স্ট্রিম ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এতদিন কর্মকাণ্ড দিয়ে প্রকাশ করেছেন তিনি আন্তর্জাতিক আইনের ধার ধারেন না। এবার প্রকাশ্যেই বলেছেন, তিনি আন্তর্জাতিক আইনের তোয়াক্কা করেন না।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসকে বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) তিনি বলেছেন, তাঁর আন্তর্জাতিক আইনের দরকার নেই। নিজের নীতিই যথেষ্ট।
আজ শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) কাতার ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম এই খবর দিয়েছে। ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে তুলে আনার পর তাঁকে আন্তর্জাতিক আইনের বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল। তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, বিশ্বব্যাপী তাঁর যে আগ্রাসী নীতি তার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক আইনের বিষয়টি মাথায় রাখেন কিনা। উত্তরে তিনি আন্তর্জাতিক আইনের বিষয়টি উড়িয়ে দিয়ে বলেন, তাঁর ‘নিজস্ব নীতি’ই আগ্রাসী মনোভাবকে নিয়ন্ত্রণে যথেষ্ট।
ট্রাম্প বলেন, আমার আন্তর্জাতিক আইনের দরকার নেই। আমি মানুষকে আঘাত দিতে চাই না।
আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে করা এক প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, তা নির্ভর করে ‘আন্তর্জাতিক আইনের সংজ্ঞা আপনি কীভাবে দিচ্ছেন তার উপর।
শুধু তাই নয়, মার্কিন পররাষ্ট্র নীতির লক্ষ্য পূরণে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর কঠোর ব্যবহারের ইঙ্গিতও দিয়েছেন ট্রাম্প।
এর আগে, গত শনিবার ভোরে ভেনেজুয়েলায় ভয়াবহ আক্রমণ চালায় যুক্তরাষ্ট্র। রাজধানী কারাকাসজুড়ে এবং ভেনেজুয়েলার সামরিক ঘাঁটিগুলোতে একযোগে হামলা চালায় মার্কিন সেনারা। এরপর মার্কিন সেনারা লাতিন দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে তুলে আনে। সমালোচকরা বলছেন, মার্কিন সেনাদের এই কাজ জাতিসংঘ সনদের স্পষ্ট লঙ্ঘন। জাতিসংঘ সনদে স্পষ্ট করে বলা আছে, কোনো দেশের অখণ্ডতা ও রাজনৈতিক স্বাধীনতার বিরুদ্ধে হুমকি বা সামরিক শক্তির প্রয়োগ নিষিদ্ধ।
ভেনেজুয়েলায় চালানো সাম্প্রতিক হামলা মার্কিন প্রেসিডেন্টের যুদ্ধংদেহী মনোভাবকে যেন আরও উসকে দিয়েছে। অথচ গত মাসেই তিনি প্রথমবারের মতো প্রবর্তিত ‘ফিফা শান্তি পুরস্কার’ পেয়েছিলেন।
ভেনেজুয়েলায় হামলার পর ট্রাম্প ঘোষণা দেন, এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্রই ভেনেজুয়েলা ‘চালাবে’ এবং দেশটির বিশাল তেল সম্পদ কাজে লাগাবে। তবে মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা দেশটির অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট ডেলসি রোদ্রিগেজের সঙ্গে সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ করবে।
আবার ট্রাম্প প্রশাসন এও জানিয়েছে, তারা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে নীতি নির্ধারণে ‘নির্দেশ’ দেবে। একই সঙ্গে মার্কিন দাবি মানতে অবাধ্য হলে আবারও সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে। গত রোববার ‘দ্য আটলান্টিক’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রোদ্রিগেজ সম্পর্কে ট্রাম্প বলেন, সে যদি সঠিক কাজ না করে, তবে তাকে বড় মাসুল গুণতে হবে; সম্ভবত মাদুরোর চেয়েও বড় মূল্য।
এদিকে, চলতি সপ্তাহের শুরুতে ট্রাম্প কলম্বিয়ার বামপন্থী প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রোর বিরুদ্ধেও হামলার ইঙ্গিত দিয়েছেন। পাশাপাশি ড্যানিশ ভূখণ্ড গ্রিনল্যান্ড দখলের প্রচারণাও জোরদার করেছেন তিনি।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এতদিন কর্মকাণ্ড দিয়ে প্রকাশ করেছেন তিনি আন্তর্জাতিক আইনের ধার ধারেন না। এবার প্রকাশ্যেই বলেছেন, তিনি আন্তর্জাতিক আইনের তোয়াক্কা করেন না।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসকে বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) তিনি বলেছেন, তাঁর আন্তর্জাতিক আইনের দরকার নেই। নিজের নীতিই যথেষ্ট।
