স্ট্রিম ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে ইরান যদি সমঝোতায় না আসে, তাহলে ‘এক রাতেই’ দেশটিকে ধ্বংস করে দেওয়া হতে পারে। সেইসঙ্গে তিনি আবারও হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। খবর বিবিসির।
সোমবার (৬ এপ্রিল) হোয়াইট হাউজে এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, ইরান ‘সৎ উদ্দেশ্যে’ আলোচনা করছেন বলেই তিনি মনে করেন, তবে চূড়ান্ত ফলাফল নিয়ে এখনও অনিশ্চিত।
ট্রাম্প নির্ধারিত সময়সীমা হিসেবে ওয়াশিংটন ডিসির স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাত ৮টা পর্যন্ত আল্টিমেটাম দেন। তাঁর দাবি, গ্রহণযোগ্য চুক্তির মধ্যে উপসাগরীয় অঞ্চলে জ্বালানির অবাধ চলাচল নিশ্চিত করতে হবে।
অন্যদিকে ইরান অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে স্থায়ীভাবে যুদ্ধের অবসান এবং নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্পের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ।
এসময় ট্রাম্প বলেন, ‘হরমুজ প্রণালি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে না খুললে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের জ্বালানি ও পরিবহন অবকাঠামোর ওপর হামলা চালাতে পারে। পুরো দেশটিকে এক রাতেই ধ্বংস করে ফেলা সম্ভব, আর সেই রাত হতে পারে আগামীকালই (মঙ্গলবার)।’
সময়সীমা পেরিয়ে গেলে ইরানকে প্রস্তর যুগে পাঠিয়ে দেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘তাদের কোনো সেতু থাকবে না, কোনো বিদ্যুৎকেন্দ্র থাকবে না।’
ইরান আগে থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত প্রত্যাখ্যান করলেও, ট্রাম্প আবারও আশা প্রকাশ করেন যে তেহরান ‘সৎ উদ্দেশ্যে’ আলোচনায় অংশ নিচ্ছে, বিশেষ করে সাম্প্রতিক মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলায় ইরানের একাধিক শীর্ষ নেতা নিহত হওয়ার পরেও।
তবে আলোচনার সঙ্গে যুক্ত আঞ্চলিক এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিবিসিকে জানান, যুদ্ধবিরতি ছাড়া অর্থবহ অগ্রগতি সম্ভব নয়। চলমান যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতার কারণে ইরানের সঙ্গে বার্তা আদান-প্রদানও কঠিন হয়ে পড়েছে। ইরানে বার্তা পৌঁছাতে এবং সাড়া পেতে প্রায় একদিন সময় লেগে যাচ্ছে।
এদিকে পাকিস্তান, তুরস্ক ও মিশর মধ্যস্থতার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি ট্রাম্প। শুধু বলেন, তার কাছে সেরা পরিকল্পনা রয়েছে, তবে তা প্রকাশ করবেন না।
আইন বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, ইরানের অবকাঠামোর ওপর পরিকল্পিত ও ধারাবাহিক হামলা আন্তর্জাতিক আইনে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। তবে ট্রাম্প এ বিষয়ে কোনও ভ্রুক্ষেপ না করেই বলেন, ইরানের জনগণ স্বাধীনতার জন্য কষ্ট স্বীকার করতে প্রস্তুত।
একইসঙ্গে যুক্তরাজ্য, ন্যাটো ও দক্ষিণ কোরিয়াসহ কয়েকটি মিত্র দেশের সমালোচনাও করেন তিনি বলেন, তারা এই যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে যথেষ্ট সহায়তা দেয়নি। এটি ন্যাটোর ওপর এমন একটি দাগ, যা কখনো মুছবে না। যুক্তরাষ্ট্রের যুক্তরাজ্যকে প্রয়োজন নেই।
মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ডের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ইরানে ১৩ হাজারের বেশি হামলা চালানো হয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে ইরান যদি সমঝোতায় না আসে, তাহলে ‘এক রাতেই’ দেশটিকে ধ্বংস করে দেওয়া হতে পারে। সেইসঙ্গে তিনি আবারও হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। খবর বিবিসির।
সোমবার (৬ এপ্রিল) হোয়াইট হাউজে এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, ইরান ‘সৎ উদ্দেশ্যে’ আলোচনা করছেন বলেই তিনি মনে করেন, তবে চূড়ান্ত ফলাফল নিয়ে এখনও অনিশ্চিত।
