সালেহ ফুয়াদ

জামায়াত ইসলামীর নতুন আমির নির্বাচনের প্রক্রিয়া আগামী নভেম্বরের মধ্যে শেষ করতে চলছে প্রস্তুতি। এরমধ্যে দলটির কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা ৩ প্রার্থীর প্যানেল ‘চূড়ান্ত’ করেছে বলে জানা গেছে। ‘গোপন’ এই প্যানেলের প্রার্থীদের নাম পেয়েছে স্ট্রিম। সেখানে আছেন—বর্তমান আমির ডা. শফিকুর রহমান, নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান ও সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
আমির প্রার্থীদের এই নাম স্ট্রিমকে নিশ্চিত করেছেন জামায়াতের বিভিন্ন এলাকার চারজন রুকন (শপথধারী সদস্য)। অবশ্য গোপন তথ্য জানিয়ে দলটির পক্ষ থেকে এটি নিশ্চিত করা হয়নি।
এবারের আমির নির্বাচনে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম মাছুমকে প্রধান করে নির্বাচন কমিশন গঠন করেছে জামায়াত। প্যানেলে কারা আছেন জানতে চাইলে আজ বুধবার স্ট্রিমকে তিনি বলেন, ‘নামগুলো তো আমাদের ভোটাররা ছাড়া এখন কেউ বলতে পারবেন না। শুধু আমাদের রুকনরাই জানতে পারবেন। ভোটারদের ছাড়া বাইরের কাউকে এগুলো বলছি না আমরা।’
যদিও স্ট্রিমকে জামায়াতের বিভিন্ন এলাকার অন্তত চারজন রুকন আগেই নিশ্চিত করেন, গোপন ভোটের মাধ্যমে ২০২৬-২৮ মেয়াদের জন্য বর্তমান কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা যে তিন সদস্যের প্যানেল চূড়ান্ত করেছে, তাতে জায়গা পেয়েছেন ডা. শফিকুর রহমান, অধ্যাপক মুজিবুর রহমান ও মিয়া গোলাম পরওয়ার।
জামায়াতে ইসলামীর বর্তমান আমির ডা. শফিকুর রহমানের মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী ডিসেম্বরে। এ নিয়ে সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম মাছুম স্ট্রিমকে বলেন, নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই জামায়াত নির্বাচিত আমিরের নাম ঘোষণা করবে।
জানা গেছে, আগামী ১৫ নভেম্বরের মধ্যে আমির নির্বাচনের যাবতীয় কার্যক্রম শেষ করবে দলটি। এরপর ২০২৬-২৮ মেয়াদের জন্য নতুন করে গঠন করা হবে কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা, কর্মপরিষদ ও নির্বাহী পরিষদ। স্ট্রিমকে জামায়াতের একাধিক নেতা জানিয়েছেন, জানুয়ারি থেকে নতুন নেতৃত্বে সংগঠনকে ঢেলে সাজানোর প্রক্রিয়া এরই মধ্যে শুরু হয়ে গেছে।
জামায়াতের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, এক ব্যক্তির একাধিকবার আমির হওয়ার সুযোগ রয়েছে। ফলে বর্তমান আমিরেরও আবার নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ডা. শফিকুর রহমান বর্তমানে দ্বিতীয় মেয়াদে জামায়াতে ইসলামীর আমিরের দায়িত্ব পালন করছেন।
জামায়াতের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী ফোরাম নির্বাহী পরিষদের সদস্য মোবারক হোসাইন স্ট্রিমকে বলেন, আগামী জানুয়ারিতে নতুন আমিরের দায়িত্ব নেওয়ার কথা রয়েছে। দেশের সব জেলার রুকন বা শপথধারী সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে আমির নির্বাচন করে থাকে জামায়াত।