আজ শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) কাতার ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম এই খবর দিয়েছে। ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে তুলে আনার পর তাঁকে আন্তর্জাতিক আইনের বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল। তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, বিশ্বব্যাপী তাঁর যে আগ্রাসী নীতি তার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক আইনের বিষয়টি মাথায় রাখেন কিনা। উত্তরে তিনি আন্তর্জাতিক আইনের বিষয়টি উড়িয়ে দিয়ে বলেন, তাঁর ‘নিজস্ব নীতি’ই আগ্রাসী মনোভাবকে নিয়ন্ত্রণে যথেষ্ট।
ট্রাম্প বলেন, আমার আন্তর্জাতিক আইনের দরকার নেই। আমি মানুষকে আঘাত দিতে চাই না।
আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে করা এক প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, তা নির্ভর করে ‘আন্তর্জাতিক আইনের সংজ্ঞা আপনি কীভাবে দিচ্ছেন তার উপর।
শুধু তাই নয়, মার্কিন পররাষ্ট্র নীতির লক্ষ্য পূরণে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর কঠোর ব্যবহারের ইঙ্গিতও দিয়েছেন ট্রাম্প।
এর আগে, গত শনিবার ভোরে ভেনেজুয়েলায় ভয়াবহ আক্রমণ চালায় যুক্তরাষ্ট্র। রাজধানী কারাকাসজুড়ে এবং ভেনেজুয়েলার সামরিক ঘাঁটিগুলোতে একযোগে হামলা চালায় মার্কিন সেনারা। এরপর মার্কিন সেনারা লাতিন দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে তুলে আনে। সমালোচকরা বলছেন, মার্কিন সেনাদের এই কাজ জাতিসংঘ সনদের স্পষ্ট লঙ্ঘন। জাতিসংঘ সনদে স্পষ্ট করে বলা আছে, কোনো দেশের অখণ্ডতা ও রাজনৈতিক স্বাধীনতার বিরুদ্ধে হুমকি বা সামরিক শক্তির প্রয়োগ নিষিদ্ধ।
ভেনেজুয়েলায় চালানো সাম্প্রতিক হামলা মার্কিন প্রেসিডেন্টের যুদ্ধংদেহী মনোভাবকে যেন আরও উসকে দিয়েছে। অথচ গত মাসেই তিনি প্রথমবারের মতো প্রবর্তিত ‘ফিফা শান্তি পুরস্কার’ পেয়েছিলেন।
ভেনেজুয়েলায় হামলার পর ট্রাম্প ঘোষণা দেন, এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্রই ভেনেজুয়েলা ‘চালাবে’ এবং দেশটির বিশাল তেল সম্পদ কাজে লাগাবে। তবে মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা দেশটির অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট ডেলসি রোদ্রিগেজের সঙ্গে সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ করবে।
আবার ট্রাম্প প্রশাসন এও জানিয়েছে, তারা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে নীতি নির্ধারণে ‘নির্দেশ’ দেবে। একই সঙ্গে মার্কিন দাবি মানতে অবাধ্য হলে আবারও সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে। গত রোববার ‘দ্য আটলান্টিক’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রোদ্রিগেজ সম্পর্কে ট্রাম্প বলেন, সে যদি সঠিক কাজ না করে, তবে তাকে বড় মাসুল গুণতে হবে; সম্ভবত মাদুরোর চেয়েও বড় মূল্য।
এদিকে, চলতি সপ্তাহের শুরুতে ট্রাম্প কলম্বিয়ার বামপন্থী প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রোর বিরুদ্ধেও হামলার ইঙ্গিত দিয়েছেন। পাশাপাশি ড্যানিশ ভূখণ্ড গ্রিনল্যান্ড দখলের প্রচারণাও জোরদার করেছেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি ইরানের জ্বালানি তেলের নিয়ন্ত্রণ নিতে চান। সেই সঙ্গে দেশটির খার্গ দ্বীপেও কর্তৃত্ব চান। রোববার (২৯ মার্চ) ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমন মন্তব্য করেন তিনি। খবর বিবিসির।
৮ মিনিট আগে
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের ‘দ্রুত ও স্থায়ী’ সমাধান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে চার শক্তিধর রাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (২৯ মার্চ) সৌদি আরব, তুরস্ক ও মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসেন পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র
১০ ঘণ্টা আগে
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে মার্কিন ও ইসরায়েলি যৌথ সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ২৫০ জন শিক্ষার্থী ও শিক্ষক নিহত হয়েছেন। এই সময়ে দেশটির অন্তত ৬০০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানের শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
১২ ঘণ্টা আগে
ওসামা বিন লাদেনকে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে একসময় পাকিস্তানকে আন্তর্জাতিকভাবে একপ্রকার একঘরে করে দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। সেই পাকিস্তান এখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কার্যকর ভূমিকা পালন করছে।
১৪ ঘণ্টা আগে