স্ট্রিম প্রতিবেদক
সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় পরিবার হারানো লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জের ফাইজা আক্তারকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট (আর্কাইভ) ছড়িয়েছে। একটি ছবি প্রচার করে পোস্টের ক্যাপশনে দাবি করা হচ্ছে, জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান অসুস্থ অবস্থা থেকে উঠে হাসপাতাল থেকে ফিরেই ফাইজার সঙ্গে দেখা করেছেন।
তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, প্রচারিত ছবিটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি এবং জামায়াত আমিরের ফাইজার সঙ্গে দেখা করার দাবির পক্ষে কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ নেই।
ছবিটি ‘Akram mizi’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে গতকাল বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) পোস্ট করা হয়েছে। পোস্টটি প্রকাশের পরই ব্যাপক সাড়া পড়ে। এতে প্রায় ২ লাখ ৫২ হাজার রিঅ্যাকশন, ৬ হাজারের বেশি মন্তব্য এবং প্রায় ১৩ হাজার শেয়ার হয়েছে (এই প্রতিবেদনে লেখা পর্যন্ত)।
আলোচিত ছবিটি পর্যবেক্ষণে কয়েকটি অসঙ্গতি চোখে পড়ে। ছবিতে থাকা ব্যক্তিকে জামায়াতে ইসলামীর আমির বলে দাবি করা হলেও তাঁর পরিচিত সাম্প্রতিক ছবির সঙ্গে মুখাবয়বের পূর্ণ মিল নেই। মুখের গড়ন, দাঁড়ির ঘনত্ব ও চশমার ফ্রেমে পার্থক্য লক্ষ্য করা যায়। একইভাবে, ফাইজা আক্তার হিসেবে যাকে দেখানো হয়েছে, তার চেহারা গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে ফাইজার ছবির সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
আবার, দাবিটির সত্যতা যাচাইয়ে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ পর্যালোচনা করা হয়েছে। সেখানে ফাইজা আক্তারের সঙ্গে সাক্ষাৎ সংক্রান্ত কোনো ছবি বা পোস্ট পাওয়া যায়নি। তাছাড়া, জামায়াতে ইসলামীর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজেও এ বিষয়ে কোনো তথ্য বা বিবৃতি পাওয়া যায়নি।

ভাইরাল ছবিটি হাইভ ডিটেকশন এআই টুলে পরীক্ষা করা হলে ফলাফলে দেখা যায়, এটি এআই জেনারেটেড হওয়ার সম্ভাবনা ৯৯ দশমিক ৯ শতাংশ।
আরও যাচাই করতে লক্ষ্মীপুরে স্ট্রিমের প্রতিনিধির মাধ্যমে ফাইজার মামা মাজহারুল ইসলাম মামুনের সঙ্গে কথা বলা হয়। তিনি বলেন, ‘গতকাল থেকে একটি ফেক ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এটি মিথ্যা, জামায়াতের আমির ফাইজাকে দেখতে আসেননি। স্বজন হারিয়ে আমরা এমনিতেই শোকাহত। ফাইজা এখনো ট্রমার মধ্যে রয়েছে। এর ভেতরে এ ধরনের গুজব আমাদের ব্যথিত করেছে।’
উল্লেখ্য, গত ১৫ ফেব্রুয়ারি সৌদি আরবের আবহা এলাকায় ওমরাহ পালন শেষে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় ফাইজার বাবা-মা ও দুই বোনসহ মোট পাঁচ বাংলাদেশি মারা যান। দুর্ঘটনায় আহত হয় ফাইজা আক্তার এবং তাকে জেদ্দার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন থাকার পর গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ফাইজা তার মামার সঙ্গে দেশে ফেরে। পরে তাকে লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার গ্রামের বাড়িতে নেওয়া হয়।
সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় পরিবার হারানো লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জের ফাইজা আক্তারকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট (আর্কাইভ) ছড়িয়েছে। একটি ছবি প্রচার করে পোস্টের ক্যাপশনে দাবি করা হচ্ছে, জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান অসুস্থ অবস্থা থেকে উঠে হাসপাতাল থেকে ফিরেই ফাইজার সঙ্গে দেখা করেছেন।
তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, প্রচারিত ছবিটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি এবং জামায়াত আমিরের ফাইজার সঙ্গে দেখা করার দাবির পক্ষে কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ নেই।
