আতাউর রহমান রাইহান

জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) শপথ নেবে বিএনপির নতুন মন্ত্রিসভা। মন্ত্রিপাড়ায় ৪০টি বাড়ির প্রস্তুতের পাশাপাশি ৫০ গাড়িও ঠিক করা হয়েছে বলে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন।
রাজধানীর বেইলি রোড, গুলশান, ধানমন্ডি ও মিন্টো রোড মন্ত্রিপাড়া হিসেবে পরিচিত। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা স্ট্রিমকে বলেন, মন্ত্রিপাড়ার কয়েকটি বাড়ি অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা ব্যবহার করছেন। কিছু ফাঁকা ছিল। যেগুলো সংস্কার দরকার, তা করা হবে। মূলত হাইজেনিক ওয়াশ, বাথরুম ফিটিংস পরিবর্তন ও রঙের কাজ করা হবে। মন্ত্রীদের আবাসন নিয়ে আপাতত সমস্যা হবে না। চাহিদা দিলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সরকারি বাসভবন যমুনাকেই নতুন প্রধানমন্ত্রীর জন্য বিবেচনা করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো নির্দেশনা আসেনি। স্পিকার এবং ডেপুটি স্পিকারের বাসভবন একীভূত করে প্রধানমন্ত্রীর আবাসন তৈরির বিষয়ে আগে সুপারিশ থাকলেও তা এখনো চূড়ান্ত নয় বলে জানান ওই কর্মকর্তা।
মন্ত্রিপাড়ায় এখন বাংলোবাড়ি আছে ১৫টি। বেইলি রোডে মিনিস্টার্স অ্যাপার্টমেন্ট নামের তিনটি ভবনে ১০টি করে ৩০ ফ্ল্যাট রয়েছে। এর বাইরে লশান ও ধানমন্ডিতে মন্ত্রীদের জন্য আবাসনের ব্যবস্থা রয়েছে। সবমিলে মন্ত্রীদের বসবাসের জন্য ঢাকায় ৭১টি বাংলোবাড়ি ও ফ্ল্যাট রেখেছে সরকারের আবাসন পরিদপ্তর।
প্রস্তুত ৫০ গাড়ি
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রয়োজনীয় সংখ্যক গাড়ি প্রস্তুত রাখার জন্য সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সেই অনুসারে, প্রাথমিকভাবে ৫০টি গাড়ি প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে সূত্র জানিয়েছে।
রাজধানীর আবদুল গণি রোডের যানবাহন অধিদপ্তরে গিয়ে দেখা গেছে, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা যেসব গাড়ি ব্যবহার করছেন, সেগুলোসহ মোট ৫০টি গাড়ি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হচ্ছে। বর্তমান উপদেষ্টাদের মধ্যে ১০ থেকে ১২ জন গাড়ি জমা দিয়েছেন।
যারা নতুন সরকারে শপথের আমন্ত্রণ পাবেন, তাদের বাসা থেকে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নিয়ে যাওয়ার জন্য এসব গাড়ি ব্যবহার করা হবে। ভিভিআইপি প্রটোকলে সব সময় কয়েকটি গাড়ি বেশি প্রস্তুত রাখা হয়। কোনো কারণে একটি গাড়ি নষ্ট বা দুর্ঘটনায় পড়লে সঙ্গে সঙ্গে যেন আরেকটি পাঠানো যায়, এজন্য গাড়ি বেশি রাখা হচ্ছে।
সূত্র জানায়, নতুন সরকারের মন্ত্রিসভা কত সদস্যের হবে, তা এখনো নির্ধারণ হয়নি। মূলত মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকেই গাড়ির চাহিদা দেওয়া হয়। সে অনুযায়ী যানবাহন অধিদপ্তর গাড়ি প্রস্তুত করে।
বেশির ভাগ গাড়ি ক্যামরি ও ল্যান্সার ব্র্যান্ডের। গাড়ির সঙ্গে চালকও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অধীন এসব চালক নতুন মন্ত্রীদের জন্য অপেক্ষায় আছেন।
সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরের পরিবহন কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) খায়রুল কবীর মেনন বলেন, অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে আমরা আমাদের প্রস্তুতি নিয়েছি। শপথের দিন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ চূড়ান্ত করলে, সে অনুযায়ী গাড়ি দেওয়া হবে।

জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) শপথ নেবে বিএনপির নতুন মন্ত্রিসভা। মন্ত্রিপাড়ায় ৪০টি বাড়ির প্রস্তুতের পাশাপাশি ৫০ গাড়িও ঠিক করা হয়েছে বলে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন।
রাজধানীর বেইলি রোড, গুলশান, ধানমন্ডি ও মিন্টো রোড মন্ত্রিপাড়া হিসেবে পরিচিত। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা স্ট্রিমকে বলেন, মন্ত্রিপাড়ার কয়েকটি বাড়ি অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা ব্যবহার করছেন। কিছু ফাঁকা ছিল। যেগুলো সংস্কার দরকার, তা করা হবে। মূলত হাইজেনিক ওয়াশ, বাথরুম ফিটিংস পরিবর্তন ও রঙের কাজ করা হবে। মন্ত্রীদের আবাসন নিয়ে আপাতত সমস্যা হবে না। চাহিদা দিলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সরকারি বাসভবন যমুনাকেই নতুন প্রধানমন্ত্রীর জন্য বিবেচনা করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো নির্দেশনা আসেনি। স্পিকার এবং ডেপুটি স্পিকারের বাসভবন একীভূত করে প্রধানমন্ত্রীর আবাসন তৈরির বিষয়ে আগে সুপারিশ থাকলেও তা এখনো চূড়ান্ত নয় বলে জানান ওই কর্মকর্তা।
মন্ত্রিপাড়ায় এখন বাংলোবাড়ি আছে ১৫টি। বেইলি রোডে মিনিস্টার্স অ্যাপার্টমেন্ট নামের তিনটি ভবনে ১০টি করে ৩০ ফ্ল্যাট রয়েছে। এর বাইরে লশান ও ধানমন্ডিতে মন্ত্রীদের জন্য আবাসনের ব্যবস্থা রয়েছে। সবমিলে মন্ত্রীদের বসবাসের জন্য ঢাকায় ৭১টি বাংলোবাড়ি ও ফ্ল্যাট রেখেছে সরকারের আবাসন পরিদপ্তর।
প্রস্তুত ৫০ গাড়ি
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রয়োজনীয় সংখ্যক গাড়ি প্রস্তুত রাখার জন্য সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সেই অনুসারে, প্রাথমিকভাবে ৫০টি গাড়ি প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে সূত্র জানিয়েছে।
রাজধানীর আবদুল গণি রোডের যানবাহন অধিদপ্তরে গিয়ে দেখা গেছে, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা যেসব গাড়ি ব্যবহার করছেন, সেগুলোসহ মোট ৫০টি গাড়ি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হচ্ছে। বর্তমান উপদেষ্টাদের মধ্যে ১০ থেকে ১২ জন গাড়ি জমা দিয়েছেন।
যারা নতুন সরকারে শপথের আমন্ত্রণ পাবেন, তাদের বাসা থেকে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নিয়ে যাওয়ার জন্য এসব গাড়ি ব্যবহার করা হবে। ভিভিআইপি প্রটোকলে সব সময় কয়েকটি গাড়ি বেশি প্রস্তুত রাখা হয়। কোনো কারণে একটি গাড়ি নষ্ট বা দুর্ঘটনায় পড়লে সঙ্গে সঙ্গে যেন আরেকটি পাঠানো যায়, এজন্য গাড়ি বেশি রাখা হচ্ছে।
সূত্র জানায়, নতুন সরকারের মন্ত্রিসভা কত সদস্যের হবে, তা এখনো নির্ধারণ হয়নি। মূলত মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকেই গাড়ির চাহিদা দেওয়া হয়। সে অনুযায়ী যানবাহন অধিদপ্তর গাড়ি প্রস্তুত করে।
বেশির ভাগ গাড়ি ক্যামরি ও ল্যান্সার ব্র্যান্ডের। গাড়ির সঙ্গে চালকও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অধীন এসব চালক নতুন মন্ত্রীদের জন্য অপেক্ষায় আছেন।
সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরের পরিবহন কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) খায়রুল কবীর মেনন বলেন, অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে আমরা আমাদের প্রস্তুতি নিয়েছি। শপথের দিন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ চূড়ান্ত করলে, সে অনুযায়ী গাড়ি দেওয়া হবে।

সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেছেন, তাঁর নিজস্ব রাজনৈতিক আদর্শ থাকলেও রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে তা কোনো প্রভাব ফেলবে না।
৭ ঘণ্টা আগে
সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন নিয়ে আলোচনার জন্য বিরোধীদলীয় নেতার দেওয়া প্রস্তাব নিয়ে আগামী মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুই ঘণ্টাব্যাপী আলোচনা হবে। তবে এর আগে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকা নিয়ে সংসদে সরকারি দল ও বিরোধী দলের মধ্যে অনির্ধারিত বিতর্ক হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
ইন্দোবাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস সংগ্রাম পরিষদের টানা দুই দিনের সর্বাত্মক কর্মবিরতির মুখে নতি স্বীকার করেছে প্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষ। আন্দোলনের মুখে চারজন শ্রমিকের ছাঁটাই আদেশ প্রত্যাহারসহ চার দফা দাবি মেনে নিয়েছে মালিকপক্ষ।
৮ ঘণ্টা আগে
লিবিয়ায় বন্দিশালায় (গেমঘর) দালালের নির্যাতনে মাদারীপুরের দুই যুবক নিহত হয়েছেন। সপ্তাহখানেক আগে মৃত্যু হলেও তা পরিবারের কাছে গোপন রাখা হয়।
৮ ঘণ্টা আগে