৩৬ জুলাই উদযাপনএনসিপির একদল কক্সবাজারে, আরেকদল জুলাই ঘোষণাপত্র অনুষ্ঠানেআজ ঐতিহাসিক ‘৩৬ জুলাই’। গত বছরের এই দিন ক্ষমতা ছেড়ে ভারত চলে যান তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিজয় হয় ছাত্র-জনতার। পরে এই দিনটিকে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ ঘোষণা করে অন্তর্বর্তী সরকার।
জুলাই ঘোষণাপত্র ও সনদ নিয়ে কী ভাবছেন শিক্ষক, সমাজবিজ্ঞানী সামিনা লুৎফাগত এক বছরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিসরে সবচেয়ে বেশি আলোচিত বিষয় জুলাই ঘোষণাপত্র ও জুলাই সনদ। জুলাই গণ-অভ্যুত্থান, জাতীয় ঐকমত্য কমিশন, জুলাই ঘোষণাপত্র ও সনদসহ নানা বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞানের অধ্যাপক সামিনা লুৎফার বক্তব্য শুনুন স্ট্রিম প্লে-তে।
৩৬ জুলাই উদযাপনমানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে জড়ো হচ্ছে মানুষসকাল সাতটায় মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে এসেছেন রেখা বেগম। সঙ্গে এনেছেন বারো বছর বয়সী ছেলে সুলাইমানকে। সুলাইমানের এক পা ভালো হলেও অন্য পায়ে ইলিজারভ ফ্রেম (ভাঙা হাড় সোজা রাখা ও জোড়া লাগাতে ব্যবহৃত যন্ত্র) লাগানো।
‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ পাঠ করবেন প্রধান উপদেষ্টাঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তির দিন, ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে দিনব্যাপী কর্মসূচি হাতে নিয়েছে সরকার। এদিনই রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে বিকেল ৫টায় রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিনিধি, জুলাই শহীদ পরিবারের প্রতিনিধি ও আহত যোদ্ধাদের উপস্থিতিতে ঐতিহাসিক ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ পাঠ করবেন প্রধান উপদেষ্টা।
৫ আগস্ট সন্ধ্যায় মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ পাঠআগামী ৫ আগস্ট মঙ্গলবার বিকাল ৫টায় জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে চূড়ান্ত ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ পাঠের আয়োজন করছে সরকার। সরকারের প্রেস ইনফরমেশন ডিপার্টমেন্ট (পিআইডি) থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
৫ আগস্ট বিকেল পাঁচটায় জুলাই ঘোষণাপত্র উপস্থাপিত হবে: প্রেস সচিবজুলাই ঘোষণাপত্র এখন বাস্তবতা। ৫ই আগস্টের মধ্যেই তা ঘোষিত হবে। ঘোষণাপত্র ইস্যুকে গণ–আকাঙ্ক্ষায় বাঁচিয়ে রেখে এটা বাস্তবায়নের পথ সুগম করার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ।