স্ট্রিম সংবাদদাতা

পাবনা-৫ (সদর) আসনে ওয়ার্ড জামায়াতের নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা রমজান আলীকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করার ঘটনায় বিএনপির নেতাকর্মীদের দায়ি করেছে জামায়াতের প্রার্থী। তবে হামলার নিন্দা জানিয়ে একে ‘পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র’ দাবি করেছেন বিএনপির জেলা সদস্যসচিব। আজ রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি পালন করেছে তারা। তবে ওই ঘটনায় আজ বিকাল পর্যন্ত স্থানীয় থানায় কোনো অভিযোগ দেওয়া হয়নি বলে নিশ্চিত করেছেন পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুলাল উদ্দিন।
এর গত শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে ভোটের প্রচার শেষে মসজিদে নামাজ পড়ে বের হওয়ার সময় জামায়াত নেতা মুক্তিযোদ্ধা রমজান আলীকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করে কয়েকজন দুর্বৃত্ত। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রমজান আলী সদর উপজেলার হিমাইতপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি। সদর আসনে চর শিবরামপুর ভোটকেন্দ্রের দলীয় পরিচালক তিনি।
হামলার ঘটনায় বিএনপি প্রার্থী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের সমর্থকদের দায়ি করে দোষীদের গ্রেপ্তার দাবিতে রোববার সকালে শহরে বিক্ষোভ করে জামায়াত। পরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ঘেরাও করে সমাবেশ করে তারা।
অপরদিকে ওই ঘটনা কেন্দ্র করে বিএনপির প্রার্থীর নির্বাচনী ব্যানার-ফেস্টুন ছেঁড়া ও শিমুল বিশ্বাসকে হুমকির অভিযোগে দুপুরে শহরে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিএনপি নেতাকর্মীরা। তবে হামলার নিন্দা জানিয়ে দুপুরে পাবনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন জেলা বিএনপির সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট মাসুদ খন্দকার। তিনি জামায়াত প্রার্থীর বিরুদ্ধে ‘ঘোলা পানিতে মাছ শিকার’ ও অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টার অভিযোগ করেন।
হাসপাতালে আহত রমজান আলীকে দেখতে গিয়ে পাবনা-৫ (সদর) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী প্রিন্সিপাল ইকবাল হোসেন জানান, নির্বাচনের প্রচার কেন্দ্র করে জামায়াত নেতা রমজান আলীকে হুমকি ধামকি দিয়ে আসছিলেন স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা। তা উপেক্ষা করে দাঁড়িপাল্লার পক্ষে প্রচার চালানোয় শনিবার রাতে তাঁকে তুলে নিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়।

সাংবাদিকদের প্রিন্সিপাল ইকবাল বলেন, বিএনপি প্রার্থী শিমুল বিশ্বাসের ভাই বাবুল বিশ্বাস ও ভাতিজা রানা বিশ্বাসের হুকুমে দলীয় সন্ত্রাসীর নেতৃত্বে হামলা করা হয়েছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও শাস্তি নিশ্চিত করা না হলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তবে হামলার ঘটনাকে স্থানীয় বিরোধ উল্লেখ করে বিএনপির সংশ্লিষ্টতা অস্বীকার করেছেন জেলা বিএনপির সদস্যসচিব। দুপুরে পাবনা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে অ্যাডভোকেট মাসুদ খন্দকার বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধা ও বয়স্ক মানুষকে আহত করার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। কিন্তু জামায়াত প্রার্থী ঘোলা পানিতে মাছ শিকার ও অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করছে।’
অ্যাডভোকেট মাসুদ অভিযোগ করেন, নির্বাচনে পরাজয় নিশ্চিত জেনে জামায়াত পরিকল্পিত অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে। প্রতিবাদের নামে তারা বিএনপি প্রার্থী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের সব ব্যানার ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলেছে। তিনি এর নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