ট্রাম্প নির্ধারিত সময়সীমা হিসেবে ওয়াশিংটন ডিসির স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাত ৮টা পর্যন্ত আল্টিমেটাম দেন। তাঁর দাবি, গ্রহণযোগ্য চুক্তির মধ্যে উপসাগরীয় অঞ্চলে জ্বালানির অবাধ চলাচল নিশ্চিত করতে হবে।
অন্যদিকে ইরান অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে স্থায়ীভাবে যুদ্ধের অবসান এবং নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্পের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ।
এসময় ট্রাম্প বলেন, ‘হরমুজ প্রণালি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে না খুললে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের জ্বালানি ও পরিবহন অবকাঠামোর ওপর হামলা চালাতে পারে। পুরো দেশটিকে এক রাতেই ধ্বংস করে ফেলা সম্ভব, আর সেই রাত হতে পারে আগামীকালই (মঙ্গলবার)।’
সময়সীমা পেরিয়ে গেলে ইরানকে প্রস্তর যুগে পাঠিয়ে দেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘তাদের কোনো সেতু থাকবে না, কোনো বিদ্যুৎকেন্দ্র থাকবে না।’
ইরান আগে থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত প্রত্যাখ্যান করলেও, ট্রাম্প আবারও আশা প্রকাশ করেন যে তেহরান ‘সৎ উদ্দেশ্যে’ আলোচনায় অংশ নিচ্ছে, বিশেষ করে সাম্প্রতিক মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলায় ইরানের একাধিক শীর্ষ নেতা নিহত হওয়ার পরেও।
তবে আলোচনার সঙ্গে যুক্ত আঞ্চলিক এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিবিসিকে জানান, যুদ্ধবিরতি ছাড়া অর্থবহ অগ্রগতি সম্ভব নয়। চলমান যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতার কারণে ইরানের সঙ্গে বার্তা আদান-প্রদানও কঠিন হয়ে পড়েছে। ইরানে বার্তা পৌঁছাতে এবং সাড়া পেতে প্রায় একদিন সময় লেগে যাচ্ছে।
এদিকে পাকিস্তান, তুরস্ক ও মিশর মধ্যস্থতার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি ট্রাম্প। শুধু বলেন, তার কাছে সেরা পরিকল্পনা রয়েছে, তবে তা প্রকাশ করবেন না।
আইন বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, ইরানের অবকাঠামোর ওপর পরিকল্পিত ও ধারাবাহিক হামলা আন্তর্জাতিক আইনে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। তবে ট্রাম্প এ বিষয়ে কোনও ভ্রুক্ষেপ না করেই বলেন, ইরানের জনগণ স্বাধীনতার জন্য কষ্ট স্বীকার করতে প্রস্তুত।
একইসঙ্গে যুক্তরাজ্য, ন্যাটো ও দক্ষিণ কোরিয়াসহ কয়েকটি মিত্র দেশের সমালোচনাও করেন তিনি বলেন, তারা এই যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে যথেষ্ট সহায়তা দেয়নি। এটি ন্যাটোর ওপর এমন একটি দাগ, যা কখনো মুছবে না। যুক্তরাষ্ট্রের যুক্তরাজ্যকে প্রয়োজন নেই।
মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ডের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ইরানে ১৩ হাজারের বেশি হামলা চালানো হয়েছে।

ইরানে বসবাসকারীদের আজ মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ট্রেনে ভ্রমণের বিষয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। আগামী ১২ ঘণ্টা ট্রেন ব্যবহার না করতে, রেললাইন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়েছে তারা। খবর বিবিসির।
১ ঘণ্টা আগে
উত্তর কোরিয়া সম্প্রতি একটি কয়লা জাতীয় কঠিন (সলিড) জ্বালানিচালিত রকেট ইঞ্জিনের পরীক্ষা চালিয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছে দক্ষিণ কোরিয়া।
৫ ঘণ্টা আগে
শান্তি প্রস্তাবকে ‘তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ’ হিসেবে অভিহিত করে ট্রাম্প বলছেন, এই প্রস্তাব ‘যথেষ্ট নয়’। অন্যদিকে, ৪৫ দিনের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবের জবাবে স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধসহ ১০ দফার পাল্টা প্রস্তাব দিয়েছে ইরান।
১৭ ঘণ্টা আগে
ইরান যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর দেওয়া ৪৫ দিনের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবকে ‘তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
১৯ ঘণ্টা আগে