আবদুল্লাহ কাফি

ঈদে জমে উঠেছে টুপি-আতরের কেনাকাটা। রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মসজিদ মার্কেট, গুলিস্তান, কাঁটাবন মসজিদ মার্কেট, কাকরাইল মসজিদ মার্কেটসহ ফুটপাতের টুপি-আতরের দোকানে বেড়েছে ভিড়। দেশি টুপির পাশাপাশি হাতে বোনা রঙ-বেরঙের বিদেশি টুপি পছন্দের শীর্ষে রয়েছে। সেইসঙ্গে আছে মৃদু সৌরভের আতর।
ঢাকায় আতর-টুপির সবচেয়ে বেশি দোকান বায়তুল মোকাররম মসজিদ মার্কেটের নিচতলায়। ঈদুল ফিতর ঘিরে দোকানিরা হরেক রকম পণ্য তুলেছেন। মার্কেট ঘুরে দেখা যায়, কেউ পাঞ্জাবির সঙ্গে মিলিয়ে কিনছেন টুপি। কেউ পরখ করছেন আতরের ঘ্রাণ। কেউ আবার জায়নামাজের দর জানতে চাচ্ছেন।
শুক্রবার রাজধানীর বাসাবো থেকে বাইতুল মোকাররমে এসেছেন আফজালুল হাসান। জাতীয় মসজিদে জুমার নামাজ শেষে ঢুকেছেন মসজিদ মার্কেটে। ছেলের জন্য কিনবেন টুপি, পাঞ্জাবি আর জুব্বা। হরেক রকমের দেশি-বিদেশি টুপির মধ্যে একটি পছন্দ করলেন ছেলে শোয়েবুল হাসান।
আফজালুল হাসান স্ট্রিমকে বলেন, ‘বায়তুল মোকাররমে ভালো মানের টুপি, জায়নামাজ, পাঞ্জাবি-পায়জামা, জুব্বা পাওয়া যায়। মানে ভালো কিন্তু দামে কম। সেইসঙ্গে সব ডিজাইনও পাওয়া যায়। তাই ঈদ ছাড়াও এখানে আসি। আজ ছেলেকে নিয়ে এসেছি। একসময় আমার বাবার সঙ্গে আসতাম।’
মোহাম্মদ মাহবুব হাসান নামে আরেক ক্রেতা বলেন, ‘বায়তুল মোকাররমে কম দামে অথেনটিক জিনিস পাওয়া যায়। ঘুরে দেখলাম, দু-একটা দোকান বাদে সবাই ন্যায্যমূল্য চাচ্ছে। আর ঈদের সময় কিছু প্রিমিয়াম কোয়ালিটির পণ্য আসে। যেটা অন্য সময় পাওয়া যায় না। এগুলা নিতেই ঈদের আগে এখানে আসি।’
রকমারি টুপি
বায়তুল মোকাররম মসজিদ মার্কেটে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন রকম টুপি পাওয়া যায়। এর মধ্যে রয়েছে রুমি (মিসরি), পাথর বাঁধাই সিন্ধি টুপি, জিন্নাহ টুপিসহ তুরস্ক, ভারত, সৌদি আরব, কাতার, মালয়েশিয়া থেকে আমদানি করা টুপি।
এসব টুপির দামও ভিন্ন ভিন্ন। মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে, পুঁতির সঙ্গে সোনালি জরি বসানো টুপি বিক্রি হচ্ছে ৫০০ থেকে ২ হাজার টাকায়। ৫০ টাকা থেকে শুরু করে বিভিন্ন দামে বিক্রি হচ্ছে সুতির টুপি। ২ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে আমদানি রুমি, পাথর বাঁধাই সিন্ধি টুপি ও জিন্নাহ টুপি। এ ছাড়া চীনা ও পাকিস্তানি টুপি পাওয়া যাচ্ছে।

এ ছাড়া আমদানি টুপিগুলো ১০০ থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি হচ্ছে। চীনা ও পাকিস্তানি টুপি পাওয়া যাচ্ছে ২৫০ টাকা থেকে ২ হাজার টাকায়। অনেক দোকানে পাওয়া যাচ্ছে ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা দামের টুপি।
জুনায়েদ ক্যাপ হাউজের বিক্রেতা মোহাম্মদ ইব্রাহিম স্ট্রিমকে বলেন, ‘ঈদের সময় সবাই নতুন পাঞ্জাবি, টুপি, আতর কিনতে চান। তাই অন্যান্য সময়ের তুলনায় বেচাকেনা ভালো চলছে। আমার দোকানে বিভিন্ন রকমের টুপি আছে। বর্তমানে নিত্য নতুন স্টাইলের টুপি বেশি চলছে। এরমধ্যে হাতের কাজ করা সুতি, পাকিস্তানি এবং সাধারণত জালি টুপিগুলো বেশি বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া হজ এবং ওমরা করতে যাওয়ার আগেও অনেকে এই মার্কেটে আসের জায়নামাজ, টুপি, আতর, তসবিহর জন্য।’
আতরের সুবাস
আতরের মধ্যে রয়েছে হোয়াইট, এলিটো, কোরাইশি, সুরগতি, ওধ, চকলেট মাক্স সুলতান, আমির আল কুয়াদিরাজা ওপেন, জান্নাতুল ফেরদৌস, রয়েল, ওরেঞ্জ, সফট, লর্ডনিভিয়া মেন, রয়েল ম্যাবরেজজপি ও রাসা। এ ছাড়া ফিগো, হ্যাভোক, সিকোওয়ান, ইস্কেফ, গোল্ডেন সেন্ট নামেও আতর বিক্রি হচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, কেনার আগে বিভিন্ন রকম আতর দেখছেন ক্রেতারা। কেনার সময় হাতের পৃষ্ঠে লাগিয়ে সুগন্ধ যাচাই করছেন। এবার হোয়াইট ও ওধের ৩ মিলি লিটারের শিশি পাওয়া যাচ্ছে ১৫০ টাকায়। সুরগতি ১০০ টাকায়, এলিটো ৯৫০। এ ছাড়াও কোরাইশি ৩ মিলি লিটারের শিশির দাম ৯৫০ টাকা।
নিজের নামের দোকানের স্বত্বাধিকারী সুলতান কবিরাজ স্ট্রিমকে বলেন, ‘বিদেশি অরিজিনাল সব আতর বিক্রি করি আমি। এর মধ্যে আমির আল উদ, এসাসিয়াল এরাবিয়া, আলপে জহুরা, ইরানি গোলাপ, ভ্যাম্পায়ার ব্লাড, মাসকে রাজালি তরুণরা বেশি পছন্দ করে। আর মুরুব্বিরা সাধারণত মেশক আম্বর, জান্নাতুল ফেরদাউস, দরবার কস্তুরী কেনেন। এ ছাড়া অনেকে আসেন শখের আতর কিনতে। আমরা সেগুলো সর্বনিম্ন ১০০ টাকা মূল্যে বিক্রি করি।’
তিনি আরও বলেন, ‘রোজার শুরু থেকে আতর-টুপির বেচাকেনা টুকটাক চলছিল। গত শুক্রবার থেকে বিক্রি বেড়েছে। তবে, আজকের পর থেকে চাঁদরাত পর্যন্ত বেচাকেনা আরও ভালো যাবে বলে আশা করছি।’

ঈদে জমে উঠেছে টুপি-আতরের কেনাকাটা। রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মসজিদ মার্কেট, গুলিস্তান, কাঁটাবন মসজিদ মার্কেট, কাকরাইল মসজিদ মার্কেটসহ ফুটপাতের টুপি-আতরের দোকানে বেড়েছে ভিড়। দেশি টুপির পাশাপাশি হাতে বোনা রঙ-বেরঙের বিদেশি টুপি পছন্দের শীর্ষে রয়েছে। সেইসঙ্গে আছে মৃদু সৌরভের আতর।
ঢাকায় আতর-টুপির সবচেয়ে বেশি দোকান বায়তুল মোকাররম মসজিদ মার্কেটের নিচতলায়। ঈদুল ফিতর ঘিরে দোকানিরা হরেক রকম পণ্য তুলেছেন। মার্কেট ঘুরে দেখা যায়, কেউ পাঞ্জাবির সঙ্গে মিলিয়ে কিনছেন টুপি। কেউ পরখ করছেন আতরের ঘ্রাণ। কেউ আবার জায়নামাজের দর জানতে চাচ্ছেন।
