স্ট্রিম ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরোধী দলীয় নেতা রেজা পাহলভিকে ‘বেশ চমৎকার মানুষ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তবে ইরানে পাহলভির জনসমর্থন নিয়ে সংশয়ও প্রকাশ করেছেন তিনি।
শেষ পর্যন্ত ইরানের ক্ষমতা গ্রহণের জন্য দেশের ভেতরে পাহলভি পর্যাপ্ত সমর্থন তৈরি করতে পারবেন কি না, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন ট্রাম্প।
স্থানীয় সময় বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ওভাল অফিসে বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে এসব মন্তব্য করেন ট্রাম্প।
ট্রাম্প বলেন, ইরানের বর্তমান সরকারের পতন ঘটতে পারে। আবার তিনি এও বলেছেন, প্রকৃতপক্ষে যেকোনো সরকারেরই পতন হতে পারে। তবে শেষ পর্যন্ত সরকারের পতন হোক বা না হোক, সামনের সময়টা বেশ কৌতূহলোদ্দীপক হতে যাচ্ছে।
ইরান সরকারের বিরুদ্ধে চলমান আন্দোলনে দমন-পীড়নে হাজার হাজার মানুষ নিহতের অভিযোগে ট্রাম্প বারবার বিক্ষোভকারীদের সমর্থনে দেশটিতে হস্তক্ষেপের হুমকি দিয়েছেন। তবে ১৯৭৯ সালে ক্ষমতাচ্যুত ইরানের প্রয়াত রাজা শাহের ছেলে রেজা পাহলভিকে পূর্ণ সমর্থন দেওয়ার বিষয়ে কিছুটা অনীহাও দেখিয়েছেন তিনি।
ট্রাম্প বলেন, তাঁকে (পাহলভি) বেশ চমৎকার মানুষ মনে হয়। কিন্তু নিজের দেশে তিনি কতটা প্রভাব ফেলতে পারবেন তা আমি জানি না। আর আমরা এখনো সেই পর্যায়ে পৌঁছাইনি।
তিনি আরও বলেন, আমি জানি না পাহলভির দেশ তাঁর নেতৃত্ব গ্রহণ করবে কি না। তবে তারা যদি তাঁকে মেনে নেয়, সেটি ভালো।
এর আগে, গত সপ্তাহে ট্রাম্প জানিয়েছিলেন পাহলভির সঙ্গে দেখা করার কোনো পরিকল্পনা তাঁর নেই। এরপর ট্রাম্পের এই মন্তব্য ইরানের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বে পাহলভির সক্ষমতা নিয়ে আরও বড় প্রশ্ন সামনে নিয়ে এলো।
প্রসঙ্গত, ৬৫ বছর বয়সী পাহলভি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন। ১৯৭৯ সালে ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে তাঁর বাবার পতন হয়। যদিও তিনি তার আগ থেকেই ইরানের বাইরে আছেন। সাম্প্রতিক বিক্ষোভে তিনি প্রবাসে এক পরিচিত মুখ হয়ে উঠেন। তবে ইরানের বিরোধী দলগুলো বিভিন্ন গোষ্ঠী ও মতাদর্শে বিভক্ত। বিশেষ করে পাহলভির সমর্থক রাজতন্ত্রবাদীদের উপস্থিতি ইরানের ভেতরে খুব একটা সুসংগঠিত নয়।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরোধী দলীয় নেতা রেজা পাহলভিকে ‘বেশ চমৎকার মানুষ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তবে ইরানে পাহলভির জনসমর্থন নিয়ে সংশয়ও প্রকাশ করেছেন তিনি।
শেষ পর্যন্ত ইরানের ক্ষমতা গ্রহণের জন্য দেশের ভেতরে পাহলভি পর্যাপ্ত সমর্থন তৈরি করতে পারবেন কি না, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন ট্রাম্প।
স্থানীয় সময় বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ওভাল অফিসে বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে এসব মন্তব্য করেন ট্রাম্প।
