স্ট্রিম প্রতিবেদক

দেশের নারীপ্রধান পরিবারগুলোর জন্য পরীক্ষামূলকভাবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘বিএনপি নির্বাচনের আগে মানুষের কাছে ফ্যামিলি কার্ডের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে এই প্রতিশ্রুতির কাজ শুরু করেছি।’ প্রতিশ্রুত ‘কৃষক কার্ডের’ কাজও শুরু হয়েছে বলে বক্তব্যে উল্লেখ করেন তিনি।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বেলা ১১টায় রাজধানীর বনানীর টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে (কড়াইল বস্তি-সংলগ্ন) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১৭ পরিবারের নারী প্রধানের হাতে ফ্যামিলি কার্ডের রেপ্লিকা তুলে দেওয়ার মাধ্যমে কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি কার্ডের মাধ্যমে মাসিক ২ হাজার ৫০০ টাকা ভাতা পাবেন কার্ডধারীরা। দেশের ১৩টি জেলার ১৫টি ওয়ার্ডে ফ্যামিলি কার্ডের পাইলটিং এ কর্মসূচি শুরু হচ্ছে।
উদ্বোধনকালে কৃষক কার্ডের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘আজকের এই অনুষ্ঠানে আমরা যেভাবে ৩৭ হাজার নারীর কাছে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দিতে সক্ষম হয়েছি, একইভাবে আগামী মাসের মধ্যে কৃষক ভাইদের কাছেও কৃষক কার্ড তুলে দিতে সক্ষম হব, ইনশাআল্লাহ’।
এসময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এভাবে একে একে জনগণের কাছে দেওয়া আমাদের প্রতিশ্রুতিগুলো পূরণের মাধ্যমে জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে। একটি সরকারের প্রতিশ্রুতি পূরণের মাধ্যমে দেশের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে, সেই প্রতিশ্রুতিগুলো আমরা ধীরে ধীরে যেকোনো মূল্যে পূরণের চেষ্টা করব’।
ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরুর এ দিনটিকে ব্যক্তিগতভাবে নিজের জন্য ‘ইমোশনাল দিন’ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কারণ এখানে কিছু মানুষ উপস্থিত আছেন, যাদের সঙ্গে বিগত অনেকগুলো বছর ধরে পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি যে কীভাবে যখন সময় পাব, সুযোগ পাব, জনগণের সমর্থন পাব, সেই ফ্যামিলি কার্ডটিকে আমরা বাস্তবায়ন করব। আল্লাহ তায়ালা রাব্বুল আলামিনের রহমতে আজকে আমাদের সেই দিনটি উপস্থিত— যেদিনে আমরা প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছি। সেজন্যই আজকে আমার জন্য, আমার সরকার এবং আমার দলের জন্য একটি ঐতিহাসিক এবং একটি ইমোশনাল দিন’।
সরকারপ্রধান বলেন, ‘এদেশের মানুষের বর্তমান নির্বাচিত সরকারের কাছে অনেক প্রত্যাশা রয়েছে, সেটি আমরা বুঝতে পারি। কিন্তু একইসঙ্গে যদি বাস্তবতা বিবেচনা করি এবং সমসাময়িক ঘটনা, মধ্যপ্রাচ্যের যে পরিস্থিতি সকল কিছু বিবেচনা করি, তাহলে আমরা যে প্রতিশ্রুতিগুলো দিয়েছিলাম, অবশ্যই প্রতিশ্রুতি থেকে বিন্দুমাত্র আমরা অবস্থান পরিবর্তন করব না। হয়তো সমসাময়িক বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে ক্ষেত্রবিশেষে আমাদের কিছু কিছু ক্ষেত্রে সময় বেশি লাগতে পারে প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের জন্য। আসুন আমরা ধৈর্যের সঙ্গে সমগ্র পরিস্থিতি মোকাবেলা করি, দেশটিকে গড়ে তুলি।’
সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিনী ডা. জুবাইদা রহমান, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ উপস্থিত ছিলেন। আরও উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, সংসদ সদস্য, বিদেশি কূটনীতিক, উপকারভোগী ও আমন্ত্রিত অতিথিরা।
