কাজী নিশাত তাবাসসুম
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে সংসদীয় গণতন্ত্র একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। উপমহাদেশে ব্রিটিশ শাসনের অবসানের পর থেকেই এ অঞ্চলে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার নানা চেষ্টা হয়েছে। ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানে সংবিধান প্রণয়নের মাধ্যমে যে সংসদীয় শাসনব্যবস্থার সূচনা হয়েছিল, তা নানা রাজনৈতিক উত্থান-পতন, সামরিক শাসন ও সাংবিধানিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে ২০২৬ সাল পর্যন্ত এক দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়েছে।
১৯৫৬ সালে তৎকালীন পাকিস্তানে প্রথম সংবিধান কার্যকর হলে দেশটি আনুষ্ঠানিকভাবে সংসদীয় গণতন্ত্রের কাঠামো গ্রহণ করে। সে সময় পূর্ব পাকিস্তান, পরে বাংলাদেশে রূপ নেয়, যা জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও ক্ষমতার ভারসাম্য মূলত পশ্চিম পাকিস্তানের দিকেই ছিল। সংসদীয় শাসনব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী ছিলেন সরকারের প্রধান এবং রাষ্ট্রপতি ছিলেন আনুষ্ঠানিক রাষ্ট্রপ্রধান।
তবে এই গণতান্ত্রিক কাঠামো দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। ১৯৫৮ সালে সামরিক শাসক আইয়ুব খান ক্ষমতা দখল করলে সংসদীয় গণতন্ত্রের সেই যাত্রা থমকে যায়। এরপর পাকিস্তানে প্রেসিডেন্সিয়াল শাসনব্যবস্থা চালু হয়। সেখানে রাষ্ট্রপতির হাতে অধিক ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত করা হয়। এর ফলে পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব আরও সীমিত হয়ে পড়ে।
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে প্রণীত সংবিধানে সংসদীয় গণতন্ত্রকে রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক ভিত্তি হিসেবে নির্ধারণ করা হয়। সংবিধান প্রণয়নে নেতৃত্ব দেন তৎকালীন সরকারপ্রধান শেখ মুজিবুর রহমান। এই সংবিধানে প্রধানমন্ত্রীকে নির্বাহী ক্ষমতার প্রধান করা হয় এবং রাষ্ট্রপতি থাকেন মূলত আনুষ্ঠানিক পদে।
স্বাধীনতার মাত্র তিন বছরের মাথায় বড় ধরনের কাঠামোগত পরিবর্তন আসে। ১৯৭৫ সালে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদীয় ব্যবস্থা থেকে প্রেসিডেন্সিয়াল শাসনব্যবস্থায় রূপান্তর করা হয়। একই সঙ্গে একদলীয় রাজনৈতিক কাঠামো প্রতিষ্ঠা করা হয়, যা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রায় নতুন বিতর্কের জন্ম দেয়।
১৯৭৫ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দীর্ঘ সময় ধরে বাংলাদেশ সামরিক ও আধা-সামরিক শাসনের মধ্য দিয়ে যায়। এই সময়ে রাষ্ট্রক্ষমতার কাঠামোতে নানা পরিবর্তন আনা হয় এবং রাষ্ট্রপতির হাতে অধিক ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত থাকে। পরবর্তীতে গণআন্দোলনের ফলে ১৯৯০ সালে সামরিক শাসনের অবসান ঘটে।
দীর্ঘ ১৬ বছর পর বাংলাদেশে আবারো গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা হয়। ১৯৯১ সালে আন্দোলনের ফলস্বরূপ সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশ আবার সংসদীয় গণতন্ত্রে ফিরে আসে। এই পরিবর্তনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির অধিকাংশ নির্বাহী ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর কাছে ন্যস্ত করা হয়। সংসদীয় ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী হন সরকারের প্রধান এবং সংসদের প্রতি দায়বদ্ধ থাকেন।
