স্ট্রিম প্রতিবেদক

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে পদত্যাগ করে ডা. তাসনিম জারা ঢাকা-৯ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিলে, তা বাতিল হয়। এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর সংগ্রহের গ্যাঁড়াকলে পড়ে এখন তাঁর নির্বাচনী লড়াই থেকে ছিটকে পড়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
রিটার্নিং কর্মকর্তার এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তাসনিম জারার সামনে আপিলের সুযোগ রয়েছে। সেখানেও মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা না হলে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন থেকে ছিটকে যাবেন তিনি।
মনোনয়নপত্র গ্রহণ না করার পেছনে নির্বাচন কমিশনের যুক্তির সমালোচনা করেছেন তাসনিম জারা। সাংবাদিকদের তিনি জানিয়েছেন, যা দরকার ছিল, তার চেয়ে বেশি স্বাক্ষর তারা জমা দেন। তা থেকে ১০ জনের তথ্যের সত্যতা যাচাই করে রিটার্নিং কর্মকর্তা সত্যতা পেয়েছেন। তবে এই ১০ জনের মধ্যে দুজনের ক্ষেত্রে দেখা গেছে– তারা ঢাকা-৯ আসনের ভোটার নন। অথচ ওই দুজন জানতেন তারা ঢাকা-৯ এর ভোটার।
নির্বাচন কমিশন আইন অনুযায়ী, স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে হলে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার মোট ভোটারের ১ শতাংশের নাম-স্বাক্ষর ও ভোটারের মোবাইল নম্বরের তালিকা মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দিতে হয়। মনোনয়নপত্র জমাদানের শেষ দিনেই তা নিশ্চিত করতে হয়। তবে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থীদের ক্ষেত্রে এই বাধ্যবাধকতা নেই।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ঢাকা মহানগর ও জেলার ২০ আসনে মনোনয়নপত্র জমা পড়ে ২৩৮টি। যাচাই-বাছাই শেষে প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে ৭৪ জনের। বাতিল মনোনয়নপত্রের প্রায় চার ভাগের তিন ভাগই স্বতন্ত্র প্রার্থী। এর আগে সর্বশেষ দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে বাছাইয়ে বাদ পড়ে ৭৩১টি মনোনয়নপত্র, যাদের ৪২৩ জনই ছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী। বেশির ভাগই বাদ পড়েন ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরযুক্ত সমর্থন তালিকায় গরমিলের কারণে।
এমন প্রেক্ষাপটে সামনে আসছে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থন যাচাই-বাছাই কীভাবে হয়? বিষয়টি স্বতন্ত্র প্রার্থী (প্রার্থিতার পক্ষে সমর্থন যাচাই) বিধিমালা, ২০১১-এর ধারা ৪-এ বিস্তারিত বলা হয়েছে। ধারা অনুযায়ী, কোনো স্বতন্ত্র প্রার্থী যদি ১ শতাংশ সমর্থনকারীর পূর্ণাঙ্গ তালিকা দিতে ব্যর্থ হন, তবে তার তালিকা যাচাইয়ের আওতায় আনা হবে না।
তালিকা সঠিকভাবে দাখিল করা হলে নির্বাচন কমিশন কম্পিউটার প্রোগ্রামের মাধ্যমে দৈবচয়ন ভিত্তিতে তার থেকে ১০ সমর্থকের নাম নির্বাচন করা হয়। এই তালিকা নির্বাচন কমিশনের মনোনীত কর্মকর্তার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার দপ্তরে পাঠানো হয়। রিটার্নিং কর্মকর্তা ওই ১০ সমর্থককে আলাদাভাবে ফোন করেন অথবা সরাসরি তাদের ঠিকানায় গিয়ে যাচাই-বাছাই করে প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন।
বিধিমালার ধারা ৫ অনুযায়ী, নির্বাচিত ১০ সমর্থকের মধ্যে একজনকেও যদি কোনোভাবে খুঁজে পাওয়া না যায় বা তথ্য ভুল প্রমাণিত হয়। তবে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল গণ্য করে নির্বাচন কমিশন।