পাইলটিং পর্যায়ে দেশের ১৩টি জেলার ১৫টি ওয়ার্ডে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রতিটি ওয়ার্ডের প্রতিটি খানার (পরিবার) তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই-বাছাইয়ের জন্য জেলা থেকে ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করা হয়। ওয়ার্ড কমিটি সরেজমিনে প্রতিটি বাড়িতে গিয়ে পরিবারের আর্থসামাজিক অবস্থা, সদস্যসংখ্যা, শিক্ষা, আবাসন এবং ব্যবহৃত আসবাব ও গৃহস্থালি সামগ্রীর তথ্য সংগ্রহ করেছে। সংগৃহীত তথ্যগুলো ইউনিয়ন ও উপজেলা কমিটির মাধ্যমে অধিকতর যাচাই করে চূড়ান্ত তালিকা করা হয়েছে।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পাইলটিং পর্যায়ে সারা দেশে মোট ৬৭ হাজার ৮৫৪টি নারীপ্রধান পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল। সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে ‘প্রক্সি মিনস টেস্ট’ বা দারিদ্র্য সূচক মান নির্ণয় করে পরিবারগুলোকে বিভিন্ন শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়। এর মধ্যে হতদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্নমধ্যবিত্ত ৫১ হাজার ৮০৫টি খানার তথ্য সঠিক পাওয়া যায়। পরবর্তী সময়ে একই ব্যক্তির একাধিক ভাতা গ্রহণ (ডাবল ডিপিং), সরকারি চাকরি বা পেনশনের মতো বিষয়গুলো যাচাই শেষে চূড়ান্তভাবে ৩৭ হাজার ৫৬৭টি নারীপ্রধান পরিবারকে এই ভাতার জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে।
পুরো প্রক্রিয়াটি সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পন্ন হওয়ায় এখানে কোনো ধরনের স্বজনপ্রীতি বা ম্যানুয়াল হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই বলে জানানো হয়।
ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় প্রতিটি পরিবার একটি করে আধুনিক কার্ড পাবে। স্পর্শবিহীন চিপসংবলিত এই কার্ডে কিউআর কোড ও এনএফসি (নেয়ার ফিল্ড কমিউনিকেশন) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে, যা কার্ডটিকে নিরাপদ ও দীর্ঘস্থায়ী করবে। সাধারণত পাঁচ সদস্যের একটি পরিবারের জন্য একটি কার্ড দেওয়া হবে; তবে সদস্যসংখ্যা বেশি হলে আনুপাতিক হারে একাধিক কার্ডের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। নির্বাচিত নারী গৃহপ্রধান যদি অন্য কোনো সরকারি ভাতা পান, তবে সেই সুবিধা বাতিল হবে। তবে পরিবারের অন্য সদস্যদের অন্যান্য ভাতা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।
প্রাথমিক পর্যায়ে সুবিধাভোগীরা মাসিক ২ হাজার ৫০০ টাকা করে নগদ ভাতা পাবেন এবং পরবর্তী সময়ে সমমূল্যের খাদ্যপণ্য সহায়তা দেওয়ার বিষয়টিও সরকারের বিবেচনায় রয়েছে।
জি-টু-পি পদ্ধতিতে সরাসরি সুবিধাভোগী নারীর পছন্দ অনুযায়ী মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ভাতার টাকা জমা হবে। এতে কোনো প্রকার মধ্যস্বত্বভোগীর হস্তক্ষেপ বা বিলম্বের সুযোগ থাকবে না। পাইলটিং পর্যায়ে আগামী জুনের জন্য ৩৮ কোটি ৭ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
এর মধ্যে ২৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা সরাসরি নগদ সহায়তা হিসেবে এবং বাকি টাকা অনলাইন সিস্টেম ও কার্ড প্রস্তুতির কাজে ব্যয় হবে। কর্মসূচিটি পরিচালনার জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড পাইলটিং বাস্তবায়ন গাইডলাইন, ২০২৬’ প্রণয়ন করা হয়েছে।

দেশের নারীপ্রধান পরিবারগুলোর জন্য পরীক্ষামূলকভাবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘বিএনপি নির্বাচনের আগে মানুষের কাছে ফ্যামিলি কার্ডের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে এই প্রতিশ্রুতির কাজ শুরু করেছি।’ প্রতিশ্রুত ‘কৃষক কার্ডের’ কাজও শুরু হয়েছে বলে বক্তব্যে উল্লেখ করেন তিনি।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বেলা ১১টায় রাজধানীর বনানীর টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে (কড়াইল বস্তি-সংলগ্ন) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১৭ পরিবারের নারী প্রধানের হাতে ফ্যামিলি কার্ডের রেপ্লিকা তুলে দেওয়ার মাধ্যমে কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি কার্ডের মাধ্যমে মাসিক ২ হাজার ৫০০ টাকা ভাতা পাবেন কার্ডধারীরা। দেশের ১৩টি জেলার ১৫টি ওয়ার্ডে ফ্যামিলি কার্ডের পাইলটিং এ কর্মসূচি শুরু হচ্ছে।
