স্ট্রিম সংবাদদাতা

ঈদের ছুটি শেষে কর্মস্থলে যোগ দিতে ভোলার ইলিশা লঞ্চঘাটে জনস্রোত নেমেছে। তবে ঘাটে এসে নৌযান সংকটে চরম ভোগান্তীতে পড়ছেন এসব কর্মজীবী মানুষ। স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে লঞ্চের অপেক্ষায় ঘাটে ৪ থেকে ৫ ঘণ্টা অপেক্ষা করেও লঞ্চ না পেয়ে জীবনের ঝুঁকি ও অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে ছোট ছোট ট্রলার-স্পিডবোটে উত্তাল মেঘনা পড়ি দিচ্ছেন তারা। এতে করে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করা হচ্ছে। ঈদ উপলক্ষে ভোলা-লক্ষ্মীপুর রুটে নৌযান না বাড়ানোয় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন যাত্রীরা।
সরেজমিনে আজ শনিবার (২৮মার্চ) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ভোলা সদর উপজেলার ইলিশা লঞ্চঘাটে গিয়ে দেখা গেছে, সূর্য ওঠার আগেই ঘাটে এসে অবস্থান করছেন কর্মস্থলে ফেলা হাজার হাজার যাত্রী। এসব যাত্রীরা ভোলা থেকে লক্ষ্মীপুর হয়ে চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন জেলায় যাবেন। তবে ঘাটে পর্যাপ্ত নৌযান না থাকায় তারা চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা অপেক্ষা করেও রওনা দিতে পারছেন না। কর্মস্থলে ফেরা মানুষের চাপে পন্টুনেও দাঁড়ানোর যায়গা নেই। নৌযান সংকটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করে বাধ্য হয়েই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অবৈধ ছোট ছোট নৌযান ও স্পিডবোটে বাড়তি ভাড়া দিয়ে উত্তাল মেঘনা পাড়ি দিচ্ছেন অনেকেই।
চট্টগ্রামের উদ্দেশে যাওয়ার জন্য ঘাটে আসা গার্মেন্টসকর্মী হোসনেআরা বেগম জানান, ঈদে ছুটি কাটিয়ে বাড়ি থেকে পরিবার নিয়ে চট্টগ্রাম যাওয়ার উদ্দেশে ভোর ৬টার দিকে ইলিশা ঘাটে এসেছেন। ঘাটে এসে প্রায় চার ঘণ্টা অপেক্ষা করেও কোনো লঞ্চে উঠতে পারেননি। এখন কিভাবে যাবেন সেটিও জানেন না।
ঘাটে অপেক্ষমাণ আসিফ, রুমি, মহিউদ্দিন ও আলাউদ্দিনসহ ১০ থেকে ১২ জন যাত্রীর সঙ্গে কথা হয় এই প্রতিবেদকের। তারা জানান, ছুটি শেষে কর্মস্থলে যাওয়ার জন্য সকালে লঞ্চঘাটে এসেছেন। তারা সবাই চট্টগ্রামের বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। সকাল থেকে তিন থেকে চার ঘণ্টা অপেক্ষা করেও কোনো লঞ্চে উঠতে পারেননি। ঘাটে কয়েক হাজার যাত্রী থাকলেও পর্যপ্ত লঞ্চ না থাকায় যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়েছেন। তাই বাধ্য হয়ে অনেকে কয়েকগুণ ভাড়া বেশি দিয়ে স্পিডবোট ও ছোট ছোট ট্রলারে করে মেঘনা নদীতে পাড়ি দিচ্ছেন।

