ওলিউর রহমান

আজ ১৭ রমজান। বদর দিবস। ইসলামের ইতিহাসের প্রথম এবং সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ বদর যুদ্ধ। দ্বিতীয় হিজরির রমজান মাসে এ যুদ্ধ হয়। রাসূলুল্লাহ (সা.) ৩১৩ সাহাবীর অতি সাধারণ এক বাহিনী নিয়ে বদর প্রান্তরে মক্কা থেকে আগত এক হাজার অস্ত্রসজ্জিত সেনাদলের মুখোমুখি হন। আল্লাহর সাহায্য এবং রাসূলুল্লাহর (সা.) সুপরিকল্পিত রণকৌশলে মুসলমানরা এ যুদ্ধে বিজয় লাভ করে।
আবু জাহেল, উৎবা, শায়বাসহ কাফেরদের সম্মুখসারির নেতারা নিহত হয়। পরাজিত কোরাইশ বাহিনীর ৭০ কাফের বন্দি হন। বদর যুদ্ধে আল্লাহর সাহায্য, রাসূলুল্লাহর (সা.) রণকৌশল এবং সাহাবায়ে-কেরামের আত্মত্যাগ প্রসঙ্গে নানামাত্রিক আলোচনা হয়। তবে যুদ্ধবন্দিদের সঙ্গে রাসূলুল্লাহ (সা.) যে সদাচারের পরাকাষ্ঠা প্রদর্শন করেছিলেন, তা খুবই কম আলোচিত হয়। আজকের লেখায় আমরা রাসূলুল্লাহর (সা.) চারিত্রিক মহানুভবতার এই অসাধারণ গুণটি নিয়ে আলোচনা করব।
গোত্রের চাপে নিতান্ত বাধ্য হয়ে যারা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন, যুদ্ধের আগেই তাদের হত্যা করা থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছিলেন রাসূলুল্লাহ (সা.)। এদের মধ্যে ছিলেন রাসূলুল্লাহর (সা.) চাচা আব্বাস, নওফেল ইবনে হারিস ও উকাইল ইবনে আবু তালিব। তারা গোত্রের সঙ্গে রণাঙ্গনে এলেও যুদ্ধক্ষেত্রে নিষ্ক্রিয় ছিলেন।
তখন প্রচলন ছিল যুদ্ধবন্দিদের দাস বানিয়ে যোদ্ধাদের মধ্যে বণ্টন। কিন্তু রাসূলুল্লাহ (সা.) বদরের যুদ্ধবন্দিদের কাউকেই দাস বানাননি। বরং মুক্তিপণের বিনিময়ে প্রত্যেককে মুক্ত করে দিয়েছিলেন। এমনকি যারা মুক্তিপণের অর্থ পরিশোধ করতে অপারগ ছিল, তাদেরও ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল।
বদর থেকে মদিনা পর্যন্ত পথ বন্দিদের নিয়ে আসার সময় মুসলমানরা তাদের বাহনে চড়িয়ে নিজেরা হেঁটে পথ অতিক্রম করেছিলেন। যুদ্ধবন্দি কোরাইশ সর্দার ওয়ালিদ ইবনে ওয়ালিদ বিস্মিত হয়ে বলেছিলেন, ‘এ কেমন মহানুভবতা! তারা নিজেরা হেঁটে আমাদের বাহনে চড়তে দিচ্ছে!’
