মারুফ ইসলাম

তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বুধবার (৪ মার্চ) জানিয়েছে, ইরান থেকে তুরস্কের আকাশসীমার দিকে ধাবমান একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করেছে পূর্ব ভূমধ্যসাগরে মোতায়েন করা ন্যাটোর আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।
মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্রটি ইরাক ও সিরিয়ার আকাশসীমা অতিক্রম করে তুরস্কের দিকে আসছিল। ক্ষেপণাস্ত্রটির সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তু কী ছিল সে সম্পর্কে তুরস্ক আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু না বললেও, একজন উচ্চপদস্থ মার্কিন সামরিক কর্মকর্তা এবং একজন পশ্চিমা কর্মকর্তা মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসকে জানিয়েছেন, এর লক্ষ্য ছিল তুরস্কের ইনজারলিক বিমান ঘাঁটি।
ন্যাটো সদস্য দেশ তুরস্কের এই ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য মিত্র দেশের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সেনাসদস্য অবস্থান করছেন।
ইনজারলিক ঘাঁটিতে মার্কিন বিমান বাহিনীর একটি বড় দল থাকলেও তুরস্ক এর আগে স্পষ্ট জানিয়েছিল, ইরানের ওপর কোনো হামলার জন্য তারা তাদের আকাশসীমা ব্যবহার করতে দেবে না।
দুজন মার্কিন কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন, পূর্ব ভূমধ্যসাগরে মোতায়েন করা একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ থেকে ইন্টারসেপ্টর বা প্রতিরোধক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রটি ধ্বংস করা হয়। মার্কিন কর্মকর্তা আরও জানান, মঙ্গলবার দিবাগত মধ্যরাতের ঠিক আগে ইউএসএস অস্কার অস্টিন থেকে ছোঁড়া একটি এসএম-৩ ইন্টারসেপ্টরের আঘাতে ক্ষেপণাস্ত্রটি ধ্বংস হয়।
তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্রটি ধ্বংস করার পর এর অবশিষ্টাংশ সিরিয়া সীমান্তবর্তী তুরস্কের দক্ষিণ-কেন্দ্রীয় প্রদেশ হাতায় পড়েছে। তবে এতে কেউ হতাহত হননি।
তেহরানের ওপর আমেরিকা ও ইসরায়েলি বিমান হামলার প্রতিশোধ হিসেবে ইরান গত কয়েকদিন ধরে পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষকেরা বলছেন, ন্যাটোর সদস্য দেশ তুরস্কের ওপর হামলা এই যুদ্ধকে এক ভয়াবহ মোড়ে নিয়ে যেতে পারে। তুরস্কের সঙ্গে ইরানের প্রায় ৩০০ মাইলের সীমান্ত রয়েছে। ন্যাটোর কোনো সদস্য দেশের ওপর হামলার অর্থ হলো জোটের ‘যৌথ প্রতিরক্ষা অনুচ্ছেদ’ (অনুচ্ছেদ-৫ নামে পরিচিত) সক্রিয় হওয়া, যা ন্যাটোর ৩২টি সদস্য দেশকেই সরাসরি এই যুদ্ধে টেনে আনতে পারে।
ন্যাটো এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ইরান যুদ্ধে যুক্ত হওয়ার ঘোষণা দেয়নি। তবে এক বিবৃতিতে ন্যাটোর মুখপাত্র অ্যালিসন হার্ট তুরস্ককে লক্ষ্যবস্তু করার কঠোর নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘ইরান এই অঞ্চলজুড়ে নির্বিচারে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। ন্যাটো তুরস্কসহ সকল মিত্র দেশের পাশে শক্তভাবে দাঁড়িয়েছে। আমাদের আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাসহ সকল ক্ষেত্রে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অত্যন্ত শক্তিশালী রয়েছে।’
গত মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ব্রাসেলসে জার্মানির এআরডি টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ন্যাটোর মহাসচিব মার্ক রুত্তে বলেছিলেন, ন্যাটোর এই যুদ্ধে সরাসরি জড়ানোর কোনো পরিকল্পনা নেই। তবে তিনি ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক পদক্ষেপের প্রশংসা করেছিলেন।
মার্ক রুত্তে বলেছিলেন, ইরানের পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির সক্ষমতা কমিয়ে আনতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথভাবে যা করছে, তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ন্যাটো মহাসচিব আরও বলেন, জোটগতভাবে কোনো সিদ্ধান্ত না থাকলেও সদস্য দেশগুলো চাইলে ব্যক্তিগতভাবে যুক্তরাষ্ট্রকে সমর্থন বা সহযোগিতা করতে পারে।