ছবিটি ‘Akram mizi’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে গতকাল বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) পোস্ট করা হয়েছে। পোস্টটি প্রকাশের পরই ব্যাপক সাড়া পড়ে। এতে প্রায় ২ লাখ ৫২ হাজার রিঅ্যাকশন, ৬ হাজারের বেশি মন্তব্য এবং প্রায় ১৩ হাজার শেয়ার হয়েছে (এই প্রতিবেদনে লেখা পর্যন্ত)।
আলোচিত ছবিটি পর্যবেক্ষণে কয়েকটি অসঙ্গতি চোখে পড়ে। ছবিতে থাকা ব্যক্তিকে জামায়াতে ইসলামীর আমির বলে দাবি করা হলেও তাঁর পরিচিত সাম্প্রতিক ছবির সঙ্গে মুখাবয়বের পূর্ণ মিল নেই। মুখের গড়ন, দাঁড়ির ঘনত্ব ও চশমার ফ্রেমে পার্থক্য লক্ষ্য করা যায়। একইভাবে, ফাইজা আক্তার হিসেবে যাকে দেখানো হয়েছে, তার চেহারা গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে ফাইজার ছবির সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
আবার, দাবিটির সত্যতা যাচাইয়ে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ পর্যালোচনা করা হয়েছে। সেখানে ফাইজা আক্তারের সঙ্গে সাক্ষাৎ সংক্রান্ত কোনো ছবি বা পোস্ট পাওয়া যায়নি। তাছাড়া, জামায়াতে ইসলামীর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজেও এ বিষয়ে কোনো তথ্য বা বিবৃতি পাওয়া যায়নি।

ভাইরাল ছবিটি হাইভ ডিটেকশন এআই টুলে পরীক্ষা করা হলে ফলাফলে দেখা যায়, এটি এআই জেনারেটেড হওয়ার সম্ভাবনা ৯৯ দশমিক ৯ শতাংশ।
আরও যাচাই করতে লক্ষ্মীপুরে স্ট্রিমের প্রতিনিধির মাধ্যমে ফাইজার মামা মাজহারুল ইসলাম মামুনের সঙ্গে কথা বলা হয়। তিনি বলেন, ‘গতকাল থেকে একটি ফেক ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এটি মিথ্যা, জামায়াতের আমির ফাইজাকে দেখতে আসেননি। স্বজন হারিয়ে আমরা এমনিতেই শোকাহত। ফাইজা এখনো ট্রমার মধ্যে রয়েছে। এর ভেতরে এ ধরনের গুজব আমাদের ব্যথিত করেছে।’
উল্লেখ্য, গত ১৫ ফেব্রুয়ারি সৌদি আরবের আবহা এলাকায় ওমরাহ পালন শেষে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় ফাইজার বাবা-মা ও দুই বোনসহ মোট পাঁচ বাংলাদেশি মারা যান। দুর্ঘটনায় আহত হয় ফাইজা আক্তার এবং তাকে জেদ্দার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন থাকার পর গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ফাইজা তার মামার সঙ্গে দেশে ফেরে। পরে তাকে লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার গ্রামের বাড়িতে নেওয়া হয়।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরিবর্তিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অপতথ্যের ছড়াছড়ি। ছাত্র সংসদ, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পরেও সমানে ছড়ানো হচ্ছে অপতথ্য কিংবা বিকৃত তথ্য। এর মাধ্যমে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করা হচ্ছে, যা ফ্যাক্টচেক রিপোর্টেও স্পষ্ট।
১৪ ঘণ্টা আগে
জিক মাধ্যমে ফেসবুকে একটি ছবি ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, গভীর রাতে তেল আসার সংবাদে শত শত মোটরসাইকেল একটি ফিলিং স্টেশনে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে আছে এবং অনেক চালক স্টেশন চত্বরে ঘুমিয়ে পড়েছেন। তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, ব্যবহৃত ছবিটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি।
১ দিন আগে
ইরানের আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ঘিরে নতুন করে মৃত্যু বা আহত হওয়ার জল্পনার কথা সামনে এনেছে।
১৯ দিন আগে
ইরান ও ইসরায়েলের চলমান সংঘাত নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নানা দাবি, ভিডিও ও ছবি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। আকাশে পাল্টাপাল্টি হামলার শিরোনামের আড়ালে অনলাইনে ঘুরছে নেতাদের মৃত্যু, বেঁচে থাকা, টার্গেট ধ্বংস, বিমানবন্দরে হামলা, এমনকি শেষকৃত্যের মতো দৃশ্যের দাবিও।
০৩ মার্চ ২০২৬