স্ট্রিম প্রতিবেদক

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. নাসিমুল গনিকে মন্ত্রিপরিষদ সচিব হিসেবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়েছে সরকার। আজ সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
এর আগে ভোটের মাত্র দুদিন পরে নতুন সরকারের শপথের আগেই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে দায়িত্ব পাওয়া মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করে সরকার। তাঁর স্থলে বাড়তি দায়িত্ব দেওয়া হয় প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব (চুক্তিভিত্তিক) এম সিরাজ উদ্দিন মিয়াকে।
গত শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) এ সংক্রান্ত পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপন জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এম সিরাজ উদ্দিন মিয়াকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি হওয়া প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, প্রধান উপদেষ্টার মুখ্যসচিব এম সিরাজ উদ্দিন মিয়া অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের দায়িত্ব পালন করবেন।
সেদিন মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, নতুন মন্ত্রিপরিষদ সচিব হিসেবে কাউকে দায়িত্ব দেওয়ার আগ পর্যন্ত সিরাজ উদ্দিন মিয়া এই দায়িত্ব পালন করবেন। তবে দুদিনের মধ্যেই নতুন সচিব নিয়োগ দিল সরকার।
নাসিমুল গনি মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃতি ছাত্র ছিলেন। তিনি মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ থেকে ১৯৭৩ সালে এসএসসি এবং ১৯৭৫ সালে এইচএসসি পাস করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগ থেকে ১৯৮০ সালে অনার্স এবং ১৯৮১ সালে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। নাসিমুল গনি চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর ওই বছরের ২৩ ডিসেম্বর সিনিয়র সচিব হিসেবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যোগদান করেন।
মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নাসিমুল গনি বিসিএস ১৯৮২ ব্যাচের প্রশাসন ক্যাডারের একজন কর্মকর্তা। বাংলাদেশের সিভিল সার্ভিসে ১৯৮২ ব্যাচ অন্যতম মেধাবী ব্যাচ হিসেবে পরিচিত। ১৯৮২ ব্যাচের প্রশাসন ক্যাডারের ১৪২ জনের মেধা তালিকায় তাঁর অবস্থান ছিল ৬ষ্ঠ।
কর্মজীবনে বিভিন্ন দায়িত্ব পালন শেষে ২০০৪ সালে তিনি যুগ্মসচিব পদে পদোন্নতি লাভ করেন এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে যুগ্মসচিব হিসেবে কাজ করেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক ও পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
২০০৬ সালে অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতি লাভ করেন। তাঁকে রাষ্ট্রপতির একান্ত সচিব পদে নিয়োগ করা হয়। ২০০৭ সালে তাঁকে নিপোর্টের মহাপরিচালক পদে পদায়ন করা হয়। ২০০৯ সালে তাঁকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। চার বছর ওএসডি থাকার পর ২০১৩ সালে তাঁকে চাকরি থেকে অবসর দেওয়া হয়।
২০২৪ সালের আগস্ট মাসে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর অন্তবর্তীকালীন সরকার তাঁকে সিনিয়র সচিব পদমর্যাদায় জন বিভাগ, রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রদান করেন। তিনি ২০২৪ সালের ১৮ আগস্ট সিনিয়র সচিব হিসেবে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে যোগ দেন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. নাসিমুল গনিকে মন্ত্রিপরিষদ সচিব হিসেবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়েছে সরকার। আজ সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
এর আগে ভোটের মাত্র দুদিন পরে নতুন সরকারের শপথের আগেই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে দায়িত্ব পাওয়া মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করে সরকার। তাঁর স্থলে বাড়তি দায়িত্ব দেওয়া হয় প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব (চুক্তিভিত্তিক) এম সিরাজ উদ্দিন মিয়াকে।