জামায়াতের আমির নির্বাচনের সামগ্রিক কার্যক্রম পরিচালনা করে দলটির নির্বাচনী বিভাগ। এই বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, আমির নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রথমে দলের মজলিসে শুরার সদস্যরা গোপন ব্যালটের মাধ্যমে তিন সদস্যের একটি প্যানেলকে নির্বাচিত করেন। পরে সেই তিন সদস্যের যেকোনো একজনকে সরাসরি ভোট দেন সারা দেশের রুকন সদস্যরা। যোগ্য বিবেচনায় কোনো রুকন চাইলে প্রস্তাবিত তিনজনের বাইরে অন্য কাউকেও ভোট দিতে পারেন। যিনি সর্বোচ্চ ভোট পান, তিনিই পরবর্তী তিন বছরের জন্য আমির নির্বাচিত হন। অর্থাৎ আমির নির্বাচনের আগে দুই ধাপে ভোট হয়। প্রথমবার ভোট দেন জামায়াতের মজলিসে শুরার সদস্যরা। সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া তিনজনকে আমির নির্বাচনের জন্য প্রাথমিকভাবে সামনে আনা হয়। মূলত এই তিনজনই দলীয়ভাবে আমির হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে থাকেন।
জামায়াত ইতোমধ্যে মজলিসে শুরার এই ‘প্রস্তাব’ রুকনদের জানিয়ে দিয়েছে। পরে রুকনদের সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া ব্যক্তিকেই আমির হিসেবে শপথ পাঠ করাবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।
জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের স্ট্রিমকে জানিয়েছেন, বর্তমানে জামায়াতের মজলিসে শুরায় ৩২০ থেকে ৩২৫ জন সদস্য রয়েছেন। আর সারা দেশে রুকন রয়েছেন এক লাখের বেশি। প্রতি তিন মাস অন্তর এই সংখ্যার হালনাগাদ প্রতিবেদন পায় দলটি।

জামায়াত ইসলামীর নতুন আমির নির্বাচনের প্রক্রিয়া আগামী নভেম্বরের মধ্যে শেষ করতে চলছে প্রস্তুতি। এরমধ্যে দলটির কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা ৩ প্রার্থীর প্যানেল ‘চূড়ান্ত’ করেছে বলে জানা গেছে। ‘গোপন’ এই প্যানেলের প্রার্থীদের নাম পেয়েছে স্ট্রিম। সেখানে আছেন—বর্তমান আমির ডা. শফিকুর রহমান, নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান ও সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
আমির প্রার্থীদের এই নাম স্ট্রিমকে নিশ্চিত করেছেন জামায়াতের বিভিন্ন এলাকার চারজন রুকন (শপথধারী সদস্য)। অবশ্য গোপন তথ্য জানিয়ে দলটির পক্ষ থেকে এটি নিশ্চিত করা হয়নি।
এবারের আমির নির্বাচনে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম মাছুমকে প্রধান করে নির্বাচন কমিশন গঠন করেছে জামায়াত। প্যানেলে কারা আছেন জানতে চাইলে আজ বুধবার স্ট্রিমকে তিনি বলেন, ‘নামগুলো তো আমাদের ভোটাররা ছাড়া এখন কেউ বলতে পারবেন না। শুধু আমাদের রুকনরাই জানতে পারবেন। ভোটারদের ছাড়া বাইরের কাউকে এগুলো বলছি না আমরা।’
যদিও স্ট্রিমকে জামায়াতের বিভিন্ন এলাকার অন্তত চারজন রুকন আগেই নিশ্চিত করেন, গোপন ভোটের মাধ্যমে ২০২৬-২৮ মেয়াদের জন্য বর্তমান কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা যে তিন সদস্যের প্যানেল চূড়ান্ত করেছে, তাতে জায়গা পেয়েছেন ডা. শফিকুর রহমান, অধ্যাপক মুজিবুর রহমান ও মিয়া গোলাম পরওয়ার।
জামায়াতে ইসলামীর বর্তমান আমির ডা. শফিকুর রহমানের মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী ডিসেম্বরে। এ নিয়ে সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম মাছুম স্ট্রিমকে বলেন, নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই জামায়াত নির্বাচিত আমিরের নাম ঘোষণা করবে।
জানা গেছে, আগামী ১৫ নভেম্বরের মধ্যে আমির নির্বাচনের যাবতীয় কার্যক্রম শেষ করবে দলটি। এরপর ২০২৬-২৮ মেয়াদের জন্য নতুন করে গঠন করা হবে কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা, কর্মপরিষদ ও নির্বাহী পরিষদ। স্ট্রিমকে জামায়াতের একাধিক নেতা জানিয়েছেন, জানুয়ারি থেকে নতুন নেতৃত্বে সংগঠনকে ঢেলে সাজানোর প্রক্রিয়া এরই মধ্যে শুরু হয়ে গেছে।