বন্দিদের সঙ্গে বংশীয় আভিজাত্য বা প্রতিপত্তির বিবেচনায় কোনো বৈষম্য করা হয়নি। বরং ধনী-নির্ধন নির্বিশেষে সব বন্দিই সমান সদাচার পেয়েছেন।
একদিন রাতে রাসূলুল্লাহ (সা.) যুদ্ধবন্দি চাচা আব্বাসের (রা.) গোঙানির আওয়াজ শুনতে পেলেন। এতে তিনি অস্থির হয়ে পড়েন। সাহাবায়ে কেরাম রাসূলুল্লাহর (সা.) অস্থিরতা লক্ষ্য করে আব্বাসের (রা.) বাঁধন ঢিলে করে দেন। কিন্তু আত্মীয় বলে বাড়তি সমাদর নবীজী পছন্দ করেননি। তিনি নির্দেশ দেন, সব বন্দির বাঁধনই ঢিলে করে দিতে।
রাসূলুল্লাহ (সা.) বন্দিদের প্রতি নিজে কোমলতা দেখিয়েই ক্ষান্ত হননি; বরং সাহাবায়ে কেরামকে নির্দেশ দিয়েছিলেন, তোমরা বন্দিদের কল্যাণকে প্রাধান্য দেবে।
বদরের বন্দিদের কোনো জেলখানায় বন্দি করে রাখা হয়নি। বরং মদিনার আনসারদের মধ্যে একেকজন বন্দিকে বণ্টন করে দেওয়া হয়েছিল, যাতে তারা নিজেদের ঘরে তাদের আশ্রয় দেন। আনসার সাহাবিরা রাসূলুল্লাহর (সা.) নির্দেশ এমনভাবে বাস্তবায়ন করেছিলেন যে, তারা নিজেরা যা খেতেন বন্দিদেরও তাই দিতেন। এমনকি নিজেদের পোশাক পর্যন্ত বন্দিদের ব্যবহার করতে দিতেন।
যুদ্ধবন্দি কোরাইশ সর্দার আবু উযাইর ইবনে উমাইর বলেন, ‘আমি মদিনার এক আনসারির বাড়িতে বন্দি ছিলাম। রাসূলুল্লাহর (সা.) নির্দেশ পালনে তারা সকাল-সন্ধ্যা নিজেরা খেজুর খেয়ে আমাকে রুটি খেতে দিতেন। লজ্জায় আমি রুটি ফিরিয়ে দিলে তারা জোর করেই আমাকে তা খাওয়াতেন।’
বন্দিদের কাছ থেকে মুক্তিপণ নেওয়ার ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ (সা.) কোনো কঠোরতা অবলম্বন করেননি। মুক্তিপণের সর্বোচ্চ পরিমাণ ছিল চার হাজার দিরহাম; কিন্তু সর্বনিম্নের কোনো নির্দিষ্ট সীমা ছিল না।
মুত্তালিব ইবনে হানতাব কিছুদিন মুসলমানদের হাতে বন্দি ছিলেন। যখন তাঁর জন্য কোনো মুক্তিপণ আসেনি, তখন আবু আইয়ুব আনসারী (রা.) তাঁর সঙ্গে শর্ত করেন— তিনি কিছুদিন তার বাগানে কাজ করবেন, এরপর মুক্ত করে দেওয়া হবে।
সাইফি ইবনে আবি সাইফিকে মুক্তি দেওয়া হয় এই প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে যে, তিনি মক্কা থেকে মুক্তিপণ পাঠাবেন। পরে তিনি প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেন। যদিও রাসূলুল্লাহ (সা.) অনুমান করেছিলেন, সম্ভবত সে কিছু পাঠাবে না। তবুও তাঁকে মুক্ত করে দিয়েছিলেন।
আবার কিছু বন্দির কাছ থেকে মুক্তিপণ পাওয়ার কোনো আশা ছিল না। তখন রাসূলুল্লাহ (সা.) তাদের বললেন— তারা যেন মুসলমানদের ১০ জন শিশুকে পড়ালেখা শেখায়। এটিই তাদের মুক্তিপণ হিসেবে গণ্য হবে।
বদর যুদ্ধ কেবল একটি সামরিক বিজয়ের ঘটনা নয়; এটি মানবতা, ন্যায়নীতি ও মহান চরিত্রেরও এক অনন্য দৃষ্টান্ত। শত্রুদের সঙ্গে যুদ্ধক্ষেত্রে কঠোর হলেও যুদ্ধশেষে বন্দিদের সঙ্গে যে অসাধারণ দয়া, সহমর্মিতা ও মানবিক আচরণ রাসূলুল্লাহ (সা.) প্রদর্শন করেছিলেন, তা মানব ইতিহাসে বিরল।