মো. সালাউদ্দিন নামের এক যাত্রী জানান, ভোলা-লক্ষ্মীপুর রুটে মাত্র চারটি সি-ট্রাক ও দুটি লঞ্চ রয়েছে। কিন্তু ঘাটে অনেক যাত্রী। যাত্রীর তুলনায় লঞ্চ কম থাকায় যাত্রীরা বাধ্য হয়ে অবৈধ ট্রলার ও স্পিডবোটে যাতায়াত করতে হচ্ছে। এ সুযোগে ট্রলার ও স্পিডবোট চালকরা যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছেন।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, অন্যান্য সময় যে স্পিডবোটে জনপ্রতি ভাড়া ছিল ৩০০ টাকা সেই ভাড়াই এখন ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা পর্যন্ত নেয়া হচ্ছে। অপরদিকে দেড়শো টাকার ট্রলারে ভাড়া গুণতে হচ্ছে আড়াইশো থেকে ৩০০ টাকা। এতে করে একদিকে যেমন ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে অন্যদিকে বাধ্য হয়েই অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এসব নৌযানে মেঘনা নদী পাড়ি দিচ্ছেন তারা।
বাংলাদেশ অভ্যান্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) ইলিশা ঘাটের ব্যবস্থাপক মো. কাওছার হোসেন জানান, ভোলা-লক্ষ্মীপুর রুটে চারটি সি-ট্রাক ও দুটি লঞ্চ যাতায়াত করছে। মেঘনা নদীর এই রুটটি ‘ডেঞ্জার জোনে’র আওতায় থাকায় এ রুটে সিসার্ভে ছাড়া অন্য কোনো নৌযান চলাচল নিষিদ্ধ। তাই এই ছয়টি নৌযানই এখন যাত্রীদের জন্য ভরসা। ঈদের ছুটি শেষে শনিবার সকাল থেকেই হঠাৎ করে এ রুটের যাত্রীর চাপ বেড়ে যায়। এতে করে ঘাটে মানুষের ভিড় দেখা দিয়েছে। মানুষের দুভোর্গ লাগবে সি-ট্রাকগুলোকে ট্রিপ বাড়িয়ে দিতে বলা হয়েছে।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) ভোলা নৌবন্দরের সহকারী পরিচালক নির্মল কান্তি জানান, ঘাটে কর্মস্থলে ফেরা মানুষের ব্যাপক চাপ রয়েছে। এ চাপ সামাল দেওয়ার জন্য এ রুটে যে নৌযানগুলো আছে, সেগুলো দিয়েই পারাপারের চেষ্টা করা হচ্ছে।

ঈদের ছুটি শেষে কর্মস্থলে যোগ দিতে ভোলার ইলিশা লঞ্চঘাটে জনস্রোত নেমেছে। তবে ঘাটে এসে নৌযান সংকটে চরম ভোগান্তীতে পড়ছেন এসব কর্মজীবী মানুষ। স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে লঞ্চের অপেক্ষায় ঘাটে ৪ থেকে ৫ ঘণ্টা অপেক্ষা করেও লঞ্চ না পেয়ে জীবনের ঝুঁকি ও অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে ছোট ছোট ট্রলার-স্পিডবোটে উত্তাল মেঘনা পড়ি দিচ্ছেন তারা। এতে করে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করা হচ্ছে। ঈদ উপলক্ষে ভোলা-লক্ষ্মীপুর রুটে নৌযান না বাড়ানোয় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন যাত্রীরা।
সরেজমিনে আজ শনিবার (২৮মার্চ) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ভোলা সদর উপজেলার ইলিশা লঞ্চঘাটে গিয়ে দেখা গেছে, সূর্য ওঠার আগেই ঘাটে এসে অবস্থান করছেন কর্মস্থলে ফেলা হাজার হাজার যাত্রী। এসব যাত্রীরা ভোলা থেকে লক্ষ্মীপুর হয়ে চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন জেলায় যাবেন। তবে ঘাটে পর্যাপ্ত নৌযান না থাকায় তারা চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা অপেক্ষা করেও রওনা দিতে পারছেন না। কর্মস্থলে ফেরা মানুষের চাপে পন্টুনেও দাঁড়ানোর যায়গা নেই। নৌযান সংকটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করে বাধ্য হয়েই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অবৈধ ছোট ছোট নৌযান ও স্পিডবোটে বাড়তি ভাড়া দিয়ে উত্তাল মেঘনা পাড়ি দিচ্ছেন অনেকেই।
চট্টগ্রামের উদ্দেশে যাওয়ার জন্য ঘাটে আসা গার্মেন্টসকর্মী হোসনেআরা বেগম জানান, ঈদে ছুটি কাটিয়ে বাড়ি থেকে পরিবার নিয়ে চট্টগ্রাম যাওয়ার উদ্দেশে ভোর ৬টার দিকে ইলিশা ঘাটে এসেছেন। ঘাটে এসে প্রায় চার ঘণ্টা অপেক্ষা করেও কোনো লঞ্চে উঠতে পারেননি। এখন কিভাবে যাবেন সেটিও জানেন না।
ঘাটে অপেক্ষমাণ আসিফ, রুমি, মহিউদ্দিন ও আলাউদ্দিনসহ ১০ থেকে ১২ জন যাত্রীর সঙ্গে কথা হয় এই প্রতিবেদকের। তারা জানান, ছুটি শেষে কর্মস্থলে যাওয়ার জন্য সকালে লঞ্চঘাটে এসেছেন। তারা সবাই চট্টগ্রামের বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। সকাল থেকে তিন থেকে চার ঘণ্টা অপেক্ষা করেও কোনো লঞ্চে উঠতে পারেননি। ঘাটে কয়েক হাজার যাত্রী থাকলেও পর্যপ্ত লঞ্চ না থাকায় যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়েছেন। তাই বাধ্য হয়ে অনেকে কয়েকগুণ ভাড়া বেশি দিয়ে স্পিডবোট ও ছোট ছোট ট্রলারে করে মেঘনা নদীতে পাড়ি দিচ্ছেন।