তাসনিম জারার পাশাপাশি এ পদ্ধতির সমালোচনা করেছেন ঢাকা শহরের বিভিন্ন আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। ঢাকা-১৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ইসমাইল হোসেন বলেছেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়াকে অযথা জটিল করে রাখা হয়েছে।
এ ব্যাপারে ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার ও রিটার্নিং কর্মকর্তা শরিফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থীর ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন থেকে আমাদের ১০ সমর্থকের তথ্য পাঠানো হয়। আইন অনুযায়ী, এই ১০ জনের মধ্যে একজনও যাচাইয়ে ব্যর্থ হলে প্রার্থিতা বাতিল করতে হয়।
তিনি বলেন, ঢাকার ১৩টি আসনে যেসব স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে, তাদের প্রত্যেককে যাচাইয়ের জন্য নির্বাচিত ১০ জন সমর্থকের তথ্য সরবরাহ করা হবে। সংশ্লিষ্ট প্রার্থীরা চাইলে এসব তথ্য যাচাই করে নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে পারবেন।
তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়ায় সংক্ষুব্ধ প্রার্থীরা আগামী ৫ থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে পারবেন। ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত আপিল নিষ্পত্তি করবে কমিশন।

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে পদত্যাগ করে ডা. তাসনিম জারা ঢাকা-৯ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিলে, তা বাতিল হয়। এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর সংগ্রহের গ্যাঁড়াকলে পড়ে এখন তাঁর নির্বাচনী লড়াই থেকে ছিটকে পড়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
রিটার্নিং কর্মকর্তার এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তাসনিম জারার সামনে আপিলের সুযোগ রয়েছে। সেখানেও মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা না হলে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন থেকে ছিটকে যাবেন তিনি।
মনোনয়নপত্র গ্রহণ না করার পেছনে নির্বাচন কমিশনের যুক্তির সমালোচনা করেছেন তাসনিম জারা। সাংবাদিকদের তিনি জানিয়েছেন, যা দরকার ছিল, তার চেয়ে বেশি স্বাক্ষর তারা জমা দেন। তা থেকে ১০ জনের তথ্যের সত্যতা যাচাই করে রিটার্নিং কর্মকর্তা সত্যতা পেয়েছেন। তবে এই ১০ জনের মধ্যে দুজনের ক্ষেত্রে দেখা গেছে– তারা ঢাকা-৯ আসনের ভোটার নন। অথচ ওই দুজন জানতেন তারা ঢাকা-৯ এর ভোটার।
নির্বাচন কমিশন আইন অনুযায়ী, স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে হলে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার মোট ভোটারের ১ শতাংশের নাম-স্বাক্ষর ও ভোটারের মোবাইল নম্বরের তালিকা মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দিতে হয়। মনোনয়নপত্র জমাদানের শেষ দিনেই তা নিশ্চিত করতে হয়। তবে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থীদের ক্ষেত্রে এই বাধ্যবাধকতা নেই।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ঢাকা মহানগর ও জেলার ২০ আসনে মনোনয়নপত্র জমা পড়ে ২৩৮টি। যাচাই-বাছাই শেষে প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে ৭৪ জনের। বাতিল মনোনয়নপত্রের প্রায় চার ভাগের তিন ভাগই স্বতন্ত্র প্রার্থী। এর আগে সর্বশেষ দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে বাছাইয়ে বাদ পড়ে ৭৩১টি মনোনয়নপত্র, যাদের ৪২৩ জনই ছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী। বেশির ভাগই বাদ পড়েন ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরযুক্ত সমর্থন তালিকায় গরমিলের কারণে।