একটি সময় ছিল, যখন যুদ্ধবন্দিদের হত্যা করা, দাসে পরিণত করা কিংবা কঠোর শ্রমে বাধ্য করা ছিল সাধারণ প্রথা। সেই যুগেই রাসূলুল্লাহ (সা.) বন্দিদের সম্মান, নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিশ্চিত করেছিলেন।
এ থেকে স্পষ্ট— ইসলাম কেবল যুদ্ধের বিধান দেয়নি; বরং যুদ্ধের মধ্যেও মানবতা, ন্যায় ও করুণার সর্বোচ্চ মানদণ্ড স্থাপন করেছে। বদরের যুদ্ধবন্দিদের প্রতি রাসূলুল্লাহর (সা.) আচরণ সেই মহান আদর্শের উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে ইতিহাসে চিরদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

আজ ১৭ রমজান। বদর দিবস। ইসলামের ইতিহাসের প্রথম এবং সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ বদর যুদ্ধ। দ্বিতীয় হিজরির রমজান মাসে এ যুদ্ধ হয়। রাসূলুল্লাহ (সা.) ৩১৩ সাহাবীর অতি সাধারণ এক বাহিনী নিয়ে বদর প্রান্তরে মক্কা থেকে আগত এক হাজার অস্ত্রসজ্জিত সেনাদলের মুখোমুখি হন। আল্লাহর সাহায্য এবং রাসূলুল্লাহর (সা.) সুপরিকল্পিত রণকৌশলে মুসলমানরা এ যুদ্ধে বিজয় লাভ করে।
আবু জাহেল, উৎবা, শায়বাসহ কাফেরদের সম্মুখসারির নেতারা নিহত হয়। পরাজিত কোরাইশ বাহিনীর ৭০ কাফের বন্দি হন। বদর যুদ্ধে আল্লাহর সাহায্য, রাসূলুল্লাহর (সা.) রণকৌশল এবং সাহাবায়ে-কেরামের আত্মত্যাগ প্রসঙ্গে নানামাত্রিক আলোচনা হয়। তবে যুদ্ধবন্দিদের সঙ্গে রাসূলুল্লাহ (সা.) যে সদাচারের পরাকাষ্ঠা প্রদর্শন করেছিলেন, তা খুবই কম আলোচিত হয়। আজকের লেখায় আমরা রাসূলুল্লাহর (সা.) চারিত্রিক মহানুভবতার এই অসাধারণ গুণটি নিয়ে আলোচনা করব।
গোত্রের চাপে নিতান্ত বাধ্য হয়ে যারা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন, যুদ্ধের আগেই তাদের হত্যা করা থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছিলেন রাসূলুল্লাহ (সা.)। এদের মধ্যে ছিলেন রাসূলুল্লাহর (সা.) চাচা আব্বাস, নওফেল ইবনে হারিস ও উকাইল ইবনে আবু তালিব। তারা গোত্রের সঙ্গে রণাঙ্গনে এলেও যুদ্ধক্ষেত্রে নিষ্ক্রিয় ছিলেন।
তখন প্রচলন ছিল যুদ্ধবন্দিদের দাস বানিয়ে যোদ্ধাদের মধ্যে বণ্টন। কিন্তু রাসূলুল্লাহ (সা.) বদরের যুদ্ধবন্দিদের কাউকেই দাস বানাননি। বরং মুক্তিপণের বিনিময়ে প্রত্যেককে মুক্ত করে দিয়েছিলেন। এমনকি যারা মুক্তিপণের অর্থ পরিশোধ করতে অপারগ ছিল, তাদেরও ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল।
বদর থেকে মদিনা পর্যন্ত পথ বন্দিদের নিয়ে আসার সময় মুসলমানরা তাদের বাহনে চড়িয়ে নিজেরা হেঁটে পথ অতিক্রম করেছিলেন। যুদ্ধবন্দি কোরাইশ সর্দার ওয়ালিদ ইবনে ওয়ালিদ বিস্মিত হয়ে বলেছিলেন, ‘এ কেমন মহানুভবতা! তারা নিজেরা হেঁটে আমাদের বাহনে চড়তে দিচ্ছে!’