শুক্রবার রাজধানীর বাসাবো থেকে বাইতুল মোকাররমে এসেছেন আফজালুল হাসান। জাতীয় মসজিদে জুমার নামাজ শেষে ঢুকেছেন মসজিদ মার্কেটে। ছেলের জন্য কিনবেন টুপি, পাঞ্জাবি আর জুব্বা। হরেক রকমের দেশি-বিদেশি টুপির মধ্যে একটি পছন্দ করলেন ছেলে শোয়েবুল হাসান।
আফজালুল হাসান স্ট্রিমকে বলেন, ‘বায়তুল মোকাররমে ভালো মানের টুপি, জায়নামাজ, পাঞ্জাবি-পায়জামা, জুব্বা পাওয়া যায়। মানে ভালো কিন্তু দামে কম। সেইসঙ্গে সব ডিজাইনও পাওয়া যায়। তাই ঈদ ছাড়াও এখানে আসি। আজ ছেলেকে নিয়ে এসেছি। একসময় আমার বাবার সঙ্গে আসতাম।’
মোহাম্মদ মাহবুব হাসান নামে আরেক ক্রেতা বলেন, ‘বায়তুল মোকাররমে কম দামে অথেনটিক জিনিস পাওয়া যায়। ঘুরে দেখলাম, দু-একটা দোকান বাদে সবাই ন্যায্যমূল্য চাচ্ছে। আর ঈদের সময় কিছু প্রিমিয়াম কোয়ালিটির পণ্য আসে। যেটা অন্য সময় পাওয়া যায় না। এগুলা নিতেই ঈদের আগে এখানে আসি।’
রকমারি টুপি
বায়তুল মোকাররম মসজিদ মার্কেটে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন রকম টুপি পাওয়া যায়। এর মধ্যে রয়েছে রুমি (মিসরি), পাথর বাঁধাই সিন্ধি টুপি, জিন্নাহ টুপিসহ তুরস্ক, ভারত, সৌদি আরব, কাতার, মালয়েশিয়া থেকে আমদানি করা টুপি।
এসব টুপির দামও ভিন্ন ভিন্ন। মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে, পুঁতির সঙ্গে সোনালি জরি বসানো টুপি বিক্রি হচ্ছে ৫০০ থেকে ২ হাজার টাকায়। ৫০ টাকা থেকে শুরু করে বিভিন্ন দামে বিক্রি হচ্ছে সুতির টুপি। ২ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে আমদানি রুমি, পাথর বাঁধাই সিন্ধি টুপি ও জিন্নাহ টুপি। এ ছাড়া চীনা ও পাকিস্তানি টুপি পাওয়া যাচ্ছে।

এ ছাড়া আমদানি টুপিগুলো ১০০ থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি হচ্ছে। চীনা ও পাকিস্তানি টুপি পাওয়া যাচ্ছে ২৫০ টাকা থেকে ২ হাজার টাকায়। অনেক দোকানে পাওয়া যাচ্ছে ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা দামের টুপি।
জুনায়েদ ক্যাপ হাউজের বিক্রেতা মোহাম্মদ ইব্রাহিম স্ট্রিমকে বলেন, ‘ঈদের সময় সবাই নতুন পাঞ্জাবি, টুপি, আতর কিনতে চান। তাই অন্যান্য সময়ের তুলনায় বেচাকেনা ভালো চলছে। আমার দোকানে বিভিন্ন রকমের টুপি আছে। বর্তমানে নিত্য নতুন স্টাইলের টুপি বেশি চলছে। এরমধ্যে হাতের কাজ করা সুতি, পাকিস্তানি এবং সাধারণত জালি টুপিগুলো বেশি বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া হজ এবং ওমরা করতে যাওয়ার আগেও অনেকে এই মার্কেটে আসের জায়নামাজ, টুপি, আতর, তসবিহর জন্য।’
