স্ট্রিম প্রতিবেদক

ভ্যাট অডিট প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে প্রথমবারের মতো সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে ৬০০টি প্রতিষ্ঠানকে অডিটের জন্য নির্বাচন করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। ই-ভ্যাট সিস্টেমে নতুনভাবে সংযোজিত ‘অটোমেটেড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট মডিউল’ ব্যবহারের মাধ্যমে এই নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এনবিআর জানায়, নতুন এই পদ্ধতিতে ২০টি সুনির্দিষ্ট ‘রিস্ক ক্রাইটেরিয়া’ বা ঝুঁকির মানদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে। ঝুঁকির ব্যাপকতা বিবেচনা করে এসব মানদণ্ডের ওপর ভিত্তি করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি ওয়েটেজ দেওয়া হয়। এই প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের ম্যানুয়াল বা মানুষের হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই। করদাতা এবং সুশীল সমাজের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে অডিট নির্বাচন প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ ও বিতর্কমুক্ত করতে এই উদ্যোগ নিয়েছে সংস্থাটি।
প্রাথমিকভাবে যে ৬০০টি প্রতিষ্ঠান নির্বাচন করা হয়েছে, তার তালিকা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। এর মধ্যে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ৪০৫টি, সেবাপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ৯৮টি, খুচরা ও পাইকারি বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান ৬৫টি এবং ৩২টি আমদানিকারক ও রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড আশা করছে, এই স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থার ফলে ভ্যাট ব্যবস্থাপনা আরও করদাতা বান্ধব হবে। এর মাধ্যমে একদিকে যেমন স্বচ্ছতা ও কার্যকারিতা বৃদ্ধি পাবে, অন্যদিকে রাজস্ব ফাঁকি রোধ করাও সহজ হবে। সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, বর্তমান পদ্ধতিতে অডিট কার্যক্রম সম্পন্ন করার পর যদি কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পাওয়া না যায়, তবে ভবিষ্যতে ঝুঁকির মানদণ্ড (রিস্ক ক্রাইটেরিয়া) এবং ওয়েটেজ পরিবর্তন বা পরিমার্জন করা হবে।
স্বয়ংক্রিয় এই অডিট ব্যবস্থা চালুর মাধ্যমে বাংলাদেশের ভ্যাট প্রশাসনে এক নতুন যুগের সূচনা হলো বলে মনে করছে এনবিআর।

ভ্যাট অডিট প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে প্রথমবারের মতো সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে ৬০০টি প্রতিষ্ঠানকে অডিটের জন্য নির্বাচন করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। ই-ভ্যাট সিস্টেমে নতুনভাবে সংযোজিত ‘অটোমেটেড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট মডিউল’ ব্যবহারের মাধ্যমে এই নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এনবিআর জানায়, নতুন এই পদ্ধতিতে ২০টি সুনির্দিষ্ট ‘রিস্ক ক্রাইটেরিয়া’ বা ঝুঁকির মানদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে। ঝুঁকির ব্যাপকতা বিবেচনা করে এসব মানদণ্ডের ওপর ভিত্তি করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি ওয়েটেজ দেওয়া হয়। এই প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের ম্যানুয়াল বা মানুষের হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই। করদাতা এবং সুশীল সমাজের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে অডিট নির্বাচন প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ ও বিতর্কমুক্ত করতে এই উদ্যোগ নিয়েছে সংস্থাটি।
প্রাথমিকভাবে যে ৬০০টি প্রতিষ্ঠান নির্বাচন করা হয়েছে, তার তালিকা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। এর মধ্যে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ৪০৫টি, সেবাপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ৯৮টি, খুচরা ও পাইকারি বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান ৬৫টি এবং ৩২টি আমদানিকারক ও রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড আশা করছে, এই স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থার ফলে ভ্যাট ব্যবস্থাপনা আরও করদাতা বান্ধব হবে। এর মাধ্যমে একদিকে যেমন স্বচ্ছতা ও কার্যকারিতা বৃদ্ধি পাবে, অন্যদিকে রাজস্ব ফাঁকি রোধ করাও সহজ হবে। সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, বর্তমান পদ্ধতিতে অডিট কার্যক্রম সম্পন্ন করার পর যদি কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পাওয়া না যায়, তবে ভবিষ্যতে ঝুঁকির মানদণ্ড (রিস্ক ক্রাইটেরিয়া) এবং ওয়েটেজ পরিবর্তন বা পরিমার্জন করা হবে।
স্বয়ংক্রিয় এই অডিট ব্যবস্থা চালুর মাধ্যমে বাংলাদেশের ভ্যাট প্রশাসনে এক নতুন যুগের সূচনা হলো বলে মনে করছে এনবিআর।

চলমান জ্বালানি সংকটে চাষিরা ঠিকমতো সেচ দিতে পারছেন না। তাদের অভিযোগ, অনেক সেচ পাম্প বন্ধ হয়ে গেছে। যেগুলো চালু, সেখানেও সেচ দিতে বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে। এতে বোরো মৌসুমের উৎপাদন ব্যাহতের আশঙ্কা করছেন তারা।
৯ ঘণ্টা আগে
ভোক্তা পর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম একলাফে ৩৮৭ টাকা বাড়িয়ে এক হাজার ৭২৮ টাকা করা হয়েছে।
১ দিন আগে
দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত আছে বলে দাবি করেছেন জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী।
২ দিন আগে
সদ্য বিদায়ী মার্চে প্রবাসী আয়ে (রেমিট্যান্স) নতুন রেকর্ড হয়েছে। এই মাসে দেশে ৩ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন বা ৩৭৫ কোটি মার্কিন ডলারের (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৪৬ হাজার ১১৬ কোটি ৪৫ লাখ টাকা) প্রবাসী আয় এসেছে, যা এযাবৎকালের সর্বোচ্চ।
২ দিন আগে