বন্দিদের সঙ্গে বংশীয় আভিজাত্য বা প্রতিপত্তির বিবেচনায় কোনো বৈষম্য করা হয়নি। বরং ধনী-নির্ধন নির্বিশেষে সব বন্দিই সমান সদাচার পেয়েছেন।
একদিন রাতে রাসূলুল্লাহ (সা.) যুদ্ধবন্দি চাচা আব্বাসের (রা.) গোঙানির আওয়াজ শুনতে পেলেন। এতে তিনি অস্থির হয়ে পড়েন। সাহাবায়ে কেরাম রাসূলুল্লাহর (সা.) অস্থিরতা লক্ষ্য করে আব্বাসের (রা.) বাঁধন ঢিলে করে দেন। কিন্তু আত্মীয় বলে বাড়তি সমাদর নবীজী পছন্দ করেননি। তিনি নির্দেশ দেন, সব বন্দির বাঁধনই ঢিলে করে দিতে।
রাসূলুল্লাহ (সা.) বন্দিদের প্রতি নিজে কোমলতা দেখিয়েই ক্ষান্ত হননি; বরং সাহাবায়ে কেরামকে নির্দেশ দিয়েছিলেন, তোমরা বন্দিদের কল্যাণকে প্রাধান্য দেবে।
বদরের বন্দিদের কোনো জেলখানায় বন্দি করে রাখা হয়নি। বরং মদিনার আনসারদের মধ্যে একেকজন বন্দিকে বণ্টন করে দেওয়া হয়েছিল, যাতে তারা নিজেদের ঘরে তাদের আশ্রয় দেন। আনসার সাহাবিরা রাসূলুল্লাহর (সা.) নির্দেশ এমনভাবে বাস্তবায়ন করেছিলেন যে, তারা নিজেরা যা খেতেন বন্দিদেরও তাই দিতেন। এমনকি নিজেদের পোশাক পর্যন্ত বন্দিদের ব্যবহার করতে দিতেন।
যুদ্ধবন্দি কোরাইশ সর্দার আবু উযাইর ইবনে উমাইর বলেন, ‘আমি মদিনার এক আনসারির বাড়িতে বন্দি ছিলাম। রাসূলুল্লাহর (সা.) নির্দেশ পালনে তারা সকাল-সন্ধ্যা নিজেরা খেজুর খেয়ে আমাকে রুটি খেতে দিতেন। লজ্জায় আমি রুটি ফিরিয়ে দিলে তারা জোর করেই আমাকে তা খাওয়াতেন।’
বন্দিদের কাছ থেকে মুক্তিপণ নেওয়ার ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ (সা.) কোনো কঠোরতা অবলম্বন করেননি। মুক্তিপণের সর্বোচ্চ পরিমাণ ছিল চার হাজার দিরহাম; কিন্তু সর্বনিম্নের কোনো নির্দিষ্ট সীমা ছিল না।
মুত্তালিব ইবনে হানতাব কিছুদিন মুসলমানদের হাতে বন্দি ছিলেন। যখন তাঁর জন্য কোনো মুক্তিপণ আসেনি, তখন আবু আইয়ুব আনসারী (রা.) তাঁর সঙ্গে শর্ত করেন— তিনি কিছুদিন তার বাগানে কাজ করবেন, এরপর মুক্ত করে দেওয়া হবে।
সাইফি ইবনে আবি সাইফিকে মুক্তি দেওয়া হয় এই প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে যে, তিনি মক্কা থেকে মুক্তিপণ পাঠাবেন। পরে তিনি প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেন। যদিও রাসূলুল্লাহ (সা.) অনুমান করেছিলেন, সম্ভবত সে কিছু পাঠাবে না। তবুও তাঁকে মুক্ত করে দিয়েছিলেন।
