স্ট্রিম প্রতিবেদক

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে দেওয়া আমৃত্যু কারাদণ্ড চ্যালেঞ্জ করে প্রসিকিউশনের (রাষ্ট্রপক্ষ) করা আপিল শুনানির জন্য আগামী ২০ জানুয়ারি তারিখ নির্ধারণ করেছেন চেম্বার জজ আদালত।
আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হকের আদালত এই তারিখ ঘোষণা করেন। চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গত ১৭ নভেম্বর ঐতিহাসিক এক রায়ে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালকে দুটি পৃথক অভিযোগে দণ্ড প্রদান করেন। এর মধ্যে একটি অভিযোগে তাদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলেও, অপর একটি অভিযোগে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
আমৃত্যু কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ, সেখানে সাজার মাত্রা বাড়িয়ে সর্বোচ্চ দণ্ড ‘মৃত্যুদণ্ড’ চেয়ে আবেদনটি করা হয়। আজ আপিল আবেদনটি চেম্বার জজ আদালতের কার্যতালিকায় আসে।
শুনানি শেষে চিফ প্রসিকিউটর সাংবাদিকদের বলেন, ‘একটি অভিযোগে আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। যে অভিযোগে তাকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে, সেই সাজার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন, ১৯৭৩–এর ২১ ধারায় সুপ্রিম কোর্টে আপিল করার বিধান রয়েছে। সেই বিধান অনুযায়ী ট্রাইব্যুনালের পক্ষ থেকে আপিল করা হয়েছে।’
তিনি জানান, আমৃত্যু কারাদণ্ডের সাজা বাড়িয়ে মৃত্যুদণ্ড করার দাবিতে এ আপিল দায়ের করা হয়েছে। আইন অনুযায়ী রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হয় এবং ২১ ধারায় বলা আছে, সুপ্রিম কোর্টে দায়ের করা আপিল ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হবে। সে অনুযায়ী গত ১৫ ডিসেম্বর আপিল করা হয়েছে। আজ এক মাস পূর্ণ হয়েছে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই আপিল নিষ্পত্তির আইনগত বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
এই কারণে আজ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের চেম্বার জজের কাছে আবেদন করা হয়, যাতে বিষয়টি বিশেষ ব্যবস্থায় জরুরি ভিত্তিতে শুনানির জন্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আগামী ২০ জানুয়ারি আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে এ আপিলের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান তিনি।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আসামির বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে এবং তিনি দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। তবে সাজার ক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল যে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন, তা আইনের দৃষ্টিতে অপর্যাপ্ত বলে প্রসিকিউশনের মত। বিশেষ করে চার্জ নম্বর ওয়ানে উসকানি দেওয়ার (ইনসাইটমেন্ট) অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। ছাত্রদের রাজাকারের সন্তান ও নাতি-পুতি বলে আখ্যা দেওয়া এবং মাকসুদ কামালের সঙ্গে কথোপকথনে তাদের হত্যা করার আহ্বানের বিষয়গুলো সাক্ষ্যপ্রমাণ হিসেবে উঠে এসেছে।
তিনি বলেন, এসব প্রমাণ বিশ্লেষণ করলে স্পষ্ট হয়, এ অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। কিন্তু যে সাজা দেওয়া হয়েছে, তা আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এ কারণেই আপিল করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টে এসব প্রমাণ উপস্থাপন করা হলে আসামি সর্বোচ্চ শাস্তি পাবেন বলে তিনি প্রত্যাশা করেন।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে দেওয়া আমৃত্যু কারাদণ্ড চ্যালেঞ্জ করে প্রসিকিউশনের (রাষ্ট্রপক্ষ) করা আপিল শুনানির জন্য আগামী ২০ জানুয়ারি তারিখ নির্ধারণ করেছেন চেম্বার জজ আদালত।
আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হকের আদালত এই তারিখ ঘোষণা করেন। চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গত ১৭ নভেম্বর ঐতিহাসিক এক রায়ে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালকে দুটি পৃথক অভিযোগে দণ্ড প্রদান করেন। এর মধ্যে একটি অভিযোগে তাদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলেও, অপর একটি অভিযোগে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
