পরও সংসদের প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী ছায়া মন্ত্রিসভা দিতে পারেনি। দেরি করার পেছনে দলটির নেতারা বলছেন, আইনি কাঠামো ছাড়া ছায়া মন্ত্রিসভা কার্যকর হবে না। এজন্য ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের পরে সরকারের কাছে তারা ‘এক্সেস টু মিনিস্ট্রি’ বিষয়ে আইনি ভিত্তি চাইবেন।
৯ ঘণ্টা আগে
সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করতে যাচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এ বিষয়ে রোববার (২৯ মার্চ) রাত ৯টায় রাজধানীর বাংলামোটরে দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়েছে।
২০ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, প্রতিদিন রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হলে দলের বদনাম হবে। মানুষেরও কষ্ট হবে। শনিবার (২৮ মার্চ) রাতে রাজধানীর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হওয়া বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর উদ্দেশে একথা বলেন তিনি।
১ দিন আগে