স্ট্রিম সংবাদদাতা

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ফাইন্যান্স বিভাগে প্রভাষক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক শামীম উদ্দিন খানের মেয়ে মাহিরা শামীম। একাডেমিক সিজিপিএর দিক থেকে তুলনামূলকভাবে অনেকটা পিছিয়ে থেকেও তিনি নিয়োগ পাওয়ায় এই প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সকালে অনুষ্ঠিত ৫৬৫তম সিন্ডিকেট সভায় তাঁর নিয়োগের অনুমোদন দেওয়া হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ফাইন্যান্স বিভাগের চারটি প্রভাষক পদের বিপরীতে শিক্ষক নিয়োগের জন্য গত বছরের ১৯ আগস্ট পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ ছিল, ১৯ ডিসেম্বর উপাচার্যের কার্যালয়ে চারটি শূন্য পদে নিয়োগ বোর্ড অনুষ্ঠিত হবে। এই চারটি পদের জন্য মোট ৫১ জন প্রার্থী আবেদন করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তর থেকে প্রকাশিত প্রার্থীদের তালিকায় দেখা যায়, আবেদনকারীদের মধ্যে মাহিরা শামীমের অবস্থান ছিল ৪৩ নম্বরে। বিভাগীয় ফলাফল অনুযায়ী তাঁর স্নাতক পর্যায়ের সিজিপিএ ৩ দশমিক ৮০। তবে তাঁর চেয়ে বেশি সিজিপিএধারী অন্তত ১১ জন প্রার্থী এই পদে আবেদন করেছিলেন। তাঁদের মধ্যে বিভাগে প্রথম হওয়া প্রার্থীর সিজিপিএ ছিল ৩ দশমিক ৯৫। এ ছাড়া ৩ দশমিক ৯০, ৩ দশমিক ৮৯, ৩ দশমিক ৮৪ ও ৩ দশমিক ৮২ সিজিপিএধারী একাধিক প্রার্থী তালিকায় তাঁর উপরে অবস্থান করছিলেন। এই নিয়োগকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক শামীম উদ্দিন খান বলেন, ‘ফাইন্যান্স বিভাগের শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ার সঙ্গে আমি কোনোভাবেই যুক্ত ছিলাম না। আমি এই নিয়োগ বোর্ডের সদস্য নই। নিয়োগ বোর্ড কীভাবে হয়েছে, সেটিও আমার জানা নেই। আমার মেয়ে সেখানে আবেদন করেছে; এটুকুই।’
অন্যদিকে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার বলেন, ‘বর্তমান প্রশাসন তিন ধাপে যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ দিচ্ছে। আমরা প্রথমে লিখিত পরীক্ষা নিই। এরপর লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের ডেমনস্ট্রেশনের মাধ্যমে যাচাই করা হয়। সেখানে উত্তীর্ণ হলে মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়। এই তিন ধাপে যারা ভালো করেন, তাঁদের মধ্য থেকেই সেরা প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়া হয়। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের স্বজনপ্রীতি বা পক্ষপাতিত্বের সুযোগ নেই।’
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্রজনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর নতুন প্রশাসন দায়িত্ব গ্রহণ করে এবং শিক্ষক নিয়োগে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে নতুন নিয়োগ নীতিমালা প্রণয়ন করে বলে জানায় প্রশাসন। ওই নীতিমালার আওতায় এখন পর্যন্ত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট ৭৮ জন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৫৬৪তম সিন্ডিকেট সভায় ৩৮ জন এবং সর্বশেষ ৫৬৫তম সিন্ডিকেট সভায় নতুন করে ১৮ জন শিক্ষক নিয়োগ পান।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ফাইন্যান্স বিভাগে প্রভাষক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক শামীম উদ্দিন খানের মেয়ে মাহিরা শামীম। একাডেমিক সিজিপিএর দিক থেকে তুলনামূলকভাবে অনেকটা পিছিয়ে থেকেও তিনি নিয়োগ পাওয়ায় এই প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সকালে অনুষ্ঠিত ৫৬৫তম সিন্ডিকেট সভায় তাঁর নিয়োগের অনুমোদন দেওয়া হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ফাইন্যান্স বিভাগের চারটি প্রভাষক পদের বিপরীতে শিক্ষক নিয়োগের জন্য গত