উদ্বোধনকালে কৃষক কার্ডের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘আজকের এই অনুষ্ঠানে আমরা যেভাবে ৩৭ হাজার নারীর কাছে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দিতে সক্ষম হয়েছি, একইভাবে আগামী মাসের মধ্যে কৃষক ভাইদের কাছেও কৃষক কার্ড তুলে দিতে সক্ষম হব, ইনশাআল্লাহ’।
এসময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এভাবে একে একে জনগণের কাছে দেওয়া আমাদের প্রতিশ্রুতিগুলো পূরণের মাধ্যমে জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে। একটি সরকারের প্রতিশ্রুতি পূরণের মাধ্যমে দেশের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে, সেই প্রতিশ্রুতিগুলো আমরা ধীরে ধীরে যেকোনো মূল্যে পূরণের চেষ্টা করব’।
ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরুর এ দিনটিকে ব্যক্তিগতভাবে নিজের জন্য ‘ইমোশনাল দিন’ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কারণ এখানে কিছু মানুষ উপস্থিত আছেন, যাদের সঙ্গে বিগত অনেকগুলো বছর ধরে পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি যে কীভাবে যখন সময় পাব, সুযোগ পাব, জনগণের সমর্থন পাব, সেই ফ্যামিলি কার্ডটিকে আমরা বাস্তবায়ন করব। আল্লাহ তায়ালা রাব্বুল আলামিনের রহমতে আজকে আমাদের সেই দিনটি উপস্থিত— যেদিনে আমরা প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছি। সেজন্যই আজকে আমার জন্য, আমার সরকার এবং আমার দলের জন্য একটি ঐতিহাসিক এবং একটি ইমোশনাল দিন’।
সরকারপ্রধান বলেন, ‘এদেশের মানুষের বর্তমান নির্বাচিত সরকারের কাছে অনেক প্রত্যাশা রয়েছে, সেটি আমরা বুঝতে পারি। কিন্তু একইসঙ্গে যদি বাস্তবতা বিবেচনা করি এবং সমসাময়িক ঘটনা, মধ্যপ্রাচ্যের যে পরিস্থিতি সকল কিছু বিবেচনা করি, তাহলে আমরা যে প্রতিশ্রুতিগুলো দিয়েছিলাম, অবশ্যই প্রতিশ্রুতি থেকে বিন্দুমাত্র আমরা অবস্থান পরিবর্তন করব না। হয়তো সমসাময়িক বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে ক্ষেত্রবিশেষে আমাদের কিছু কিছু ক্ষেত্রে সময় বেশি লাগতে পারে প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের জন্য। আসুন আমরা ধৈর্যের সঙ্গে সমগ্র পরিস্থিতি মোকাবেলা করি, দেশটিকে গড়ে তুলি।’
সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিনী ডা. জুবাইদা রহমান, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ উপস্থিত ছিলেন। আরও উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, সংসদ সদস্য, বিদেশি কূটনীতিক, উপকারভোগী ও আমন্ত্রিত অতিথিরা।
পাইলটিং পর্যায়ে দেশের ১৩টি জেলার ১৫টি ওয়ার্ডে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রতিটি ওয়ার্ডের প্রতিটি খানার (পরিবার) তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই-বাছাইয়ের জন্য জেলা থেকে ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করা হয়। ওয়ার্ড কমিটি সরেজমিনে প্রতিটি বাড়িতে গিয়ে পরিবারের আর্থসামাজিক অবস্থা, সদস্যসংখ্যা, শিক্ষা, আবাসন এবং ব্যবহৃত আসবাব ও গৃহস্থালি সামগ্রীর তথ্য সংগ্রহ করেছে। সংগৃহীত তথ্যগুলো ইউনিয়ন ও উপজেলা কমিটির মাধ্যমে অধিকতর যাচাই করে চূড়ান্ত তালিকা করা হয়েছে।