এমন প্রেক্ষাপটে সামনে আসছে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থন যাচাই-বাছাই কীভাবে হয়? বিষয়টি স্বতন্ত্র প্রার্থী (প্রার্থিতার পক্ষে সমর্থন যাচাই) বিধিমালা, ২০১১-এর ধারা ৪-এ বিস্তারিত বলা হয়েছে। ধারা অনুযায়ী, কোনো স্বতন্ত্র প্রার্থী যদি ১ শতাংশ সমর্থনকারীর পূর্ণাঙ্গ তালিকা দিতে ব্যর্থ হন, তবে তার তালিকা যাচাইয়ের আওতায় আনা হবে না।
তালিকা সঠিকভাবে দাখিল করা হলে নির্বাচন কমিশন কম্পিউটার প্রোগ্রামের মাধ্যমে দৈবচয়ন ভিত্তিতে তার থেকে ১০ সমর্থকের নাম নির্বাচন করা হয়। এই তালিকা নির্বাচন কমিশনের মনোনীত কর্মকর্তার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার দপ্তরে পাঠানো হয়। রিটার্নিং কর্মকর্তা ওই ১০ সমর্থককে আলাদাভাবে ফোন করেন অথবা সরাসরি তাদের ঠিকানায় গিয়ে যাচাই-বাছাই করে প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন।
বিধিমালার ধারা ৫ অনুযায়ী, নির্বাচিত ১০ সমর্থকের মধ্যে একজনকেও যদি কোনোভাবে খুঁজে পাওয়া না যায় বা তথ্য ভুল প্রমাণিত হয়। তবে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল গণ্য করে নির্বাচন কমিশন।
তাসনিম জারার পাশাপাশি এ পদ্ধতির সমালোচনা করেছেন ঢাকা শহরের বিভিন্ন আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। ঢাকা-১৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ইসমাইল হোসেন বলেছেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়াকে অযথা জটিল করে রাখা হয়েছে।
এ ব্যাপারে ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার ও রিটার্নিং কর্মকর্তা শরিফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থীর ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন থেকে আমাদের ১০ সমর্থকের তথ্য পাঠানো হয়। আইন অনুযায়ী, এই ১০ জনের মধ্যে একজনও যাচাইয়ে ব্যর্থ হলে প্রার্থিতা বাতিল করতে হয়।
তিনি বলেন, ঢাকার ১৩টি আসনে যেসব স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে, তাদের প্রত্যেককে যাচাইয়ের জন্য নির্বাচিত ১০ জন সমর্থকের তথ্য সরবরাহ করা হবে। সংশ্লিষ্ট প্রার্থীরা চাইলে এসব তথ্য যাচাই করে নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে পারবেন।
তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়ায় সংক্ষুব্ধ প্রার্থীরা আগামী ৫ থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে পারবেন। ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত আপিল নিষ্পত্তি করবে কমিশন।

সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেছেন, তাঁর নিজস্ব রাজনৈতিক আদর্শ থাকলেও রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে তা কোনো প্রভাব ফেলবে না।
১০ ঘণ্টা আগে
সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন নিয়ে আলোচনার জন্য বিরোধীদলীয় নেতার দেওয়া প্রস্তাব নিয়ে আগামী মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুই ঘণ্টাব্যাপী আলোচনা হবে। তবে এর আগে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকা নিয়ে সংসদে সরকারি দল ও বিরোধী দলের মধ্যে অনির্ধারিত বিতর্ক হয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
ইন্দোবাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস সংগ্রাম পরিষদের টানা দুই দিনের সর্বাত্মক কর্মবিরতির মুখে নতি স্বীকার করেছে প্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষ। আন্দোলনের মুখে চারজন শ্রমিকের ছাঁটাই আদেশ প্রত্যাহারসহ চার দফা দাবি মেনে নিয়েছে মালিকপক্ষ।
১১ ঘণ্টা আগে
লিবিয়ায় বন্দিশালায় (গেমঘর) দালালের নির্যাতনে মাদারীপুরের দুই যুবক নিহত হয়েছেন। সপ্তাহখানেক আগে মৃত্যু হলেও তা পরিবারের কাছে গোপন রাখা হয়।
১১ ঘণ্টা আগে