মো. সালাউদ্দিন নামের এক যাত্রী জানান, ভোলা-লক্ষ্মীপুর রুটে মাত্র চারটি সি-ট্রাক ও দুটি লঞ্চ রয়েছে। কিন্তু ঘাটে অনেক যাত্রী। যাত্রীর তুলনায় লঞ্চ কম থাকায় যাত্রীরা বাধ্য হয়ে অবৈধ ট্রলার ও স্পিডবোটে যাতায়াত করতে হচ্ছে। এ সুযোগে ট্রলার ও স্পিডবোট চালকরা যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছেন।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, অন্যান্য সময় যে স্পিডবোটে জনপ্রতি ভাড়া ছিল ৩০০ টাকা সেই ভাড়াই এখন ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা পর্যন্ত নেয়া হচ্ছে। অপরদিকে দেড়শো টাকার ট্রলারে ভাড়া গুণতে হচ্ছে আড়াইশো থেকে ৩০০ টাকা। এতে করে একদিকে যেমন ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে অন্যদিকে বাধ্য হয়েই অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এসব নৌযানে মেঘনা নদী পাড়ি দিচ্ছেন তারা।
বাংলাদেশ অভ্যান্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) ইলিশা ঘাটের ব্যবস্থাপক মো. কাওছার হোসেন জানান, ভোলা-লক্ষ্মীপুর রুটে চারটি সি-ট্রাক ও দুটি লঞ্চ যাতায়াত করছে। মেঘনা নদীর এই রুটটি ‘ডেঞ্জার জোনে’র আওতায় থাকায় এ রুটে সিসার্ভে ছাড়া অন্য কোনো নৌযান চলাচল নিষিদ্ধ। তাই এই ছয়টি নৌযানই এখন যাত্রীদের জন্য ভরসা। ঈদের ছুটি শেষে শনিবার সকাল থেকেই হঠাৎ করে এ রুটের যাত্রীর চাপ বেড়ে যায়। এতে করে ঘাটে মানুষের ভিড় দেখা দিয়েছে। মানুষের দুভোর্গ লাগবে সি-ট্রাকগুলোকে ট্রিপ বাড়িয়ে দিতে বলা হয়েছে।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) ভোলা নৌবন্দরের সহকারী পরিচালক নির্মল কান্তি জানান, ঘাটে কর্মস্থলে ফেরা মানুষের ব্যাপক চাপ রয়েছে। এ চাপ সামাল দেওয়ার জন্য এ রুটে যে নৌযানগুলো আছে, সেগুলো দিয়েই পারাপারের চেষ্টা করা হচ্ছে।

সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেছেন, তাঁর নিজস্ব রাজনৈতিক আদর্শ থাকলেও রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে তা কোনো প্রভাব ফেলবে না।
৭ ঘণ্টা আগে
সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন নিয়ে আলোচনার জন্য বিরোধীদলীয় নেতার দেওয়া প্রস্তাব নিয়ে আগামী মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুই ঘণ্টাব্যাপী আলোচনা হবে। তবে এর আগে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকা নিয়ে সংসদে সরকারি দল ও বিরোধী দলের মধ্যে অনির্ধারিত বিতর্ক হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
ইন্দোবাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস সংগ্রাম পরিষদের টানা দুই দিনের সর্বাত্মক কর্মবিরতির মুখে নতি স্বীকার করেছে প্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষ। আন্দোলনের মুখে চারজন শ্রমিকের ছাঁটাই আদেশ প্রত্যাহারসহ চার দফা দাবি মেনে নিয়েছে মালিকপক্ষ।
৮ ঘণ্টা আগে
লিবিয়ায় বন্দিশালায় (গেমঘর) দালালের নির্যাতনে মাদারীপুরের দুই যুবক নিহত হয়েছেন। সপ্তাহখানেক আগে মৃত্যু হলেও তা পরিবারের কাছে গোপন রাখা হয়।
৮ ঘণ্টা আগে