স্ট্রিম প্রতিবেদক

দেশের বাজারে আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম। টানা পাঁচ দফা মূল্যবৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় ভরিতে এক লাফে সর্বোচ্চ ৫ হাজার ৪২৪ টাকা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) । সোমবার (২ মার্চ) নেওয়া এ সিদ্ধান্ত অনুযায়ীই নতুন দামে বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ।
নতুন নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৭৪ হাজার ১০৪ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৬৬ হাজার ৪৬৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৪ হাজার ২৬৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৮৩ হাজার ৫৩৯ টাকা।
বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, নির্ধারিত বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে বাধ্যতামূলকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার নকশা ও মানভেদে মজুরির হার কম-বেশি হতে পারে।
এর আগে সর্বশেষ ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ৬৫ হাজার ৪১৪ টাকা। তখন ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ছিল ২ লাখ ৫৩ হাজার ৩৪২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ২ লাখ ১৭ হাজার ১২৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ছিল ১ লাখ ৭৭ হাজার ৭০১ টাকা। ওই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয় সেদিন সকাল সাড়ে ১০টা থেকে।
চলতি বছরে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ৩৫ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৩ দফা দাম বাড়ানো হয়েছে এবং ১২ দফা কমানো হয়েছে। আর ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যার মধ্যে ৬৪ বার বাড়ানো এবং ২৯ বার কমানো হয়।
বিশ্লেষকরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা, ডলারের বিনিময় হার ও আমদানি ব্যয়ের প্রভাব দেশীয় বাজারেও প্রতিফলিত হচ্ছে। ফলে স্বর্ণের দামে ঘনঘন সমন্বয় অব্যাহত রয়েছে।

দেশের বাজারে আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম। টানা পাঁচ দফা মূল্যবৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় ভরিতে এক লাফে সর্বোচ্চ ৫ হাজার ৪২৪ টাকা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) । সোমবার (২ মার্চ) নেওয়া এ সিদ্ধান্ত অনুযায়ীই নতুন দামে বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ।
নতুন নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৭৪ হাজার ১০৪ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৬৬ হাজার ৪৬৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৪ হাজার ২৬৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৮৩ হাজার ৫৩৯ টাকা।
বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, নির্ধারিত বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে বাধ্যতামূলকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার নকশা ও মানভেদে মজুরির হার কম-বেশি হতে পারে।
এর আগে সর্বশেষ ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ৬৫ হাজার ৪১৪ টাকা। তখন ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ছিল ২ লাখ ৫৩ হাজার ৩৪২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ২ লাখ ১৭ হাজার ১২৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ছিল ১ লাখ ৭৭ হাজার ৭০১ টাকা। ওই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয় সেদিন সকাল সাড়ে ১০টা থেকে।
চলতি বছরে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ৩৫ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৩ দফা দাম বাড়ানো হয়েছে এবং ১২ দফা কমানো হয়েছে। আর ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যার মধ্যে ৬৪ বার বাড়ানো এবং ২৯ বার কমানো হয়।
বিশ্লেষকরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা, ডলারের বিনিময় হার ও আমদানি ব্যয়ের প্রভাব দেশীয় বাজারেও প্রতিফলিত হচ্ছে। ফলে স্বর্ণের দামে ঘনঘন সমন্বয় অব্যাহত রয়েছে।

দেশের বাজারে টানা সাত দফা দাম কমার পর শনিবার এক দিনেই দুই দফায় স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে। মাত্র ছয় ঘণ্টার ব্যবধানে দ্বিতীয়বারের মতো দাম বাড়িয়ে নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।
৮ ঘণ্টা আগে
গত এক দশকে (২০১৩-২০২২) আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের আড়ালে বাংলাদেশ থেকে প্রায় ৬৮ দশমিক ৩ বিলিয়ন (৬ হাজার ৮৩০ কোটি) ডলার পাচার হয়েছে। দেশীয় মুদ্রায় বর্তমান বাজারদরে (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে) যার পরিমাণ প্রায় ৮ লাখ ৩৩ হাজার কোটি টাকা।
১৩ ঘণ্টা আগে
চলতি অর্থবছরে আয়কর রিটার্ন জমার সময় শেষ হচ্ছে আগামী ৩১ মার্চ। এখন পর্যন্ত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ই-রিটার্ন সিস্টেমে নিবন্ধন করা ৫০ লাখ করদাতার মধ্যে ৪১ লাখ ৫০ হাজারের বেশি রিটার্ন জমা পড়েছে। এ ছাড়া রিটার্ন দাখিলের সময় বাড়াতে অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়ায়ও ভালো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে বলে জানিয়েছে এনবিআর।
২০ ঘণ্টা আগে
সরকার জ্বালানি তেলের সরবরাহ ঠিক আছে বললেও পাম্প মালিকরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাদের ভাষ্য, চাহিদা বাড়লেও ২০২৫ সালে যেই হারে পাম্পগুলো তেল পেত তাই সরবরাহ করা হচ্ছে। অথচ এক বছরে তেলের চাহিদা বেড়েছে। এর সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় ক্রেতাদের মধ্যে বেশি তেল সংগ্রহের প্রবণতা তৈরি
২১ ঘণ্টা আগে