পাবনা-৫ (সদর) আসনে ওয়ার্ড জামায়াতের নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা রমজান আলীকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করার ঘটনায় বিএনপির নেতাকর্মীদের দায়ি করেছে জামায়াতের প্রার্থী। তবে হামলার নিন্দা জানিয়ে একে ‘পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র’ দাবি করেছেন বিএনপির জেলা সদস্যসচিব। আজ রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি পালন করেছে তারা। তবে ওই ঘটনায় আজ বিকাল পর্যন্ত স্থানীয় থানায় কোনো অভিযোগ দেওয়া হয়নি বলে নিশ্চিত করেছেন পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুলাল উদ্দিন।
এর গত শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে ভোটের প্রচার শেষে মসজিদে নামাজ পড়ে বের হওয়ার সময় জামায়াত নেতা মুক্তিযোদ্ধা রমজান আলীকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করে কয়েকজন দুর্বৃত্ত। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রমজান আলী সদর উপজেলার হিমাইতপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি। সদর আসনে চর শিবরামপুর ভোটকেন্দ্রের দলীয় পরিচালক তিনি।
হামলার ঘটনায় বিএনপি প্রার্থী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের সমর্থকদের দায়ি করে দোষীদের গ্রেপ্তার দাবিতে রোববার সকালে শহরে বিক্ষোভ করে জামায়াত। পরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ঘেরাও করে সমাবেশ করে তারা।
অপরদিকে ওই ঘটনা কেন্দ্র করে বিএনপির প্রার্থীর নির্বাচনী ব্যানার-ফেস্টুন ছেঁড়া ও শিমুল বিশ্বাসকে হুমকির অভিযোগে দুপুরে শহরে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিএনপি নেতাকর্মীরা। তবে হামলার নিন্দা জানিয়ে দুপুরে পাবনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন জেলা বিএনপির সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট মাসুদ খন্দকার। তিনি জামায়াত প্রার্থীর বিরুদ্ধে ‘ঘোলা পানিতে মাছ শিকার’ ও অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টার অভিযোগ করেন।
হাসপাতালে আহত রমজান আলীকে দেখতে গিয়ে পাবনা-৫ (সদর) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী প্রিন্সিপাল ইকবাল হোসেন জানান, নির্বাচনের প্রচার কেন্দ্র করে জামায়াত নেতা রমজান আলীকে হুমকি ধামকি দিয়ে আসছিলেন স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা। তা উপেক্ষা করে দাঁড়িপাল্লার পক্ষে প্রচার চালানোয় শনিবার রাতে তাঁকে তুলে নিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়।

সাংবাদিকদের প্রিন্সিপাল ইকবাল বলেন, বিএনপি প্রার্থী শিমুল বিশ্বাসের ভাই বাবুল বিশ্বাস ও ভাতিজা রানা বিশ্বাসের হুকুমে দলীয় সন্ত্রাসীর নেতৃত্বে হামলা করা হয়েছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও শাস্তি নিশ্চিত করা না হলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তবে হামলার ঘটনাকে স্থানীয় বিরোধ উল্লেখ করে বিএনপির সংশ্লিষ্টতা অস্বীকার করেছেন জেলা বিএনপির সদস্যসচিব। দুপুরে পাবনা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে অ্যাডভোকেট মাসুদ খন্দকার বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধা ও বয়স্ক মানুষকে আহত করার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। কিন্তু জামায়াত প্রার্থী ঘোলা পানিতে মাছ শিকার ও অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করছে।’
অ্যাডভোকেট মাসুদ অভিযোগ করেন, নির্বাচনে পরাজয় নিশ্চিত জেনে জামায়াত পরিকল্পিত অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে। প্রতিবাদের নামে তারা বিএনপি প্রার্থী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের সব ব্যানার ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলেছে। তিনি এর নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেছেন, তাঁর নিজস্ব রাজনৈতিক আদর্শ থাকলেও রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে তা কোনো প্রভাব ফেলবে না।
৭ ঘণ্টা আগে
সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন নিয়ে আলোচনার জন্য বিরোধীদলীয় নেতার দেওয়া প্রস্তাব নিয়ে আগামী মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুই ঘণ্টাব্যাপী আলোচনা হবে। তবে এর আগে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকা নিয়ে সংসদে সরকারি দল ও বিরোধী দলের মধ্যে অনির্ধারিত বিতর্ক হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
ইন্দোবাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস সংগ্রাম পরিষদের টানা দুই দিনের সর্বাত্মক কর্মবিরতির মুখে নতি স্বীকার করেছে প্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষ। আন্দোলনের মুখে চারজন শ্রমিকের ছাঁটাই আদেশ প্রত্যাহারসহ চার দফা দাবি মেনে নিয়েছে মালিকপক্ষ।
৮ ঘণ্টা আগে
লিবিয়ায় বন্দিশালায় (গেমঘর) দালালের নির্যাতনে মাদারীপুরের দুই যুবক নিহত হয়েছেন। সপ্তাহখানেক আগে মৃত্যু হলেও তা পরিবারের কাছে গোপন রাখা হয়।
৮ ঘণ্টা আগে