পরবর্তী সময়ে নির্বাচনব্যবস্থা ও ক্ষমতার ভারসাম্য নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্কের কারণে সংবিধানে আরও কিছু পরিবর্তন আনা হয়। ১৯৯৬ সালে ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চালু করা হয়, যাতে জাতীয় নির্বাচনকে অধিক গ্রহণযোগ্য করা যায়। তবে ২০১১ সালে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সেই তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা বাতিল করা হয়, যা দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্কের জন্ম দেয়।
এরপর দীর্ঘ দেড় দশক এক ধরনের নিষ্প্রাণ সংসদ দেখেছে বাংলাদেশ। ২০২৪-এ দেখল এক রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থান। সেই গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশ আবারও একটি প্রাণবন্ত সংসদ দেখার আশা করছে।
২০২৬ সালে এসে বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্র একদিকে যেমন দীর্ঘ অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে পরিপক্বতার পথে এগিয়েছে, অন্যদিকে রাজনৈতিক মেরুকরণ, নির্বাচনব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা ও ক্ষমতার ভারসাম্য নিয়ে নানা প্রশ্নও রয়ে গেছে। সংসদ কার্যকর করা, বিরোধী দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা এবং আইনের শাসনকে আরও শক্তিশালী করা এখনো বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, সংসদীয় গণতন্ত্রের শক্তি নির্ভর করে সংসদের কার্যকারিতা, রাজনৈতিক সহনশীলতা এবং জনগণের অংশগ্রহণের ওপর। যেমন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী আরেন্ড লিপহার্ট তাঁর ‘কনসেনসাস ডেমোক্রেসি’ তত্ত্বে বলেছেন, ‘গণতন্ত্র মানে কেবল সংখ্যাগরিষ্ঠের শাসন নয়; বরং এটি হলো যত বেশি সম্ভব মানুষের শাসন এবং তাদের স্বার্থের প্রতিনিধিত্ব।’
গত সাত দশকে এই ব্যবস্থার কাঠামোগত রূপ বদলালেও মূল লক্ষ্য ছিল জনগণের প্রতিনিধিত্বমূলক শাসন প্রতিষ্ঠা করা।
কোনো দেশে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা একদিনে কিংবা হঠাৎ করে প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি সম্ভবও নয়। দীর্ঘ সংগ্রাম ও সাধনার ফলে এই অর্জন। ব্রিটেনের গণতন্ত্রের ইতিহাস যেখানে কয়েক শতাব্দীর, সেখানে সংসদীয় গণতন্ত্রের পথে আমাদের যাত্রা তো কেবল শুরু। ১৯৫৬ থেকে ২০২৬—দীর্ঘ ৭০ বছর তাই সংসদীয় গণতন্ত্র কেবল একটি শাসনব্যবস্থার বিবর্তন নয়, বরং এটি দেশের রাজনৈতিক সংগ্রাম, সাংবিধানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার একটি দীর্ঘ ইতিহাস। ভবিষ্যতে এই ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করার ওপরই নির্ভর করবে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের আগামীর পথচলা।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে সংসদীয় গণতন্ত্র একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। উপমহাদেশে ব্রিটিশ শাসনের অবসানের পর থেকেই এ অঞ্চলে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার নানা চেষ্টা হয়েছে। ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানে সংবিধান প্রণয়নের মাধ্যমে যে সংসদীয় শাসনব্যবস্থার সূচনা হয়েছিল, তা নানা রাজনৈতিক উত্থান-পতন, সামরিক শাসন ও সাংবিধানিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে ২০২৬ সাল পর্যন্ত এক দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়েছে।