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পাইলটিং পর্যায়ে সারা দেশে মোট ৬৭ হাজার ৮৫৪টি নারীপ্রধান পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল। সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে ‘প্রক্সি মিনস টেস্ট’ বা দারিদ্র্য সূচক মান নির্ণয় করে পরিবারগুলোকে বিভিন্ন শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়। এর মধ্যে হতদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্নমধ্যবিত্ত ৫১ হাজার ৮০৫টি খানার তথ্য সঠিক পাওয়া যায়। পরবর্তী সময়ে একই ব্যক্তির একাধিক ভাতা গ্রহণ (ডাবল ডিপিং), সরকারি চাকরি বা পেনশনের মতো বিষয়গুলো যাচাই শেষে চূড়ান্তভাবে ৩৭ হাজার ৫৬৭টি নারীপ্রধান পরিবারকে এই ভাতার জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে।
পুরো প্রক্রিয়াটি সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পন্ন হওয়ায় এখানে কোনো ধরনের স্বজনপ্রীতি বা ম্যানুয়াল হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই বলে জানানো হয়।
ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় প্রতিটি পরিবার একটি করে আধুনিক কার্ড পাবে। স্পর্শবিহীন চিপসংবলিত এই কার্ডে কিউআর কোড ও এনএফসি (নেয়ার ফিল্ড কমিউনিকেশন) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে, যা কার্ডটিকে নিরাপদ ও দীর্ঘস্থায়ী করবে। সাধারণত পাঁচ সদস্যের একটি পরিবারের জন্য একটি কার্ড দেওয়া হবে; তবে সদস্যসংখ্যা বেশি হলে আনুপাতিক হারে একাধিক কার্ডের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। নির্বাচিত নারী গৃহপ্রধান যদি অন্য কোনো সরকারি ভাতা পান, তবে সেই সুবিধা বাতিল হবে। তবে পরিবারের অন্য সদস্যদের অন্যান্য ভাতা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।
প্রাথমিক পর্যায়ে সুবিধাভোগীরা মাসিক ২ হাজার ৫০০ টাকা করে নগদ ভাতা পাবেন এবং পরবর্তী সময়ে সমমূল্যের খাদ্যপণ্য সহায়তা দেওয়ার বিষয়টিও সরকারের বিবেচনায় রয়েছে।
জি-টু-পি পদ্ধতিতে সরাসরি সুবিধাভোগী নারীর পছন্দ অনুযায়ী মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ভাতার টাকা জমা হবে। এতে কোনো প্রকার মধ্যস্বত্বভোগীর হস্তক্ষেপ বা বিলম্বের সুযোগ থাকবে না। পাইলটিং পর্যায়ে আগামী জুনের জন্য ৩৮ কোটি ৭ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
এর মধ্যে ২৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা সরাসরি নগদ সহায়তা হিসেবে এবং বাকি টাকা অনলাইন সিস্টেম ও কার্ড প্রস্তুতির কাজে ব্যয় হবে। কর্মসূচিটি পরিচালনার জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড পাইলটিং বাস্তবায়ন গাইডলাইন, ২০২৬’ প্রণয়ন করা হয়েছে।

সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেছেন, তাঁর নিজস্ব রাজনৈতিক আদর্শ থাকলেও রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে তা কোনো প্রভাব ফেলবে না।
৮ ঘণ্টা আগে
সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন নিয়ে আলোচনার জন্য বিরোধীদলীয় নেতার দেওয়া প্রস্তাব নিয়ে আগামী মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুই ঘণ্টাব্যাপী আলোচনা হবে। তবে এর আগে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকা নিয়ে সংসদে সরকারি দল ও বিরোধী দলের মধ্যে অনির্ধারিত বিতর্ক হয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
ইন্দোবাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস সংগ্রাম পরিষদের টানা দুই দিনের সর্বাত্মক কর্মবিরতির মুখে নতি স্বীকার করেছে প্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষ। আন্দোলনের মুখে চারজন শ্রমিকের ছাঁটাই আদেশ প্রত্যাহারসহ চার দফা দাবি মেনে নিয়েছে মালিকপক্ষ।
৯ ঘণ্টা আগে
লিবিয়ায় বন্দিশালায় (গেমঘর) দালালের নির্যাতনে মাদারীপুরের দুই যুবক নিহত হয়েছেন। সপ্তাহখানেক আগে মৃত্যু হলেও তা পরিবারের কাছে গোপন রাখা হয়।
৯ ঘণ্টা আগে