ট্রাম্প বলেন, ইরানের বর্তমান সরকারের পতন ঘটতে পারে। আবার তিনি এও বলেছেন, প্রকৃতপক্ষে যেকোনো সরকারেরই পতন হতে পারে। তবে শেষ পর্যন্ত সরকারের পতন হোক বা না হোক, সামনের সময়টা বেশ কৌতূহলোদ্দীপক হতে যাচ্ছে।
ইরান সরকারের বিরুদ্ধে চলমান আন্দোলনে দমন-পীড়নে হাজার হাজার মানুষ নিহতের অভিযোগে ট্রাম্প বারবার বিক্ষোভকারীদের সমর্থনে দেশটিতে হস্তক্ষেপের হুমকি দিয়েছেন। তবে ১৯৭৯ সালে ক্ষমতাচ্যুত ইরানের প্রয়াত রাজা শাহের ছেলে রেজা পাহলভিকে পূর্ণ সমর্থন দেওয়ার বিষয়ে কিছুটা অনীহাও দেখিয়েছেন তিনি।
ট্রাম্প বলেন, তাঁকে (পাহলভি) বেশ চমৎকার মানুষ মনে হয়। কিন্তু নিজের দেশে তিনি কতটা প্রভাব ফেলতে পারবেন তা আমি জানি না। আর আমরা এখনো সেই পর্যায়ে পৌঁছাইনি।
তিনি আরও বলেন, আমি জানি না পাহলভির দেশ তাঁর নেতৃত্ব গ্রহণ করবে কি না। তবে তারা যদি তাঁকে মেনে নেয়, সেটি ভালো।
এর আগে, গত সপ্তাহে ট্রাম্প জানিয়েছিলেন পাহলভির সঙ্গে দেখা করার কোনো পরিকল্পনা তাঁর নেই। এরপর ট্রাম্পের এই মন্তব্য ইরানের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বে পাহলভির সক্ষমতা নিয়ে আরও বড় প্রশ্ন সামনে নিয়ে এলো।
প্রসঙ্গত, ৬৫ বছর বয়সী পাহলভি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন। ১৯৭৯ সালে ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে তাঁর বাবার পতন হয়। যদিও তিনি তার আগ থেকেই ইরানের বাইরে আছেন। সাম্প্রতিক বিক্ষোভে তিনি প্রবাসে এক পরিচিত মুখ হয়ে উঠেন। তবে ইরানের বিরোধী দলগুলো বিভিন্ন গোষ্ঠী ও মতাদর্শে বিভক্ত। বিশেষ করে পাহলভির সমর্থক রাজতন্ত্রবাদীদের উপস্থিতি ইরানের ভেতরে খুব একটা সুসংগঠিত নয়।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি ইরানের জ্বালানি তেলের নিয়ন্ত্রণ নিতে চান। সেই সঙ্গে দেশটির খার্গ দ্বীপেও কর্তৃত্ব চান। রোববার (২৯ মার্চ) ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমন মন্তব্য করেন তিনি। খবর বিবিসির।
৩ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের ‘দ্রুত ও স্থায়ী’ সমাধান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে চার শক্তিধর রাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (২৯ মার্চ) সৌদি আরব, তুরস্ক ও মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসেন পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র
১৩ ঘণ্টা আগে
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে মার্কিন ও ইসরায়েলি যৌথ সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ২৫০ জন শিক্ষার্থী ও শিক্ষক নিহত হয়েছেন। এই সময়ে দেশটির অন্তত ৬০০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানের শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
১৫ ঘণ্টা আগে
ওসামা বিন লাদেনকে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে একসময় পাকিস্তানকে আন্তর্জাতিকভাবে একপ্রকার একঘরে করে দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। সেই পাকিস্তান এখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কার্যকর ভূমিকা পালন করছে।
১৭ ঘণ্টা আগে