১৯৫৬ সালে তৎকালীন পাকিস্তানে প্রথম সংবিধান কার্যকর হলে দেশটি আনুষ্ঠানিকভাবে সংসদীয় গণতন্ত্রের কাঠামো গ্রহণ করে। সে সময় পূর্ব পাকিস্তান, পরে বাংলাদেশে রূপ নেয়, যা জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও ক্ষমতার ভারসাম্য মূলত পশ্চিম পাকিস্তানের দিকেই ছিল। সংসদীয় শাসনব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী ছিলেন সরকারের প্রধান এবং রাষ্ট্রপতি ছিলেন আনুষ্ঠানিক রাষ্ট্রপ্রধান।
তবে এই গণতান্ত্রিক কাঠামো দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। ১৯৫৮ সালে সামরিক শাসক আইয়ুব খান ক্ষমতা দখল করলে সংসদীয় গণতন্ত্রের সেই যাত্রা থমকে যায়। এরপর পাকিস্তানে প্রেসিডেন্সিয়াল শাসনব্যবস্থা চালু হয়। সেখানে রাষ্ট্রপতির হাতে অধিক ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত করা হয়। এর ফলে পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব আরও সীমিত হয়ে পড়ে।
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে প্রণীত সংবিধানে সংসদীয় গণতন্ত্রকে রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক ভিত্তি হিসেবে নির্ধারণ করা হয়। সংবিধান প্রণয়নে নেতৃত্ব দেন তৎকালীন সরকারপ্রধান শেখ মুজিবুর রহমান। এই সংবিধানে প্রধানমন্ত্রীকে নির্বাহী ক্ষমতার প্রধান করা হয় এবং রাষ্ট্রপতি থাকেন মূলত আনুষ্ঠানিক পদে।
স্বাধীনতার মাত্র তিন বছরের মাথায় বড় ধরনের কাঠামোগত পরিবর্তন আসে। ১৯৭৫ সালে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদীয় ব্যবস্থা থেকে প্রেসিডেন্সিয়াল শাসনব্যবস্থায় রূপান্তর করা হয়। একই সঙ্গে একদলীয় রাজনৈতিক কাঠামো প্রতিষ্ঠা করা হয়, যা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রায় নতুন বিতর্কের জন্ম দেয়।
১৯৭৫ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দীর্ঘ সময় ধরে বাংলাদেশ সামরিক ও আধা-সামরিক শাসনের মধ্য দিয়ে যায়। এই সময়ে রাষ্ট্রক্ষমতার কাঠামোতে নানা পরিবর্তন আনা হয় এবং রাষ্ট্রপতির হাতে অধিক ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত থাকে। পরবর্তীতে গণআন্দোলনের ফলে ১৯৯০ সালে সামরিক শাসনের অবসান ঘটে।
দীর্ঘ ১৬ বছর পর বাংলাদেশে আবারো গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা হয়। ১৯৯১ সালে আন্দোলনের ফলস্বরূপ সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশ আবার সংসদীয় গণতন্ত্রে ফিরে আসে। এই পরিবর্তনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির অধিকাংশ নির্বাহী ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর কাছে ন্যস্ত করা হয়। সংসদীয় ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী হন সরকারের প্রধান এবং সংসদের প্রতি দায়বদ্ধ থাকেন।
পরবর্তী সময়ে নির্বাচনব্যবস্থা ও ক্ষমতার ভারসাম্য নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্কের কারণে সংবিধানে আরও কিছু পরিবর্তন আনা হয়। ১৯৯৬ সালে ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চালু করা হয়, যাতে জাতীয় নির্বাচনকে অধিক গ্রহণযোগ্য করা যায়। তবে ২০১১ সালে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সেই তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা বাতিল করা হয়, যা দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্কের জন্ম দেয়।
এরপর দীর্ঘ দেড় দশক এক ধরনের নিষ্প্রাণ সংসদ দেখেছে বাংলাদেশ। ২০২৪-এ দেখল এক রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থান। সেই গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশ আবারও একটি প্রাণবন্ত সংসদ দেখার আশা করছে।
