স্ট্রিম প্রতিবেদক

জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালি বিধি অনুযায়ী, সংসদের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার কিংবা ডেপুটি স্পিকার। নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশনের শুরুতে সাধারণত বিদায়ী সংসদের স্পিকার অথবা ডেপুটি স্পিকার সভাপতিত্ব করেন। তাঁরা নতুন স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন সম্পন্ন করে দায়িত্ব হস্তান্তর করেন। কিন্তু আজ বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ অধিবেশনের শুরুতে এক ব্যতিক্রমী চিত্র দেখা গেছে; যেখানে নতুন স্পিকার নির্বাচনের আগেই একজন ‘সাময়িক সভাপতি’ নির্বাচন করতে হয়েছে।
এর কারণ হলো, বিদায়ী স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার—উভয়ই বর্তমানে সংসদে অনুপস্থিত। দ্বাদশ সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সেপ্টেম্বরে পদত্যাগ করেন। এরপর থেকে তাঁকে আর জনসমক্ষে দেখা যায়নি। অন্যদিকে বিদায়ী ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক (টুকু) একটি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে বর্তমানে কারাগারে আছেন। ফলে নতুন স্পিকার নির্বাচনের সময়টিতে কে সভাপতিত্ব করবেন, তা নিয়ে আইনি ও সাংবিধানিক শূন্যতা তৈরি হয়। এই সংকট মোকাবিলাতেই আজ শুরুতে একজন সভাপতি নির্বাচন করে সংসদ।
যেভাবে সভাপতি নির্বাচিত হলেন খন্দকার মোশাররফ
অধিবেশনের শুরুতে সংসদ সচিবালয়ের সচিব কানিজ মওলা উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে আইনি ব্যাখ্যা দেন। তিনি জানান, সংবিধানের ৭৪(৩) অনুচ্ছেদ এবং সংসদের কার্যপ্রণালি বিধি অনুযায়ী, স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতিতে সদস্যদের মধ্য থেকে একজনকে সভাপতি নির্বাচন করে এই আইনি শূন্যতা পূরণ করা সম্ভব।
এরপর সচিবের অনুরোধে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্পিকার নির্বাচনের প্রক্রিয়া পরিচালনার জন্য জ্যেষ্ঠ সংসদ সদস্য ডক্টর খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নাম সভাপতি হিসেবে প্রস্তাব করেন। বিরোধীদলীয় উপনেতা ও জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের এই প্রস্তাবে সমর্থন জানান। পরে সর্বসম্মতিক্রমে খন্দকার মোশাররফ হোসেন সভাপতি নির্বাচিত হন। এরপর তাঁর সভাপতিত্বেই আজ নতুন স্পিকার হিসেবে মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ এবং ডেপুটি স্পিকার হিসেবে ব্যারিস্টার কায়সার কামালের নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
৫২ বছর আগের সেই নজির
স্বাধীনতার পর দেশের প্রথম আইনসভায় ঠিক একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। সংসদ সচিব কানিজ মওলা আজ অধিবেশনে সেই ঐতিহাসিক নজিরটি তুলে ধরেন। তিনি জানান, ১৯৭৩ সালের ১০ এপ্রিল বাংলাদেশের গণপরিষদের প্রথম বৈঠকেও স্পিকার নির্বাচনের আগে একইভাবে একজন সভাপতি নির্ধারণ করা হয়েছিল। সেবার তৎকালীন পরিষদ নেতার প্রস্তাবে মওলানা আবদুর রশীদ তর্কবাগীশকে সর্বসম্মতিক্রমে সভাপতি নির্বাচন করা হয় এবং তাঁর সভাপতিত্বেই স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হয়েছিলেন। অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় পর আজ আবারও সেই ঐতিহাসিক নজির অনুসরণ করল জাতীয় সংসদ।

জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালি বিধি অনুযায়ী, সংসদের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার কিংবা ডেপুটি স্পিকার। নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশনের শুরুতে সাধারণত বিদায়ী সংসদের স্পিকার অথবা ডেপুটি স্পিকার সভাপতিত্ব করেন। তাঁরা নতুন স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন সম্পন্ন করে দায়িত্ব হস্তান্তর করেন। কিন্তু আজ বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ অধিবেশনের শুরুতে এক ব্যতিক্রমী চিত্র দেখা গেছে; যেখানে নতুন স্পিকার নির্বাচনের আগেই একজন ‘সাময়িক সভাপতি’ নির্বাচন করতে হয়েছে।
এর কারণ হলো, বিদায়ী স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার—উভয়ই বর্তমানে সংসদে অনুপস্থিত। দ্বাদশ সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সেপ্টেম্বরে পদত্যাগ করেন। এরপর থেকে তাঁকে আর জনসমক্ষে দেখা যায়নি। অন্যদিকে বিদায়ী ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক (টুকু) একটি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে বর্তমানে কারাগারে আছেন। ফলে নতুন স্পিকার নির্বাচনের সময়টিতে কে সভাপতিত্ব করবেন, তা নিয়ে আইনি ও সাংবিধানিক শূন্যতা তৈরি হয়। এই সংকট মোকাবিলাতেই আজ শুরুতে একজন সভাপতি নির্বাচন করে সংসদ।
যেভাবে সভাপতি নির্বাচিত হলেন খন্দকার মোশাররফ
অধিবেশনের শুরুতে সংসদ সচিবালয়ের সচিব কানিজ মওলা উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে আইনি ব্যাখ্যা দেন। তিনি জানান, সংবিধানের ৭৪(৩) অনুচ্ছেদ এবং সংসদের কার্যপ্রণালি বিধি অনুযায়ী, স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতিতে সদস্যদের মধ্য থেকে একজনকে সভাপতি নির্বাচন করে এই আইনি শূন্যতা পূরণ করা সম্ভব।
এরপর সচিবের অনুরোধে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্পিকার নির্বাচনের প্রক্রিয়া পরিচালনার জন্য জ্যেষ্ঠ সংসদ সদস্য ডক্টর খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নাম সভাপতি হিসেবে প্রস্তাব করেন। বিরোধীদলীয় উপনেতা ও জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের এই প্রস্তাবে সমর্থন জানান। পরে সর্বসম্মতিক্রমে খন্দকার মোশাররফ হোসেন সভাপতি নির্বাচিত হন। এরপর তাঁর সভাপতিত্বেই আজ নতুন স্পিকার হিসেবে মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ এবং ডেপুটি স্পিকার হিসেবে ব্যারিস্টার কায়সার কামালের নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
৫২ বছর আগের সেই নজির
স্বাধীনতার পর দেশের প্রথম আইনসভায় ঠিক একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। সংসদ সচিব কানিজ মওলা আজ অধিবেশনে সেই ঐতিহাসিক নজিরটি তুলে ধরেন। তিনি জানান, ১৯৭৩ সালের ১০ এপ্রিল বাংলাদেশের গণপরিষদের প্রথম বৈঠকেও স্পিকার নির্বাচনের আগে একইভাবে একজন সভাপতি নির্ধারণ করা হয়েছিল। সেবার তৎকালীন পরিষদ নেতার প্রস্তাবে মওলানা আবদুর রশীদ তর্কবাগীশকে সর্বসম্মতিক্রমে সভাপতি নির্বাচন করা হয় এবং তাঁর সভাপতিত্বেই স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হয়েছিলেন। অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় পর আজ আবারও সেই ঐতিহাসিক নজির অনুসরণ করল জাতীয় সংসদ।

সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেছেন, তাঁর নিজস্ব রাজনৈতিক আদর্শ থাকলেও রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে তা কোনো প্রভাব ফেলবে না।
৭ ঘণ্টা আগে
সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন নিয়ে আলোচনার জন্য বিরোধীদলীয় নেতার দেওয়া প্রস্তাব নিয়ে আগামী মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুই ঘণ্টাব্যাপী আলোচনা হবে। তবে এর আগে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকা নিয়ে সংসদে সরকারি দল ও বিরোধী দলের মধ্যে অনির্ধারিত বিতর্ক হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
ইন্দোবাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস সংগ্রাম পরিষদের টানা দুই দিনের সর্বাত্মক কর্মবিরতির মুখে নতি স্বীকার করেছে প্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষ। আন্দোলনের মুখে চারজন শ্রমিকের ছাঁটাই আদেশ প্রত্যাহারসহ চার দফা দাবি মেনে নিয়েছে মালিকপক্ষ।
৮ ঘণ্টা আগে
লিবিয়ায় বন্দিশালায় (গেমঘর) দালালের নির্যাতনে মাদারীপুরের দুই যুবক নিহত হয়েছেন। সপ্তাহখানেক আগে মৃত্যু হলেও তা পরিবারের কাছে গোপন রাখা হয়।
৮ ঘণ্টা আগে