বছরের ১৯ আগস্ট পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ ছিল, ১৯ ডিসেম্বর উপাচার্যের কার্যালয়ে চারটি শূন্য পদে নিয়োগ বোর্ড অনুষ্ঠিত হবে। এই চারটি পদের জন্য মোট ৫১ জন প্রার্থী আবেদন করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তর থেকে প্রকাশিত প্রার্থীদের তালিকায় দেখা যায়, আবেদনকারীদের মধ্যে মাহিরা শামীমের অবস্থান ছিল ৪৩ নম্বরে। বিভাগীয় ফলাফল অনুযায়ী তাঁর স্নাতক পর্যায়ের সিজিপিএ ৩ দশমিক ৮০। তবে তাঁর চেয়ে বেশি সিজিপিএধারী অন্তত ১১ জন প্রার্থী এই পদে আবেদন করেছিলেন। তাঁদের মধ্যে বিভাগে প্রথম হওয়া প্রার্থীর সিজিপিএ ছিল ৩ দশমিক ৯৫। এ ছাড়া ৩ দশমিক ৯০, ৩ দশমিক ৮৯, ৩ দশমিক ৮৪ ও ৩ দশমিক ৮২ সিজিপিএধারী একাধিক প্রার্থী তালিকায় তাঁর উপরে অবস্থান করছিলেন। এই নিয়োগকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক শামীম উদ্দিন খান বলেন, ‘ফাইন্যান্স বিভাগের শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ার সঙ্গে আমি কোনোভাবেই যুক্ত ছিলাম না। আমি এই নিয়োগ বোর্ডের সদস্য নই। নিয়োগ বোর্ড কীভাবে হয়েছে, সেটিও আমার জানা নেই। আমার মেয়ে সেখানে আবেদন করেছে; এটুকুই।’
অন্যদিকে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার বলেন, ‘বর্তমান প্রশাসন তিন ধাপে যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ দিচ্ছে। আমরা প্রথমে লিখিত পরীক্ষা নিই। এরপর লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের ডেমনস্ট্রেশনের মাধ্যমে যাচাই করা হয়। সেখানে উত্তীর্ণ হলে মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়। এই তিন ধাপে যারা ভালো করেন, তাঁদের মধ্য থেকেই সেরা প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়া হয়। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের স্বজনপ্রীতি বা পক্ষপাতিত্বের সুযোগ নেই।’
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্রজনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর নতুন প্রশাসন দায়িত্ব গ্রহণ করে এবং শিক্ষক নিয়োগে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে নতুন নিয়োগ নীতিমালা প্রণয়ন করে বলে জানায় প্রশাসন। ওই নীতিমালার আওতায় এখন পর্যন্ত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট ৭৮ জন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৫৬৪তম সিন্ডিকেট সভায় ৩৮ জন এবং সর্বশেষ ৫৬৫তম সিন্ডিকেট সভায় নতুন করে ১৮ জন শিক্ষক নিয়োগ পান।

সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেছেন, তাঁর নিজস্ব রাজনৈতিক আদর্শ থাকলেও রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে তা কোনো প্রভাব ফেলবে না।
৯ ঘণ্টা আগে
সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন নিয়ে আলোচনার জন্য বিরোধীদলীয় নেতার দেওয়া প্রস্তাব নিয়ে আগামী মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুই ঘণ্টাব্যাপী আলোচনা হবে। তবে এর আগে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকা নিয়ে সংসদে সরকারি দল ও বিরোধী দলের মধ্যে অনির্ধারিত বিতর্ক হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
ইন্দোবাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস সংগ্রাম পরিষদের টানা দুই দিনের সর্বাত্মক কর্মবিরতির মুখে নতি স্বীকার করেছে প্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষ। আন্দোলনের মুখে চারজন শ্রমিকের ছাঁটাই আদেশ প্রত্যাহারসহ চার দফা দাবি মেনে নিয়েছে মালিকপক্ষ।
১০ ঘণ্টা আগে
লিবিয়ায় বন্দিশালায় (গেমঘর) দালালের নির্যাতনে মাদারীপুরের দুই যুবক নিহত হয়েছেন। সপ্তাহখানেক আগে মৃত্যু হলেও তা পরিবারের কাছে গোপন রাখা হয়।
১০ ঘণ্টা আগে