স্ট্রিম ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়ার বিরুদ্ধে নতুন একটি কড়া আইনকে সমর্থন দিয়েছেন। এই আইনের নাম ‘স্যাংশনিং রাশিয়া অ্যাক্ট অব ২০২৫’। এই আইনের আওতায়, যারা এখনো রাশিয়ার তেল কিনছে, তাদের ওপর সর্বোচ্চ ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করতে পারবে যুক্তরাষ্ট্র।
এই সিদ্ধান্তে সবচেয়ে বেশি চাপের মুখে পড়েছে ভারত, চীন ও ব্রাজিল। কারণ, ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এই দেশগুলো ছাড়মূল্যে রাশিয়ার তেল বড় আকারে কিনে আসছে।
২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের পর পশ্চিমা দেশগুলো রাশিয়ার ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা দেয়। তখন অনেক দেশ রাশিয়ার তেল কেনা কমিয়ে দেয়। কিন্তু ভারত কম দামে তেল পেয়ে আমদানি বাড়ায়। ২০২৫ সালে ভারতের মোট তেলের প্রায় ৪০ শতাংশই আসে রাশিয়া থেকে।
যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, এই তেল কেনার মাধ্যমে রাশিয়ার যুদ্ধ চালানোর অর্থ জোগানো হচ্ছে। তাই তেল ক্রেতা দেশগুলোকেও শাস্তির আওতায় আনতে চায় ওয়াশিংটন।
গত ৫ জানুয়ারি ট্রাম্প স্পষ্ট করে বলেন, ভারত যদি রাশিয়ার তেল কেনা না কমায়, তাহলে বড় অঙ্কের শুল্ক আরোপ করা হবে। ৮ জানুয়ারি তিনি এই বিলের প্রতি আনুষ্ঠানিক সমর্থন দেন। ট্রাম্প জানান, প্রয়োজন হলে খুব দ্রুত শুল্ক বাড়ানো হবে।
এই আইনটি এখনো পুরোপুরি কার্যকর হয়নি, তবে ট্রাম্পের সমর্থনের ফলে এটি বাস্তবায়নের পথে অনেকটাই এগিয়েছে।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, তারা বিষয়টি সম্পর্কে অবগত। তবে তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাবে। ভারতের অবস্থান হলো, তেল কেনা রাজনৈতিক নয়, বরং অর্থনৈতিক ও জ্বালানি নিরাপত্তার বিষয়।
ভারতীয় কর্মকর্তারা বলেন, বৈশ্বিক বাজার পরিস্থিতি বিবেচনা করেই তেল আমদানি করা হচ্ছে।
এই ঘোষণার পরই ভারতের শেয়ারবাজারে বড় ধস নামে। রপ্তানিনির্ভর খাতগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিশেষ করে তথ্যপ্রযুক্তি, ওষুধ ও হীরা শিল্পে উদ্বেগ দেখা দেয়।
অনেকেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র যদি সত্যিই ৫০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে, তাহলে ভারতের রপ্তানি বড় ধরনের সংকটে পড়বে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এতে যুক্তরাষ্ট্রে ভারতের ১২০ বিলিয়ন ডলারের বেশি রপ্তানি প্রায় বন্ধ হয়ে যেতে পারে। নতুন উৎস থেকে তেল কিনতে গেলে ভারতের খরচ বছরে ১০-১৫ বিলিয়ন ডলার বাড়তে পারে। ভারতের জিডিপি ১-২ শতাংশ পর্যন্ত কমে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রে ওষুধ ও প্রযুক্তিপণ্যের দাম বাড়তে পারে।
অনেকে মনে করছেন, এই সিদ্ধান্ত ভারতের ওপর ভূরাজনৈতিক চাপ তৈরি করবে এবং ভবিষ্যতে বিশ্ব বাণিজ্য ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আনতে পারে।
রাশিয়াকে একঘরে করার লক্ষ্য নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র এই কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে। তবে এর ফলে ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক বড় পরীক্ষার মুখে পড়েছে। কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া না গেলে, বিশ্ব বাণিজ্যে নতুন উত্তেজনা তৈরি হতে পারে।
তথ্যসূত্র: রয়টার্স, টাইমস অব ইন্ডিয়া

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়ার বিরুদ্ধে নতুন একটি কড়া আইনকে সমর্থন দিয়েছেন। এই আইনের নাম ‘স্যাংশনিং রাশিয়া অ্যাক্ট অব ২০২৫’। এই আইনের আওতায়, যারা এখনো রাশিয়ার তেল কিনছে, তাদের ওপর সর্বোচ্চ ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করতে পারবে যুক্তরাষ্ট্র।
এই সিদ্ধান্তে সবচেয়ে বেশি চাপের মুখে পড়েছে ভারত, চীন ও ব্রাজিল। কারণ, ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এই দেশগুলো ছাড়মূল্যে রাশিয়ার তেল বড় আকারে কিনে আসছে।
