স্ট্রিম প্রতিবেদক

২০২৪-২৫ অর্থবছরের চতুর্থ প্রান্তিকে তৈরি পোশাক রপ্তানি আয় তৃতীয় প্রান্তিকের তুলনায় ১১ দশমিক ৯২ শতাংশ কমেছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
আজ বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘কোয়ার্টারলি রিভিউ অব রেডিমেড গার্মেন্টস: এপ্রিল-জুন অর্থবছর ২০২৫’ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
চতুর্থ প্রান্তিক অর্থাৎ এপ্রিল থেকে জুন মাসে, তৈরি পোশাক খাত থেকে রপ্তানি আয় হয়েছে ৯ দশমিক ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা তৃতীয় প্রান্তিকের ১০ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারের তুলনায় ১১ দশমিক ৯২ শতাংশ কম।
তবে চতুর্থ প্রান্তিকে আয় আগের অর্থবছরের একই সময়ের ৮ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলারের তুলনায় ৩ দশমিক ১৫ শতাংশ বেশি। গত কয়েক মাস ধরে বহির্বিশ্বের বিভিন্ন বাণিজ্যিক বাধা রপ্তানিকে প্রভাবিত করছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
চতুর্থ প্রান্তিকে তৈরি পোশাক খাতে প্রকৃত রপ্তানি আয় ছিল ৫ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার, যা মোট রপ্তানি আয়ের ৫৬ দশমিক ৭৮ শতাংশ।
চলতি বছরের এপ্রিল থেকে জুনে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানির প্রধান গন্তব্য ছিল যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, যুক্তরাজ্য, স্পেন, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস, ইতালি, কানাডা ও বেলজিয়াম।
এই ৯টি দেশে রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৬ দশমিক ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা এ সময়ের মোট রপ্তানি আয়ের ৭১ দশমিক ৮৯ শতাংশ।
২০২৪-২৫ অর্থবছরে তৈরি পোশাক রপ্তানি আয় ২০২৩-২৪ অর্থবছরের তুলনায় ৮ দশমিক ৯০ শতাংশ বেড়েছে। এই অর্থবছরে দেশের জিডিপিতে তৈরি পোশাক খাতের অবদান ছিল ৮ দশমিক ৫২ শতাংশ।

২০২৪-২৫ অর্থবছরের চতুর্থ প্রান্তিকে তৈরি পোশাক রপ্তানি আয় তৃতীয় প্রান্তিকের তুলনায় ১১ দশমিক ৯২ শতাংশ কমেছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
আজ বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘কোয়ার্টারলি রিভিউ অব রেডিমেড গার্মেন্টস: এপ্রিল-জুন অর্থবছর ২০২৫’ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
চতুর্থ প্রান্তিক অর্থাৎ এপ্রিল থেকে জুন মাসে, তৈরি পোশাক খাত থেকে রপ্তানি আয় হয়েছে ৯ দশমিক ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা তৃতীয় প্রান্তিকের ১০ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারের তুলনায় ১১ দশমিক ৯২ শতাংশ কম।
তবে চতুর্থ প্রান্তিকে আয় আগের অর্থবছরের একই সময়ের ৮ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলারের তুলনায় ৩ দশমিক ১৫ শতাংশ বেশি। গত কয়েক মাস ধরে বহির্বিশ্বের বিভিন্ন বাণিজ্যিক বাধা রপ্তানিকে প্রভাবিত করছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
চতুর্থ প্রান্তিকে তৈরি পোশাক খাতে প্রকৃত রপ্তানি আয় ছিল ৫ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার, যা মোট রপ্তানি আয়ের ৫৬ দশমিক ৭৮ শতাংশ।
চলতি বছরের এপ্রিল থেকে জুনে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানির প্রধান গন্তব্য ছিল যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, যুক্তরাজ্য, স্পেন, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস, ইতালি, কানাডা ও বেলজিয়াম।
এই ৯টি দেশে রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৬ দশমিক ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা এ সময়ের মোট রপ্তানি আয়ের ৭১ দশমিক ৮৯ শতাংশ।
২০২৪-২৫ অর্থবছরে তৈরি পোশাক রপ্তানি আয় ২০২৩-২৪ অর্থবছরের তুলনায় ৮ দশমিক ৯০ শতাংশ বেড়েছে। এই অর্থবছরে দেশের জিডিপিতে তৈরি পোশাক খাতের অবদান ছিল ৮ দশমিক ৫২ শতাংশ।

দেশের বাজারে টানা সাত দফা দাম কমার পর শনিবার এক দিনেই দুই দফায় স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে। মাত্র ছয় ঘণ্টার ব্যবধানে দ্বিতীয়বারের মতো দাম বাড়িয়ে নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।
১১ ঘণ্টা আগে
গত এক দশকে (২০১৩-২০২২) আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের আড়ালে বাংলাদেশ থেকে প্রায় ৬৮ দশমিক ৩ বিলিয়ন (৬ হাজার ৮৩০ কোটি) ডলার পাচার হয়েছে। দেশীয় মুদ্রায় বর্তমান বাজারদরে (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে) যার পরিমাণ প্রায় ৮ লাখ ৩৩ হাজার কোটি টাকা।
১৬ ঘণ্টা আগে
চলতি অর্থবছরে আয়কর রিটার্ন জমার সময় শেষ হচ্ছে আগামী ৩১ মার্চ। এখন পর্যন্ত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ই-রিটার্ন সিস্টেমে নিবন্ধন করা ৫০ লাখ করদাতার মধ্যে ৪১ লাখ ৫০ হাজারের বেশি রিটার্ন জমা পড়েছে। এ ছাড়া রিটার্ন দাখিলের সময় বাড়াতে অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়ায়ও ভালো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে বলে জানিয়েছে এনবিআর।
১ দিন আগে
সরকার জ্বালানি তেলের সরবরাহ ঠিক আছে বললেও পাম্প মালিকরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাদের ভাষ্য, চাহিদা বাড়লেও ২০২৫ সালে যেই হারে পাম্পগুলো তেল পেত তাই সরবরাহ করা হচ্ছে। অথচ এক বছরে তেলের চাহিদা বেড়েছে। এর সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় ক্রেতাদের মধ্যে বেশি তেল সংগ্রহের প্রবণতা তৈরি
১ দিন আগে