২০২৬ সালে এসে বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্র একদিকে যেমন দীর্ঘ অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে পরিপক্বতার পথে এগিয়েছে, অন্যদিকে রাজনৈতিক মেরুকরণ, নির্বাচনব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা ও ক্ষমতার ভারসাম্য নিয়ে নানা প্রশ্নও রয়ে গেছে। সংসদ কার্যকর করা, বিরোধী দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা এবং আইনের শাসনকে আরও শক্তিশালী করা এখনো বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, সংসদীয় গণতন্ত্রের শক্তি নির্ভর করে সংসদের কার্যকারিতা, রাজনৈতিক সহনশীলতা এবং জনগণের অংশগ্রহণের ওপর। যেমন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী আরেন্ড লিপহার্ট তাঁর ‘কনসেনসাস ডেমোক্রেসি’ তত্ত্বে বলেছেন, ‘গণতন্ত্র মানে কেবল সংখ্যাগরিষ্ঠের শাসন নয়; বরং এটি হলো যত বেশি সম্ভব মানুষের শাসন এবং তাদের স্বার্থের প্রতিনিধিত্ব।’
গত সাত দশকে এই ব্যবস্থার কাঠামোগত রূপ বদলালেও মূল লক্ষ্য ছিল জনগণের প্রতিনিধিত্বমূলক শাসন প্রতিষ্ঠা করা।
কোনো দেশে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা একদিনে কিংবা হঠাৎ করে প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি সম্ভবও নয়। দীর্ঘ সংগ্রাম ও সাধনার ফলে এই অর্জন। ব্রিটেনের গণতন্ত্রের ইতিহাস যেখানে কয়েক শতাব্দীর, সেখানে সংসদীয় গণতন্ত্রের পথে আমাদের যাত্রা তো কেবল শুরু। ১৯৫৬ থেকে ২০২৬—দীর্ঘ ৭০ বছর তাই সংসদীয় গণতন্ত্র কেবল একটি শাসনব্যবস্থার বিবর্তন নয়, বরং এটি দেশের রাজনৈতিক সংগ্রাম, সাংবিধানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার একটি দীর্ঘ ইতিহাস। ভবিষ্যতে এই ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করার ওপরই নির্ভর করবে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের আগামীর পথচলা।

স্বাক্ষরটি বেশ বড়, স্পষ্ট আর নজরকাড়া। বহু বছর ধরেই তাঁর এই স্বাক্ষরটি মানুষের মনোযোগ আকর্ষণ করে আসছে। ট্রাম্প নিজেও নিজের স্বাক্ষর নিয়ে বেশ গর্বিত। ২০২৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর সামরিক নেতাদের উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে তিনি বলেছিলেন, ‘আমি আমার স্বাক্ষর খুব ভালোবাসি, সত্যি বলছি। সবাই আমার স্বাক্ষর পছন্দ করে।
১১ ঘণ্টা আগে
কিছুদিন আগেই মাইগ্রেনের ব্যথায় মৃত্যুবরণ করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ইউএনও। মাইগ্রেন আর সাধারণ মাথাব্যথা যে এক জিনিস নয়, এ ব্যাপারে বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিত হয়েছেন ঠিকই কিন্তু এই ব্যথা কেন হয় বা কীভাবে এই ব্যথাকে জীবন থেকে পুরোপুরি বিদায় করা যায়, তা নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা কাটেনি।
১৩ ঘণ্টা আগে
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই চ্যাটবট মানুষের একাকীত্ব কমাতে বেশ সাহায্য করে। বিশেষ করে যাদের আশেপাশে কথা বলার মতো কেউ নেই, তাদের জন্য এটি খুব উপকারী।
২ দিন আগে
আমাদের আশেপাশে এমন অনেক মানুষ আছেন, যারা অন্যদের সঙ্গে মেলামেশা করতে কিংবা আড্ডা দিতে খুব পছন্দ করেন। এই মানুষদের আমরা ‘সামাজিক মানুষ’ বলে জানি। তাদের নিয়ে সাধারণত কারও কোনো দুশ্চিন্তা বা অভিযোগ থাকে না। কিন্তু যারা একটু চুপচাপ বা একা থাকতে ভালোবাসেন, তাদের নিয়ে আমাদের অনেকেরই অভিযোগের শেষ নেই।
২ দিন আগে