গত শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) এ সংক্রান্ত পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপন জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এম সিরাজ উদ্দিন মিয়াকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি হওয়া প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, প্রধান উপদেষ্টার মুখ্যসচিব এম সিরাজ উদ্দিন মিয়া অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের দায়িত্ব পালন করবেন।
সেদিন মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, নতুন মন্ত্রিপরিষদ সচিব হিসেবে কাউকে দায়িত্ব দেওয়ার আগ পর্যন্ত সিরাজ উদ্দিন মিয়া এই দায়িত্ব পালন করবেন। তবে দুদিনের মধ্যেই নতুন সচিব নিয়োগ দিল সরকার।
নাসিমুল গনি মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃতি ছাত্র ছিলেন। তিনি মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ থেকে ১৯৭৩ সালে এসএসসি এবং ১৯৭৫ সালে এইচএসসি পাস করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগ থেকে ১৯৮০ সালে অনার্স এবং ১৯৮১ সালে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। নাসিমুল গনি চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর ওই বছরের ২৩ ডিসেম্বর সিনিয়র সচিব হিসেবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যোগদান করেন।
মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নাসিমুল গনি বিসিএস ১৯৮২ ব্যাচের প্রশাসন ক্যাডারের একজন কর্মকর্তা। বাংলাদেশের সিভিল সার্ভিসে ১৯৮২ ব্যাচ অন্যতম মেধাবী ব্যাচ হিসেবে পরিচিত। ১৯৮২ ব্যাচের প্রশাসন ক্যাডারের ১৪২ জনের মেধা তালিকায় তাঁর অবস্থান ছিল ৬ষ্ঠ।
কর্মজীবনে বিভিন্ন দায়িত্ব পালন শেষে ২০০৪ সালে তিনি যুগ্মসচিব পদে পদোন্নতি লাভ করেন এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে যুগ্মসচিব হিসেবে কাজ করেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক ও পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
২০০৬ সালে অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতি লাভ করেন। তাঁকে রাষ্ট্রপতির একান্ত সচিব পদে নিয়োগ করা হয়। ২০০৭ সালে তাঁকে নিপোর্টের মহাপরিচালক পদে পদায়ন করা হয়। ২০০৯ সালে তাঁকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। চার বছর ওএসডি থাকার পর ২০১৩ সালে তাঁকে চাকরি থেকে অবসর দেওয়া হয়।
২০২৪ সালের আগস্ট মাসে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর অন্তবর্তীকালীন সরকার তাঁকে সিনিয়র সচিব পদমর্যাদায় জন বিভাগ, রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রদান করেন। তিনি ২০২৪ সালের ১৮ আগস্ট সিনিয়র সচিব হিসেবে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে যোগ দেন।

সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেছেন, তাঁর নিজস্ব রাজনৈতিক আদর্শ থাকলেও রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে তা কোনো প্রভাব ফেলবে না।
১০ ঘণ্টা আগে
সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন নিয়ে আলোচনার জন্য বিরোধীদলীয় নেতার দেওয়া প্রস্তাব নিয়ে আগামী মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুই ঘণ্টাব্যাপী আলোচনা হবে। তবে এর আগে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকা নিয়ে সংসদে সরকারি দল ও বিরোধী দলের মধ্যে অনির্ধারিত বিতর্ক হয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
ইন্দোবাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস সংগ্রাম পরিষদের টানা দুই দিনের সর্বাত্মক কর্মবিরতির মুখে নতি স্বীকার করেছে প্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষ। আন্দোলনের মুখে চারজন শ্রমিকের ছাঁটাই আদেশ প্রত্যাহারসহ চার দফা দাবি মেনে নিয়েছে মালিকপক্ষ।
১১ ঘণ্টা আগে
লিবিয়ায় বন্দিশালায় (গেমঘর) দালালের নির্যাতনে মাদারীপুরের দুই যুবক নিহত হয়েছেন। সপ্তাহখানেক আগে মৃত্যু হলেও তা পরিবারের কাছে গোপন রাখা হয়।
১১ ঘণ্টা আগে