আবার কিছু বন্দির কাছ থেকে মুক্তিপণ পাওয়ার কোনো আশা ছিল না। তখন রাসূলুল্লাহ (সা.) তাদের বললেন— তারা যেন মুসলমানদের ১০ জন শিশুকে পড়ালেখা শেখায়। এটিই তাদের মুক্তিপণ হিসেবে গণ্য হবে।
বদর যুদ্ধ কেবল একটি সামরিক বিজয়ের ঘটনা নয়; এটি মানবতা, ন্যায়নীতি ও মহান চরিত্রেরও এক অনন্য দৃষ্টান্ত। শত্রুদের সঙ্গে যুদ্ধক্ষেত্রে কঠোর হলেও যুদ্ধশেষে বন্দিদের সঙ্গে যে অসাধারণ দয়া, সহমর্মিতা ও মানবিক আচরণ রাসূলুল্লাহ (সা.) প্রদর্শন করেছিলেন, তা মানব ইতিহাসে বিরল।
একটি সময় ছিল, যখন যুদ্ধবন্দিদের হত্যা করা, দাসে পরিণত করা কিংবা কঠোর শ্রমে বাধ্য করা ছিল সাধারণ প্রথা। সেই যুগেই রাসূলুল্লাহ (সা.) বন্দিদের সম্মান, নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিশ্চিত করেছিলেন।
এ থেকে স্পষ্ট— ইসলাম কেবল যুদ্ধের বিধান দেয়নি; বরং যুদ্ধের মধ্যেও মানবতা, ন্যায় ও করুণার সর্বোচ্চ মানদণ্ড স্থাপন করেছে। বদরের যুদ্ধবন্দিদের প্রতি রাসূলুল্লাহর (সা.) আচরণ সেই মহান আদর্শের উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে ইতিহাসে চিরদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

রমজান বিদায় নিয়েছে। কিন্তু ইবাদতের দরজা তো বন্ধ হয়নি। একজন মুমিনের জন্য ইবাদত কোনো নির্দিষ্ট মাসে সীমাবদ্ধ নয়। বছরজুড়েই তা অব্যাহত থাকে। শাওয়ালের ৬ রোজা, জিলহজের আরাফার রোজা, মুহাররমের আশুরার রোজা, প্রতি মাসের আইয়ামে বীজ– এসব নফল রোজা যেন মুমিনের জীবনে তাকওয়ার ধারা সচল রাখার বিভিন্ন ধাপ।
৪ দিন আগে
ঈদ মানে খুশি, ঈদ মানে আনন্দ। আর সেই আনন্দের সবচেয়ে প্রাণবন্ত প্রকাশ ঘটে ঈদের জামাতে। সকালে নতুন জামা পরে আতরের সুগন্ধ মেখে, বাড়ির ছোট-বড় সবাই মিলে ঈদগাহের পথে হাঁটতে শুরু করে।
৯ দিন আগে
ঈদের ছুটি ইতোমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। পরিবারের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে মানুষ ফিরতে শুরু করেছে নিজ নিজ বাড়িতে। এই সময় সড়ক, রেল ও নৌপথে যাত্রীদের চাপ বেড়ে যায়।
১১ দিন আগে
সমাপ্তির পথে এ বছরের রমজান। আর মাত্র দুই দিন বা তিন দিন পরই শেষ হবে এই বরকতময় মাস। প্রকৃতির বসন্ত যেমন একসময় ফুরিয়ে যায়, তেমনি মানুষের অন্তরের বসন্তও দীর্ঘস্থায়ী হয় না। একজন মুমিনের জন্য অন্তরের সেই বসন্তের নাম—‘রমজান’।
১৩ দিন আগে