আতরের সুবাস
আতরের মধ্যে রয়েছে হোয়াইট, এলিটো, কোরাইশি, সুরগতি, ওধ, চকলেট মাক্স সুলতান, আমির আল কুয়াদিরাজা ওপেন, জান্নাতুল ফেরদৌস, রয়েল, ওরেঞ্জ, সফট, লর্ডনিভিয়া মেন, রয়েল ম্যাবরেজজপি ও রাসা। এ ছাড়া ফিগো, হ্যাভোক, সিকোওয়ান, ইস্কেফ, গোল্ডেন সেন্ট নামেও আতর বিক্রি হচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, কেনার আগে বিভিন্ন রকম আতর দেখছেন ক্রেতারা। কেনার সময় হাতের পৃষ্ঠে লাগিয়ে সুগন্ধ যাচাই করছেন। এবার হোয়াইট ও ওধের ৩ মিলি লিটারের শিশি পাওয়া যাচ্ছে ১৫০ টাকায়। সুরগতি ১০০ টাকায়, এলিটো ৯৫০। এ ছাড়াও কোরাইশি ৩ মিলি লিটারের শিশির দাম ৯৫০ টাকা।
নিজের নামের দোকানের স্বত্বাধিকারী সুলতান কবিরাজ স্ট্রিমকে বলেন, ‘বিদেশি অরিজিনাল সব আতর বিক্রি করি আমি। এর মধ্যে আমির আল উদ, এসাসিয়াল এরাবিয়া, আলপে জহুরা, ইরানি গোলাপ, ভ্যাম্পায়ার ব্লাড, মাসকে রাজালি তরুণরা বেশি পছন্দ করে। আর মুরুব্বিরা সাধারণত মেশক আম্বর, জান্নাতুল ফেরদাউস, দরবার কস্তুরী কেনেন। এ ছাড়া অনেকে আসেন শখের আতর কিনতে। আমরা সেগুলো সর্বনিম্ন ১০০ টাকা মূল্যে বিক্রি করি।’
তিনি আরও বলেন, ‘রোজার শুরু থেকে আতর-টুপির বেচাকেনা টুকটাক চলছিল। গত শুক্রবার থেকে বিক্রি বেড়েছে। তবে, আজকের পর থেকে চাঁদরাত পর্যন্ত বেচাকেনা আরও ভালো যাবে বলে আশা করছি।’

সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেছেন, তাঁর নিজস্ব রাজনৈতিক আদর্শ থাকলেও রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে তা কোনো প্রভাব ফেলবে না।
৭ ঘণ্টা আগে
সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন নিয়ে আলোচনার জন্য বিরোধীদলীয় নেতার দেওয়া প্রস্তাব নিয়ে আগামী মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুই ঘণ্টাব্যাপী আলোচনা হবে। তবে এর আগে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকা নিয়ে সংসদে সরকারি দল ও বিরোধী দলের মধ্যে অনির্ধারিত বিতর্ক হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
ইন্দোবাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস সংগ্রাম পরিষদের টানা দুই দিনের সর্বাত্মক কর্মবিরতির মুখে নতি স্বীকার করেছে প্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষ। আন্দোলনের মুখে চারজন শ্রমিকের ছাঁটাই আদেশ প্রত্যাহারসহ চার দফা দাবি মেনে নিয়েছে মালিকপক্ষ।
৮ ঘণ্টা আগে
লিবিয়ায় বন্দিশালায় (গেমঘর) দালালের নির্যাতনে মাদারীপুরের দুই যুবক নিহত হয়েছেন। সপ্তাহখানেক আগে মৃত্যু হলেও তা পরিবারের কাছে গোপন রাখা হয়।
৮ ঘণ্টা আগে