জামায়াতের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, এক ব্যক্তির একাধিকবার আমির হওয়ার সুযোগ রয়েছে। ফলে বর্তমান আমিরেরও আবার নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ডা. শফিকুর রহমান বর্তমানে দ্বিতীয় মেয়াদে জামায়াতে ইসলামীর আমিরের দায়িত্ব পালন করছেন।
জামায়াতের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী ফোরাম নির্বাহী পরিষদের সদস্য মোবারক হোসাইন স্ট্রিমকে বলেন, আগামী জানুয়ারিতে নতুন আমিরের দায়িত্ব নেওয়ার কথা রয়েছে। দেশের সব জেলার রুকন বা শপথধারী সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে আমির নির্বাচন করে থাকে জামায়াত।
জামায়াতের আমির নির্বাচনের সামগ্রিক কার্যক্রম পরিচালনা করে দলটির নির্বাচনী বিভাগ। এই বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, আমির নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রথমে দলের মজলিসে শুরার সদস্যরা গোপন ব্যালটের মাধ্যমে তিন সদস্যের একটি প্যানেলকে নির্বাচিত করেন। পরে সেই তিন সদস্যের যেকোনো একজনকে সরাসরি ভোট দেন সারা দেশের রুকন সদস্যরা। যোগ্য বিবেচনায় কোনো রুকন চাইলে প্রস্তাবিত তিনজনের বাইরে অন্য কাউকেও ভোট দিতে পারেন। যিনি সর্বোচ্চ ভোট পান, তিনিই পরবর্তী তিন বছরের জন্য আমির নির্বাচিত হন। অর্থাৎ আমির নির্বাচনের আগে দুই ধাপে ভোট হয়। প্রথমবার ভোট দেন জামায়াতের মজলিসে শুরার সদস্যরা। সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া তিনজনকে আমির নির্বাচনের জন্য প্রাথমিকভাবে সামনে আনা হয়। মূলত এই তিনজনই দলীয়ভাবে আমির হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে থাকেন।
জামায়াত ইতোমধ্যে মজলিসে শুরার এই ‘প্রস্তাব’ রুকনদের জানিয়ে দিয়েছে। পরে রুকনদের সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া ব্যক্তিকেই আমির হিসেবে শপথ পাঠ করাবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।
জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের স্ট্রিমকে জানিয়েছেন, বর্তমানে জামায়াতের মজলিসে শুরায় ৩২০ থেকে ৩২৫ জন সদস্য রয়েছেন। আর সারা দেশে রুকন রয়েছেন এক লাখের বেশি। প্রতি তিন মাস অন্তর এই সংখ্যার হালনাগাদ প্রতিবেদন পায় দলটি।

জুলাই অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের দিন থেকে পরবর্তী কয়েকদিনে দেশে দেড় হাজারের বেশি ভাস্কর্য ও স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। ক্ষতিগ্রস্ত এসব স্থাপনা পুনর্নির্মাণ করেনি অন্তর্বর্তী সরকার।
৪ দিন আগে
ঢাকা উত্তর এবং দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে প্রার্থী হতে দৌড়ঝাঁপ চালাচ্ছেন বিএনপির হাফ ডজন নেতা। তাদের মধ্যে সরকারের এক প্রতিমন্ত্রী, সাবেক মেয়র প্রার্থী, সংসদ সদস্য ছাড়াও একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা রয়েছেন।
৬ দিন আগে
গ্রামের কৃষিকাজ, দিনমজুরি বা ইটভাটার মতো শ্রমসাধ্য পেশা ছেড়ে রাজধানীমুখী হচ্ছেন। ‘কষ্ট কম, আয় বেশি’– এই আশায় সরাসরি মোটরযুক্ত রিকশা বা ইজিবাইকের চালকের আসনে বসছেন।
৮ দিন আগে
সারা দেশে ৭৫টি কারাগারে বর্তমানে ৭৭ হাজার বন্দি রয়েছেন। তাদের জন্য ঈদুল ফিতরের দিন বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা করেছে কারা কর্তৃপক্ষ।
১০ দিন আগে