এর দুই দিন পরই ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসের কথা জানাল ন্যাটো।
তুরস্কের ওপর এই হামলা ইরান-তুরস্কের দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্কেও বড় ধরনের ফাটল ধরাতে পারে। তুরস্ক এই যুদ্ধ বন্ধে এতদিন গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছিল।
তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন এবং সংঘাত ছড়িয়ে পড়তে পারে এমন যেকোনো পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। এছাড়া, আঙ্কারায় নিযুক্ত ইরানি রাষ্ট্রদূতকে তলব করে তুরস্কের ‘গভীর উদ্বেগ ও তীব্র প্রতিবাদ’ জানানো হয়েছে বলে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আনাদোলু জানিয়েছে।
তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, তারা ন্যাটো মিত্রদের সঙ্গে পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করবে এবং দেশকে যেকোনো হামলা থেকে রক্ষা করবে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আমাদের ভূখণ্ড এবং আকাশসীমা রক্ষায় প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ কোনো দ্বিধা ছাড়াই দৃঢ়ভাবে নেওয়া হবে।’

তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বুধবার (৪ মার্চ) জানিয়েছে, ইরান থেকে তুরস্কের আকাশসীমার দিকে ধাবমান একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করেছে পূর্ব ভূমধ্যসাগরে মোতায়েন করা ন্যাটোর আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।
মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্রটি ইরাক ও সিরিয়ার আকাশসীমা অতিক্রম করে তুরস্কের দিকে আসছিল। ক্ষেপণাস্ত্রটির সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তু কী ছিল সে সম্পর্কে তুরস্ক আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু না বললেও, একজন উচ্চপদস্থ মার্কিন সামরিক কর্মকর্তা এবং একজন পশ্চিমা কর্মকর্তা মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসকে জানিয়েছেন, এর লক্ষ্য ছিল তুরস্কের ইনজারলিক বিমান ঘাঁটি।
ন্যাটো সদস্য দেশ তুরস্কের এই ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য মিত্র দেশের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সেনাসদস্য অবস্থান করছেন।
ইনজারলিক ঘাঁটিতে মার্কিন বিমান বাহিনীর একটি বড় দল থাকলেও তুরস্ক এর আগে স্পষ্ট জানিয়েছিল, ইরানের ওপর কোনো হামলার জন্য তারা তাদের আকাশসীমা ব্যবহার করতে দেবে না।
দুজন মার্কিন কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন, পূর্ব ভূমধ্যসাগরে মোতায়েন করা একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ থেকে ইন্টারসেপ্টর বা প্রতিরোধক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রটি ধ্বংস করা হয়। মার্কিন কর্মকর্তা আরও জানান, মঙ্গলবার দিবাগত মধ্যরাতের ঠিক আগে ইউএসএস অস্কার অস্টিন থেকে ছোঁড়া একটি এসএম-৩ ইন্টারসেপ্টরের আঘাতে ক্ষেপণাস্ত্রটি ধ্বংস হয়।
তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্রটি ধ্বংস করার পর এর অবশিষ্টাংশ সিরিয়া সীমান্তবর্তী তুরস্কের দক্ষিণ-কেন্দ্রীয় প্রদেশ হাতায় পড়েছে। তবে এতে কেউ হতাহত হননি।
তেহরানের ওপর আমেরিকা ও ইসরায়েলি বিমান হামলার প্রতিশোধ হিসেবে ইরান গত কয়েকদিন ধরে পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষকেরা বলছেন, ন্যাটোর সদস্য দেশ তুরস্কের ওপর হামলা এই যুদ্ধকে এক ভয়াবহ মোড়ে নিয়ে যেতে পারে। তুরস্কের সঙ্গে ইরানের প্রায় ৩০০ মাইলের সীমান্ত রয়েছে। ন্যাটোর কোনো সদস্য দেশের ওপর হামলার অর্থ হলো জোটের ‘যৌথ প্রতিরক্ষা অনুচ্ছেদ’ (অনুচ্ছেদ-৫ নামে পরিচিত) সক্রিয় হওয়া, যা ন্যাটোর ৩২টি সদস্য দেশকেই সরাসরি এই যুদ্ধে টেনে আনতে পারে।