আমৃত্যু কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ, সেখানে সাজার মাত্রা বাড়িয়ে সর্বোচ্চ দণ্ড ‘মৃত্যুদণ্ড’ চেয়ে আবেদনটি করা হয়। আজ আপিল আবেদনটি চেম্বার জজ আদালতের কার্যতালিকায় আসে।
শুনানি শেষে চিফ প্রসিকিউটর সাংবাদিকদের বলেন, ‘একটি অভিযোগে আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। যে অভিযোগে তাকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে, সেই সাজার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন, ১৯৭৩–এর ২১ ধারায় সুপ্রিম কোর্টে আপিল করার বিধান রয়েছে। সেই বিধান অনুযায়ী ট্রাইব্যুনালের পক্ষ থেকে আপিল করা হয়েছে।’
তিনি জানান, আমৃত্যু কারাদণ্ডের সাজা বাড়িয়ে মৃত্যুদণ্ড করার দাবিতে এ আপিল দায়ের করা হয়েছে। আইন অনুযায়ী রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হয় এবং ২১ ধারায় বলা আছে, সুপ্রিম কোর্টে দায়ের করা আপিল ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হবে। সে অনুযায়ী গত ১৫ ডিসেম্বর আপিল করা হয়েছে। আজ এক মাস পূর্ণ হয়েছে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই আপিল নিষ্পত্তির আইনগত বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
এই কারণে আজ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের চেম্বার জজের কাছে আবেদন করা হয়, যাতে বিষয়টি বিশেষ ব্যবস্থায় জরুরি ভিত্তিতে শুনানির জন্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আগামী ২০ জানুয়ারি আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে এ আপিলের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান তিনি।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আসামির বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে এবং তিনি দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। তবে সাজার ক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল যে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন, তা আইনের দৃষ্টিতে অপর্যাপ্ত বলে প্রসিকিউশনের মত। বিশেষ করে চার্জ নম্বর ওয়ানে উসকানি দেওয়ার (ইনসাইটমেন্ট) অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। ছাত্রদের রাজাকারের সন্তান ও নাতি-পুতি বলে আখ্যা দেওয়া এবং মাকসুদ কামালের সঙ্গে কথোপকথনে তাদের হত্যা করার আহ্বানের বিষয়গুলো সাক্ষ্যপ্রমাণ হিসেবে উঠে এসেছে।
তিনি বলেন, এসব প্রমাণ বিশ্লেষণ করলে স্পষ্ট হয়, এ অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। কিন্তু যে সাজা দেওয়া হয়েছে, তা আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এ কারণেই আপিল করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টে এসব প্রমাণ উপস্থাপন করা হলে আসামি সর্বোচ্চ শাস্তি পাবেন বলে তিনি প্রত্যাশা করেন।

সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেছেন, তাঁর নিজস্ব রাজনৈতিক আদর্শ থাকলেও রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে তা কোনো প্রভাব ফেলবে না।
১০ ঘণ্টা আগে
সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন নিয়ে আলোচনার জন্য বিরোধীদলীয় নেতার দেওয়া প্রস্তাব নিয়ে আগামী মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুই ঘণ্টাব্যাপী আলোচনা হবে। তবে এর আগে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকা নিয়ে সংসদে সরকারি দল ও বিরোধী দলের মধ্যে অনির্ধারিত বিতর্ক হয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
ইন্দোবাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস সংগ্রাম পরিষদের টানা দুই দিনের সর্বাত্মক কর্মবিরতির মুখে নতি স্বীকার করেছে প্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষ। আন্দোলনের মুখে চারজন শ্রমিকের ছাঁটাই আদেশ প্রত্যাহারসহ চার দফা দাবি মেনে নিয়েছে মালিকপক্ষ।
১১ ঘণ্টা আগে
লিবিয়ায় বন্দিশালায় (গেমঘর) দালালের নির্যাতনে মাদারীপুরের দুই যুবক নিহত হয়েছেন। সপ্তাহখানেক আগে মৃত্যু হলেও তা পরিবারের কাছে গোপন রাখা হয়।
১১ ঘণ্টা আগে