২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের পর পশ্চিমা দেশগুলো রাশিয়ার ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা দেয়। তখন অনেক দেশ রাশিয়ার তেল কেনা কমিয়ে দেয়। কিন্তু ভারত কম দামে তেল পেয়ে আমদানি বাড়ায়। ২০২৫ সালে ভারতের মোট তেলের প্রায় ৪০ শতাংশই আসে রাশিয়া থেকে।
যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, এই তেল কেনার মাধ্যমে রাশিয়ার যুদ্ধ চালানোর অর্থ জোগানো হচ্ছে। তাই তেল ক্রেতা দেশগুলোকেও শাস্তির আওতায় আনতে চায় ওয়াশিংটন।
গত ৫ জানুয়ারি ট্রাম্প স্পষ্ট করে বলেন, ভারত যদি রাশিয়ার তেল কেনা না কমায়, তাহলে বড় অঙ্কের শুল্ক আরোপ করা হবে। ৮ জানুয়ারি তিনি এই বিলের প্রতি আনুষ্ঠানিক সমর্থন দেন। ট্রাম্প জানান, প্রয়োজন হলে খুব দ্রুত শুল্ক বাড়ানো হবে।
এই আইনটি এখনো পুরোপুরি কার্যকর হয়নি, তবে ট্রাম্পের সমর্থনের ফলে এটি বাস্তবায়নের পথে অনেকটাই এগিয়েছে।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, তারা বিষয়টি সম্পর্কে অবগত। তবে তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাবে। ভারতের অবস্থান হলো, তেল কেনা রাজনৈতিক নয়, বরং অর্থনৈতিক ও জ্বালানি নিরাপত্তার বিষয়।
ভারতীয় কর্মকর্তারা বলেন, বৈশ্বিক বাজার পরিস্থিতি বিবেচনা করেই তেল আমদানি করা হচ্ছে।
এই ঘোষণার পরই ভারতের শেয়ারবাজারে বড় ধস নামে। রপ্তানিনির্ভর খাতগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিশেষ করে তথ্যপ্রযুক্তি, ওষুধ ও হীরা শিল্পে উদ্বেগ দেখা দেয়।
অনেকেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র যদি সত্যিই ৫০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে, তাহলে ভারতের রপ্তানি বড় ধরনের সংকটে পড়বে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এতে যুক্তরাষ্ট্রে ভারতের ১২০ বিলিয়ন ডলারের বেশি রপ্তানি প্রায় বন্ধ হয়ে যেতে পারে। নতুন উৎস থেকে তেল কিনতে গেলে ভারতের খরচ বছরে ১০-১৫ বিলিয়ন ডলার বাড়তে পারে। ভারতের জিডিপি ১-২ শতাংশ পর্যন্ত কমে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রে ওষুধ ও প্রযুক্তিপণ্যের দাম বাড়তে পারে।
অনেকে মনে করছেন, এই সিদ্ধান্ত ভারতের ওপর ভূরাজনৈতিক চাপ তৈরি করবে এবং ভবিষ্যতে বিশ্ব বাণিজ্য ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আনতে পারে।
রাশিয়াকে একঘরে করার লক্ষ্য নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র এই কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে। তবে এর ফলে ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক বড় পরীক্ষার মুখে পড়েছে। কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া না গেলে, বিশ্ব বাণিজ্যে নতুন উত্তেজনা তৈরি হতে পারে।
তথ্যসূত্র: রয়টার্স, টাইমস অব ইন্ডিয়া

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি ইরানের জ্বালানি তেলের নিয়ন্ত্রণ নিতে চান। সেই সঙ্গে দেশটির খার্গ দ্বীপেও কর্তৃত্ব চান। রোববার (২৯ মার্চ) ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমন মন্তব্য করেন তিনি। খবর বিবিসির।
২ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের ‘দ্রুত ও স্থায়ী’ সমাধান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে চার শক্তিধর রাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (২৯ মার্চ) সৌদি আরব, তুরস্ক ও মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসেন পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র
১২ ঘণ্টা আগে
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে মার্কিন ও ইসরায়েলি যৌথ সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ২৫০ জন শিক্ষার্থী ও শিক্ষক নিহত হয়েছেন। এই সময়ে দেশটির অন্তত ৬০০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানের শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
১৪ ঘণ্টা আগে
ওসামা বিন লাদেনকে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে একসময় পাকিস্তানকে আন্তর্জাতিকভাবে একপ্রকার একঘরে করে দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। সেই পাকিস্তান এখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কার্যকর ভূমিকা পালন করছে।
১৫ ঘণ্টা আগে