সংসদ ভবনের সামনে বিক্ষোভে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন দাবি

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৫: ৩২
সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের দাবিতে জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ। স্ট্রিম ছবি

জুলাই সনদের সংস্কার প্রস্তাব অবিলম্বে বাস্তবায়নে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ হয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন ফের শুরুর দিন রোববার (২৯ মার্চ) এই আয়োজন করে ‘গণভোট বাস্তবায়ন নাগরিক ফোরাম’।

দুপুর ১২টায় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা সংলগ্ন মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে এই কর্মসূচি শুরু হয়। দুপুর ২টা পর্যন্ত চলার কথা থাকলেও শেষপর্যন্ত দেড়টার দিকে তারা স্থান ছেড়ে দেন।

এই কর্মসূচির মূল উদ্যোক্তাদের মধ্যে রয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। কর্মসূচিতে ছিলেন এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব আকরাম হোসাইন ও ফয়সাল মাহমুদ শান্তসহ অনেকে। কর্মসূচিতে এনসিপি ছাড়াও অংশ নেন সুশীল সমাজের ব্যক্তিত্বরা। তাদের হাতে ছিল ‘জুলাই আমার রক্তে কেনা, মানবো না আর টালবাহানা’, ‘জুলাই সনদ মানে না যারা, জাতীয় বেঈমান তারা’– স্লোগানসংবলিত প্ল্যাকার্ড।

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশের মানুষ একটি সুন্দর নির্বাচন ও গণভোট উপহার পেয়েছে। তবে বর্তমান সরকার গণভোটের রায়কে উপেক্ষা করছে। তাদের দাবি, গণভোটের মাধ্যমে জনগণ সংস্কারের পক্ষে যে রায় দিয়েছে, তা বাস্তবায়নে দ্রুত সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করতে হবে।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া জুলাইযোদ্ধা দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের রাশিদা আলী বলেন, ‘আমরা টাকা চাই না। আমরা সনদ ও স্বীকৃতি চাই। আমি ১৯৭১ সালের বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান। জুলাই যুদ্ধে মাথায় ও পায়ে আঘাত পেয়েছি, এখনও সারেনি। আমরা চাই জুলাই যোদ্ধাদের যথাযথ মর্যাদা দেওয়া হোক এবং ভুয়াদের যাচাই-বাছাই করে বাদ দেওয়া হোক।’

ক্ষমতাসীন দলের সমালোচনা করে এক তরুণী বলেন, বিএনপি সরকার জনগণের রায় ও গণভোটকে অস্বীকার করছে। অথচ সালাউদ্দিন আহমেদ (স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিজেই বলেছিলেন, গণভোটের রায় পরবর্তী সংসদ মানতে বাধ্য থাকবে। এখন ক্ষমতায় বসার পর কেন তারা এই পরিষদ গঠনে টালবাহানা করছে? নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আপনারা সময় পেয়েছেন, এখন আর চিন্তাভাবনা করার সময় নেই, এখন রায় দেওয়ার সময়।

সম্পর্কিত