ন্যাটো এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ইরান যুদ্ধে যুক্ত হওয়ার ঘোষণা দেয়নি। তবে এক বিবৃতিতে ন্যাটোর মুখপাত্র অ্যালিসন হার্ট তুরস্ককে লক্ষ্যবস্তু করার কঠোর নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘ইরান এই অঞ্চলজুড়ে নির্বিচারে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। ন্যাটো তুরস্কসহ সকল মিত্র দেশের পাশে শক্তভাবে দাঁড়িয়েছে। আমাদের আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাসহ সকল ক্ষেত্রে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অত্যন্ত শক্তিশালী রয়েছে।’
গত মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ব্রাসেলসে জার্মানির এআরডি টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ন্যাটোর মহাসচিব মার্ক রুত্তে বলেছিলেন, ন্যাটোর এই যুদ্ধে সরাসরি জড়ানোর কোনো পরিকল্পনা নেই। তবে তিনি ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক পদক্ষেপের প্রশংসা করেছিলেন।
মার্ক রুত্তে বলেছিলেন, ইরানের পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির সক্ষমতা কমিয়ে আনতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথভাবে যা করছে, তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ন্যাটো মহাসচিব আরও বলেন, জোটগতভাবে কোনো সিদ্ধান্ত না থাকলেও সদস্য দেশগুলো চাইলে ব্যক্তিগতভাবে যুক্তরাষ্ট্রকে সমর্থন বা সহযোগিতা করতে পারে।
এর দুই দিন পরই ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসের কথা জানাল ন্যাটো।
তুরস্কের ওপর এই হামলা ইরান-তুরস্কের দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্কেও বড় ধরনের ফাটল ধরাতে পারে। তুরস্ক এই যুদ্ধ বন্ধে এতদিন গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছিল।
তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন এবং সংঘাত ছড়িয়ে পড়তে পারে এমন যেকোনো পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। এছাড়া, আঙ্কারায় নিযুক্ত ইরানি রাষ্ট্রদূতকে তলব করে তুরস্কের ‘গভীর উদ্বেগ ও তীব্র প্রতিবাদ’ জানানো হয়েছে বলে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আনাদোলু জানিয়েছে।
তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, তারা ন্যাটো মিত্রদের সঙ্গে পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করবে এবং দেশকে যেকোনো হামলা থেকে রক্ষা করবে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আমাদের ভূখণ্ড এবং আকাশসীমা রক্ষায় প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ কোনো দ্বিধা ছাড়াই দৃঢ়ভাবে নেওয়া হবে।’

গণতন্ত্রকে বিবেচনা করা হয় জনগণের ইচ্ছা ও আকাঙ্ক্ষার সর্বোচ্চ প্রতিফলন হিসেবে। জনগণের ম্যান্ডেট বা জনসমর্থনই হলো গণতান্ত্রিক ক্ষমতার মূল উৎস। কিন্তু একুশ শতকের বিশ্ব রাজনীতিতে এই দৃশ্যমান ক্ষমতার সমান্তরালে এক অদৃশ্য শক্তির সরব উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যাকে বলা হয় ‘ডিপ স্টেট’ বা ‘রাষ্ট্রের অভ্যন্ত
১৮ ঘণ্টা আগে
১৯৯২ সালে জাইদি শিয়া মতাদর্শের পুনর্জাগরণ এবং সৌদি আরবের ওয়াহাবি প্রভাব মোকাবিলার জন্য হুসেইন বদরেদ্দীন আল-হুথি 'বিলিভিং ইয়ুথ' নামের একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন।
১ দিন আগে
ট্রান্সআটলান্টিক বা আটলান্টিক পাড়ের দাস ব্যবসাকে ‘মানবতার বিরুদ্ধে সবচেয়ে গুরুতর অপরাধ’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে এবং ক্ষতিপূরণের আহ্বান জানিয়ে জাতিসংঘে একটি প্রস্তাব পাস হয়েছে।
১ দিন আগে
মাইক্রোফোন হাতে তাঁরা একসময় মঞ্চ কাঁপিয়েছেন। শব্দের পর শব্দ সাজিয়ে তুলে ধরেছেন সমাজের নানা অসঙ্গতি। তাঁদের গানের তালে মেতেছে তরুণ প্রজন্ম। সেই র্যাপাররা সামলাচ্ছেন রাষ্ট্রের গুরুদায়িত্ব।
২ দিন আগে