স্ট্রিম প্রতিবেদক

সদ্য বিদায়ী মার্চে প্রবাসী আয়ে (রেমিট্যান্স) নতুন রেকর্ড হয়েছে। এই মাসে দেশে ৩ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন বা ৩৭৫ কোটি মার্কিন ডলারের (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৪৬ হাজার ১১৬ কোটি ৪৫ লাখ টাকা) প্রবাসী আয় এসেছে, যা এযাবৎকালের সর্বোচ্চ। এই আয় গত বছরের মার্চে আসা প্রবাসী আয়ের তুলনায় ১৪ শতাংশ বেশি।
দেশে রমজানের ঈদ এবং মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধের কারণে বাংলাদেশের প্রবাসী নাগরিকেরা বেশি করে অর্থ পাঠিয়েছেন। তাতে দেশে কোনো এক মাসে প্রবাসী আয়ের নতুন রেকর্ড হয়। যুদ্ধের তীব্রতা বাড়লেও এখন পর্যন্ত প্রবাসী আয় আসার গতি সন্তোষজনক পর্যায়ে রয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, দেশের ইতিহাসে এর আগে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয় এসেছিল গত বছরের মার্চে। তখন প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছিলেন মোট ৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ৩০ হাজার ডলার। সে তুলনায় এবারের মার্চে প্রবাসী আয় ১৪ শতাংশ বেশি এসেছে।
তৃতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় এসেছিল গত বছরের ডিসেম্বর মাসে। ওই মাসে দেশে আসে ৩২২ কোটি ৬৬ লাখ ডলার। চতুর্থ সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আসে এ বছরের জানুয়ারিতে। ওই মাসে প্রবাসী আয়ের পরিমাণ ছিল ৩১৭ কোটি মার্কিন ডলার।
এদিকে, মধ্যপ্রাচ্য সংকটের কারণে প্রবাসী আয় হিসেবে পাঠানো মার্কিন ডলারের দাম বেশি পাওয়া যাচ্ছে। কারণ, এই সংকটজনক পরিস্থিতিতে স্থানীয় টাকার বিপরীতে ডলারের বিনিময় হার বৃদ্ধি পেয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংকটের কারণে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও বড় প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাই যুদ্ধের সম্ভাব্য ধাক্কা সামলাতে বাংলাদেশ ব্যাংককে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ তথা মজুত ধরে রাখার পরামর্শ দিয়েছেন দেশের খ্যাতনামা আটজন অর্থনীতিবিদ।
অর্থনীতিবিদরা বলেছেন, সংকট কতটা হবে, তা এখনো পরিষ্কার নয়। বৈশ্বিক সংকট দেখা দিলে রিজার্ভ ও ডলারের ওপর চাপ আসবে। তাই রিজার্ভ ধরে রাখতে হবে। এ ছাড়া সুদহার কমাতে এখনই নীতি সুদহারে হাত দেওয়া ঠিক হবে না। আসন্ন চাপ কেটে গেলে বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য ব্যাংকের ঋণের সুদের হার কমানোর উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে।

সদ্য বিদায়ী মার্চে প্রবাসী আয়ে (রেমিট্যান্স) নতুন রেকর্ড হয়েছে। এই মাসে দেশে ৩ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন বা ৩৭৫ কোটি মার্কিন ডলারের (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৪৬ হাজার ১১৬ কোটি ৪৫ লাখ টাকা) প্রবাসী আয় এসেছে, যা এযাবৎকালের সর্বোচ্চ। এই আয় গত বছরের মার্চে আসা প্রবাসী আয়ের তুলনায় ১৪ শতাংশ বেশি।
দেশে রমজানের ঈদ এবং মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধের কারণে বাংলাদেশের প্রবাসী নাগরিকেরা বেশি করে অর্থ পাঠিয়েছেন। তাতে দেশে কোনো এক মাসে প্রবাসী আয়ের নতুন রেকর্ড হয়। যুদ্ধের তীব্রতা বাড়লেও এখন পর্যন্ত প্রবাসী আয় আসার গতি সন্তোষজনক পর্যায়ে রয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, দেশের ইতিহাসে এর আগে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয় এসেছিল গত বছরের মার্চে। তখন প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছিলেন মোট ৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ৩০ হাজার ডলার। সে তুলনায় এবারের মার্চে প্রবাসী আয় ১৪ শতাংশ বেশি এসেছে।
তৃতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় এসেছিল গত বছরের ডিসেম্বর মাসে। ওই মাসে দেশে আসে ৩২২ কোটি ৬৬ লাখ ডলার। চতুর্থ সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আসে এ বছরের জানুয়ারিতে। ওই মাসে প্রবাসী আয়ের পরিমাণ ছিল ৩১৭ কোটি মার্কিন ডলার।
এদিকে, মধ্যপ্রাচ্য সংকটের কারণে প্রবাসী আয় হিসেবে পাঠানো মার্কিন ডলারের দাম বেশি পাওয়া যাচ্ছে। কারণ, এই সংকটজনক পরিস্থিতিতে স্থানীয় টাকার বিপরীতে ডলারের বিনিময় হার বৃদ্ধি পেয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংকটের কারণে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও বড় প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাই যুদ্ধের সম্ভাব্য ধাক্কা সামলাতে বাংলাদেশ ব্যাংককে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ তথা মজুত ধরে রাখার পরামর্শ দিয়েছেন দেশের খ্যাতনামা আটজন অর্থনীতিবিদ।
অর্থনীতিবিদরা বলেছেন, সংকট কতটা হবে, তা এখনো পরিষ্কার নয়। বৈশ্বিক সংকট দেখা দিলে রিজার্ভ ও ডলারের ওপর চাপ আসবে। তাই রিজার্ভ ধরে রাখতে হবে। এ ছাড়া সুদহার কমাতে এখনই নীতি সুদহারে হাত দেওয়া ঠিক হবে না। আসন্ন চাপ কেটে গেলে বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য ব্যাংকের ঋণের সুদের হার কমানোর উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে।

চলমান জ্বালানি সংকটে চাষিরা ঠিকমতো সেচ দিতে পারছেন না। তাদের অভিযোগ, অনেক সেচ পাম্প বন্ধ হয়ে গেছে। যেগুলো চালু, সেখানেও সেচ দিতে বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে। এতে বোরো মৌসুমের উৎপাদন ব্যাহতের আশঙ্কা করছেন তারা।
৯ ঘণ্টা আগে
ভোক্তা পর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম একলাফে ৩৮৭ টাকা বাড়িয়ে এক হাজার ৭২৮ টাকা করা হয়েছে।
১ দিন আগে
দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত আছে বলে দাবি করেছেন জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী।
২ দিন আগে
ভ্যাট অডিট প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে প্রথমবারের মতো সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে ৬০০টি প্রতিষ্ঠানকে অডিটের জন্য নির্বাচন করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। ই-ভ্যাট সিস্টেমে নতুনভাবে সংযোজিত ‘অটোমেটেড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট মডিউল’ ব্যবহারের মাধ্যমে এই নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়
২ দিন আগে